জমির খাজনা পরিশোধ করতে অতিরিক্ত টাকা।
জমির ৩৬০ টাকা কর রশিদ দিয়েছে আমাকে , আর আমার কাছ থেকে ১৮০০০ টাকা নিয়েছে। সরকার পেলো ৩৬০ টাকা আর আমি দিলাম ১৮ হাজার। তাও নিতে চায়নি, বড় স্যার রাগ করেছে এত কম টাকা নেয়াতে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির ৩৬০ টাকা কর রশিদ দিয়েছে আমাকে , আর আমার কাছ থেকে ১৮০০০ টাকা নিয়েছে। সরকার পেলো ৩৬০ টাকা আর আমি দিলাম ১৮ হাজার। তাও নিতে চায়নি, বড় স্যার রাগ করেছে এত কম টাকা নেয়াতে।
উচ্চতর ডিগ্রির অনুমতি চাইলে তা অনুমোদন এর জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।
আমার বাবার ফ্লাইট ছিলো দুইদিন পরে এক এন এস আই সদস্য আমার বাবাকে কল করে অনেক তথ্য জেনে আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ও সরকারি পাসপোর্টধারী । অই এন এস আই সদস্য আমার বাবার সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন এর জন্য কল করে পরের দিন সকালে দেখা করতে বলে এরপর বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে বলে যে আমার বাবার নামে বাজে রিপোর্ট দিয়ে দিবে বাবা আর কখনো ফ্লাই করতে পারবে না । এরপর ভালো রিপোর্ট লেখার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করে ।আমি ভয় পেয়ে টাকা দিয়ে দেই ।আমার বাবার সময় খুব কম।ছিলো তাই কোন ভাবেই আমরা যাচাই করতে পারি ।তার উপর এন এস আই অফিসেই এমন কাহিনি চলছিলো। এরপর আমাদের কে দেখায় যে ভালো প্রতিবেদন দিসে । পরের দিন আমার বাবা ফ্লাইট ধরে অইদিন জানতে পারে বাবার সাথে ইউনুস এর ফ্লাইট ছিলো ওনার জন্যই সকল যাত্রীদের রুল ভেরিফিকেশ
নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম পেপারর্স ভুল ভুং ভাং বুঝিয়ে হবে নাহ বলে দিলো,পরে দরবেশে ১০ হাজার এ করে দিলো তাও শুধুমাত্র NID দিয়ে
আমার বরো ভাই বিদেশে থেকে একটা স্যামস্যায়াং মোবাইল নিয়ে আসে ২মাস পর সেটা চুরি হয় থানায় জিডি করি মোবাইলেট এমআই নম্বর বের করার জন্য ২০০০ টাকা নেয় পরে এমআই নম্বর বের করে দেয় সেটা দিয়ে জিডি করি লোকেশন মিলিয়ে দেখি সেটা মেম্বারের ছেলে চুরি করে তার মামার কাছে দেয় তার মামা পুলিশে চাকরি করে সব কিছু যানার পর পুলিশ আর কোন একশন নেয়নি কারন এটা পুলিশের কাছে এলাকার মেম্বারের সালা সে মেম্বার পুলিশকে মোটা টাকা দিনে বন্ধ করে ছিল আজও সেই মোবাইল পাইনি
অর্থঋন আদালতে বিবাদীর জমা দেয়া টাকা উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে ২০০/- টাকা দাবী করা হয়।ঋনখেলাপীর টাকা আদায় করার সময়েও টাকা নেয়া কতটুকু রুচির দুর্ভিক্ষ এ থেকেই বোঝা যায়।
এটি কাটমস হাউজের দৈনন্দিন ঘটনা । যেখানে পিয়ন থেকে কমিশনার পর্যন্ত বেশিরভাগ দুর্নীতিবাজ । ঘুষ দেয়া ছাড়া এখানে কেউ কাজ করতে পারে না । যার ফলপ্রসূ আমাদের দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস হতে শুরু করে সব কিছুর দাম বেশি থাকে ।
নিবন্ধনে যারা স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের যোগদানের পর প্রথম মাসের বেতন চালু করতে উপজেলা বা জেলা শিক্ষা অফিসারকে তার চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করতে হয়। নতুবা ফাইল আটকে রাখে। আমিসহ যারা যোগদান করেছিলাম তাদের বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। জন প্রতি পাঁচ হাজার টাকা নিলে যদি এক প্রতিষ্ঠান থেকে দশ জন যোগদান করে তাহলে পঞ্চাশ হাজার টাকা। এরূপ সারাদেশে ১৮তম নিবন্ধনে প্রায় সত্তর হাজার শিক্ষক যোগদান করে। এর মূল্যমান কত দাড়ায় সহজেই অনুমান করা সম্ভব। সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও এই ধরনের দাবী সম্পূর্ণ অন্যায় এবং অপরাধ।
আমি নতুন ভোটার হয়েছি জুলাই মাসে। কার্ড এ আমার পোস্ট কোড এবং গ্রাম এর নাম ভুল এসেছে । তো নির্বাচন অফিস এ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর আমার কাছে কাজ এর পারিশ্রমিক চাচ্ছে। উল্লেখ্য আমি সরকারি বিল পরিশোধ করেছি ৩৫০ টাকা। ফাইল এর জন্যে পারিশ্রমিক চেয়েছে ২০০ টাকা । সরিষাবাড়ী নির্বাচন অফিস।
২০১৮ সালে পাসপোর্ট নিজে থেকে করতে গেলে প্রথমে জন্ম নিবন্ধ কার্ড ডিজিটাল করতে বলে। পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধন কার্ড ডিজিটাল করে নিয়ে গেলে বলে তোমার পেশা দেয়া প্রাইভেট সার্ভিস। প্রাইভেট সার্বিসের প্রমাণপত্র লাগবে বলে ফিরিয়ে দেয়। পরে এভাবে হ্যাসেলের শিকার হয়ে দালাল ধরতে বাধ্য হই। দালালকে ১৫০০ টাকা দিলে সে একই ফাইল দিয়ে পরদিন আবার পাঠায়। এবং পেশার কোনো প্রমাণপত্র ছাড়াই জমা নেয়। পরবর্তীতে পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য ফোন দিয়ে থানায় যেতে বলে। এবং সরাসরি চা-নাস্তার টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা চাইলে ৮০০ টাকা দিয়ে দফারফা হয়।
আমার আবেদনের সময় আমি পেশা unemployed দিয়ে ছিলাম।বায়োমেট্রিক দেয়ার সময় তাদেরকে (অফিস কতৃপক্ষ) জানালে তারা তার জন্য এই টকা দাবি করে এবং বাধ্য হয়ে আমি তা জমা দিয়েছি। আমি যদি টাকা জমা না দেই তাহলে আমার পুরো আবেদনের টকা কাঠা যাবে 😭
আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো আমাকে তারা ৭-৮ বিভিন্ন রুমে ঘুরিয়েছে। সবার টা হইতে ছিলো কিছু আমার কগজ স্কান করে বলে সার্ভার এ পায় না এমন ৩ বার করছে। তার পরে দালাল কে ১৫০০ টাকা দেয়ার পরে। তারা করে দিছে।
I live abroad and had to arrange a police clearance certificate for my mother, as she is not able to manage the process on her own. During the police verification at my permanent address, I had to pay BDT 1,000 to the visiting officer.
“সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও অফিসের প্রত্যেকটি প্রকল্প থেকে আলাদাভাবে ২লক্ষ টাকা করে মোট ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।”
জমি খারিজ করতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল। পরে পরিশোধ করলে তারা কাজ করে দেয়।
If I don’t pay, the MPO file will be rejected as giving the threat by Upazila Shikka officer. He didn’t directly tell me but one of my colleague was his mat and he managed everything. It was 2022.
নতুন চাকরিতে যোগদান করা উপলক্ষ্যে তৎকালীন একাউন্টস অফিসের সুপার ও অডিটর মিলে ৫০০ টাকা জোর করে নিয়েছেন। প্রথমে দিতে অস্বীকার করায় বেতন বন্ধ করে রেখে দিয়েছিল ৭ দিনের মতো। এবং এই টাকা না দিলে পরবর্তীতে আমার অফিসের বিভিন্ন বিল করতে গেলে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। বাধ্য হয়ে মিষ্টিমুখ করানোর নামে এই টাকা নেয়। এছাড়াও সরকারি সকল নিলে ৫% বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হয় অন্যথায় নানার অজুহাতে বিল বন্ধ করে দেয়।
প্রতিবেদন দিতে রাজি না হওয়ায়, পাশের জন পরামর্শ দিল ২০০০ টাকা দিতে।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে আমাকে বলে server নাই, পরে গেটে দারোয়ান বলে server ঠিক হয়ে যাবে টাকা লাগবে, টাকা দিলাম আমার কোন কাগজপত্র নেয় নি ৫ মিনিটে আমার কাজ শেষ, বাহ!
Primary school teacher er GP Fund & CPF er Taka tulte deoa lagse.