নবায়ন
পাসর্পোট নবায়ন করার জন্য দালালের ঘুষ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসর্পোট নবায়ন করার জন্য দালালের ঘুষ।
আমার কাছে ঢাকা,বাসাবো ৪ নং ওয়ার্ড এর কার্যালয় থেকে নাগরিক সনদ উত্তোলন এর জন্য ২০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১০০ টাকা পরিশোধ করে আমি উত্তোলন করি।আমার জানা মতে এই কাজের জন্য টাকা নেওয়ার কোনও বিধান নাই।
আমি অসুস্থ হই এবং ঢাকা মেডেকেলে ভর্তি ও অপারেশ এর জন্য 5000 টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
Garir Bank Draft kora cilo, kintu Taka na dile number hoyna ei office e. Pore 2000 taka dia number kora lagce.
টাকা না দিলে নামজারি হবে না, সেজন্য টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়েছে,
According to government procedure we have submitted particulars for government testimonial, but in the name of office visit government officials demanded BDT: 5000/-
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবাধ ঘুষ কেলেংকারী চলছেই
দেশের বাহিরে যাওয়ার জন্য, এলাকার কাজি অফিসে ভেরিফিকেশন জন্য আবেদন এসেছে। ভেরিফিখেশন অবেদন অনুমোতি দেওয়ার জন্য এলাকার কাজি কে ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে অফিস খরচ বাবদ।
পিজি হাসপাতালে রোগী ভর্তি হতে ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
Amer jonmo soson online kira cilo nah. Online kortay geay 4500 taka ditay hoi
খারিজ খতিয়ান করে দেবে এই জন্য আট হাজার টাকা লাগবে আর সরকারি খরচ কম
এমপিওভুক্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ৫০০০ ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ২০০০ টাকা নিয়েছেন।
ami jomir kagoj dekhte geacilam tara amr kace 3000 tk chai ami baddho hoiye diyesi
Bhumi office khotian dea jonno ghush azide
basically pasport renew er somoy amar doccuments ee kichu jhamela chilo kintu oi jhamela gulo saranor jonno amake 3000 tk ghush dite bola hoi. amar emergency chilo tai dite hoi
আমার ভাইয়ের চাকরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে এইচএসসির সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিলো। তো তারা দিতে রাজি হয়নি শুরুতে এরপরে সারাদিন কাটানোর পর বলল টাকা লাগবে। এরপরে জিজ্ঞেস করলাম কত ? এরপরে বলল ৭০০০। তারপরে অনেক জোর করে ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর দিয়েছে।
নাগরিক সনদ এর জন্য কাউন্সিলর অফিসে কর্মী দের গাড়ি ভাড়া বাবত ৫০০ টাকা / প্রতি আবেদনের জন্য নিয়ে থাকে, না দেয়ার কোন উপায় নাই.
নতুন জম্ম নিবন্ধন বানাতে টাকা দিতে হয়েছে৷
পাসপোর্টের কাগজ জমা দিয়ে গিয়েছিলাম অনলাইনে যে সকল কাগজ দেয়ার নিয়ম বলা ছিল সব ই নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা আমার আরো ৩ টি অপ্রয়োজনীয় কাগজ আনতে বলে সেগুলো পরের সপ্তাহে নিয়ে গেলে জানানো হয় আরো কিছু কাগজের কথা যা নিয়ম অনুযায়ী দিতে হয় না এভাবে ৩ সপ্তাহ ঘুরানোর পরে জানানো হয় 3000 টাকা না দিলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজের লিস্ট কখনো শেষ হবে না ৩০০০ ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ই আমার সকল কাগজ পত্র জমা নেয়া হয় যেগুলো আমি প্রথম বারই নিয়ে গিয়েছিলাম
আমি পাসপোর্ট ৩ মাস পার হওয়ার পরেও সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ায় অফিসে যাই। সেখানে কর্মরত আনসার আমার পাসপোর্ট এনে দেবেন বিনিময়ে তাকে 1000 টাকা চায়। তিনি বলল আমার পাসপোর্ট নাকি আটকে আছে। আমি নতুন মানুষ হয় অত ভালো বুঝতে পারিনি। বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিয়েছিলাম। পরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে পাসপোর্ট আমার হাতে এনে দিয়েছিল। এটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের ঘটনা। সে আনসারের ফোন নাম্বার সাথে থাকায় বাসায় ফিরে তাকে কল করে সবকিছু প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলাম পরে সে বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ব্যাক করেছিল। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশকে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছিল। নয়তো ভেরিফিকেশন পেপার জমা দেবে না বলে হুমকি দিয়েছিল। টাকা দেয়ার পরও অনেক ঘুরাঘুরি করেছিল। কারণ তার 5000 টাকা ডিমান্ড ছিল।