নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার একটি দলিলের তারিখ মাস ও সাল জানা আছে দাতা গ্রহীতাও জানি শুধু দলিল নাম্বার আমার কাছে নেই। সেই দলিলটি শুধু খুঁজে বের করতে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না জিনিসটা আমার প্রয়োজন। অফিস থেকে জানানো হয় আমাদের ইনডেক্স নষ্ট হয়ে গেছে । বাংলাদেশে সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। যদিও সব রেজিস্টার অফিস আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সব মিলিয়ে ভূমি সেবা মানেই দুর্নীতি
মোটরসাইকেলরে কাগজের পিতার নাম ঠিক নাই, বস এটি সিগনেচার করবে না, এটিতে ৪ হাজার লাগবে ৩৫০০ লাগবে পরের তিন হাজার দিয়ে করা হয়েছে এরপরও দুইদিন ঘুরে ঘুরে হয়রানি হয়েছি নিজে করতে চেয়েছিলাম দালালের হাত দিয়ে করতে হয়েছে।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হজে যাওয়ার জন্য ছুটি পাস বাবদ দশ হাজার টাকা। পি এফ এনং পেনশন বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেছি।
ফুলপুর উপজেলার যে সাবরেজিস্ট্রি অফিস আছে, এই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে একজন ব্যক্তি বসে থাকে যিনি দলিলগুলো সাবরেজিস্ট্রার স্বাক্ষর করার পর তার কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি প্রত্যেকটি একশ টাকা, অনেকের কাছে এক হাজার টাকাও দাবি করে থাকে।
জার্মানী এম্বাসি থেকে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আমার কাছে 70 হাজার টাকা দাবি করে পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। এই টাকাটা এম্বাসির কর্মী বাংলাদেশে তার বউ কে পাঠানো হয় 2021 সালে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলেছে আমার কাগজপত্র কোনদিনও ঠিক হবে না কারণ একের এক খতিয়ান থেকে আমার জমি আছে। কিন্তু আমি জমি ক্রয় করার দলিল এবং মাঠ পর্চা দেখিয়েছিলাম তারপরও আটকে রেখেছিল ধীরে ধীরে আমি আর ধৈর্য ধরতে না পেরে টাকা দেওয়া শুরু করেছিলাম। প্রথমে পাঁচ হাজার তারপরে সাত হাজার এমন করে সর্বমোট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার মিউটেশনটি সম্পন্ন হয়।
সাম্প্রতি আমার আগের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে আমি জানি যে বাংলাদেশের যেকোন পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করা যায়। সেই সুবাদে আমি নিকটবর্তী নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার চেষ্টা করি, কোন দালাল ছাড়া! আমি যখন আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই তখন ওনারা আমার আবেদনটি জমা নিলেন না, আমি জিজ্ঞেস করাতে ওনারা বলেন আমার এলাকায় গিয়ে জমা দিতে এখানে হবে না এখানে আমার প্রশ্ন হল কেন হবে না? তখন আমাকে দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলে চ্যানেল নিয়ে আসুন আমি বললাম ওটা আবার কি ভাই? তখন ওনি বলেন আরে ভাই বুঝেন না দালাল লাগবে!😡 তখন আমি একজন দালালের কাছে যাই মোট ১৬০০০ টাকা নেয় তাও পাইনি পাসপোর্ট দুই বছরেও পরে আবার নতুন করে আবেদন করে পাসপোর্ট পাই কারন আগুন লেগেছ
আমাদের চাঁদপুরের ভিতরে হাজিগঞ্জ থানা, ভূমি অফিসে সব কাজে টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না, নাম জারি করতে গেল টাকাও প্রচুর টাকা চায় বিশ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা,
বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম আমার হেলমেট থাকলেও পিছনের জনের হেলমেট ছিলো না, তখন ট্রফিক পুলিশ আটকিয়ে টাকা দাবি করে না দিলে মামলা জরিমানার ভয় দেখায় গাড়ি আটকে রাখার ও ভয় দেখায়
আমার মায়ের পাসপোর্ট তৈরি করার আমি অনলাইনে ফরম পূরণ করি এবং অনলাইন পেমেন্ট করি। কিন্তু তারা আমার বাবার নামের বানান কিন্তু ২০০০ টাকা দিলে পাসপোট জমা নেয়।
চারিত্রিক সনদ ১০০, নাগরিকত্ব সনদ ১০০, একাধিক নামের সনদ ১০০, ফিস, না দিলে সেবা নাই। সব মিলিয়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু আগে লাগতো না সেবা ফ্রিতে পাওয়া যেত। কারন চকিদারী ট্যাক্স দিতাম সেবা নিতাম। এখন ট্যাক্স ও দেই সেবার ধরন অনুযায়ী টাকাও দেই।
প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৩% টাকা কেটে রাখে।ঘুষ বাবদ।
আমি নামজারি করার জন্য টাকা দিছি কিন্তু টাকা লাগে ১১৭০ তারা নিছে ২০০০০ টাকা । তারা আরো অনেক হুমকি দেয়।
এখানে টাকা ছাড়া মামলা নেয় না । ওসি সাহেব আমার কথা শুনে এবং তদন্ত রিপোর্ট শুনে মামলা নিতে বললেও , এসআই রা টাকা ছাড়া মামলা নেয়া না ।
পোস্ট অফিস যেকোনো সেবা নিতে গেলেই টাকা লাগে যেমন সাধারণ সঞ্চয় পত্রের ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা লাগে, সঞ্চয় পত্রের মেইন কফি স্বাক্ষর কোথা থেকে গেল এক হাজার টাকা লাগে ,যদি কোন কারণবশত ভাঙতে চায় তাহলে আর্জেন্ট যদি টাকা লাগে দুই হাজার টাকা চায় না হলে ১৫ দিন ২০ দিন পরে দিবে বলে
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
দলিল অনুসন্ধানের জন্য বছর প্রতি ২০০ ও দলিলের নকল উত্তোলনের জন্য ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা ফিস দিতে হয়। সব মিলিয়ে মনে আছে প্রায় ১৬৫০০টাকা দিয়েছি।
১ টি জমির খতিয়ান উঠাতে সরকারি সব খরচ বাদ দিয়ে,, ২০০০ টাকা দাবি,,,পরে অনেক অনুনয় বিনয় করে ১০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান আনতে হয়েছে
আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।
দালাল ছাড়া কিছু ই করা যায় না এবং অফিসে কারো সাথে কথা বলা খুবই মুসকিল আমরা নির উপাশ