Job for Police verification
চাকুরী ভেরিফিকেশনের জন্য দুইজনের জন্য মোট ১২ হাজার টাকা দাবি করে নইলে ভুলভাল ভেরিফিকেশন পাঠিয়ে দিবে, একপ্রকার চাপ প্রয়োগ করে ৯০০০ টাকা নিয়ে যায়। এস আই শেরপুর সদর থানা তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ভেরিফিকেশন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকুরী ভেরিফিকেশনের জন্য দুইজনের জন্য মোট ১২ হাজার টাকা দাবি করে নইলে ভুলভাল ভেরিফিকেশন পাঠিয়ে দিবে, একপ্রকার চাপ প্রয়োগ করে ৯০০০ টাকা নিয়ে যায়। এস আই শেরপুর সদর থানা তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ভেরিফিকেশন।
আমার ৩৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করেছি। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসে। আমার কোন দাগে ভিপি সম্পত্তি নাই কিন্তু এস এ খতিয়ানে ভিপি যুক্ত আছে। আমার এস এ দাগে বা আর এস দাগ এবং খতিয়ানে ভিপি নাই। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিস আমাকে বলেছে ৫০০০০ টাকা লাগবে। আমি উপায় না পেয়ে টাকা দেই। পরে আমার জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে।আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা এই সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিসে র কাছে বড় অসহায়। আমি মনে করি শধু ভূমি সংক্রান্ত অফিসের দূর্নীতি রোধ করতে পারলে সাধারণত মানুষ একটু স্বত্বি পেত।
আমি আমার দোকানের ৪৫ সেন্ট জায়গার খারিজ করার জন্য আবেদন করি,পরবর্তীতে আমাকে অনেক হয়রানি করে উপজেলা একদিন পর পর নিয়ে এই সমস্যা সেই সমস্যা। পরে আমি নিরুপায় হয়ে তাদের নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে।
অনলাইনে নামজারি আবেদনের পর কাগজপত্র, দলিল সহ অন্যান্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দিতে হয়। সেখানে নির্দিষ্ট অর্থ না দিলে সেটি এসিল্যান্ড অফিসে যায় না বা সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছে না অথবা বিভিন্ন অজুহাতে ক্যান্সেল করা হয়। খাজনা দিতে হলে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে তারা উল্টাপাল্টা অর্থ দাবি বা হয়রানি করে। নামজারি হয়ে গেলে হোল্ডিং খুলতেও এক হাজার টাকা নেয়া হয়।
পে ফিক্সেশন করতে গেলে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে দাবী করে। মোট ১১ জন ছিলাম আমরা, প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে।
মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা প্রদানের জন্য অনলাইনে খতিয়ান যোগ করার পর হোল্ডিং নম্বর অনুমোদনের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৩ টি খতিয়ানের জন্য ১৫০০ টাকা নেয় এবং রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিসে রেকর্ডের কারণীক ভুল সংশোধনের জন্য মিসকেস বাবদ সর্বমোট ৮০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে । ওখানে টাকা না দিলে কোন কাজ হয় না।
বাটোরানামা দলিল করার জন্য গেলে, ৪০০০০/= রেজিস্ট্রার সাব কে দেওয়া লাগবে বলে নেওয়া হয়। বাকি ১৭০০০/= চালান, লেখক, ইত্যাদি।
🚨 ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ 🚨 আমরা যারা সরকারি চাকরি করি, বিশেষ করে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, আমাদের কি সরকারি দপ্তরে নিজের ন্যায্য কাজ করাতেও ঘুষ দিতে হবে? অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে বলতে হচ্ছে—রংপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা, কোনো কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি অনুমোদন, একাডেমিক স্বীকৃতি, ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনসহ বিভিন্ন কাজে গেলে অফিসের পিয়ন-কর্মচারীদের টাকা দিতে হয়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কখনো ৫০০ বা ১,০০০ টাকা, আবার কখনো ২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের ধরন অনুযায়ী আরও বেশি টাকা দেওয়ার দাবি বা চাপের মুখে পড়তে হয়—এমন কি দিতে হয়। ✊ ঘুষ বন্ধ হোক। হয়রানি বন্ধ হোক।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স ফি ছিলো ৫০০ টাকা। বিভিন্ন বিষয় এবং দ্রুত সময়ে করার জন্য দাবি করেছিল ৩৫ হাজার টাকা এককালীন। পনেরো বিশ হাজার টাকা মত দেওয়া হয়েছিল। অন্যগুলো এখন ডিও আছে ।
C&F এর AIN UnLock করার জন্য Operation Manager (OPM) ঘুষ নেন , তিনি একজন AC । কাস্টমস হাউসের ভেতরে বাম গলিতে কাস্টডিয়ান গলিতে 07 জন AC/DC বসেন, ওনারা প্রত্যেকটা কাজে বিভিন্নহারে ঘুষ নেন। তাদের পক্ষে সহকারী বা সিপাহীরা এই ঘুষ গ্রহণ করেন।
আমি প্রথম এ আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ এ যাই জন্মনিবন্ধন তৈরি করতে। প্রথম এ তারা শুনলো যে আমি কি কাজের জন্য এখানে এসেছি। তারপর আমি বললাম যে জন্মনিবন্ধন তৈরি করতে। তারা বললো যে সব কাগজপত্র আছে, আমি বললাম যে না একটি কাগজ নাই ।তারা বললো যে কোন কাগজ? আমি বললাম যে বয়স প্রমাণের জন্য কোন কাগজ নাই। তখন তারা বললো যে ও কাগজ ছাড়া আপনার জন্মনিবন্ধন তৈরি করা যাবে না। তারপর ওখান কার একজন সাইটে নিয়ে গিয়ে বললো যে আমাকে ১৫০০ টাকা দেন আমি করে দিবো । এভাবেই তারা আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা নিয়েছে। অথচ সরকারি ফি অনুযায়ী ১৫০ টাকার মধ্যে হওয়া কথা।
PASSPORT OFFICE 7500 TAKAR NIYA AMAR PASSPORT KORA LAKCA
কাগজপত্র দেওয়ার সময় ডাইরেক্টলি টাকা চাই
ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা খারিজ খতিয়ান করার জন্য 7000 টাকা দাবী করেন। সাব রেজিষ্টার সহ সবাই টাকার ভাগ নেয়। টাকাটা অফিসের পিয়নের মাধ্যমে চাওয়া হয় পরে তা দিতে বাধ্য হই।
নামের একটু অক্ষর ভুল থাকায়। পরে ভুল নামই দিছে কিন্তু আমার থেকে বাড়তি টাকা নিছে
ভূমি খারিজ করার জন্য নিয়েছে
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম বলে কাবিননামা সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে আনা হয়নি বলছি পরে দিব বলে এখন ২০০০ টাকা দিলে আর কাবিননামা লাগবে না এর পর করে দিছে
সড়ক ও জনপদ কুমিল্লা প্রবেশপথের আবেদন করলে, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের কুমিল্লা সার্কেলের সার্ভেয়ার অনুমোদন এর জন্য দলিল খতিয়ান আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র চান,সব কাগজপত্র দেওয়া হলে উনি দুই লক্ষ টাকা দাবী করেন (শুধু কুমিল্লা জোন অফিসের কাজ অনুমোদিত করে দিবেন কিন্তু ঢাকার জোন থেকে নিজ দায়িত্বে কাজ করিয়ে আনতে হবে)। দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার পর,উনি সাইট ভিজিটে গেলে ওইখানেও উনাকে যাতায়াত খরচ দিতে হবে। সড়ক ভবন দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার পরেও আরও বিভিন্ন কারণে বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়। জোন অফিস থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর ঢাকা অফিস থেকে টাকা পয়সা খরচ করে চুড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে আসার পর এই সার্ভেয়ারের হয়রানির শেষ থাকে না। এই রকম ভুক্তভোগী শতশত। প্রবেশপথ অনুমোদন কাজ করার মাধ্যমে সে কোটি টাকা লুটপাট করছেন।
আমি আমার মায়ের পাসপোর্ট করতে যাই। কারণ আমার মা ওমরা করার ইচ্ছে হইছ ঐ সুবাধে আমি অনলাইনে আবেদন করি আবেদন মোতাবেক নির্ধারিত তারিখে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে কাগজ পত্র জমা দিই ২ঘন্টা বসাইয়া রাখার পরে বলে যে এই আবেদনে হবে না? আমি কারণ জানতে চাইলে বলে নতুন আবেদন করতে হবে আর না হয় ৩০০০ টাকা দিতে হবে এখানে আসলে এমপি ও মন্ত্রীরা ও টাকা দিতে হয়। আমার মা উনাকে বললো বাবা তুমি আমার ছেলের সমান কিছু টাকা কমাই নেও সে শুনতে নারাজ তার পরে বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা দিয়েছি।
আমি প্রবাসী দেশে এসে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড নিতে আসলাম তারা বললো ৪৫০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে, এটা নাকি সরকার নির্ধারিত করেছে।