বদলী জানিত কারনে হিসাব রক্ষণ অফিসে
সরকারি চাকুরী। বদলী হলেই এলপিসি লাগে। এজি অফিসে টাকা না দিলে এলপিসি ফরওয়ার্ড হয় না৷ এমনকি দপ্তর প্রধান বলে দেওয়ার পরও কাজ হয় নি৷ অবশেষে ২০০০ টাকা দিলাম। কাজ জলের মত হয়ে গেল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি চাকুরী। বদলী হলেই এলপিসি লাগে। এজি অফিসে টাকা না দিলে এলপিসি ফরওয়ার্ড হয় না৷ এমনকি দপ্তর প্রধান বলে দেওয়ার পরও কাজ হয় নি৷ অবশেষে ২০০০ টাকা দিলাম। কাজ জলের মত হয়ে গেল।
Take extra money for driving license, otherwise they didn't pass u in driving license exam
Police verifcation korte ami 500 tk Disi anumanik 2024 ba 2025 saal er dike
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিজে না এসে উনার প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলেন। ওই প্রতিনিধি কাজ করার জন্য নাকি পুলিশের নিজের খরচে ফাইল আপলোড দিতে হয় বলে কিছু টাকা দাবি করে। দরদাম করে ৫০০ টাকায় দফারফা হয়। আমার সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল, এমনকি আমার নামে কোন মামলাও ছিলনা। তবুও টাকা দিতে হয়েছে।
I purchased a 950 square feet Flat in Rampura using my Staff House Building Loan. I also recorded it to the wealth Statement. The Income Tax officer called me and asked the amount.
Police came to my college, then had a cup of tea, then had to paid 500 BDT bribe.
চাকরিতে জয়েন করার কিছুদিন পর আসলো হিন্দু সাংবাদিকদের পূজার চাঁদা, এরপরে তাদের বনভোজনের চাঁদা, প্রোগ্রামের চাঁদা আরও কত কি
একটি মিথ্যা হত্যা মামলায় প্রায় ১০ জন নিরাপরাধ মানুষকে আসামী করা হয়েছিল যা মেডিকেল রিপোর্টে প্রমান হয়। ফলে যথা সময়ে মামলার চার্জশিট দাখিল করলে আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে যাবে বলে যানা যায়। কিন্তু তদন্ত কর্ম- কর্তা এবং ওছি মিলে ৩,০্০০০/- টাকা দাবী করে এই রিপোর্ট জমা বিলম্বিত করতে থাকে। এসপি সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও লাভ হয়নি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ১০০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করাতে হয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয় আদালতে এটা শামিল করতেও ঘুষ দিতে হয়েছে। জামিনের ক্ষেত্রেও পিপিকে ঘুশ দিতে হয়েছে। ঘুশ ছাড়া কোন কাজ হয় না বাংলাদেশে!!!
২০২৩ সালে আমার বাবা মারা যায়। তিনি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন। উনি মারা যাওয়ার পর উনার প্রভিডেন্ট ফান্ড কল্যান এবং প্রভৃতি ফান্ড এর টাকা তোলার জন্য যখন শিক্ষা অফিস এ যায় তখন কাহারোল এর শিক্ষা অফিস এত ততকালিন কম্পিউটার অপারেটর আমি এবং আমার মায়ের সাথে ৮৫০০০ টাকার চুক্তি করে তারপর প্রসেস করে। তাকে আমরা সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয় এমনকি ট্রেজারি অফিস এও পদে পদে ৫০০/১০০০ করে বেশ কয়েকবার ঘুষ দেয়া লাগে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সরকারি ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত আরো ৩০০০ টাকা করে বিভিন্ন মাধ্যমে কিংবা দালালদের মাধ্যমে আদায় করে। এই টাকা এসব অফিসের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। টাকা না দিলে টেকনিক্যালি আটকে দেয়। হয়রানি এড়াতে সবাই এখন নির্দ্বিধায় ঘুষ দিয়ে দেয়।
কিশোরগঞ্জের বিন্নাটি টোক মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ এর সময় আমাদের দেওয়া ক্ষতিপূরণে টাকা তুলতে গেলে ১০ % ঘুষ চায়। আমি ২৫ লাখ টাকার মাঝে হাতে পেয়েছি মাত্র ১৮ লাখ সরকারি বিভিন্ন খরচ এবং ঘুষ দিয়ে
আমার জীবনের কর্মজীবন শুরু হয় প্রবাস দিয়ে, দীর্ঘ অনেকগুলো বছর প্রবাসে কাটিয়ে আমি একটা ব্যবসা শুরু করি আলহামদুলিল্লাহ, এরপর পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নতুন পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে জমা করি, দীর্ঘ তিন মাস হয়রানির পরে, আমি পাসপোর্টটি হাতে পাই, উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর ঘর মক্কায় ওমরা হজ আদায় করার নিয়ত,আল্লাহ কবুল করলেন, ওমরায় যাওয়ার আগে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য জমা করি, তখন নিয়ম ছিল পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে হবে, যথারীতি আমার সাথে আমার নিকটস্থ থানার ডিএসবি পুলিশ অফিসার আমাকে বলে যে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য খরচ বাবদ ২০০০ টাকা দিতে হবে, আমি নিরুপায় হয়ে টাকাও দেই,
আমি যখন আমার মায়ের বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরমটি জমা দিতে যাই তখন সেখানে থাকা কেরানি বলল ফরমের সাথে ১০০ টাকা লাগবে। যার কোন রিসিভ আমাকে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বুঝতে পারলাম এটা আসলে ঘুষ ছিল।
আমাদের জমির খারিজ অন্য জনের নামে ছিল।এইটা কেটে আনতে মিস কেইস করি।রেকর্ড টা আমাদের নামে আনতে সেখানেই আমাকে ৭ হাজার টাকা দিতে হইছে। এর পর খাজনা দিতে গিয়ে আরো ৩ হাজার টাকা দিতে হইছে
কয়েককবার আবেদন করলে তা রিজেক্ট করে দে। পরে টাকা প্রদান করার ভুমি অফিসার নামজারি করে দেন।
আমি ২০২১ সালে নিজে নিজে আমার আর আব্বুর পাসপোর্ট আবেদন করি তখন আমি সহজে পাসপোর্ট অপিস ঘুষবিহীন কিন্তু পুলিশকে তদন্তে কল দিলে পরিচিত ছিল তাই ৫০০ দিতে হত। কিন্তু আমার পাসপোর্ট ২০২৫ সালে যখন রিনিউ করার আবেদন করতে যাই সব ডকুমেন্টস নিয়ে তখন এটা সেটা বলে আবেদন জমা নেয় নাই। কয়েকদিন পর একটা এজেন্সিকে ২৫০০ টাকা দিয়ে যখন আগের ডকুমেন্টস গুলো নিয়ে যাই এবার জমা নিয়ে নেয়।কারন ফরমে তাদের একটা কোড মানে জিমেইল আইডি। বাহিরে চলে যাবো বাধ্য হয়ে করতে হয়ছে।
রেজিস্ট্রির সময় অফিস খরচের নামে নেওয়া হয় অতিরিক্ত। এর একটা অংশ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে যায়, আরেক অংশ দলিল লেখকগন ভাগ ভাটোয়ারা করে নেয়।
সহকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের ভেরিফিকেশনের সময় DSB-র এক কর্মকর্তা ৬০০০ টাকা দাবি করে।আমি ২০০০ টাকা দিতে চাওয়ায় রাজি হচ্ছিল না।মনের মধ্যে ভয় থেকেই (যদি ভেরিফিকেশনে নেগেটিভ তথ্য দেয়)পরবর্তীতে ৪০০০ টাকা দিই।কিন্তু তারপরও দিনি রাজি হচ্ছিল না।কথাবার্তার এক পর্যায়ে উনি কনভিন্স হন।
আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য একটি অগ্রিম বর্ধিত ইনক্রিমেন্ট পাই যেটা পেতে প্রায় কয়েকমাস লেগে যায়,যার বকেয়া আসে ১০০০০+ টাকা।এই বকেয়া টাকা তোলার জন্যব+ বর্ধিত ইনক্রিমেন্টটা যুক্ত করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ২৯০০টাকা নেয় করিমগঞ্জ এজি অফিস। এটা শুধু আমার জন্য নিছে এমন নাহ আমরা যারাই করিমগঞ্জ সরকারি চাকুরী করি সবার কাছ থেকে এই অর্থ নেয়া হয়ে থাকে।
খুবই হয়রানি করে সর্বশেষ ঘুষ দিয়ে মৃত পিতার পেনশনের টাকা তুলতে হয়েছে