Staff Quarter - Paper Check
অঝথা আমার বাইকের পেপার্স আটকে রেখে আমার কাছে ১০৬০ টাকা আদায় করা হয়। আমার কাছ থেকে ফোন নিয়ে বিকাশে যায়, সেখান থেকে লোন নিয়ে পরে তার নাম্বারে টাকা ট্রান্সফার করে নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অঝথা আমার বাইকের পেপার্স আটকে রেখে আমার কাছে ১০৬০ টাকা আদায় করা হয়। আমার কাছ থেকে ফোন নিয়ে বিকাশে যায়, সেখান থেকে লোন নিয়ে পরে তার নাম্বারে টাকা ট্রান্সফার করে নেয়।
দালাল কোড নাম্বার ছাড়া ফাইল জমা দিলে ফাইলে ডকুমেন্ট শর্ট আছে বলে ফেরৎ দেয় । পরে দালালের মাধ্যমে ১৫০০/- টাকা দিয়ে জমা দেওয়ার পর কোনো ডকুমেন্ট লাগে নাই ।
যে কোন বিল পাশ করতে হলে ট্রেজারী অফিসে ৫% দিতে হবে বিলের। নাহলে বিল পাশ হবে না। চাকরিতে জয়েন করার পর থেকেই দেখছি এই নিয়ম চলে আসছে।শুধু আমাদের অফিস ৫% দেয় এমন না, সকল অফিস বিল পাশের জন্য ৫% দেয়।
নতুন গাড়ীর নাম্বার আসেনি কিন্তু ট্যাক্স কপি লাগিয়ে গাড়ী চালাচ্ছিলাম। ট্রাফিক গাড়ী থামিয়ে বললো, নাম্বার ছাড়া গাড়ী বের করলেন কেনো? আমি দেখালাম ট্যাক্স টোকেন তো আছে, যদ্দুর জানি ট্যাক্স টোকেন দিয়ে গাড়ী চালানো যায়। উনি বললো মামলা হবে শুন্য (০০) নাম্বারে, যেহেতু নাম্বার আসার আগেই গাড়ী বের করেছেন রোডে। গাড়ী রেখে যান। অনেক বাক বিতন্ডা পরে ২০০০/ দাবি করেছিল। আমি আমার পকেটে থাকা ৫০০/- দিয়ে অনেক রিকুয়েস্ট করে গাড়ী ছাড়িয়েছি।
জমি সংক্রান্ত দলিলের একটি ফাইনাল ডিগ্রীর রেকর্ড খুঁজে বের করার জন্য জর্জ কোর্টের রেকর্ডরুমে যারা আছেন তাদের দায়িত্ব প্রধান তাকে ৫০০০ টাকা দেয়া হয় পরবর্তীতে তারা ডিগ্রীর কপি আমাদের দেখায় এবং তাদের নির্দেশমতো আমরা আবেদন করি কিন্তু এখন বর্তমানে তারা কাগজটি খুঁজে বের করে দিচ্ছে না ( ডিগ্রীর কপিটি)। তারা এখন দীর্ঘদিন থেকে বলছেন যে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু তারা যে আমাদেরকে খুঁজে বের করে দিয়েছিলেন তার ছবি আমাদের কাছে আছে । এখন তারা দিতে অস্বীকার করছে মাসের পর মাস এমনকি বছরপার হয়ে গেছে এখনো তারা আর ওই ডিগ্রীর কপিটি আমাদের দিচ্ছেন না।
মেহেরপুর জেলা গাংনী থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দিতে গিয়েছিলাম। কর্মরত থাকা পুলিশ অফিসার আমার কাছে অহেতুক দুই হাজার টাকা দাবি করে, এবং পরবর্তীতে সেটা পরিশোধ করার জন্য জোর দাবি করা হই। আমাকে বলে যে টাকা না দিলে কাজ হবে না। বিশেষ করে গাংনী থানার সবগুলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা ঘুষের সাথে জড়িত।
আমার ফুপুকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়েছিলাম ৩ দিন রাখার পরেও বেড পায়নি। পরে এক দালাল ওরা বলে ওয়ার্ড বয় তারে ৫০০ টাকা দিতেই বেড ব্যবস্থা করে দেয়
ইনপুট ডকুমেন্ট সার্টিফাই করতে ২০ টাকা লাগে
A police checkpoint on Gulshan 2 Lake Road blocked me. Found 2 cigarettes and rolling paper. Take me to the box. Took all the money from the money bag and threatened to file a case against me for a drug offense if I told anyone.
নতুন বিডিএস খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ এর জন্য দেওয়া লাগছে
The tax returns office had apparently lost my mother’s file and we had to pay around 1500-2000 taka to ‘magically’ retrieve it.
Printing the SSC, HSC certificates. Long delay. Needed to pay to print them on time.
নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর প্রধান এ অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে আবেদন বাতিল হয়ে যায়।
সব পেপার জমা দেয়ার পর, অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যেটা বাহিরে করা যায় না, বি আর টি এ এর কম্পিউটার এ করতে হয়। তখন ১০০০ টাকা দাবি করে।
নামজারি করতে লাগে ১১০০ টাকা, কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৮০০০ টাকা।
আমি জানতাম না গাড়িতে কালো স্টিকার লাগানো নিষেধ। এই মাসের ১৪ তারিখ আনুমানিক দুপুর ২টায় নীলক্ষেত লাইব্রেরী পট্টির সামনে দিয়ে আমার গাড়ি যাচ্ছিলো। দায়িত্বরত পুলিশ আমার গাড়ি থামিয়ে কালো স্টিকার কেনো লাগিয়েছি জানতে চায় এবং এটা অবৈধ তা বলে। আমি এ বিষয়ে জ্ঞাত না এবং প্রথমবারের জন্য ক্ষমা করে দিতে বললেও তিনি আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করেন অন্যথায় মামলার হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিলে তিনি কোন রিসিট প্রদান ছাড়াই ওই টাকা নিজ পকেটে নিয়ে নেন।
সে আমার কাছে কাজ দ্রুত করার জন্য টাকা দাবি করে।টাকা না দিলে কাজ হবে না কাজ ঘুরবে।তখন আমি বুঝলাম টাকা ছাড়া আমার কাজ হবেনা।তখন আমি তাকে টাকা দেই
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য চেয়েছিল টাকা
আমি তদন্ত বিল সাবমিট করার পর অ্যাকাউন্ট জেনারেল অফিসে গিয়েছিলাম সেটা পাস করানোর জন্য। প্রায় ২.৫ লাখ বিল এর জন্য ৩০০০ টাকা দিয়ে বিল পাস করাতে হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার জন্য এক্সট্রা ৩০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। এবং এই টাকাটা বিআরটিএ এর কর্মকর্তারাই নিয়েছেন। যাকে দিয়েছি সে বলেছে একদম ওপর পর্যন্ত সবাই কে টাকাটা দেওয়া লাগবে ভাগে যোগে।