পুলিশ ভেরিফিকেশন
২০২৩ সালে যখন প্রাইভেট ব্যাংকে ছিলাম তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩ হাজার টাকা নেয়। এবং ২০২৫ সালে যখন সরকারি ব্যাংকে এসেছি তখন পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য ১ হাজার টাকা নেয় বিকাশে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২৩ সালে যখন প্রাইভেট ব্যাংকে ছিলাম তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩ হাজার টাকা নেয়। এবং ২০২৫ সালে যখন সরকারি ব্যাংকে এসেছি তখন পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য ১ হাজার টাকা নেয় বিকাশে
আমার মামানি ও মামাতো ভাই যার বয়স তখন ৩ বছর ছিল। সালটা ২০২৩ সাল। আমার মামা বিদেশে থাকেন তো উনি উনার ফ্যামেলিকে উনার কাছে নেয়ার জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন করেন। আবেদনে উনার স্ত্রীর প্রফেশন ও বাচ্চার প্রফেশন দেয়া হয় নি। তো পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা এটা গ্রহণ করেন নি, বললেন ঠিক করে নিয়ে আসেন, এটা ভুল, আমরা তখনও জানতাম না যে ভুলটা কোন জায়গায়? তারপর উনাদের বললাম যে ভুলটা কী,উনি বললেন সেটা আপনারাই জানেন,তারপর উনি একটা নাম্বার দিলেন ফন করার জন্য,তো আমরা উনার সাথে কন্ট্রাক্ট করলাম,উনি আসলেন,কি যেনো লিখলেন! ব্যাস কাজ হয়ে গেছে,একই কাগজ,একই আবেদন। তখন আমাদের পাসপোর্ট করটা জরুরি ছিলো তাই আমরা এক্সট্রা ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে সেটা করিয়েছিলাম।
২০২১-২০২২ অর্থ বছরের আয়কর প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের পরে জমা দেয়ায় ফাইলটি অডিটের নামে অতিরিক্ত ২.৫লক্ষ টাকা অতিরিক্তি কর হবে মর্মে ভীতি প্রদর্শন করে ১০০০০টাকা ঘুষের মাধ্যমে আপত্তি নিস্পত্তি করে।
অসুস্থ ছিলাম আবার ঐ সময় আমার ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার রিটেন ছিলো।এজন্য ডাক্তারের পরামর্শে ছুটি + আমার পরীক্ষা ছিলো।এজন্য ছুটি নিতে গেলে ১ হাজার টাকা নিয়ে ১ মাসের ছুটি মঞ্জুর করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ।কিন্তু আমার পরীক্ষার ২ দিন আগে ১ মাসের ছুটি শেষ হয়।কিন্তু পরীক্ষার কারণে সে আর ছুটি দিবে না। টাকা খাওয়ার ধান্দায়। ১ মাসের পুরা বেতন চাইছিলো সে।পরে ৬০০০ টাকা নিছে। ৪৭ তম বিসিএসের ভাইভার জন্য এনওসির জন্য ১০০০০ টাকা চাইছিলো।কয়েকদিন ঘুরাইছে।পরে শিক্ষক নেতাদের দিয়ে বলাইছিলাম আর সবাইকে বলে দিছিলাম।পরে টাকা না দিয়েই কাজটা করে নিয়েছিলাম।
সরকারি সকল নিয়ম মেনে আমার আইডি থেকে ক্রয়কৃত জমির মিউটেশনের আবেদন করি। কিন্তু এসিল্যান্ড তা প্রত্যাখ্যান করে মিউটশন না মঞ্জুর করে দেয়। ঐ একই জমি দালালের মাধ্যমে ১২০০০ টাকার বিনিময়ে আবেদন করতে হয়। এবং ৫ দিনের মধ্যেই এসিল্যান্ড তা মঞ্জুর করে দেন। কি এক ম্যাজিক!!! যেখানে লাগার কথা ১১৭০ টাক সেখানে লাগে ১২ হাজার টাকা প্রায় ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় আমার। মিউটেশনর এই প্রমান আমার কাছে আছে
টাংগাইলের বাসাইলে ভূমি অফিসে ২৫০০ টাকার কমে তারা নামজারি হয় না৷ এই টাকা থেকে জেলা অফিসেও টাকা যায়। আর এখানের যারা পদক্রম অনুযায়ী জনপতি ভাগ করে নেয় নায়েব থেকে অফিসের যত লোক আছে। শুধু তাই না সাংবাদিক বিল ও আছে৷ এখানের একটা অংশ স্থানীয় সাংবাদিকরা পায়। এই শর্তে যে তাহলে বাসাইলের কোন অফিস নিয়ে সাংবাদিক রা কোন দুর্নীতির সংবাদ পরিবেশন করবে না।
দালাল ছাড়া আমার ফাইল হাতেই নেয় নি। তার পর দালাল ধরার পর তারা পাসপোর্ট করেছিল। পাসপোর্ট অফিস না শুধু, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য পুলিশকেও টাকা দিতে হয়েছিল
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য কোনো সাহায্যই ইএনও অফিস করেনাই,বার বার শুধু গিয়ে ব্যর্থ হতে হয়েছে। অগত্যা সেখানের এক কর্মচারীকে ৪০০০টাকা দিলে কাজটি ২দিনেই করে দেন।অথচ লিগ্যাল উপায়ে আমি ৭মাস মাস ঘুরেছি অফিসে।
টাকা না দিলে ফাইল ফরওয়ার্ড করবেনা।
To Export any kind of goods in South Asia Country under Free Trade agreement (SAFTA). Authority of EPB issue a certificate name is SAFTA. There is a fix rate of speed money (Ghus) Per Document Tk. 500/= (Payment Slip=50, Seal =50, Sign =200, Register Entry = 200).
একটি আবেদনে করার জন্য একটি সই লাগতো, আমাকে সই না দিয়ে শুধু ঘুরানো হচ্ছিলো ও হয়রানি করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে টাকা দাবী করলে ও দেয়া হলে কাজটি করে দেয়।
সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
Demands Money for Each Cerification
i had to pay to get birth registration certificate
ব্যাংকের মরগেজ করতে ৫০,০০০/- টাকা নিয়েছে বর্তমান সাব রেজিস্ট্রার ।
My mother was a cancer patient, after chemotherapy need a bed seat to go for operation. but everyday we submit documents in hospital in morning and reject after afternoon. 22days we done the same thing. but no seat arranged as a normal process. then contact with a ward boy, he claimed 8k for this purpose. and after the deal we get a seat. and paid him 8k.
লাইসেন্স করতে ৫০০০ টাকার মত ঘুষ নিয়েছিলো নাহলে বলছিলে ১ বছর লাগবে।এজন্য বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছিলো।
আমার HSC Exam সিটি পরে ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে , physics practical exam মহানগর মহিলা কলেজে physics sir কে ১০০০ টাকা করে না দিলে উনি practical ফেল করে দিবেন. বাধ্যতামূলক আমার সবাই উনাকে ১০০০ করে টাকা দেয়, শিক্ষক হয়ে নির্দয় মত টাকা নেয় আর নাম রোল নম্বর লিখে রাখে, কে কে দিয়েছে,, আমাদের বন্ধুরা সবাই দিয়েছে বাধ্য হয়ে ভয়ে দিয়েছিলাম, আমরা পরীক্ষা দিয়েছিলাম জনে প্রায়২৩০×১০০০=২৩০০০০টাকা.ঢাকা তেই অবস্থা, আর গ্রামের দিকে তো প্রতি SSC, HSC, practical exam system, এ টা স্যারদের খুশি করলে practical number সম্পুর্ন দিবে, একটু খোঁজ নিলেই দেখিলেন,কি আজব এই শিক্ষকরাই আমাদের সততা শিক্ষা দেয় তারাই আবার দূর্নীতি শিক্ষা দেয় এটা বন্ধ করতে হবেই
মিউটেশন করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে,এই কাগজ ঠিক নেই,অই কাগজে সমস্যা, অমুক স্যার নেই,,,এধরণের হাজারো অপশন বের করে।
for new passport need to pay 10000, because it was urgent for um rah purpose. without bribe that was so long and time consuming and lots of trouble