জন্মনিবন্ধন সনদ সংশোধন
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য কোনো সাহায্যই ইএনও অফিস করেনাই,বার বার শুধু গিয়ে ব্যর্থ হতে হয়েছে। অগত্যা সেখানের এক কর্মচারীকে ৪০০০টাকা দিলে কাজটি ২দিনেই করে দেন।অথচ লিগ্যাল উপায়ে আমি ৭মাস মাস ঘুরেছি অফিসে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য কোনো সাহায্যই ইএনও অফিস করেনাই,বার বার শুধু গিয়ে ব্যর্থ হতে হয়েছে। অগত্যা সেখানের এক কর্মচারীকে ৪০০০টাকা দিলে কাজটি ২দিনেই করে দেন।অথচ লিগ্যাল উপায়ে আমি ৭মাস মাস ঘুরেছি অফিসে।
টাকা না দিলে ফাইল ফরওয়ার্ড করবেনা।
To Export any kind of goods in South Asia Country under Free Trade agreement (SAFTA). Authority of EPB issue a certificate name is SAFTA. There is a fix rate of speed money (Ghus) Per Document Tk. 500/= (Payment Slip=50, Seal =50, Sign =200, Register Entry = 200).
একটি আবেদনে করার জন্য একটি সই লাগতো, আমাকে সই না দিয়ে শুধু ঘুরানো হচ্ছিলো ও হয়রানি করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে টাকা দাবী করলে ও দেয়া হলে কাজটি করে দেয়।
সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
Demands Money for Each Cerification
i had to pay to get birth registration certificate
ব্যাংকের মরগেজ করতে ৫০,০০০/- টাকা নিয়েছে বর্তমান সাব রেজিস্ট্রার ।
My mother was a cancer patient, after chemotherapy need a bed seat to go for operation. but everyday we submit documents in hospital in morning and reject after afternoon. 22days we done the same thing. but no seat arranged as a normal process. then contact with a ward boy, he claimed 8k for this purpose. and after the deal we get a seat. and paid him 8k.
লাইসেন্স করতে ৫০০০ টাকার মত ঘুষ নিয়েছিলো নাহলে বলছিলে ১ বছর লাগবে।এজন্য বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছিলো।
মিউটেশন করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে,এই কাগজ ঠিক নেই,অই কাগজে সমস্যা, অমুক স্যার নেই,,,এধরণের হাজারো অপশন বের করে।
for new passport need to pay 10000, because it was urgent for um rah purpose. without bribe that was so long and time consuming and lots of trouble
সময়টা ২০২৬ সালের ঈদের পরের ঘটনা। আমার বাবার আইডি কার্ডের নামের সাথে ssc/hsc সার্টিফিকেটের নামের একটু বানানে অমিল ছিলো সেইজন্য তারা ২৫০০ টাকা দাবি করে। শেষে উপায়ন্তর না পেয়ে ১৭০০ তে চুক্তি হয়। শেষে পাসপোর্ট এর কাজ সম্পন্ন করতে পারি। আমার কথা হচ্ছে যদি মিল না থাকলে আসলে পাসপোর্ট করতে সমস্যাই হয়ে থাকে তবে টাকা দিলে সেটা নিমিষেই কীভাবে কাজ করলো? আর পুলিশ এর হাতে এত কি ক্ষমতা যে সে নিমিষেই নামের অমিলকে তুচ্ছ করে পাসপোর্ট করে দিলো?
বাবার ডেথ সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করছিলাম। কিন্তু বারবার ভুল তথ্য প্রিন্ট আউট করে দিচ্ছিলো ওরা। ওয়েবসাইট এর ত্রুটি না ইচ্ছাকৃত ভুল জানিনা। ওয়ার্ড নং ১৯ এর জায়গায় ১৬। বললো ওয়ার্ড সচিবের sign লাগবে। ১৯, ১৬ দুইটাই ট্রাই করে দেখলাম। Sign দিলোনা সচিবেরা। এক ফ্রেন্ড বললো টাকা রাখতে হাতে, সে কথা বলে দেবে। তার পরিচিত একজন আছে। টাকা দিতে বাধ্য হলাম। ৫০০ যদিও দাবি করেনি। বললো একটা এমাউন্ট দিয়ে দিতে। ওয়ার্ড সচিবের sign লাগলোনা।নতুন ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেলাম। ঐখানে ওয়ার্ড নং-এর অপশনই নাই।
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে নানান তালবাহানা করেছে এবং সর্বশেষ আমাকে দালাল ধরতে বাধ্য করা হয়েছিলো এবং ২,৫০০.০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে।
পুলিশের চাকরি মানেই বদলি,যেটা একটা কমন বিষয়। কিন্তু সমস্যা হলো বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করার পর ৩/৪ মাস বেতন পাওয়া যায়না,কারন জেলা হিসাব রক্ষন অফিস থেকে LPC পাঠায়না,এটা পাঠানোর জন্য ৫০০/১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।একজন মানুষ ৩/৪ মাস বেতন ছাড়া কিভাবে চলে😥এমন কি প্রতি বছর প্রভিন্ডেন্ট ফান্ডের হিসেব নেওয়ার জন্য + রেজিস্ট্রারের এই হিসেব তুলার জন্য ২০০/৫০০টাকা দিতে হয় না হলে প্রভিডেন্ট ফান্ডের হিসেব রেজিস্ট্রারে ঠিক থাকেনা।
আমার বড় ভাই চট্টগ্রামে নেভিতে জব করে, তার জন্ম নিবন্ধন করা হয় টঙ্গী পৌরসভা থেকে যেটা টঙ্গী, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর অন্তর্ভুক্ত বর্তমানে। চাকরি ব্যস্ততা ও ছুটির স্বল্পতার জন্য সে টঙ্গী পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিস এ আসতে পারতেছিল না। যার কারনে আমি যাই সেখানে। তারা সেখানে ৬/৯ বুঝিয়ে আমাকে অযথা আমার ভাইয়ের nid, ssc সার্টিফিকেট বাবা মায়ের nid এইগুলা প্রিন্ট করে আনতে বলে আবার ৫০ টাকা ফি নেয়, অথচ তারা চাইলেই পোর্টাল থেকে আবেদনের সিরিয়াল কোড দেখে নিয়ে একসেপ্ট করলেই পারতো, কিন্তু তারা করেনি সব প্রিন্ট করে এনে দেয়ার পর আমাকে বলে ডিসি অফিস থেকে পারমিশন আনতে, এক কথায় পেচ্যাচ্ছে। ঘটনা বুঝতে পেরে কম্পিউটার অপারেটর কে কানে কানে বললাম একটু ইমারজেন্সি কি করতে পারি? সে বলে ১২০০ টাকা দিতে...😄
আমার পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্ম সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও ভুল বলে ৮০০০ টাকা দাবি করে।
আমি একটি মিথ্যা মামলার আসামি (প্রবাসী কল্যান আইনে) বিদেশে লোক পাঠায় মর্মে, ঘটনা সত্য কিনা সেটা জানার জন্য পাসপোর্ট অফিসের কাছে তদন্ত করে প্রতিবেদন চেয়েছেন,প্রতিবেদন টি যথা সময়ে ১৪ ই জুলাই পাসপোর্ট অফিস প্রতিবেদন দিয়েছেন, রিপোর্ট খুব খারাপ এই মুহূর্তে প্রকাশ করলে আপনার কাস্টডি হবে আমাকে ২ হাজার টাকা দেন আমি এই মুহূর্তে প্রকাশ করবো না, গতকালকেই আমি প্রতিবেদনটি হাতে পেলাম সেখানে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ যি প্রমাণ হয়নি
If you want your house plan to be approved on time either you have to make the house plan from the guy who is working in the municipality or you have to pay bribe. Otherwise your plan will be sitting in their shelves forever.