বাইকের রেজিস্ট্রেশন
বাইক রেজিস্ট্রেশন করার সময় বাইক পরিদর্শন অফিসার বিলম্ব করছিল। টাকা দেয়ার সাথে সাথে তিনি পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাইক রেজিস্ট্রেশন করার সময় বাইক পরিদর্শন অফিসার বিলম্ব করছিল। টাকা দেয়ার সাথে সাথে তিনি পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
অনার্সের স্টুডেন্ট। বয়স প্রায় ২২ বছর। সব ধরনের এভিডেন্স দেওয়ার পরও। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস ও জন্মনিবন্ধন অফিস যোগসাজশ করে ১৭ বছর বয়স দিয়ে নতুন জন্মনিবন্ধন করে পাসপোর্ট করে।
২৫ বিঘার কম কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি। ২৫ বিঘার কম কৃষি জমির মালিক কিনা তার প্রমাণ দিতে বলে। এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে চাই।
৫০০০ টাকা ন দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করবেনা।পরে অনেক কষ্টে, হাতে-পাঁয়ে ধরে ৩০০০ টাকা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করি।
Amar sathe bike ar kagoj nite vule gesilam ar jonno amie bolsilam sir amie kagoj niye ase dei na hoi amar phone photo ache seta dekhai police bolse hobe na tk dan
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি জামেলায় না জরিয়ে পরিশধ করি।
ফায়ার সার্ভিস এর লাইসেন্স নবায়ন ফি ৩৬০০ টাকা ৪০০ টাকা অন্যান্য ফি। কিন্তু আমার কাছে অতিরিক্ত ৭০০০ টাকা সহ মোট ১১০০০টাকা নিয়েছে।
চুপ করে টাকা নেয় কর্মকর্তা
টাকা না দিলে খারিজ হবে না। এখনো হয় না। আমার ঘটনা ১ বছর আগের।
সময়টা ২০২৫ সাল। আমি আমার ক্রয়কৃত জায়গা নামজারি করাতে ভূমি অফিস যাই। আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আমমোক্তারনামা বলে জায়গা ক্রয় করি। ক্রয়ের আগে আমমোক্তার যাচাই করা হয়। কিন্তু ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বলে আমমোক্তারনামা যাচাই করতে হবে। সময় লাগবে ৭ দিন। আমি বলেছিলাম এটা যাচাই করা আছে। তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিলে এখনই সমাধান হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই।
amder pray 6 lak jomanu tk chilo dak office e pore ek kormochari tk dewar khota bole room e nie cha natar th chai.......amr ammu poe oke 1000 tk dei ..........ami sobar samne er protibad kori .......but keo amake support korenai...
প্রতি বছর বন্ড লাইসেন্স নবায়নের সময় তার ৫/৬ লাখ টাকা দাবি করে না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। এছাড়া বন্ড কমিশনার , সুপার , পিওন ,সব কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে মাসোহারা দিতে হয় ১০/১৫ হাজার টাকা।
ঘটনা টি অক্টোবর ২০২১ এর । মা মারা যাওয়ার পর তাঁর নামে থাকা সঞ্চয়পত্রের নমিনি হিসেবে আমার বাবার নামে সেটি স্থানান্তর করার জন্য জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরোর, মতিঝিল (সোনালী ব্যাংক এর প্রধান শাখা), ঢাকা এর সহকারী পরিচালকের কাছে গেলাম। সহকারী পরিচালক আমাকে তাঁর পিয়ন/অফিস সহকারীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন। এরপর শুরু হলো নানা আইন-কানুন, নিয়ম আর জটিলতার কথা। একজন শোকাহত সন্তান হিসেবে তখন আমার একটাই চিন্তা- মায়ের রেখে যাওয়া সঞ্চয়পত্রটা যেন কোনোভাবে বাবার নামে করা যায়। একপর্যায়ে পিয়ন আমার কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিলেন। টাকা নেওয়ার পর আবার বললেন, “এই ১০,০০০ টাকা তো স্যারের জন্য!” কথাটা শুনে আমি আরও ২,০০০ টাকা তাঁকে দিলাম। টাকা এর সাথে আর একটা জিনিস দিয়েছি, অভিশাপ।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আমার, আমার বাচ্চার । সব পেপার দেয়ার পরও ২০ দিন চলে যায় কোন মেসেজ না পেয়ে যাই আবার ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মিরপুর ১০ এ , যেয়ে দেখি ঘুষের জন্য সবাই লাইন এ আছে, আমি আমার জন্ম নিবন্ধন এর বেপারে বললে বলে পরে আসেন । এর ১ মাস চলে যায়, বলে সার্ভার সমস্যা । পরে ফোন দিয়ে বিকাশে ১০০০ টাকা নিয়ে জন্ম নিবন্ধন ইস্যু করেছিল ১২ ঘণ্টায় ।
সরকারি জেলা পরিষদ এ জমি অধিগ্রহনের চেক গ্রহণের জন্য অফিসিয়াল এপলাই করার পর ও দীর্গ ১ বছর অপেক্কা করানোর পর জানাই টাকা ছাড়া চেক রেডি হবে না , নিরুপায় হয়ে অফিস সহকারী, ও সার্ভেয়ার আমার থেকে চেক এমাউন্ট এর একটা পার্সেন্টেজে হিসাবে ২০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় .
টাকা না দিলে ভুল তথ্য দিয়ে হেনস্তা বা স্কুলের এমপিও বন্ধ করে দিবে।
আমার আম্মার NID তে নামের ভুলের কারনে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল, পরে ৫ বছরের টাকা একসাথে দেবার সময় ৮ লাখ টাকা থেকে ১ লক্ষ তাদের কে দিতে হয়।
বাবার ডেথ সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করছিলাম। কিন্তু বারবার ভুল তথ্য প্রিন্ট আউট করে দিচ্ছিলো ওরা। ওয়েবসাইট এর ত্রুটি না ইচ্ছাকৃত ভুল জানিনা। ওয়ার্ড নং ১৯ এর জায়গায় ১৬। বললো ওয়ার্ড সচিবের sign লাগবে। ১৯, ১৬ দুইটাই ট্রাই করে দেখলাম। Sign দিলোনা সচিবেরা। এক ফ্রেন্ড বললো টাকা রাখতে হাতে, সে কথা বলে দেবে। তার পরিচিত একজন আছে। টাকা দিতে বাধ্য হলাম। ৫০০ যদিও দাবি করেনি। বললো একটা এমাউন্ট দিয়ে দিতে। ওয়ার্ড সচিবের sign লাগলোনা।নতুন ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেলাম। ঐখানে ওয়ার্ড নং-এর অপশনই নাই।
সেখানে যেকোন কাজ করতে হলেও টাকা দিয়ে করাতে হয়, যেমন অফিসের আয়া বা ওয়ার্ড যারা তাদেরকে দিয়ে রোগিকে কোথাও নিতে পে করতে হয়
হইমোবেলা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় হতে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সার্টিফিকেট উত্তোলনের জন্য দপ্তরী এবং প্রধান শিক্ষক ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখে এবং ফুপুর পার করে টাকা দাবী করে, টাকা দেওয়ার পর সারটিফিকেট দেয়