মাতৃত্বকালীন ছুটির বিল
অফিস সহকারীকে মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অফিস সহকারীকে মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার একজন আত্মীয়ের বিয়ের ডেট হটাৎ ফিক্সড হয়। তো ওর জন্ম নিবন্ধন ১৫ ডিজিট এর ছিল। মানে নতুন করে করতে হবে। তো মাতুয়াইল কাউন্সিল অফিস এ গেসি করতে। তো ওরা ৩০০০ টাকা চেয়েছে। আমাদের যেহেতু দুই দিনের মধ্যে বিয়ের জন্যে এটা করা লাগতো তোঃ বাধ্য হয়েই ৩০০০ টাকা দিয়ে করতে হইসে। আমার কথা হলো গরিব অসহয় এসব মানুষ দের থেকে এভাবে চাপ দিয়ে টাকা খাওয়ার মানে কি?
নামজারি খতিয়ানঃ আমি একটা নামজারি করতে কুড়িগ্রাম, উলিপুর উপজেলার বুড়াবুড়ি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বলে, নামজারি করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। পরে আবশ্য দামদর করে ৪০০০ টাকায় করে দিতে রাজি হয়। অবশেষে আমি নামজারি খতিয়ান পাই।
পাসপোর্টটি অফিসারের কাছে সাবমিট করার পর তাহারা পাসপোর্টটি পিতার নামের বানান ভুল হওয়ায় প্রত্যাখ্যান করে কিন্তু আমার প্রথম পাসপোর্টটি সেই ভুল উল্লেখ্য ছিল, পরে আমি কোন কম্পিউটার দোকান থেকে সংশোধন করতে গেলে তারা বলে আমার পাসপোর্ট অফিসে লোক আছে আপনি আমাকে ২০০০ টাকা দিন আমি কাজটি করে দিব, পরে বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে নবায়ন করি।
অগ্রিম বর্ধিত বেতন দাখিলের সময় বেতন অনুমোদনের জন্য উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা তার অফিস সহকারীর মাধ্যমে দাবি করেছিল
আমার বাবা মারা যাবার ২ বছর পর ছোট বোনের বিয়ে দেবার জন্য আমার বাবার নামে ১২ শতক জমি বিক্রি করার প্রয়োজন হয় । জমি বিক্রির জন্য জমির সর্বশেষ ভুমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট ভুমি অফিসে যায় । তখন তহসিলদার আমার থেকে ভুলবাল বুজিয়ে ১৪০০ টাকার খাজনা ৭০০০ টাকা নিয়ে নেই ।
রাস্তায় আমি গাড়ি আটকে কাগজ চেক করে। আমার ফিটনেস এর মেয়াদ তার আগের দিন শেষ ছিল। সেদিন শুক্রবার ছিল, বৃহস্পতিবার শেষ ছিল ডেট, রিনিউ করা হয়েছিল কিন্তু গাড়িতে তা সাথে ছিল না। আমাকে জরিমানা না করে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয়। নগদ দিয়ে চলে যান বলে উনি। ঘটনা ঘটেছিল গোলাপ শাহ মাজার এ।
সেবাটি ছিল ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার জন্য , যেখানে অল্প পরিমান ইনক্রিমেন্ট এর জন্য এত টাকা দাবি করা হয়েছিল, অনেক অনুরোধ করার পরও তিনি রাজি হয়নি। পরবতীতে সেই পরিমান টাকা দিয়ে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে হয়েছিল।
শ্রান্তি ভাতার টাকা পেতে ১৯৭জন শিক্ষকের কাছে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে চাওয়া হয়।বেশির ভাগ টাকা প্রদান করে।
জন্ম নিবন্ধনের কপি নিতে গেলে আমাকে বলা হয় ১ হাজার টাকা দিতে হবে। নয় তো নিবন্ধন কপি সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়। সরকারী চার্জ নেয়ার পরিবর্তে ১০০০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা না দিতে চাইলে আমাকে রোহিঙ্গা বলে অভিযুক্ত করা হয় ।
চট্টগ্রাম ট্রেজারি অফিসে প্রত্যেক টেবিলে ফাইল গেলে ন্যূনতম ১০০ টাকা হলেও দিতে হবে। যে ফাইল পাশ করাবে সে কন্টাক্টের মাধ্যমে কাজ করায়। সবাই জানে। তবুও কিছু করার নাই। না দিলে ফাইল প্রসেস হয় না
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চিকিৎসার অনুদান আবেদন জমা নিতে।
ঘটনা টি অক্টোবর ২০২১ এর । মা মারা যাওয়ার পর তাঁর নামে থাকা সঞ্চয়পত্রের নমিনি হিসেবে আমার বাবার নামে সেটি স্থানান্তর করার জন্য জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরোর, মতিঝিল (সোনালী ব্যাংক এর প্রধান শাখা), ঢাকা এর সহকারী পরিচালকের কাছে গেলাম। সহকারী পরিচালক আমাকে তাঁর পিয়ন/অফিস সহকারীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন। এরপর শুরু হলো নানা আইন-কানুন, নিয়ম আর জটিলতার কথা। একজন শোকাহত সন্তান হিসেবে তখন আমার একটাই চিন্তা- মায়ের রেখে যাওয়া সঞ্চয়পত্রটা যেন কোনোভাবে বাবার নামে করা যায়। একপর্যায়ে পিয়ন আমার কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিলেন। টাকা নেওয়ার পর আবার বললেন, “এই ১০,০০০ টাকা তো স্যারের জন্য!” কথাটা শুনে আমি আরও ২,০০০ টাকা তাঁকে দিলাম। টাকা এর সাথে আর একটা জিনিস দিয়েছি, অভিশাপ।
আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০০০ চেয়েছিল। দিলে ১ মাসের মধ্যে করে দিবে বলে জানায় এজন্য আমি টাকা পরিশোধ করি। কিন্তু এখনো আমার লাইসেন্স নবায়ন পাইনি। এদের বিচার আল্লাহ করুক।
Export er jonno SAFTA certificate issue korte hoi Export Promotion Burea (Kawran Bazar) theke. Amra jara private export company te export department a job kori every shipment er jonno amader ai certificate issue korte hoi, 815 taka government fee (receptible). but ai certificate ta issue korte akjon manual serial number dei jar gush 100 taka, akjon director certificate signature kore jar gush 100 taka, then oi signature er niche akjon peon seal mere dei jar gush 50 taka. total akta certificate issue te 250 taka cost. jodi amra think kori per day Bangldesh theke 1000 shipment er jonno 1000 certificate issue kora hoi tahole er ghush er poriman 2,50,000 taka.
জমির নাম জারি করতে গিয়ে ১২ শতাংশ জমির নামজমি সরকারি পরিমাণ খুবই সামান্য কিন্তু সেখানে আমাকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে নাম জারি করা হয়েছে এখানে অহরহর এটা চলতেছে আমি টাকা দিয়েছি না দিলে হয়তো আমার এটা আরো দুই মাস তিন মাস সময় লাগতো করতে কিন্তু টাকা দেওয়ার কারনে এটা দ্রুত হয়ে গিয়েছে।
নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বহিরাগতরা জোর করে রাতের অন্ধকারে দখল করার চেষ্টা করলে আদালতে দেওয়ানি মামলা করা হয়। সেই মামলায় রায় নিজেদের পক্ষে আসার পর, ভূমি উদ্ধারের জন্য আদালতের রায় থানায় জমা দিতে গেলে, সোনারগাঁ থানার ওসি এক ঘণ্টার মধ্যে ২ লক্ষ্য টাকা ঘুষ দাবি করে। না দিলে তারা থানা থেকে কোনো লোক পাঠাবে না।
সময়টা ২০২৬ সালের ঈদের পরের ঘটনা। আমার বাবার আইডি কার্ডের নামের সাথে ssc/hsc সার্টিফিকেটের নামের একটু বানানে অমিল ছিলো সেইজন্য তারা ২৫০০ টাকা দাবি করে। শেষে উপায়ন্তর না পেয়ে ১৭০০ তে চুক্তি হয়। শেষে পাসপোর্ট এর কাজ সম্পন্ন করতে পারি। আমার কথা হচ্ছে যদি মিল না থাকলে আসলে পাসপোর্ট করতে সমস্যাই হয়ে থাকে তবে টাকা দিলে সেটা নিমিষেই কীভাবে কাজ করলো? আর পুলিশ এর হাতে এত কি ক্ষমতা যে সে নিমিষেই নামের অমিলকে তুচ্ছ করে পাসপোর্ট করে দিলো?
পাসপোর্ট রিনিউ এর সময় আমি আমার পিতা-মাতা'র নাম সংশোধন এর আবেদন করি। সাথে সকল সাপোর্টিং কাগজ প্রদান করি। কিন্তু, ১ম দিন আবেদন গ্রহণ করা হয় না বিভিন্ন অজুহাতে। ২য় দিন-ও আবেদন প্রত্যাখান করা হয়। পরে, একজনের পরামর্শে ফটোকপি দোকানে আমার ফাইল জমা দেই এবং পরের সপ্তাহে পাসপোর্ট রিসিভ করি। ফটোকপি দোকানদার ২৫০০/- নিয়েছিলো এই কাজের জন্য।
২০২৪সাল।পাসপোর্টের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ধাপের নরমাল ডিউরেশন অপেক্ষা করার পর পুলিশ কল না পেয়ে থানায় গেলাম।অসি সার বললেন এখনো আপনার নামে ক্লিয়ারেন্স অর্ডার আসেনি।ডকুমেন্ট/নির্দেশনা আসলেই ফোন করা হবে।এরপর অপেক্ষায় আরো কদিন গেল।তাই এসবি পুলিশ অফিসে গেলাম।উনারা বলল দায়িত্বরত কর্মকর্তা ছুটিতে।কদিন লেইট হবে।তখন এক এএসপি সারকে বিষয়টি জানালাম।সার নিজেই এসবি পুলিশ ব্রান্সে ফোন দিয়ে আমার ক্লিয়ারেন্স করে দিতে বললেন।তখন এসবির অন্য পুলিশ কর্মকর্তা আমার ক্লিয়ারেন্স এর কাজটি করলেন।সাধারণত উনারা নাস্তার নামে ১০০-৫০০০± টাকা নেন।উনি কথাবার্তায় আমাকেও ইঙ্গিত দিতেছেন কিন্তু সরাসরি টাকা চাইতে পারতেছেননা কারন এএসপি রেফারেন্স।শেষমেষ আমার ৫ টাকা দামের নতুন কলমটি চেয়ে নেন কারন তার অফিসে নাকি কলম নাই।বাধ্য হয়ে দিয়ে এসেছি