Police verification
Job er police verification, dabi cilo cha biscuit khauyar tk 🥴🥴🥴.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Job er police verification, dabi cilo cha biscuit khauyar tk 🥴🥴🥴.
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর ফেনি কার্যালয় থেকে আমার ছোট একটি কারখানার লাইসেন্স ও লে-আউটের জন্য স্থানীয় পরিদর্শক ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। যদিও চালান ফি ৫০০০ টাকা। আমি ২০০০০ টাকা দিতে রাজি হলেও উনি মানতেছেন না। বলতেছে ডিআইজি কে ১০০০০ দিতে হবে ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে হবে। এদের অত্যাচারে দিন দিন ব্যবসা খারাপ হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার , হাটহাজারী সর্বরেজিস্ট্রিরি অফিসে প্রকাশ্য ঘুষের লেনদেন হয়, ঠিপ দিতে গেলে ১০০০ টাকা , দলিল জমা দিতে গেলে টাকা , সব জায়গাই টাকা আর টাকা।
টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট করে
বাংলাদেশ ডাক বিভাগে দক্ষিণাঞ্চল খুলনা মেইলঅপারেটরে চাকরি হয়েছে বেতন চালু করার জন্য এর কাছ থেকে পনেরশো টাকা করে চাই প্রায় ২০০ জন মত ক্যান্ডিডেট
Mamla dibe 15hajar tkr bole mamla lagbena 1500tk den
Passport jonno police clearance jonno 1000 taka gush dite hoiche.
আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই পাসপোর্ট করার জন্য ২০২৩ সালের দিকে। তখন গেটে ধোকার আগেই কয়েকজন পাশে পাশে ঘুর ঘুর করতেছিল পাসপোর্ট বানিয়ে দিবে বলে। অনেকে 1000 টাকা চেয়েছিল। কাউকে টাকা না দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে যখন দেখলাম অনেক ভীড় আর তাদের প্রোসেস অনেক ধির। তারা ডকুমেন্ট নিয়েই অনেক ঘুরায়। তাই বাধ্য হয়ে দালাল ধরতে হয়েছিল 5000দিয়ে। এরপর লাইনে দারানো লাগে নি, ডিরেক্ট উপরে গিয়ে ফাইল জমা নিয়েছে আর তাদের আধা ঘন্তায় কাজ শেষ। এই হছে দেশের অবস্থা, টাকা দিলেই কাজ হয়।
কারখানার মেশিনারি লে আউট অনুমোদন। টাকা না দিলে হবে না। তিনি উলটা মামলার ভয় দেখান। বলতেছে ডিআইজি কে ২০০০০০ টাকা দিতে হবে। না হলে কাজ হবেনা। আবার বলতেছে ১ মাসের মধ্যে না করলে মামলা করে দিবে।
মিরপুরে মাদ্রাজ সিকিউরিটিতে ফিংঙার দিতে পাঠানো হয়। ভোড় ৬ টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছরের পরে সিরিয়াল পেয়ে ফিঙার নেয়না। বলে সার্ভারে সমস্যা। আঙুল দিলেও কাজ হয়না। নেটওয়ার্ক ক্যাবল বা ওয়াইফাই ডিসকানেক্ট করে রাখে। এভাবে দুদিন যাওয়ার পরে তৃতীয় দিন রিকোয়েস্ট করে ২০০০ টাকা দিলাম। সাথে সাথে নেটওয়ার্ক আসলো। সার্ভার সচল। ১৫০০০ টাকা কন্ট্রাক্টে লাইসেন্স করি।
তারা জানতেন যে আমি নির্দোষ। কোনো ডকুমেন্টে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা তারা খুঁজে পাননি। যখন তারা নিশ্চিত হলেন যে এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তখন আমাকে বলা হলো—“আপনাকে এই মামলা থেকে বের করে দেওয়া সম্ভব, কারণ আপনার বিরুদ্ধে আমাদের কোনো প্রমাণ বা সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।” কিন্তু এরপর প্রশ্ন উঠল, আমাকে মামলা থেকে বাদ দিলে তাদের লাভ কী? সরাসরি আমার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হলো। অনেক কষ্ট করে আমি ৩.৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে তাদের প্রদান করি। এর কিছুদিন পরই আমি দেশের বাইরে চলে আসি। এই ঘটনার কারণেই আমাকে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে আসতে হয়েছে। আমি যদি তখন দেশ ছেড়ে না আসতাম, তাহলে হয়তো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা সারাজীবন আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করত।
ফ্যাক্টরির বিবিধ লাইসেন্সের নবায়ন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ঘুষখোরদের দাবির প্রেক্ষিতে ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৫০০০০, কলকারখানা লাইসেন্সের জন্য ৩০০০০, ইটিপি ওয়াটার টেস্ট রিপোর্ট ৩০০০০, বয়লার লাইসেন্সের জন্য ২০০০০ টাকা দিতে হয়েছে । সর্বমোট ১,৩০,০০০ টাকা । মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই সব লাইসেন্সের সরকারী ফি ৩৩,৫০০ টাকা । অথচ এর জন্য বাড়তি ঘুষবাবদ ব্যয় ১,৩০,০০০ ।
আমি ত হঠাৎ করে গেছি। কোন দিন যাই নাই৷ ত যেখানেই যাই টাকা চায় ওয়ার্টবয় রা। আরে খুব ভয়াবহ আবস্তা
আমার বাবার, ভিপি ১/১ এর, ২১৭ সতংশ জমির নামজারি বাবদ এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে এবং তা আমার পরিশোধ করতে হয়েছে
উচ্চমান সহকারী এর মাধ্যমে অর্থ দাবি করা হয়, নিজের দপ্তর থেকে পাশ করে আনা কাগজপত্রের ভুল, মিথ্যা বিভাগীয় মামলা দায়ের করবে বলে হুমকি দেয় । প্রায় এক বছর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করে । বিভিন্ন সময় টাকা নেই, ও সর্বশেষ পেনশন মঞ্জরের সময় একসাথে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয় ।
আমার বিল সাবমিট করার পরে বিল আসেনা তাই অফিসে গিয়ে খোজ নিলাম বলে টাকা নাদিলে বিল হয় আন্য দের কাছ থেকে নই অধেক এখন সময় খারাপ তাই ৩০০০। দিতেই হবে।
আমার পাসপোর্ট আটক রেখে আমার কাছে অর্থ দাবি করা হয়েছিল। আমি দালালের কাছে অর্থ পরিশোধে বাধ্য হয়েছিলাম কারণ আমার মাত্র দুইদিন পরে ফ্লাইটের তারিখ ছিল।
ঢাকার উত্তর সিটি কর্পোরেশনে আমি নাগরিক সনদপত্র উত্তোলনের জন্য গেলে আমাকে বলা হয় এক মাসের মত লাগবে। আমি বললাম আমার আর্জেন্ট লাগবে। সে বলল আর্জেন্ট হবে না। কিন্তু আপনি কিছু খরচপাতি দিয়ে গেলে লোকজন করায় রাখবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কত দিতে হবে। সে বলল ১০০০ দিয়েন। আমার কাছে ৫০০ ছিল আমি সেটাই দিয়ে এসেছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম এখন কি তাড়াতাড়ি দেয়া যাবে কিনা সে আমাকে বলল- যে স্যার সিগনেচার করবে উনি এখন অফিসে নাই। আমি আরো এক ঘন্টা ওয়েট করলাম তারপরও সে আমাকে সিগনেচার করে এনে দিতে পারে নাই। পরে বলল পরের দিন আসতে আমি আবারো টাকা খরচ করে পরের দিন গেলাম। তখন অন্য একজন এর টেবিলে আমাকে পাঠায় নাগরিক সনদপত্র নেওয়ার জন্য। আমি নিয়ে পরে আমি সাইড দিয়ে বের হয়ে আসি।
আমার মা খালার পাসপোর্ট করতে গিয়ে, আইপি কেনার নাৃে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হলো। নয়ত হয়রানির শেষ নাই।
আমি একটি পাসপোর্ট করেছিলাম তার ফি ছিলো ৫৭৫০টাকা কিন্তু আমাকে বলা হয় প্রত্যায়ন দরকার চেয়ারম্যান কর্তৃক, এখনি দিতে হবে না হলে টোটাল ৭০০০ দিতে হবে। আমি বলি যে আমি প্রত্যায়ন নিয়ে আসি , বললো ২০ মিনিট এর মধ্যে দিতে হবে। তখন আমি নতুন ছিলাম এতকিছু বুঝিনি ভাবলাম ২০ মিনিট এ কিভাবে দিবো, তারপর বাধ্য হয়েই টাকাটা দিলাম না চাইতেই দেয়া লাগছে,