টাকা না দিলে কাগজের বাহানা, টাকা দিলে সব দোষ মাফ
টাকা না দিলে ১০ রকম কাগজ লাগে, টাকা দিলে শুধু আইডি কার্ড বা নিবন্ধন দিয়েই কাজ হয়ে যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে ১০ রকম কাগজ লাগে, টাকা দিলে শুধু আইডি কার্ড বা নিবন্ধন দিয়েই কাজ হয়ে যায়।
Passport office er daalal ke diye hoyechhe 2500tk and for police verification i had to pay 1000tk to the sub-inspector
আমি একটি মিসস কেস আবেদন করি।অনেক গুলা তারিখ দেয়ার পর ও রায় হয় না। পরে দালাল এর মাধ্যমে রায় করাইছি।
আমার দলিল করা হয়েছে। এখন নামজারি করতে চাইছি। নকল দলিল প্রয়োজন। কিন্তু নকল তোলা ১৩০০ টাকা লাগে। কিন্তু কমিটির খুশির জন্য অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দাবি পরিশোধ করেছি।
আমার বাবার ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট এম্বাসিতে সাবমিট করা আবশ্যক ছিলো। যেহেতু ট্যাক্স রিটার্ন অফলাইনে আগেই সাবমিট করেছিলো, আমি অফিসে গিয়ে সার্টিফিকেট উত্তোলন বিষয়ে জানতে চাই। আমাকে দুইদিন ঘুরিয়ে এরপর ট্যাক্স ফাইল বের করেন। তারপর বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি দেখাতে থাকে। এরপর আমি নতুনভাবে আবারো ট্যাক্স ফাইল সাবমিট করি। পরবর্তীতে আবারো ২/১ দিন ঘুরিয়ে যখন ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিতে যাই তখন কর কমিশনার নিজে ডেকে আমার সামনে সাইন করিয়ে আমাকে দেন। পরবর্তীতে অফিস/কম্পিউটার অপারেটর দেখার কথা বলে সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। এরপর আমাকে বলেন উনাদের অনেক কষ্ট হইছে ফাইল খুজতে, সেগুলো উনারা আবার আপডেট করছেন কিন্তু আমি নিজেই ট্যাক্স ফাইল বানিয়ে নিজেই সাবমিট করেছিলাম। উনাদের একটু চা পানির টাকা দিলে ফাইল দিবে।
Passport er Police Clearance korar somoy OC Nasta er jonno tk nilo. Na dile naki Passport next step e pathabe na.
আমি একজন সৌদি আরব প্রবাসী সেই সুবাদে আমার স্ত্রীকে প্রবাসে নিয়ে আসার জন্য কাবিননামা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করি। আর সেই জন্য কাজী সাহেব ৭০০০ টাকা দাবি করেন । কারণ হিসেবে তিনি বলেন রেজিস্টার অফিসে নাকি বসকে এবং পিয়নকে খুশি করতে হবে। তা না হলে আমার কাবিননামা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন হবে না। আর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন না হলে সৌদি আরবের ভিসা উঠবে না এবং আমার স্ত্রীকে নিয়ে আসতে পারবো না বিদায় আমি 7000 টাকা উনাকে দিতে বাধ্য হই। যার বিভিন্ন প্রমাণাদি আমার কাছে আছে।
আমি এবং আমার বাবা একইসাথে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন করি এবং ভেরিফিকেশন প্রসেসের জন্য পুলিশ আমাকে কল দেই। উনি আমাদের ঠিকানায় এসেই কল দেওয়াতে উনাকে বাসায় নিয়ে আসি। বাবার সব ডকুমেন্টস চেক করে কোন প্রবলেম না পেলেও আমার এপ্লিকেশনে ছোট একটি ভুল ছিলো যেটি সংশোধন করিয়ে উনাকে আবার দিয়ে আসতে বলেন। যাওয়ার সময় উনি বলতে থাকেন যে একটু তো সমস্যা আছে তো কিছু দিয়ে দিলে কাজ হয়ে যাবে, যদিও সংশোধন কপি আমাকেই দিয়ে আসতে হবে। বাবা বুঝতে পেরে অল্পকিছু দিলে উনি বলেন যে দুটি এপ্লিকেশন এতো কমে কি হয় নাকি!! আরো কিছু দেন, আসা যাওয়ার ও তো খরচ আছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে ফেল করায় দেওয়া হয়
ভোটার ট্রান্সফার, সম্পন্ন হওয়ার পর আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য গিয়েছি। তারা সার্ভার থেকে আমার আইডি কার্ড প্রিন্ট করে ২৫০ টাকা রেখে দিল।
বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কর্মীদের ইচ্ছে মতো কাজ করাচ্ছে। নির্দিষ্ট কোনো কর্মঘন্টা ও ছুটি না থাকায় তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। সরকারি ছুটি তো পাওয়া যায় ই না বরং মাঝে মাঝে শুক্রবারের দিনও ডিউটি করতে হয়। এমনকি তাদের ওভার টাইম হিসেবে মজুরিও প্রদান করা হচ্ছে না। যা শ্রম আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আর এই শ্রম আইন ভঙ্গ করে কোম্পানীগুলো শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ ও বিভিন্ন উপহার ঘুষ হিসেবে প্রদান করে আসছে।
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিলেই অতিরিক্ত এগারো শত টাকা দিতে হয়। দালালদের মাধ্যমে করলে টাকার পরিমাণ আরও ২/৩ হাজার টাকা বেশি দিতে। এমনকি দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করলেও দালালদের পাসপোর্ট অফিসে ফাইল প্রতি জমা দিতে হয় ১১ শত টাকা । এই অফিসে প্রতিদিন ৩-৪ শত ফাইল জমা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ টি ফাইল সরাসরি হয় নানান ভোগান্তির পর। বাকী সব ফাইল চ্যানেল এর মাধ্যমে হয়।সেই হিসেবে প্রতিদিন সাড়ে ফাইল থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ঘুস আদায় হয়। প্রতি সপ্তাহের বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঘুসের টাকা লেনদেন হয়। এখানে দালাল ছাড়া কোনো পাসপোর্ট হয়না। পাসপোর্টের ঊপপরিচালক থেকে আনসার সদস্য সবাই ভাগ পায়।
আমি ৩০,৮,২০২৬ রাত আনুমানিক দুইটার সময় সিলেট থেকে ঢাকার পথে আসছিলাম, সাথে চার প্যাকেট ইন্ডিয়ান চকলেট ছিল, পুলিশ চেক করে বলে এগুলো নেওয়া যাবে না নিতে হলে দুই হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে এগুলো রেখে যেতে হবে, এরমধ্যে এক কনস্টেবল এক প্যাকেট চকলেট নিয়ে খাওয়া শুরু করে, তারপর বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে, কারণ রাত দুইটা বাজে কোন তর্ক করার ইচ্ছে ছিল না
আমি জমি কেনার পরে নামজারি করতে গিয়েছি এবং ৬০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে না করলে নামজারি করে নাই। তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করা হয় লাগছে।
আমার ছোট ভাইয়ের প্রতিবন্ধীর ভাতার কার্ডের জন্য তারা আমার কাছ থেকে পনেরশো টাকা ঘুষ নিয়েছে | এইটা হচ্ছে ঢাকার অবস্থিত সমাজসেবা অফিস ৭ নাম্বার সারকেল | এইখানে মূলত সব ধরনের কাজ একমাত্র বুয়াকে দিয়ে করা হয় | সেই বুয়ারকে ঘুষ দেওয়া লাগে | আর না হলে সেই কাজটি হয় না | এটা হচ্ছে তেজগা শিল্প এলাকায় অবস্থিত সমাজসেবা অধিদপ্তর অঞ্চল ৭ | দয়া করে খতিয়ে দেখবেন এইখানে বুয়া দ্বারা ঘুষ নিয়ে থাকে
বিএড স্কেলের জন্য প্রথমে বাঘারপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়, এরপর জেলা শিক্ষা অফিসার কে ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়, সর্বশেষ দুই হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খুলনা থেকে ফাইল ছাড় করায়।
আমাদের জমি মাপতে হবে তাই। জমি মাপা আমিন বলেছে শুধু পুরাতন ম্যাপ হবে না নতুন ম্যাপ ও লাগবে।তাই বাবা সহ আমি গেলাম উপজেলা পরিষদ মিঠাপুকুর এ।নতুন ম্যাপ তোলার জন্য। সেখানে গিয়ে কথা বললাম বলছে ম্যাপ নাই।সময় লাগবে ১মাস।তারপর একজন ডেকে চুপি সারে বলছে একট্রা টাকা দিলে হবে।
দুটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু বাবদ ঘুষ চাওয়া হয়। তদন্তকারী পুলিশ ২হাজার টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে প্রিন্টিং ও কাগজ এর খরচ বাবদ এই টাকা দিতে হবে। আমি বলেছিলাম ৩হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সে বলে অই টাকা সরকার পেয়েছে। তার খরচ আমাকেই পে করতে হবে।
আমার বাইকে নাম্বার লাসেন্স করা জন্য বৈধ্য উপায় এ সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সরকারি ফিস ও জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু যে দিন নাম্বার প্লেট বের হয় সেদিন একটা কর্মচারি ঘুষ ছাড়া নাম্বার প্লেট লাগিয়ে দেই নাই,, আমাকে বলেছিল ২০০ টাকা লাগবে তাহলে লাগায় দিবে অন্যাথায় নিজে যেখানে খুশি সেখানে থেকে লাগায় নিতে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি আমি। এইটা সত্য কথা, যাচাই এর জন্য আমি আমার নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সব দিতে পারি
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ ওরা আমর কাছ থেকে ৫০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে আর বলছেন আর লাগবে না এখান থেকে আমি অফিসে সামনে রেখেই আমাকে ১৬০০০ টাকা দিয়েছ সরকারের আবেদন এ আমার পুরা টাকা সাথে সাথ পেইড দেখাইছে কিন্তু অন্য ৩৪৯০০ ওরা নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে