Income Tax
Tax Circle 227, asked for a bribe of about 2.5 million, but we gave 1.0 million Taka. It was demanded for the assessment of the previous tax file.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Tax Circle 227, asked for a bribe of about 2.5 million, but we gave 1.0 million Taka. It was demanded for the assessment of the previous tax file.
দাবি করা টাকা না দিলে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওকে করবে,তাই ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
খুব সম্ভবত ২০১৫ সালে, একটা প্রজেক্টের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (BMRC) থেকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা অনুমোদন পায় আমার প্রফেসর। আমি ছিলাম তার ছাত্র গবেষণা সহকারী। ওই পাঁচ লাখ টাকার চেক হস্তান্তরের আগে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে যা আমি নিজের হাতে দিয়েছি। আমার প্রফেসর বলেছিলেন, "না দিয়ে উপায় নেই – নাহয় এই পাঁচ লাখ টাকাও পাবো না। রিসার্চ কী নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে করতে পারবো?"
আমি বেতন টাকা থেকে সঞ্চয় করে ছোট একটি ফ্ল্যাট তৈরী করেছি একটু ঢাকার বাহিরে। সেটার ভাড়ার উপর নাকি ট্যাক্স দিচ্ছি না, সেজন্য অডিট হলো। অথচ, আমি সেটাতে বসবাস করি। এখন সেটাতে কি নিজে থাকি, নাকি ভাড়া দিয়েছে, সাইজ কত ইত্যাদি পরীক্ষা করবে। আমি ট্যাক্স অফিসে গেলে ওরা ইন্সপেকশন দেয়। ইন্সপেক্টর বলল, তাকে তার বাসা থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতে হবে, তাদের নাকি এটাই নিয়ম, তাকে আমি উবার ভাড়া করে নিয়ে গেলাম। যাওয়ার সময় ইশারা ইঙ্গিতে বুঝালো, সবাই হাজার হাজার টাকা দেয়। না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ হয় ইত্যাদি। সব মাপজোক করার পর বসে আছে আর বিভিন্ন কথা শোনাচ্ছে। আমি ভয়ে ৫০০০ টাকা দিলাম। বলল, মানুষ লাখ লাখ টাকা দেয়। আপনি কী দিলেন। মিনিমান ২০ হাজার দেন। আমি শেষে ১৫ হাজার দিয়ে তাকে তার বাসায় পৌঁছে দিলাম।
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালের জন্য নারকোটিক লাইসেন্স নিতে হয়। আমি ২০১৮ সালে নারকোটিক লেইসেন্সের জন্য কাজ করি। এটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের একটি সেবা। সে সময়ে নারকোটিক লেইসেন্সের সরকারী ফি ছিল ১২০০ টাকা। কিন্তু উক্ত লাইসেন্স পাওয়ার সরকারী সকল রিকয়ারমেন্ট পূর্ণ করার পরও লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছিল না। উল্লেখ্য নারকোটিক লাইসেন্স এর আবেদনের ফাইলটি আনমানিক ৮/১০ টি টেবিলে যায়। প্রত্যেকটি টেবিলেই বিভিন্ন পরিমান ঘুস দিয়ে ফাইলটি ছাড়াতে হয়। আমি লেইসেন্সের জন্য এক বছরের অধিক সময় দৌড়াদৌড়ি করেছি এবং বিভিন্ন টেবিলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা খরচ করে অবশেষে লাইসেন্স পেয়েছিলাম। এর মধ্যে সরকার পেয়েছে ১২০০ টাকা। আমার মতে ‘মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর‘ দেশের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত একটি দপ্তর।
কলকারখানা অধিপ্তর বগুড়া অফিস হতে লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়, যদিও সকল কাগজপত্র সঠিক ছিল। ৬০০০ টাকা চাওয়া হলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন করে দিয়েছেন।
নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ জমি খারিজ করতে গিয়ে ১৮০০০ টাকা দিয়েছি।
আমার আম্মুর নামে জমি যা খারিজ করা হয়নি, কাগজ প্রত্র সবিই ঠিক ছিলো, জমা খারিজ বা নাম জারী করতে গেছিলাম, বলে কি কি কাগজ পত্র যেন লাগবে, এগুলো না নিলে হবে না, তো আমি সেই যায়গা সম্পর্কিত যত কাগজ পত্র ছিলো সবিই নিয়ে গেছি, কিন্তু তারা সেসব দেখে বললেন, এগুলো গুছিয়ে নিয়ে আসতে, এগুলোতে অনেক ভুল আছে, এভাবে দিলে উল্টো আমার নামে মামলা হবে, ভালো হয় তাদের অফিস থেকে একজনের সাথে কন্টাক্ট করে কাজ করিয়ে নেই, তো আমি ওদের কথা মতো একজনের সাথে কন্টাক্ট করি, সে বলে আমি কাগজ পত্র যা যা দিছি তাতেই হবে, আর বাড়তি কিছুই লাগবে না, তবে ১০,০০০ টাকা দিতে হবে, তাহলেই সে কাজ করে দিবে, অন্যথায় বছর শেষ হয়ে গেলেও নাকি কেউ আমার এ কাজ করে দিতে পারবে না, অথচ সরকারি কাগজে লিখা আছে ১১০০ শত টাকা সামথিং, পরে বাধ্য হয়ে তাকে দিয়ে করাই।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অডিট অধিদপ্তর (PEAD) সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে (এমন অভিযোগে যা আপত্তিযোগ্য নয় এবং এমন কারিগরি বিষয়ে যা অধিদপ্তরের লোকজন বুঝতে পারে না) রাষ্ট্রমালিকানাধীন সিরাজগঞ্জ পাওয়ার প্লান্টে অডিট আপত্তি দেয় এবং তা নিষ্পত্তির শর্তে ২০২৫ সালের শেষদিকে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ টাকা) ঘুস নেয়। তারা বলে "আপনাদের সবই ঠিক আছে তবে কোথায় যেন একটু গ্যাপ রয়ে গেছে"। ইনিয়েবিনিয়ে তারা ঘুস দাবি করে। এরপর নানারকমহয়রানির ভয় দেখিয়ে ঘুসের টাকা নেয়।
আমাকে বাবার জুরুরি শ্বাস কষ্ট হয়েছিল। সেজন্য আমি সিট কাটকে গিয়ে তারা জানান সিট খালি নেই তারপর বেশি টাকা দেওয়া তারা 1টি সিট ব্যবস্থা করেন।
Police verifications work but take my taka but not work. SB police
হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রশংসাপত্র(Testimonial) গ্রহণ করতে গিয়েছিলাম। সরকারি নিয়মানুযায়ী কোনো প্রকার অর্থ দেওয়ার কথা না। কিন্তু প্রশংসাপত্র নিতে সকলকে ৳১০০ করে পরিশোধ করতে হয়েছে।
সকাল থেকেই রংপুর পাসপোর্ট অফিসে ছোট ভাইয়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গেছি কিন্তু তারা একের পর এক আবেদনে ভুল বের করতেছে কিন্তু কোন ভুল নেই। সেটা ঠিক করে অন্য দিন গেছি সিদিনো আবার আর একটা ভুল ধরছে সেদিন নিরুপায় হয়ে তাদের দাবি মেনে নিছি। মোটকথা আবেদন ১০০% ঠিক থাকলেও তারা ভুল বের করবেই। এভাবে আর কতোদিন?
লাইসেন্স নবায়নের জন্য গিয়েছিলাম। নবায়ন কৃত চালানোর বাহিরে আরো ৪০০০০ টাকা দাবি করে। পরে ৩৬০০০ টাকা দেওয়ার বিনিময়ে লাইসেন্স নবায়ন করে দেয়।
চট্টগ্রাম বিআরটিএ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিতে গেলে, ফিল্ড এক্সামে (প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায়) ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয় এবং পরীক্ষক নিজেই গাড়ি চলমান অবস্থায় টাকা দাবি করে ৫০০ টাকা। দুইজন পরীক্ষক দুটো পরীক্ষা নিয়ে থাকেন সাধারণত। একজন কার (গাড়ি) এবং অপরজন মটর সাইকেল। দুটো পরীক্ষাতেই পরীক্ষক ৫০০ + ৫০০ করে টাকা দাবি করেন কোন ধরনের দক্ষতা যাচাই এর তোয়াক্কা না করে। দুইজনের টাকা পরিশোধ করার পরেও ফলাফল "ফেল" আসে। এভাবে ১ম বার ফেল করার পর ২য় দফায় আবার পরীক্ষা দিতে গেলে, সেইম ঘটনা ঘটে। তখন তাদেরই অফিসিয়াল একজন কন্ট্রাকে কাজ করানোর প্রস্তাবনা দেয়। ১৩০০০ টাকা দিলে, ফেল করলেও ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে যাবে, শতভাগ নিশ্চিত। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা ও না।
আমার কাগজ আপডেট করার জন্য আমি ইকুরিয়া বি আর টি এ তে যাচ্ছি,এর মধ্যে কাকরাইল মোড়ে আমাকে আটকিয়ে ১০০০০ টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে, ১৫০০/- রেকার বিল এ নামিয়ে ৮০০/- তে রাজি হয়েছে,তারপ্প্র ছাড়া পেয়েছি।
মহোদয়, করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে টাকা ছাড়া কোনো সেবা প্রদান করা হচ্ছে না এবং বিনামূল্যে পাওয়ার কথা এমন ঔষধ ও পদ্ধতি ( জন্মনিয়ন্ত্রন ইনজেকশন) বিনিময়ে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রশ্ন করলে উত্তরে বলা হয় ঔষধ নেই, যা আছে টাকা দিলে দেওয়া যাবে। বিষয়টির জরুরি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ
৯৯৯ এ নাকি আমি কল করেছি,কিন্তু আমরা কেউ কল দেই নি। তারপর সদর ফারি থেকে টহল পুলিশ এসে বলে তাহলে টাকা দেন আমদের গারি নিয়া আসসি খরচ হয়েসে।১০০০০ টাকা নিয়েসে
চট্রগ্রাম অফিসের প্রতিটা ইন্সপেক্টর ফ্যাক্টরিতে গিয়ে বয়লার ইন্সপেকশন পাশ করানোর জন্য টাকা নেয়। এদের ঘুষ নেওয়ার সিস্টেম আলাদা। এরা সরাসরি না নিয়ে এদের আন্ডারে কন্ট্রাক্টর আছে তাদেরকে বয়লার মেইন্টেনেন্সের কাজ, হাইড্রোলিক টেস্টের কাজ, কেমিকেল ডি-স্কেলিং এর কাজ করাতে বলে। আর কন্ট্রাক্টর অতিরিক্ত বিল নেয় নিয়ে ইন্সপেক্টর কে সেখান থেকে ভাগ দেয়। কেমিকেল এর ব্যাবসায়িদের মাধ্যমেও এরা ঘুষ নেয়। একটা বয়লারের জন্য এক্সট্রা ১ লাখ থেকে ৩ লাখ পর্যন্ত এরা ঘুষ নেয়।
ভ্যাট রিটার্ন তো অনলাইন সাবমিট হয়। নিয়মমতে অনলাইন রিটার্ন সাবমিটের পরে অফিসে গিয়ে সেটা রিসিভিং করার প্রয়োজন পড়ে না। তারপরেও ARO এর কাছে গিয়ে সেটা রিসিভ করিয়ে আনতে হয়। উনাকেও টাকা দিতে হয় সাথে যেখানে থেকে সিল মেরে রিসিভ করে সেখানেও প্রতিমাসে টাকা দিতে হয়।