পাসপোর্ট বানানো
আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য গছিলাম তার পরে আমার কাগজ ভুল বলে আমাকে পাটাই দিছে ۳দিন গেছি অনেক বড লাইন দাঁড়িয়ে ۳দিন এ আমাকে ভুল বলে পাঠাইছে পরে ۳۰۰۰টাকা নেওয়ার পরে আমার কাগজ গুলো জমা নিছে পাসপোর্ট ও বানাই দিছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য গছিলাম তার পরে আমার কাগজ ভুল বলে আমাকে পাটাই দিছে ۳দিন গেছি অনেক বড লাইন দাঁড়িয়ে ۳দিন এ আমাকে ভুল বলে পাঠাইছে পরে ۳۰۰۰টাকা নেওয়ার পরে আমার কাগজ গুলো জমা নিছে পাসপোর্ট ও বানাই দিছি
ড্রাইভিং শিখে পরীক্ষা দিলাম, যেখানে আমার সামনে যারা রিটেন, প্র্যাক্টিকাল এ ফেইল করল তারা পাশ। আর যে আমি সব এক্সামে পাশ করলাম তারপরও আমাকে ফেইল দিছিলো। পরে টাকা দেওয়ার পরে পাশ দিছে। এখানে অনেকেই 3rd পার্টি হিসেবে কাজ করে থাকে।
জমির নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি।অনেকদিন সুরাহা না হওয়ায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যে লোকের কাছে কাজটি পেন্ডিং ছিল, তাকে কল দিলে সে বলে মূল কাগজ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসেন। সকল কাগজ দেখার চা খাওয়ার জন্য ২০০۰ টাকা চায়। পরবর্তীতে ۱۰۰۰ টাকা দিয়ে আসি
নাগরিক সনদের রশিদ সহ ۳۰ টাকা নেয়ার পর আবেদন পত্র জমা দানের সময় আরো ۵۰ টাকা দাবি করে নেয় এই টাকার রশিদ চাইলে তারা রসিদ দেয় না, এবং নাগরিক সনদ উঠানোর সময়ও ۵۰ টাকা দাবি করে।
যখন অামরা জানতে পারি আমার দাদার সম্পত্তি আছে তখন বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজ যোগাড় করে (দলিল, ডিসিআর, প্রস্তাবিত খতিয়ান) এরপর কতটুকু জায়গা অবশিষ্ট আছে তা বের করে খাজনা কাটতে ۱۱۰۰৳ খাজনা কেটে ۱۰۰۰۰۰ টাকা নেয়।
I live in Australia. I had to do police clearance for my visa. I did it online first. They call me in my watsapp. They told me it cant be done. He asked 30000bdt first. At the end we agree 10k and he did it within 3 days. Next i had to do for my wife as well. He knows i had to do it, cause i dont have option. He charge me 16000 for the wifes one. I dont want to publish any name. But its from dampara police station.
প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা করতে সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা ۵۰۰۰ টাকা ও সহকারি কমিশনার কে ۱۰۰۰۰ টাকা দিতে হয়।
আমার ফার্মেসীর জন্য ড্রাগ লাইসেন্স করেছিলাম, সরকারি ফি: ۱۷۰۰ টাকার মতো ছিলো। কিন্তু তাড়াতাড়ি হওয়ার জন্য ওই অফিসার পিয়ন মারফতে ۱۵۰۰۰ টাকায় কন্টাক্ট করে। পরে ۱ মাসে হয়ে যায়,যেখানে অন্যরা ۸-۱۰ মাসে পেয়েছিলো
জমি সংক্রান্ত মামলা চলমান আছে আমাদের, জরুরী ভিত্তিতে দলিল টা দরকার ছিলো, নকল উঠাইতে গেছি বলে ۵۰۰۰ টাকা লাগবে, জরুরী হওয়ার টাকা দেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিলো না।
এটা ঘটেছিল ২ মাস আগে। যখন আমি NID এর জন্য চারিত্রিক সনদ করতে গিয়েছিলাম, South City Corporation এর অধীনে থাকা কোনো অফিসে। বুড়ো এক লোক ফর্ম ফিলাপের সময় জিজ্ঞেস করে, বকশিশ দিবেন না ? আমি বলেছি, বকশিশ দিলে এখনি কাজ করে দিবেন? বলেছে হ্যা। আমি দিয়েছি, যেহেতু আমার NID দ্রুত প্রয়োজন এবং সপ্তাহের শেষ দিন। সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েও প্রায় ৪ ঘণ্টা পরে সনদ দিয়েছিলো। এছাড়াও, ওখানে জানালার ধারে চশমা পড়া একজন বসে, যে মৃত্যু সনদ, নকল কপি বা যেকোনো জিনিসের জন্য ১০০-৫০০ টাকা ঘুষ গ্রহন করে। এবং নির্লজ্জ ভাবে।
ভিসা সংক্রান্ত কাজে ১০ দিনের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন ছিলো। সকল নিয়ম মেনে পলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করে সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও ১মাস আমার ক্লিয়ারেন্সের আবেদন পেন্ডিং থাকে এবং সেখানে যোগাযোগ করলে তারা আবেদন্টি ডিক্লাইন করে এবং আবার আবেদন করতে বলে। যথারীতি দোকানীর ফি দিয়ে আমি আবার আবেদন করি এবং দায়িত্বরতদের হাবভাব দেখে থানায় ৫০০টাকা অতিরিক্ত প্রদান করলে আমার ভেরিফিকেশন স্টেজ কম্পলিট হয়। ফলে আমি মোট ৪০ দিনেরও বেশি সময় পরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই। এতে আমার ভিসার কাজটি পিছিয়ে যায় ফলে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হই।।
বিদেশে পড়াশোনা করতে যাবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেবার জন্য সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিলো। আমার এনআইডি কার্ডের বর্তমান ঠিকানাতে ওয়ার্ড ভুল থাকার জন্য, এবং ঠিক করার সময় না থাকার প্রেক্ষিতে তারা আমার কাছে ৬০০০ টাকা দাবি করে। স্টুডেন্ট শোনার পর ৪হাজার টাকা ছাড়া ক্লিয়ার করবে না। সময় না থাকার জন্য তাদের টাকা পরিশোধ করে দিয়ে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট গ্রহণ করি
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য এক এএসআই ১০০০ টাকা নিয়েছিল, বলেছিল খরচা আছে। আমি দিয়েছি কারণ পাসপোর্ট এর ইমিডিয়েট প্রয়োজন ছিলো, পুলিশ ভেরিফিকেশন এ দেরি হলে ১০০০ টাকার বেশি ক্ষতি হত।
নামজারী বাবদ ১১০০ টাকার অতিরিক্ত ১০৮০০ টাকা সহ টোটাল ১২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। না হলে খারিজ করে দিবে বলে। গহিরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রস্তাবের জন্য-৪০০০ কানুনগো-২৫০০ এসিল্যান্ড-৫০০০।
আমি অনলাইনে আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন অফিসে যায়। সেখান থেকে জানানো হয় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তখন আমি চেয়ারম্যানের কাছে ঘুরে আসি। চেয়ারম্যান এরকম কোন তথ্য দিতে রাজি হয়নি। আমাকে শেষ পর্যন্ত জানানো হয় নির্বাচন অফিস থেকে এরকম তথ্য দিতে নিষেধ করা হয়েছে তাকে। তারপর আমি আবার নির্বাচন অফিসে যায়। সেখানে এক দালাল আমার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা নিলো এবং চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন করেছিল। যদিও আবেদনপত্রের কোথাও লেখা ছিল না চেয়ারম্যানের আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। তাদেরকে এ কথা জানানোর পরও তারা বলেছে এই সংযুক্তি ছাড়া আপনার কাজ হবে না।
ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০টাকা দাবি করেছিল, পরে ১০০০ টাকায় রাজি হয়।
আমার স্ত্রীর এনআইডি অনুযায়ী ঠিকানা কক্সবাজার। কিন্তু বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে আমার সাথে চট্টগ্রামে বসবাস করে। স্বাভাবিক ভাবেই চট্টগ্রামে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। কিন্তু চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিস কোনোরূপ আলোচনার সুযোগ না দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে গিয়ে সেই আবেদনকে পুনরুজ্জীবিত করে তাদের দাবীকৃত ৭০০০/- টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করায় পাসপোর্ট ইস্যু করে।
জিরো রিটার্ন বিলম্বে দেয়ায় বিস্তারিত দলিল চেয়ে নোটিশ আসে বাসায়, সেই নোটিশে উল্লেখিত তারিখে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে জিরো রিটার্ন বিলম্বে দেয়ায় আপনার সব নথি জমা দিতে হবে। কি নথি লাগবে কিভাবে জমা দিতে হবে এসব বিস্তারিত না বলে চিপায় নিয়ে জানায় এসব নথি লাগবে না আপনি ২০০০ টাকা দেন সব ডকুমেন্ট কমপ্লিট করে দিবো। আমি নথি জমা দিতে চাই বলায় কর্মচারি জানায় এসব জমা দিলেও আপনার রিটার্ন বিলম্বে জমার কারনে ৩ মাস জেল অথবা ৫/১০ হাজার (যেটা অফিসার নির্ধারন করবে) অর্থ জরিমানা হতে পারে বলে ভয় দেখায়। তৎক্ষণাৎ আমি তাদের অফিস ত্যাগ করলেও যার রিটার্ন জমা দিয়েছিলাম সে ভয়ে ঘুষ দিয়ে সবকিছু ঠিক করে নেয় এবং তার নামের TIN সার্টিফিকেট ও ক্যানসেল করে নেন (ক্যানসেল এর সুযোগ না থাকায় ভবিষ্যতে রিটার্ন দিতে বারন করেন)।
বায়োমেট্রিক ফিংগার ও ছবি তোলার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত ডকুমেন্টস দেখতে চেয়েছিলেন তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
বেবী হওয়ার পর লেবার রুম থেকে বের হওয়ার সময় বকশিস চায়, তখন সাথের লোক ৫০০-১০০০ টাকা দিলে নিতে চায় নি, বলতেছে এটা কোন টাকা হলো!! ১৫০০ এর কম হলে নিবে না, তখন আর দেয়নি এবং নার্স হুইল চেয়ারে বসিয়ে বেডে আনার সময় রোগীর সাথে খুব খারাপ (হুইল চেয়ার বাফারিং) বিহেভ করলো, ডেলিভাবি হওয়ার পরপরেই। পরে আরেকজনকে দিয়ে খুজ দিলো যে ১০০০ টাকায় যেন দেই। পরে দিয়ে দিলাম।