সঞ্চয় পত্র ক্রয়
প্রতিটি ১লক্ষ টাকার সঞ্চয় পত্র কেনার জন্য ১২০০ টাকা করে নেয় ,রাউজান পোস্ট অফিসের কর্মকর্তারা।টাকা না দিলে কাজ করে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিটি ১লক্ষ টাকার সঞ্চয় পত্র কেনার জন্য ১২০০ টাকা করে নেয় ,রাউজান পোস্ট অফিসের কর্মকর্তারা।টাকা না দিলে কাজ করে না।
পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য নােয়াখালি সুধারামপুর থানায় গেলে সেখানকার একজন এসআই এর সাথে যোগাযোগ করলে প্রথমে কাজ হয় নি ৫দিনেও।তারপরে ৫০০ টাকা দিলে কাজ ওকে হয়।
Family relationship certificate 613 tk cilo tokhon. But oi lok 900 -1000 tk nei sokoler kaj theke, ei babe onna kajeo besi tk dabi kore and na dile kaj korena. Onar picture ace amar kace
নামজারি করার জন্য নিয়েছে। তহশীলদার এখন তিনি বদলি
সেচ মিটার দিয়ে অটো চার্জ করায় মিটার খুলে নিয়ে যায় এবং ৬৫০০০ হাজার টাকা চায় পরে আমি ১৫০০০ হাজার টাকা দেয়
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত দুই বছর আগে আমার বাবার মৃত্তুর সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।
৫০০ টাকা না দিলে হিসাব দিতে চায় না
আমার বেতন দিলে জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের বেতন বন্ধ ছিলো
জমির দলিল খাজনা খারিজ করতে যায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকার জায়গায় বারো হাজার টাকা চায়
নতুন পাসপোর্ট করার সময় নানা অজুহাতে আমার পেপার জমা নেয়না, পরে ঘুষ দেওয়ার পর যে সমস্যা ছিলো সেটা থাকার পরও কাজ করা হয়েছে। সময় কাল ছিলো: হাসিনার আমলে।
আমার পাসপোর্ট এর সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্ম তারিখ মিল নাই,, এজন্য বলছিল আমার এনআইডি কার্ড হবে না,,, তারপর কিছুদিন পর কিছু টাকা দাবি করছে তা পরিশোধ করার পর আমার এনআইডি কার্ড হইছে
খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
নামজারি করতে গেলাম সরকার এতো গর্ব করে বলে নামজারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা কিন্তু দাবি করলো ২২০০০টাকা আমি তো অবাক ।সব থেকে মজার বিষয় এটা যে অফিসার রা নিজেই টাকা খায় বাট সেটা পিয়ন এর মাধ্যমে খায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো আমি বিষয়টা গর্ভারমেন্ট এর মেইল এ বিষয়টা মেইল করছি কিন্তু কোন উওর নাই ।
খুলনা মেডিকেলের ওয়ার্ড বয় সিস্টার আর ডাক্তার এদের ব্যবহার খুবই খারাপ
খাজনা পরিষদ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার খতিয়ানে যে পরিমাণ জায়গা আছে ওই পরিমাণ কাজ না আসে এক ১হাজার টাকা আমার থেকে ৪ হাজার টাকা দাবি করে না হলে এক সপ্তাহ পরে আসেন এমন করে ঘুরাতে থাকে
আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।
২০২২ সালে আমাদের ওয়রিশকৃত (৭জন) করার জন্য বাড্ডা(আফতাবনগর) ভূমি অফিসে যাওয়া হয়েছিল। এর আগে রেজিস্ট্রি অফিস, তেজগাঁও ভূমি অফিস, ঢাকা জেলা প্রশাসন, পরিচিত যারা নামজারি করেছে তাদের কাছে গিয়ে একটা ধারণা পাওয়া হয়েছিল। এরপরে বাড্ডা অফিসে গেলে একবার বলে এটা আনেন, আরেকবার বলেন ওটা লাগবে। তখন আমার এক প্রতিবেশীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললে উনি একজনের নাম্বার দেন। একদিন গিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করি। সকল কাগজপত্র সাথে ছিল। বললেন সর্বমোট ৭০০০০ টাকা লাগবে। নামজারি ও খতিয়ান এর পেপার দিবেন। অফিসে বসেই খাটায় এন্ট্রি করে আমার থেকে টাকা রাখলেন। আর সময় মত নামজারির কাগজ ও খতিয়ান দিলেন। এছাড়াও ২০০২ সাল থেকে আমাদের ভূমি খাজনাও বকেয়া ছিল। সেটাকেও অনলাইন মাধ্যমে সেট করে দিয়েছিল।
I live abroad in the UK. I went to BANGLADESH to pay my Khazna. They advise me that I have to pay online which I didn’t know how they said they can organise everything for me but I had to pay them 98,000 taka but when they gave me the receipts for Kazna each receipt showed only few hundred taka when I questioned the receipt they said all your khazna is paid and clear you do not have to worry about anything. The remaining money will go to the officers who facilitated in paying my khazna online. The address of the office which took my payment is in Hheramishi Khazna Office 📃 Sheramishi Tana: Jogonnathpur District: Sunamgonj Bangladesh
বয়স সংশোধন করলে ১৫ হাজার টাকা লাগবে