রিটার্ন
অনলাইনে ই রিটার্ন দাখিল করার সময় একটা ভুল হয়েছিলো ভুল সংশোধন করার জন্য ৯০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অনলাইনে ই রিটার্ন দাখিল করার সময় একটা ভুল হয়েছিলো ভুল সংশোধন করার জন্য ৯০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
গাড়িতে কোন সমস্যা ছিলনা। তারপরেও সার্জেনের দাবি ছিল গাড়িতে ওভারলোড মাল ছিল। এটা বলে ১৫০০ টাকা ঘুষ আদায় করা হয়
এই সমস্যাটা শুধু গাজীপুরে না। সারা বাংলাদেশের প্রতিটা আদালতেই। যে কোন মামলা/মোকদ্দমা দায়ের করতে গেলে সেরেস্তাদারদের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা মামলা গ্রহণ করতে চায় না। প্রতিটা পদে পদে পিয়ন, পেশকারদেরকে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়। মামলার নকল তুলতে গেলে সরকারি ফি এর অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। না দিলে দেখা যাবে যে, কাগজ পেতে ঘুরাচ্ছে অথবা অনেক দেরিতে প্রয়োজনীয় কাগজ হাতে পাচ্ছি। দেওয়ানী আদালতের চাইতে ফৌজদারী আদালতে এর দৌরাত্ত্ব যেন আরো বেশি। প্রতিটা পদে পদে টাকা। টাকা ছাড়া কোন কথাই বলা যাবে না। অনেক আদালতের পেশকারদের ব্যবহারও অনেক জঘন্য। নূণ্যতম ১০০ টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় আদালত পাড়ায়।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য প্রতিফিস জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে এক হাজার টাকা করে নিয়েছিল তিন পিজ ৩০০০ টা নিয়েচে
থানায় ইভ টিজিং এর অভিযোগ দেয়ার পর পুলিশ তদন্ত করতে এসে টাকা চায়।
নামজারি হিসাবে সর্বমোট ৮৫০০ টাকা নিয়েছে তারা বলছে তাদের নাকি অফিস খরচ আছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়া, ক্লিনার, নার্স এবং যারা হুইলচেয়ারে করে রোগী নিয়ে যায়, তাদের অনেককেই আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়। প্রত্যেকের টাকার পরিমাণও আলাদা। আয়া/ক্লিনার: ২০০ টাকা নার্স: ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা হুইলচেয়ার বহনকারী: ন্যূনতম ৫০০ টাকা টাকা না দিলে ঠিকমতো সেবা পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে আয়া ও ক্লিনাররা টাকা না দিলে অনেক সময় খুব খারাপ আচরণ করে। এছাড়া পরিচিত কোনো নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তি না থাকলে বেড বা কেবিন পাওয়াও কঠিন হয়ে যায়।
আমি গত বছর পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে, আমার সকল কাগজ ঠিক থাকার পরও পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা আমার ফর্ম বারবার প্রত্যাখ্যান করে,এবং নানা তালবাহানা করে।আমি বেশ কয়েকদিন হয়রানির শিকার হই।চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা আগে সরাসরি ঘুষ দাবি করলেও বর্তমানে তারা এখন বিকল্প রাস্তা বহন করে পাসপোর্ট আবেদনকারীদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে।তা হচ্ছে, চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের সামনে বেশ কয়েকটি কম্পিউটারের দোকান আছে। ওই দোকানের লোকরাই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের এজেন্ট। তাদের মাধ্যমে যেসকল পাসপোর্ট আবেদনকারীর আবেদন ফর্ম জমা হয় তাদের ফর্ম সাথে সাথে এপ্রুব হয়ে যায় কোনরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই।অথচ যারা ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ফর্ম জমা দিতে যায় তাদের ফর্ম রিজেক্ট করে দেয়।
খুলনা সিটি মেডিকেলে নার্স, ক্লিনার এবং দারোয়ানদেরও আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়। নার্স: ১,০০০ টাকার নিচে দিলে অনেক সময় খুশি হয় না। ক্লিনার: সকাল ও বিকেলের শিফটের ক্লিনার আলাদা। তাই এক শিফটে টাকা দেওয়ার পর আরেক শিফটে আবার টাকা দিতে হয়। একজনকে দিলে আরেকজনকে না দিলে তারা বলে, “আমি তো পাইনি।” দারোয়ানের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা। টাকা দিলে রোগীর সঙ্গে লোকজনের যাওয়া আসায় তেমন বাধা দেয় না। কিন্তু টাকা না দিলে বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে আটকে দেয়। যেমন, একজনের বেশি ঢুকতে দেওয়া যাবে না। অথচ অন্যদের ২/৩ জন করে ঢুকতে দিলেও কোনো সমস্যা হয় না। এমনকি একজন মুরব্বি সরাসরি বলেই বসেছেন, “আপনারা না দেখলে আমরা কই যাব?” অর্থাৎ, টাকা না দিলে নিয়মকানুন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় ।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স করতে এবং রিনিউ করতে ১,০০০ টাকা করে অতিরিক্ত দিতে হয়। এটাকে ঘুষ না বলে উনারা “চা-পানি খরচ” বলে।
ক্যাসিনো আমার মোবাইল এ লগইন নাই কিন্তু ইউটিউব এর এড লিংক এ ঢুকে ব্রাউজার এ ঢুকার ইতিহাস ছিল তা দেখে বিভিন্ন অযুহাতে চেকিং পোস্ট এ আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় পুলিশ
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম এখানে দালাল ঘুষ নিয়েছিল সেটি পাসপোর্ট অফিসার কে দিয়েছিল
হারানো ফোন উদ্ধারের জন্য জিডি করে। পুলিশ ফোন পায় এবং ফোন নিতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।
জমির মিউটেশন/নামজারির কাজ করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট প্রায় ২৩,০০০–২৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়ার পর কয়েকটি কাজ করে দেওয়া হলেও বাকি কাজগুলো এখনো সম্পন্ন করে দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন — ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়
আমি অনলাইনে এসএসসি মার্কশিটের জন্য আবেদন করছিলাম, কিন্তু ৪-৬ সপ্তাহ পরেও কোনো সাড়া পাইনি। ফাইলটি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। এরপর বোর্ডের একজন কর্মচারী, যিনি মূলত অনুমোদন দিতেন এবং আমার সার্টিফিকেট ছাপানোর কথা ছিল, তিনি আমাকে ২ দিন অপেক্ষা করিয়ে একজন পিয়নের কাছ থেকে টাকা নেন।
একটি অবিবাহিত সনদ সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত চার্জ ট্রেজারির মাধ্যমে পরিশোধ করে সুষ্ঠুভাবে আবেদন সম্পূর্ণ করি। তারপর পুলিশ ভ্যারিফেকিশনের নামে ৫,০০০৳ এবং ডিসি অফিস অনুদানের নামে ১০,০০০৳ চাওয়া হয়। আমি বাড়তি টাকা পরিশোধ না করে প্রায় ২মাস ডিসি অফিসে চক্কর কাটিয়ে ক্লানত হয়। পরবর্তীতে কোনো উপায়ন্তর না দেখে দাবীকৃত টাকা বিনা রশিদে পরিশোধ করি। — নামে একজন পুলিশ সদস্যকে ৫,০০০৳ এবং — নামে ডিসি অফিসে কর্মরত একজনকে ১০,০০০৳ টাকা পরিশোধ করার পর ২য় দিনেই আমি সনদ সংগ্রহ করি। — মোবাইল নাম্বার — — মোবাইল নাম্বার —
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়। LGED তবে মোট ১৭০০ লাইসেন্স রয়েছে।
প্রতিটা বিল বা হিসাবের সর্বো নিম্ন ৫% ঘুষ না দিলে তারা ফাইল টা ওঠাই না। আক্কেলপুর হিসাব রক্ষণ অফিস যেন ঘুষের একটা কারখানায় পরিণত হয়েছে। অফিসের সকল কমকর্তা যেন ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝেন না। ঠিকানা: আক্কেলপুর থানা, জয়পুরহাট জেলা।
উপায় নাই।।লাইসেন্স রিনিউ করতে হলে টাকা লাগবে, যতই আপনি কম্পলাইন থাকেন না কেন?? ফায়ার সাভিস একটা করাপ্টেড প্রতিষ্ঠান।।