কাজগপএ ভুল সংশোধনের জন্য ঘুষ
আমি সার্টিফিকেট নাম সংশোধন করতে যাই পরে তারা অর্থ দাবি করে ঐখানকার কিছু চক্র মহলের লোক
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি সার্টিফিকেট নাম সংশোধন করতে যাই পরে তারা অর্থ দাবি করে ঐখানকার কিছু চক্র মহলের লোক
রংপুর সরকারি হাসপাতালের ক্যাম্পাসে সাইকেল গ্যারেজের লোকজন প্রতি বাইসাইকেল এর জন্য ৩০ টাকা নেয়, অথচ নেয়ার কথা ২০ টাকা। মোটর সাইকেলের জন্য নেয় ৩০ এর বদলে ৪০ টাকা। গ্যারেজ থেকে মাঝে মধ্যেই হেলমেট হারিয়ে যায়। কিছুদিন আগে একটা মোটর সাইকেলও হারিয়েছিল। গ্যারেজের মালিক স্থানীয় সরকারি নেতা। কাউকেই তোয়াক্কা করে না।
আমার ছোট্ট ভাইকে বিদেশে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজন তখন আমি প্রবাসী কল্যান ব্যাংক নান্দাইল উপজেলা শাখায় যাই তখন আমার সকল প্রকার কাগজ পত্র যাচাই করে ২লক্ষ টাকা দিবে আসস্থ করে।৩ দিন পর সকল প্রকার কাগজপত্র জমাদিই তখন এক অফিস সহায়ক আমার কাছে সরাসরি ১০ হাজার টাকা দাবী করে, নইলে আমার লোন পাস হবে না।তখন আমি বিপদে পরে যাই আমার ভাইয়ের ফ্লাইটের সামনে ৬ দিন ছিলো,টাকাটা আমার বিশেষ দরকার, তাই ৮ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
I was bound to pay otherwise they wouldn’t give me namjari
একটা নামজারি করতে হলে ভূমি অফিসে দিতে হয় ১৭৫০ ac-land অফিস দিতে হয় ৬৫৫০ ,আর যদি একটু সমেস্যা থাকে তাহলে কোন কথা নাই, যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে ফাইল পাস হয় না, যদি ও সব ঠিক থাকে, উপজেলা দোহার
2024 সালে SSC ব্যাবহারিক খাতায় স্বাক্ষরের জন্য স্কুল কর্তৃক ৫০০ টাকা, SSC পরবর্তী মার্কশিট উত্তোলনে স্কুলে ৩০০ টাকা, আবার সার্টিফিকেট উত্তোলনে ৩০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে! অথচ ফরম পূরণের অফিশিয়াল টাকা জমা দেওয়ার পরেই প্র্যাকটিক্যালের খরচ, মার্কশিট উত্তোলন, সার্টিফিকেট ফিসহ সকল খরচ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। হাইকোর্টের ঐতিহাসিক আদেশ (২০১৪ & ২০১৫): ২০১৪ সালের নভেম্বরে হাইকোর্ট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় কেন অবৈধ হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্ট ঢাকা অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোকে এসএসসি পরীক্ষার নামে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। অথচ এক যুগ পরেও ৯৯.৫% স্কুলে একই গতিতে চলছে ঘুষের আদান প্রদান!
নামজারি করার পর DCR ফি দিয়ে খাজনা দিতে ভূমি অফিসে গেলে আমার নতুন খতিয়ানে ৭,৮০০ টাকা খাজনা বসিয়ে দেওয়া হয়। অথচ যে কয়টি দাগ থেকে জমি নামজারি করেছি, সেগুলোর আগের সব খতিয়ান মিলিয়ে খাজনা ৪০০ টাকারও কম হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ করে জানতে পারলাম, বেশি খাজনা হলে আবেদন করে সংশোধন করা যায়। তখন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা আমাকে বললেন, ৪,০০০ টাকা দিলে তিনি কাজটি করে দেবেন এবং কাউকে না বলতে বলেন। আমি রাজি হলে তিনি কাজটি করে দেন। পরে খাজনার রশিদে দেখি, আসল খাজনা মাত্র ৩৫০ টাকা! ৩৫০ টাকার খাজনা প্রথমে ৭,৮০০ টাকা বসানো হলো, আর সেটা ঠিক করে দেওয়ার জন্য আমাকে ৪,০০০ টাকা দিতে হল
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করলে তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন সচল ছিল। এতে করে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যাচাই এর জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল নয়তো দেরি করতো!
জরুরী হিসেবে করতে দিলে আমার নিকট ৭০০০ টাকা দাবি করলেও পরে ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলাম।
কলেজ লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগের জন্য আমার এক নানি তার সন্তানের জন্য ১৪ লাখ টাকা প্রদান করেন, বর্তমানে সে চাকুরীতে নিয়োজিত !
Dhaka GPO Customs A delivery arrived from Ali Express. Every single step of that place required money. Then sent me notice, I visited. From fill up - 500 Taka (1 photocopy page) Another form inside the Wearhouse - 200 taka (1 photocopy page) Product display front of Magistrate - 500 taka (Worst part, 2 magistrates distributed that 500 between them, 250 each) Product cost was 1600 taka, I paid 1200 in one visit, it was such an unhealthy visit, I was sick after returning home. After that day, all respect went down to Magistrate Jaudges.
SB-Malibag theke police phone diye bole klk ECB Ashte , paper niye jai shob thik thak tarpor o ekta sweet shop e boshe amar kach theke table er nich diye isharay 2000tk dite bole, baddho hoye ami diye dei
Went to get Vehicle Fitness Certificate. All documents were fine. Car had no issue. Fitness certificate issued but they asked for 2000 Taka for Tea Without that the certificate will not be handed over. I paid the Tea Fee
আমি অনলাইনে ভূমির নামজারির জন্য একটি আবেদন করেছিলাম প্রায় ৩ মাস আবেদনটি ঝুলে থেকে নামঞ্জুর হয়। পরবর্তীতে আমি আটঘরিয়া থানার দেবোত্তর এসি ল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করলে ওখানকার অফিস সহায়ক বলে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেননি তাই আবেদনটি আমি বাতিল করে দিয়েছি। উনি আমাকে বলেন যে আপনি আবার আবেদন করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। পরবর্তীতে আমি আবার ৩টি দলিলের নামজারির জন্য আবেদন করে ওনার সাথে দেখা করি,উনি দলিল প্রতি ১০০০ ( একহাজার টাকা) দাবি করেন পরে আমি বাধ্য হয়েই ৩ টা দলিলের জন্য ৩০০০ টাকা দিয়ে দেই। ওনাকে ৩০০০ টাকা দেওয়ার পরে উনি বললো আমি ডকুমেন্টস গুলো তদন্তের জন্য ভূমি অফিস (চাঁদভা ভূমি অফিস) পাঠিয়ে দিচ্ছি আপনি ভূমি অফিস গিয়ে খসরা খতিয়ান নিয়ে আসেন আমি approve করে দিবো। ওখানে গেলে আরও ৩০০০৳
জমির নামজারির আবেদন নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন জমা করার সময় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও পিয়ন কর্তৃক খরচের নামে টাকা দাবি করেন প্রতিটি নামজারির আবেদন জমা দিতে গেলেই টাকা দাবি করা হয়। যদি টাকা দেওয়া না হয় তাহলে যেকোনো একটি ছোট্ট করনিক ভুল বের করে পুনরায় সংশোধন করে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।
ওয়ারিশ সাটিফিকেট, সরাসরি 10000 টাকা চাওয়া হয়েছে।না দেওয়াতে নানান অজুহাত দেখিয়ে ৩৮ দিন ঘোরার পর আজ ৬৫০০ টাকা দিয়ে চুক্তি সম্পোর্ন লরা হয়।
ফ্ল্যাটের নামজারির জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই
আমার নামজারীর জন্য এসিলেন স্যারের পিএ আমার কাছে দাবি করে নাহলে না মনজুর হবে বলে হুমকি ও দেয়
ফিংগার দেওয়ার জন্য১০০টাকা না দিলে ফিংগার নিচ্ছে না, আর অফিস খরচ ৩০০০ না দিলে ড্রাইভিং পাস হবে না
To add new HS code for Export oriented readymade garments bond license they take 1 lack tk which would be free. This amount ARO, RO, Commissioner all are taking this money.