Biyer kabin online appostil
Saudi family Anar jonno kabin nama online Korte hoy. Kaji 2000 takar binimoye kajta koreche
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Saudi family Anar jonno kabin nama online Korte hoy. Kaji 2000 takar binimoye kajta koreche
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য আমার কাছে কর অফিস অতিরিক্ত ৪০,০০০/- টাকা চাই।অনেকদিন ঘুরা ঘুরির পর অতিরিক্ত টাকা দিয়ে আমি লাইসেন্স নবায়ন করে নিয়েছি
আমি ঢাকা যাওয়ার জন্য রেল ষ্টেশনে টিকিট নিতে গিয়েছি, ওনারা বলে টিকিট নাই, কিছুখন পরে দেখি একজন টিকিট বিক্রি করতেছে, শোভন চেয়ার ৯০০ টাকা করে, ৫০০ টাকার টিকিট ৯০০ টাকা, বাধ্য হয়ে ২টা টিকিট আঠারশ টাকা দিয়ে নিলাম।
একটা সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন এবং ভাষা রূপান্তর করতে দেওয়া হয়েছিল রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড কিন্তু এক বছর পার হলেও তারা কোন গতি ছিল না পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা ঘুষ খেতে চাই। এরপর আরো চার মাস অপেক্ষা করা হয় পরে আর কোন উপায় না দেখে ২৫০০ টাকায় দশরফা হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এমন কোন সেকশন নাই যেখানে ঘুষ চলে না।
আমার সব কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও বলা হয় কাগজ এ সমস্যা আছে, এই বলে আমাকে অফিস থেকে বাহিরে বসতে বলা হয়, বাহিরে বসা কালে, ওইখানকার দায়িত্বরত আনসার সদস্য (—) আমার কাছে এসে বলে ভাই সব কিছুরই একটা নিয়ম নীতি আছে, এমনি এমনি তো কোন কিছু হয় না, তাকে আমি বললাম যে আমার তো সব কাগজপত্র ঠিক আছে তাহলে আপনারা বাদ দিলেন কেন, সে আমাকে বলে ভাই আপনি এখনো বিষয়টা বুঝতে পারেন নাই, তারপর আমি জিজ্ঞেস করলাম বিষয়টা কি বলেন? সে বলে ভাই এত ঝামেলা বাদ দেন আপনি আমাকে পনেরশো টাকা দেন আমি স্যারকে বুঝিয়ে বললে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। তারপর আমি সেখান থেকে চলে আসি। পরে অনেক কিছু ভেবে দেখলাম, আসলে তো আমার সবকিছু ঠিক আছে তারপরও পাসপোর্টটা তো জরুরী। তাই আমি পরের দিন গিয়ে সেই আনসার (—) কে পনেরশো টাকা দেই।
আমরা জানি সাধারণত একটি ভূমির নাম জারি করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ১,১৭০ টাকা খরচ হয়।কিন্তু এই টাকা দিয়ে আমরা কোনভাবেই সেটা করতে পারছি না। আমরা তিনবার আবেদন করেছি তিনবারই উপযুক্ত প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও সেটা বাতিল করা হয়েছে।ভূমি বিচার কর্মকর্তা ছলে বলে কৌশলে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে।বারবার বাতিল হওয়ার কারণে আমরা প্রথমে ৫০০০ টাকা দিতে রাজি হই, কিন্তু ইউনিয়ন ভূমিকম্পকর্তা সে ৫ হাজার টাকা নিতে অপারগতা জানায়,পরবর্তীতে আমরা আমাদের সর্বশেষ 20 হাজার টাকা কেটে দেয়।সে আরো বলে এটা কার শুধু সে নিজে খায় না সকল কর্মকর্তা এ টাকা ভাগ পাবে।তাই ২০ নিচে করা সম্ভব নয়।আমার মনে হয় এ দেশের কোন বাপ মানে।কি আর করার আমরা সাধারণ মানুষ তাই ২০ হাজার টাকা দিয়ে করেছি।
সেবাটি হলো আমি দুইটা দলিল দিয়েছি একটা দলিল আমার নিজের অন্যটা আমি এবং আমার ভাইয়ের উনারা কি করেছে দুইটা দল ঠিক মত চেক না করে অর্ধেক অর্ধেক উঠিয়ে দিয়েছে পরে মিস কেস করে অন্যান্য আরো কি কি ছিল এসব করে তখন কি করার জন্য আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নেওয়া হয় আমি প্রবাসী চলে আসি দুই বছর পরে যাওয়ার পরে দেখি ঠিক হয় নাই তখন আবার আমাকে পাঁচ হাজার টাকা হয়েছে আখাউড়া ভূমি অফিসে।
আমাদের জেলার অধিকাংশ ছেলে পাসপোর্ট করে, নিজে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে অফিসে যাই, লম্বা লাইন প্রায় 100, থেকে 150 লোক শেষ করে চেকিংয়ে গেলাম সেখানে তারা বলে ভেরিফাই নাই , এটা বলে রাগারাগী শুরু করে দেয় পরবর্তীতে আমি কথা বলার সুযোগ পাইনি, বাইরে গিয়ে মানুষের সাথে শেয়ার করি, পরবর্তীতে তারা বলে একজন ধরে তারপরে জান, দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে, একজনে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে, আমি তাকে ২০০০ টাকা দেই, আবেদন ফরমে একটি চিহ্ন দেয়, পরবর্তীতে আমার কোন সমস্যা হয় না, কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময়, আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করে, অথচ সরকারি নিয়ম ে ভেরিফিকেশনে কোন টাকা দেওয়ার কথা নাই, সাথে এটাও আছে পুলিশ বাসায় গিয়ে ভেরিফিকেশন করবে, কিন্তু তা করেনি,
জামিনের ফাইল প্রসেস করাতে ৫০০০ টাকা দিয়েছিলাম।
আমি আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম হঠাৎ একদিন পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বললেন যে আপনার আবেদন পত্রে বাসার নাম্বার উল্লেখ নাই আমি বললাম কিভাবে সংশোধন করা যায় সাথে সাথে আমাকে বললেন ৬০ ফিট সংলগ্ন মনিপুর স্কুলের সামনে আসতে যাওয়ার পরে উনি আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেন কিন্তু অনেক রিকোয়েস্টের পর দুই হাজার টাকা তে রাজি হন। অথচ পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য যে আবেদন ফরম পূরণ করতে হয় সেখানে বাসার নাম্বার চাওয়ার কোন অপশন ছিল না।
ঘুষ নিয়ে টাকা খেয়ে ও কাজ করে না। পুরো অফিস একটা চেইন অফ কমান্ডে চলে। এই সিন্ডিকেট বাইরে কাজ করা সম্ভব না। ওনাদের আচার ব্যবহার খুবই খারাপ আপনাকে ইচ্ছে করে ভোগান্তি ফেলবে। উপর থেকে চাপ প্রয়োগ করলেও কাজ আদায় করা যায় না। একটা নামজারি করার জন্য মিনিমাম ৫০ হাজার টাকা নেই।
Surveyor, office assistance, Clark Tahshildar office, still I didn't receive it. Feel frustrated and humiliated by the AC land, DC office.
ভৈরব ভূমি অফিসের সার্বেয়ার খায়ের সাহেব। যিনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না এমনকি তিনি অফিস কক্ষে বসে সি সি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে ঘুষ দাবি করেন এবং গ্রহন করে থাকেন। তাকে টাকা না দিয়ে কোন ভাবেই ফাইল আপডেট করা যায় নি, তাই বাধ্য হয়ে তার দাবিকৃত টাকা দিয়ে নাম জারি করতে হয়েছিল।
প্রতি মাসে ব্যাবসায়ীদের থেকে ভ্যাটের কাগজ সত্যায়িত করার জন্য ১০০০ টাকা দাবী করে। যা দিতে সকলেই বাধ্য।
গাড়ির স্পিরিট ৮০ জাগায় 82 ছিল তিনি মামলা করতে পারতেন এরকম সবার কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে গাড়িগুলো ছেড়ে দেয়, এবং এগুলো হাই ও পুলিশ সবাই ভাগ করে নেয়
ami jotto kagoj ase sob joma disi amon kono kagoj nai j ready kori ni.amr vul dhora hoise gram holding name a jeita silo optional.gush deuyar por kono kagoj e lage ni sorasori fringer disi
জমি খারিজ করতে গিয়েছি ১০০% সঠিক তারপর ও আমার নিকট ১৫০০০ টাকা চায় আমি ১০০০০ টাকা দিয়েছি কিন্তুু তাতেও রাজী হয়নি এবং এখনো আমার কাজটা হয়নি
ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।
আমরা বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার সময় পল্লিবিদ্যুৎ তে প্রতি ১৫০০০ টাকা সব মিলে ১৭৮০০০ টাকা ঘুষ নিসে
চাঁদপুর সদর রেকোর্ড রুমে খতিয়ান প্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা নেয়। যদিও আমি খতিয়ান খরচ অনলাইনে পরিশোধ করি।