নামজারি
নামজারি। এল এ কেসের কথা বলে জনপ্রতি ৭০,০০০; তাও জমির পরিমাণ বেশকম করেছেন, সংশোধন প্রয়োজন; এটার সংশোধন পরবর্তী বংশধররা করবে, আমার পক্ষে আর সম্ভব না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি। এল এ কেসের কথা বলে জনপ্রতি ৭০,০০০; তাও জমির পরিমাণ বেশকম করেছেন, সংশোধন প্রয়োজন; এটার সংশোধন পরবর্তী বংশধররা করবে, আমার পক্ষে আর সম্ভব না।
রংপুর শাপলা চত্বরে। মেসার্স সোনালী সার বস্তা পূর্তি ৫০০ টাকা বেশি নেয়
প্রতি ১ টা ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৪০০০ টাকা হারে ঘুষ না দিলে ফায়ার লাইসেন্স দেবে না।
বিএডিসি সার লাইসেন্স নবায়নের সময় ডিলার প্রতি ২০০০টাকা ঘুষ গ্রহণ করে। — নামে একজন অফিস সহায়ক। এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
একটি ভূমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম যেখানে নাম জারি করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা লাগে সেখানে এখনো পর্যন্ত প্রত্যেক নামজারির জন্য ছয় হাজার টাকা এবং জমির পরিমাণ বেশি হলে পরিমাণ ভেদে 30 থেকে 40 হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করে
আমার এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসিয়াল ফি এর বাইরেও ২৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। নবায়ন না করলে বায়ার নষ্ট হয়ে যেত। এজন্য চাহিত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় আমার কাছে 5000টাকা ঘুষ চায় পুলিশ অথচ আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই, আমার কাগজে কোনো ভুল নেই। কিসের টাকা জানতে চাইলে জানানো হয় এটাই নিয়ম। এই টাকা উনি একা নেন না। ধাপে ধাপে সবাইকে দিতে হবে। তিনি বলেন টাকা না দিলে তিনি আমার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট বাতিল করবেন তাই আমাকে আবার নতুন করে অ্যাপ্লাই করতে হবে তাতে আমার খরচ আরও বেশি হবে তার চেয়ে উনাকে 5000 টাকা দিলে এখানেই সমাধান হয়ে যাবে। পরে অনেক মিনতি করে 3500 টাকা দিতে হয়েছিল। এমনকি সেই ভেরিফিকেশন এ তিনি আমার বাসায় বা এলাকায় আসেন নাই এমনকি পুলিশ থানায় ও আমাকে ডাকেন নাই, তিনি আমাকে দিনাজপুরের লিলিরমোর এ আসতে বলেন এবং যাবতীয় সব কথা এবং লেনদেন সেখানেই করেন।
অবিবাহিত ব্যক্তি পাসপোর্টের আবেদন করলে তার কাছে বউয়ের কাবিন চাওয়া হয়েছে। না হলে কাবিন নিয়ে আগামী কাল আসেন। বাইরের কম্পিউটার দোকান, চা দোকান, বা রাস্তায় দালাল দাড়িয়ে আছে, তারা ডেকে বলছে কি সমস্যা, ১৩০০ দিন ফাইল ঠিক করে দিচ্ছি।
আমার দাদার বাড়িতে বাবারা অনায়েশেই বসবাস করতে পারলেও, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তা বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে, নতুন বাড়ি বাধার অভিপ্রায়ে আমি আবেদন করি, ইউএনও অফিসের মাধ্যমে এসি ল্যান্ড অফিসে। ইউএনও স্যারের সচিব ২০০০ টাকা দাবি করে আবেদন ফরোয়াড করার জন্য। টাকা দিয়েও কাজ হয় নি
ক্রয় কৃত মালামাল এর বিল পাশ করাতে, পেনশন , জিপিএফ ফান্ট উত্তলন অর্থাৎ সব সেবায় ঘুষ দিতে হয়।
রাস্তা নির্মাণের কাজের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রথমে ১১% হারে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে বিষয়টি ৮% হারে নির্ধারণ করা হয় এবং সেই অনুযায়ী ৩,৯০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
হোল্ডিং ট্যাক্সের ডুপ্লিকেট এন্ট্রি/কর সংক্রান্ত কাজের নামে ৩৬ জন মালিকের কাছ থেকে মোট 720000/- টাকা গ্রহণ, ৩ বছরের করের পরিবর্তে ১ বছরের কর হালনাগাদ, পুনরায় 720000/- টাকা দাবি এবং নোটিশের কপি প্রদানে বাধা দেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ ও টাকা ফেরত পাওয়ার আবেদন।
আমি মামলা করতে গেলে আমার মামলাটি নিবে না বলে ফিয়ে দেয়, তার পর দলিও লোক নিয়ে গেলে বলে বসে সমাধা করে দিব, কিন্তু সমাধান তো আসে নি এসেছে ঘুষের প্রস্তাব, অসহায় হয়ে আমি ১০০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মামলা দায়ের করি,, এটিতে তারা খেন্ত হয়নি আবার ও চার্জশিট দেওয়ার সময় আবারো ১০০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দিলে ওসি সাক্ষর করতে অশিক্রিতি জানায় বাদ্ধ হয়ে টাকা টি দিয়ে দেই ধার দেনা করে এই যদি হয় আমাদের দেশের আইন তো আমরা সাধারণ মানুষ কার কাছে যাব এর তিব্র নিন্দা যায়,, পুলিশ তুমি কলংকিত
উপরে উল্লিখিত দশ হাজার টাকা কেবল একটি নির্দিষ্ট ডকুমেন্টসের পণ্য ঘোষণা সংক্রান্ত, বিষয়টি কাস্টমস কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহারের কাছে জিম্মি হয়ে দিতে বাধ্য হই! এই টাকার পরিমাণ বেড়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কয়েক লাখ টাকায় নিঃপত্তি হয়। আর দৈনন্দিন প্রতিটি ডকুমেন্টারি কাজের ঘুষ লেনদেন সর্বনিম্ন এক হাজার থেকে কয়েক হাজারে সীমাবদ্ধ থাকে। যা এখানে রেগুলার বেসিসে রিপোর্ট করা সম্ভবপর না। তবে ধারনা করা যায় চট্টগ্রাম কাস্টমসে দৈনিক কয়েক লাখ থেকে কয়েক কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়ে থাকে।
গাজীপুর সদর হাসপাতাল যেটি বর্তমানে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে পরিচিত রয়েছে, সেটিতে ভর্তি হলে, বেড পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কর্মচারীকে ঘুষ দিতে হয়, হুইলচেয়ার বা ট্রলি বহনকারি হাসপাতালের স্টাফরা প্রতিবার রোগী বহন করার জন্য টাকা চান, অপারেশন থিয়েটার ফাইল জমা দিলে সিরিয়াল মেইনটেইন করা হয়না, যে টাকা দেয় তাকে আগে ওপারেশন থিয়েটার এ ঢোকানো হয়। যদিও টাকারা উচ্চপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তারা নেন না তবে সাধারণ স্টাফরা নেন। অপারেশন শেষে ওয়ার্ড বয় বা আয়া, চা খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন গণশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ, সকাল বেলা মক্তব পড়ানোর সার্কুলার হলে আবেদনের পর যানতে পাড়ি যোগাযোগ ছাড়া হবে না। যোগাযোগ করলে বলা হয় এক লক্ষ ৫০ হাজার অনেকেই দিচ্ছে সেই জন্য তাকে ১ লক্ষ টাকার ঘুষ দেওয়ার কথা বললে উপজেলা দায়িত্বরত কোন মতে রাজি হয়। অগ্রীম ২০ হাজার নিয়েছে ৬ মাস পার হলেও টাকাও নাই চাকরিও নাই। এই অবস্থায় আছি।
শুধু ফেল করে দেয়, বার বার ঘুরতে ঘুরতে অসহ্য হয়ে পড়ে ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা পয়ঃবর্জ্য শোধনাগারে শহর থেকে উত্তোলিত মানববর্জ্য অপসারণের অনুমতি প্রদানের জন্য ৫০০০ টাকা নেন যা আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। টাকা না দিলে ময়লা ফেলতে দিত না। ঠাকা দিয়েছি, এখর ময়লা অপসারণ করতে দেয়। এরক বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দিতে হয় যা সব সময় হিসেব রাখা হয় না বা সম্ভব নয়।
১০ শতক জমি'র নামজারি করতে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। প্রথমে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয় তাই পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে পর্যায়ক্রমে টাকা দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। সর্বমোট এক লক্ষ আশি হাজার টাকা খরচ হয়েছে
—র জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমাকে বলে ৪০০/- টাকা লাগবে কিন্তু সরকারি নির্দেশ মোতাবেক শিশুদের জন্ম নিবন্ধন ফ্রী করে দেওয়া হয়। ওখানকার কম্পিউটার অপারেটর বলে টাকা না দিলে ওনি কোনো কাজ করে দিতে পারবে না আবার জন্ম নিবন্ধন না হলে —র টিকা দেয় না, তাই বাধ্য হয়ে ৩৫০/- টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করেছি।