fair license
প্রতি ১ টা ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৪০০০ টাকা হারে ঘুষ না দিলে ফায়ার লাইসেন্স দেবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি ১ টা ফায়ার লাইসেন্সের জন্য ৪০০০ টাকা হারে ঘুষ না দিলে ফায়ার লাইসেন্স দেবে না।
বিএডিসি সার লাইসেন্স নবায়নের সময় ডিলার প্রতি ২০০০টাকা ঘুষ গ্রহণ করে। — নামে একজন অফিস সহায়ক। এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
একটি ভূমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম যেখানে নাম জারি করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা লাগে সেখানে এখনো পর্যন্ত প্রত্যেক নামজারির জন্য ছয় হাজার টাকা এবং জমির পরিমাণ বেশি হলে পরিমাণ ভেদে 30 থেকে 40 হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করে
নামজারি। এল এ কেসের কথা বলে জনপ্রতি ৭০,০০০; তাও জমির পরিমাণ বেশকম করেছেন, সংশোধন প্রয়োজন; এটার সংশোধন পরবর্তী বংশধররা করবে, আমার পক্ষে আর সম্ভব না।
আমার এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসিয়াল ফি এর বাইরেও ২৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। নবায়ন না করলে বায়ার নষ্ট হয়ে যেত। এজন্য চাহিত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি মামলা করতে গেলে আমার মামলাটি নিবে না বলে ফিয়ে দেয়, তার পর দলিও লোক নিয়ে গেলে বলে বসে সমাধা করে দিব, কিন্তু সমাধান তো আসে নি এসেছে ঘুষের প্রস্তাব, অসহায় হয়ে আমি ১০০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মামলা দায়ের করি,, এটিতে তারা খেন্ত হয়নি আবার ও চার্জশিট দেওয়ার সময় আবারো ১০০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দিলে ওসি সাক্ষর করতে অশিক্রিতি জানায় বাদ্ধ হয়ে টাকা টি দিয়ে দেই ধার দেনা করে এই যদি হয় আমাদের দেশের আইন তো আমরা সাধারণ মানুষ কার কাছে যাব এর তিব্র নিন্দা যায়,, পুলিশ তুমি কলংকিত
উপরে উল্লিখিত দশ হাজার টাকা কেবল একটি নির্দিষ্ট ডকুমেন্টসের পণ্য ঘোষণা সংক্রান্ত, বিষয়টি কাস্টমস কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহারের কাছে জিম্মি হয়ে দিতে বাধ্য হই! এই টাকার পরিমাণ বেড়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কয়েক লাখ টাকায় নিঃপত্তি হয়। আর দৈনন্দিন প্রতিটি ডকুমেন্টারি কাজের ঘুষ লেনদেন সর্বনিম্ন এক হাজার থেকে কয়েক হাজারে সীমাবদ্ধ থাকে। যা এখানে রেগুলার বেসিসে রিপোর্ট করা সম্ভবপর না। তবে ধারনা করা যায় চট্টগ্রাম কাস্টমসে দৈনিক কয়েক লাখ থেকে কয়েক কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়ে থাকে।
গাজীপুর সদর হাসপাতাল যেটি বর্তমানে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে পরিচিত রয়েছে, সেটিতে ভর্তি হলে, বেড পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কর্মচারীকে ঘুষ দিতে হয়, হুইলচেয়ার বা ট্রলি বহনকারি হাসপাতালের স্টাফরা প্রতিবার রোগী বহন করার জন্য টাকা চান, অপারেশন থিয়েটার ফাইল জমা দিলে সিরিয়াল মেইনটেইন করা হয়না, যে টাকা দেয় তাকে আগে ওপারেশন থিয়েটার এ ঢোকানো হয়। যদিও টাকারা উচ্চপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তারা নেন না তবে সাধারণ স্টাফরা নেন। অপারেশন শেষে ওয়ার্ড বয় বা আয়া, চা খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেন।
নাম প্রকাশে প্রত্যয়ন পত্র করার জন্য সরকারি কোন ফি লাগেনা , তা সত্ত্বেও আমার ইউনিয়ন পরিষদে ফর্ম পূরণের জন্য ১০০ টাকা চায় ভিতরে কর্মরত কম্পিউটারে লেখালেখি করা ব্যক্তি, এর পর প্রত্যয়ন পত্র সিগনেচার করার জন্য আমার কাছে সব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ২০০ টাকা সরাসরি চায়, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা প্রশাসক এর সিগনেচার নিজে গিয়ে করে নিব বললে উনি মানা করেন , এবং বাধ্য হয়ে আমি টাকা দেই ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন গণশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ, সকাল বেলা মক্তব পড়ানোর সার্কুলার হলে আবেদনের পর যানতে পাড়ি যোগাযোগ ছাড়া হবে না। যোগাযোগ করলে বলা হয় এক লক্ষ ৫০ হাজার অনেকেই দিচ্ছে সেই জন্য তাকে ১ লক্ষ টাকার ঘুষ দেওয়ার কথা বললে উপজেলা দায়িত্বরত কোন মতে রাজি হয়। অগ্রীম ২০ হাজার নিয়েছে ৬ মাস পার হলেও টাকাও নাই চাকরিও নাই। এই অবস্থায় আছি।
আমি আমার মালিকানাধীন জমি নামজারি/খারিজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে আবেদন করি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমি খারিজের নির্ধারিত ফি মাত্র ১,১২০/- (এক হাজার একশত বিশ) টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী আমার নিকট সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। আমি অতিরিক্ত কোনো টাকা বা ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার জমির খারিজের আবেদনটি বাতিল করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জমিটি খারিজ করার জন্য আমাকে ১৪,০০০/- (চৌদ্দ হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়। উক্ত অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর আমার জমির খারিজ সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত খারিজ ফি যেখানে মাত্র ১,১২০/- টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে ১৪,০০০/- টাকা নেওয়া হয়েছে, যা সরকারি নির্ধারিত ফি-এর তুলনায় অনেক বেশি।
সেবাটি ছিল ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বিষয়ে ঘটনাটি ঘটে ঢাকা দক্ষিন সিটি করর্পোরেশন আমরা আমাদের কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স এর টাকা ব্যাংকে জমা দিলেও লাইসেন্স এর একটা পিডিএফ কপি নিতে গেলে বলে লাইসেন্স সুপার ভাইজার সাহেব ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে সুধু সাক্ষর এর জন্য পরে আমাদের প্রয়োজন দ্রুত টাই টাকা দিতে বাধ্য হই । কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশন এ মাত্র ২০০ টাকা তেই হয় কারন তাদের অনলাইন জেনারেটেড কপি অফিসার স্বাক্ষর প্রয়োজন নাই।
শুধু ফেল করে দেয়, বার বার ঘুরতে ঘুরতে অসহ্য হয়ে পড়ে ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা পয়ঃবর্জ্য শোধনাগারে শহর থেকে উত্তোলিত মানববর্জ্য অপসারণের অনুমতি প্রদানের জন্য ৫০০০ টাকা নেন যা আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। টাকা না দিলে ময়লা ফেলতে দিত না। ঠাকা দিয়েছি, এখর ময়লা অপসারণ করতে দেয়। এরক বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দিতে হয় যা সব সময় হিসেব রাখা হয় না বা সম্ভব নয়।
১০ শতক জমি'র নামজারি করতে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। প্রথমে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয় তাই পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে পর্যায়ক্রমে টাকা দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। সর্বমোট এক লক্ষ আশি হাজার টাকা খরচ হয়েছে
—র জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমাকে বলে ৪০০/- টাকা লাগবে কিন্তু সরকারি নির্দেশ মোতাবেক শিশুদের জন্ম নিবন্ধন ফ্রী করে দেওয়া হয়। ওখানকার কম্পিউটার অপারেটর বলে টাকা না দিলে ওনি কোনো কাজ করে দিতে পারবে না আবার জন্ম নিবন্ধন না হলে —র টিকা দেয় না, তাই বাধ্য হয়ে ৩৫০/- টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করেছি।
এইচএসসি পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষায় আমার ফলাফল খারাপ হওয়ায় আমাকে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে বোর্ড পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়ার জন্য আমার কাছে ১২,০০০ টাকা জামানত দাবি করা হয়। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য সীমিত থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ হারানোর ভয়ে অনেক কষ্টে সুদে ১২,০০০ টাকা ধার করে এনে জমা দিতে বাধ্য হই। সেই সময় টাকাটা জোগাড় করতে আমাকে যে মানসিক চাপ ও আর্থিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। পরবর্তীতে আলহামদুলিল্লাহ, আমি বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলভাবে উত্তীর্ণ হই। কিন্তু পরীক্ষার পর সেই ১২,০০০ টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। টাকা ফেরত চাইলে আমাকে বলা হয়, টাকাটি “মিষ্টি খাওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।”
তিনটি দলিলের নকল কপি উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। অর্থাৎ, তিনটি দলিলের নকল কপি উত্তোলনের জন্য মোট ১৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়টি অনিয়ম বলে মনে করি।
সেবাটি ছিল জন্ম নিবন্ধন, সরকারি ফ্রী ৬০ টাকা হলেও আমার কাছ থেকে ৩৬০ টাকা আদায় করে টাকা দিতে অসম্মতি জানাইলে একমাসের বেশি সেবাটি আটকে ছিল।পরে টাকা পরিশোধে একসপ্তাহের মাঝে নিবন্ধন টি হাতে পাই।তাদের ভাষ্য মতে অতিরিক্ত ৩০০ টাকা যিনি কাছটি কারছে ইনি ১০০ টাকা ইনি হল একজন গ্রাম পুলিশে বলতে গেলে দালান। দালাল ছাড়া গেলে কোন সেবা মিলেনা।আর ১০০ টাকা ইউনিয়নের কম্পিউটার অপারেটর বাকী ১০০ টাকা উপজেলায় যিনি অনুমোদন করে তার জন্য বরাদ্দ। এই হল প্রান্তিক পর্যায়ে ঘুষের অবস্থা।
আমি নামজারির আবেদনটি নিয়ে জমা দেই । জমা দেওয়ার পর কনেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) পাশের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে না চাইলে সে বলে টাকা না দিলে হবেনা। এই টাকাটা লগবেই। বাধ্য হয়ে আমি তাকে 2000 টাকা পরিশোধ করি।