লাইসেন্স করা বাবদ
শিক্ষা ভবন এর এক অফিস সহায়ক আমার কাছে টাকা দাবি করেছে, তা না হলে কোন ভাবেই আমাকে লাইসেন্স দিবে না, সে আমি যত ভালো ভাবেই ফাইল গুছিয়ে দেই না কেনো। পরে আমি সে টাকা দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
শিক্ষা ভবন এর এক অফিস সহায়ক আমার কাছে টাকা দাবি করেছে, তা না হলে কোন ভাবেই আমাকে লাইসেন্স দিবে না, সে আমি যত ভালো ভাবেই ফাইল গুছিয়ে দেই না কেনো। পরে আমি সে টাকা দিতে বাধ্য হই।
৪.২৯ শতাংশ জায়গা।মিরসরাই। ওয়াহেদপর ভুমি অফিসে গেলে বলে নামজারীর ফাইলটা নিয়ে উপজেলা অফিসে যেতে হবে এবং সরকারি খরচ আছে।আমি বলি সরকারী খরচ ১১৭০ টাকা।আমাকে বলে তাহলে আপনি করেন।আমি করতে গেলে তারা অনুমোদন দেয়না।বিভিন্ন সমস্যা দেখায়।তারপর টাকা দিলে করে দেয়।
UTTARA NORTH BOND CUSTOMSPER UP ARO TO AC GUSH 6000-7000 TAKA. KENO BIDESIRA EI GUSHER DESHE BUSINESS KORTE ASHBE?? UP ONLINE TARPORE O GUSH BONDHO HOYNAI.
প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগের ঘটনা যখন আমি আমার পাসপোর্ট বানানোর জন্য নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। তখন পাসপোর্ট এর সবকিছু ছবি কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে আমার কাছে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ফোন করে বলে তুমি নরসিংদী পৌরসভার সামনে একটি পুলিশ ফারি আছে ওই জায়গায় তুমি এসে পড়ো আমি তখন ওই জায়গায় গেলাম যাওয়ার পর — নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে যে তোমার যদি কিছু পেতে হয় তখন আমাকে কিছু দিতে হবে আমি বুঝতে পারছি যে উনি ঘুষ চাচ্ছি কিন্তু আমি উনাকে ঘুষ দিইনি তারপর উনি বলে যে তুমি চলে যাও তোমার কাজ হবে না তারপর উনি যাওয়ার আগে বলে যে তোমার অভিবাবকে নিয়ে আসবা তখন আমার বয়স ছিল ২০ নাকি ২১ ২০/২১ বছরের মাথায় কেন আমাকে আমার অভিভাবক আনতে হবে তারপর আমি আমার আব্বুকে নিয়ে আসলাম তখন আব্বু ঘুষ দিলো।
পাচ হাজার টাকার খাজনা দিতে ২৫০০০ টাকা নিয়ে ৫০০০ টাকার খাজনা রিসিট দিয়েছে।
নামজারি করতে ঘুষ না দিলে নামজারি হবে না
জমি ক্রয় বিক্রয করার আগে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির খাজনা দিতে হয়, তেমনি আমিও জমির খাজনা দেয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই তসিলদারের কাছে। এরপর বিস্তারিত বলে জমির সকল বৈধ কাগজপত্র এবং প্রয়জনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেই এরপর শুরু হয় দর কষাকষি অতঃপর ৭০০০ টাকায় সমঝোতা হয় । জমির পরিমাণ এখানে মূখ্য নয় কেননা ২৫ বিঘার নিচে যাদের আবাদি জমি আছে সরকার তাদের খাজনা মওকুফ করেছেন । এখন আসি প্রকৃত খরচ কতো তা নিয়ে কথা বলি:- জমির খাজনা দেয়ার জন্য আবেদন করতে লাগে ৭০ টাকা এবং ডিসিআর ফি ১১০০ টাকা (ফিক্সড) । মোট ১১৭০ টাকা লাগে বৈধ ভাবে, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে কিন্তু উনারা আমার থেকে নিলো ৭০০০ টাকা । আমার আবাদি জমি ৫ বিঘার কম কিন্তু উনি ২৫ বিঘা দেখিয়ে আমার থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করলেন জেনেও আমি নিরুপায় ।
প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অবেদন করতে গেলে শিক্ষা অফিসে কর্মরত থাকা এটিইও দের টাকা দিতে হয়। না হলে শিক্ষকদের আবেদন গ্রহণ করে না এবং হয়রানির শিকার হতে হয়। এটিইও রা সরাসরি টাকা হাতে না নিয়ে অফিসে কর্মরত থাকা কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ করতে বলে এবং তাদের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেন করে। এটিইও দের ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে।
ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম দাগ নম্বর জানার জন্য যা সরকারি ভাবে বিনামূল্যে জানার ব্যাবস্থা থাকার পরেও তিন বারে মোট ৭৫০ টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছে বাধ্য হয়ে , খাজনা দিতে গেলেও বাড়তি ঘুস চায় , ভুমি অফিসে ঘুষ ও দালাল ছাড়া কোন কাজ ই সহজে করা যাচ্ছে না
11000kva line dsp fuse change
নামজারি করতে সরকারি ফি 1170 টাকা হলেও নানা বাহানার জন্য নান্দিনা ভূমি অফিসের নায়েব ও সহকারীরা ঘুষ 6000-7000 হাজার টাকা ছাড়া নামজারি করেন না আমার জরুরি প্রয়োজন তাই করতে বাধ্য হয়
৬নং দৈহারী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার বাবা জমির ৩টি অনলাইন নামজারির জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ১,১৭০ × ৩ = ৩,৫১০ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসার আমাদের কাছ থেকে ১৭,০০০ টাকা গ্রহণ করেন। বিষয়টি জানতে ফোন করলে তিনি বলেন, “আপনার বাবাকে বলা হয়েছে।” পরবর্তীতে জানতে পারি, অতিরিক্ত টাকা না দিলে নামজারি কাজে বিভিন্ন সমস্যা ও হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে। তাই বাবাকে হয়রানি বা কোনো সমস্যায় ফেলতে চাইনি বলে তখন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত রামচন্দ্রপূর মৌজাইয় একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করার পর ভূমি অফিসে দলিলের কপি, আগের মিউটেশন, খাজনা খারিজ সব নিয়ে গিয়ে আমি নিজের নামে মিউটেশন করতে যাই। ওখানে অবস্থিত কর্মচারী আমার কাছে ২৫০০০ টাকা দাবী করে। যদিও আমার জানামতে মিউটেশন খাজনা খারিজ সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকার মত হবার কথা। ঝামেলা এড়ানোর জন্য পরিশোধ না করে উপায় ছিল না।
আমি প্রথমে দরকারি সব ডকুমেন্টস প্রিন্ট করতে পাসপোর্ট অফিসের সামনের দোকান এ যাই। বের হয়ে আসার সময় তারা বলে যদি কাজ না হয় আমাদের কাছে আসবেন। তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বলে যে শুধু এইসব প্রিন্ট ডকুমেন্টস দিয়ে হবে না, সবকিছুর অরিজিনালও লাগবে। অথচ একই রকম ডকুমেন্টস দিয়ে আমার ছোট ভাই ঢাকাতে পাসপোর্ট করিয়েছে, কোন রকম অরিজিনাল ডকুমেন্টস কেউ চায় নাই। অতপর আমি বাধ্য হয়ে ঐ দোকানে যাই। তাদের ৪০০০টাকা দেই ৩টা পাসপোর্ট এর জন্য। তারা জমা দিয়ে আসে। এরপর আমি গেলে সেই একই ডকুমেন্টস দিয়ে কাজ হয়ে যায়।
দালাল ছাড়া কোন কাগজ পাতি ফাইল জমা নেয় না এক হিন্দু স্যারের সাথে অনেক তর্ক হয়েছে। বলে যে আপনার লোক থাকলে তাকে দিয়ে ফিঙ্গার করান আনসার বাহিনীরা ঘুষ খায়, এডিসি স্যার ফাইল আটকে রাখে যে টাকা দেয় তার টা করিয়ে দেয়, সারাদিন বসায় রেখে সারর্ভারের সমস্যার কথা বলে । নিজে নিজে আবেদন করলে সে কাজটা করে দেয় না। দালাল ধরতেই হবে। এমনকি একজন ব্যক্তির পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত ঘুরতে হয় তারপরেও দালাল ধরতে হয়। এই সমস্যার জন্য পাবনা থেকে অনেক কয়টা অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে দেড় বছর আগে আনসারদেরকেও সরিয়ে দিয়েছে। তারপর থেকেও ভালো হয় নাই।
আমার নতুন কেনা হিরো এক্সট্রিম মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য চট্টগ্রাম বিআরটিএ মেট্রো- ২ (বড়পোল এলাকায় অবস্থিত) এ গেলে — নামের একজন অফিস সহকারী আমাকে বলেছে আপনি শোরুমের মাধ্যমে না করে সরাসরি কেন এলেন? শোরুমে ৪ হাজার টাকা বেশি নিলেও কাজটা সহজে হয়ে যেতো। আমি বললাম আমি নিজেই করতে পারি। তখন আমার ফাইলে এটা নেই ওটা নেই বলে আমাকে হয়রানি করে। এক পর্যায়ে ফাইল জমা নিয়ে বলে দুই হাজার টাকা চা পানির খরচ দিতে। আমি অস্বীকার করলে ফাইল দিতে অস্বীকৃতি জানায়, বলে এটা উপরে চলে গেছে। পরে অগত্যা ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে।
জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করি।
একটি ডাক্তার সরকারি হসপিটালে ওষুধ বিতরণ করার কাজে থাকেন। তিনি প্রত্যেক রোগী থেকে পাঁচ টাকা করে নিয়ে তারপর ওষুধ দেন। উনাকে বললে উনি বলেন যে এটা নিয়ম
গাড়ির ফিটনেস ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছে, টাকা পরিশোধ করলে ফিটনেস কোনো বিষয় না।
সরকারি রেট অনুযায়ী সুপার এক্সপ্রেস ১০৩৫০ টাকা আমার ইমারজেন্সি লাগবে বলেছিলাম তাই আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে এবং বলছে এক টাকাও কম হলে কাজ হবে না