Smart Card Collection
স্মার্ট কার্ডের সংকট দেখিেয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে যারা বিদেশে থাকেন তাদের কার্ড নিয়ে বেশি ঝামেলা করা হয়।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
স্মার্ট কার্ডের সংকট দেখিেয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে যারা বিদেশে থাকেন তাদের কার্ড নিয়ে বেশি ঝামেলা করা হয়।
জমি রেজিস্ট্রি করব।তাই তাদের সাথে আলোচনা করি তারা বলেন যত জন ওয়ারিশ হবে প্রত্যেক নামে পাঁচ শত টাকা লাগবে নাহলে প্রত্যেক কে আলাদা আলাদা দলিল করতে হবে আর কি করার বাধ্য হয়ে দিতে হল আমাকে দাতা সহ ওয়ারিশ সাত জন তাই আমাকে 3000 টাকা দিতে হয়েছে এবং দলিল পাশ করাতে আরো 1000 টাকা দিতে হয়েছে এবং টিপ ছাপ এবং সই দেওয়ার জন্য তাদের বকশিশ দিতে হয়েছে 300 টাকা আর এর সাথে রেজিস্ট্রি খরচ তো আছেই সর্বমোট ৪ শতাংশ বসত ভিটা জমি কিনেছি রেজিস্ট্রি খরচ দিতে হয়েছে ৫০ হাজার টাকা মাত্র এই হল আমাদের অবস্থা
না দিলে বেতন করে দিবে না।
জেলা শিক্ষা অফিস ফাইল আটকে রেখে টাকা দাবি করে
ট্যাক্স ফাইলটি ঠিকঠাক ছিল এবং এতে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে অডিট কেসটি ক্লোজ করার জন্য ইন্সপেক্টর টাইপিং ও রিপোর্ট প্রস্তুতের খরচ বাবদ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবি করেছেন। প্রথমে ২০,০০০ টাকা দাবি করা হলেও পরে তা কমিয়ে ১০,০০০ টাকা করা হয়েছে।
Jehetu amr ei bosor return last year theke kom tai file audit e felbe. Tax office wise ay proti bosor 1 taka holeo barte hbe komle hbe na. Jehetu amr last 2-3 year tax besi hoyese as income besi silo but oi bosore income kom silo so Tax kom asse ota tara manbe na. Amr riti moto voy lage gov't office e pa rakhte.
দোকান থেকে মিউটেশন করে অফিসে জমা দিই দুই মাস ঘুরাঘুরির পর বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে আবার আবেদন করে অফিসে টাকা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করি। কম্পিউটার অপারেটর সরাসরি টাকা গ্রহণ করে
আমার একটা জমির খারিজ করতে গিয়েছিলাম, সব কাগজ ঠিক থাকার পর ও আমার আবেদন নেয়া হয় নি। তারা আমার কাছ থেকে ২৬,০০০ টাকা ঘুষ চায় কাজটি করে দিতে। শেষ পর্যন্ত আমার করা কাগজ দিয়ে ই ১৬,০০০ টাকার বিনিময়ে জমির খারিজটি করেছিলাম।
ডিজিটাল নেমপ্লেট উত্তলন ম্যাসেজ এপয়েন্টমেন্ট বন্ধ থাকায়, ৬ মাস যাবৎ আমার গাড়ির ডিজিটাল নেমপ্লেট তুলতে পারিনি। তারপর বারবার পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে বিআরটি এর বিশেষ —র অনুগ্রহ পেতে প্রদানে বাধ্য হই।
আমি বনানিতে মেডিকেল করছিলালাম genarel ট্রাভেলস এর মাধ্যমে, বনানিতে মেডিকেল করে গেট দাওয়ানের ৪২০০০ টাকা দেইলাম মেডিকেল ফিট করতে দেওয়ার জন্য কিন্তূ আমার মেডিকেল ফিট করেনি ও টাকাও দেয়নি ২০১৭ সালের কথা এটা প্রবাসীদের মেডিকেল মিথ্যা করে ও টাকা খেয়ে ফিট করে এখানে লাখ লাখ টাকা ঘুস হয় এর পর অন্য ট্রাভেলস এর মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে মেডিকেল ফিট করাই!
নিজের জন্ম নিবন্ধন করার মতো একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে যাই। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকার পরও স্বাভাবিক নিয়মে কাজটি সম্পন্ন করতে আমাকে ২,০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। সরকারি সেবার জন্য নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও অতিরিক্ত টাকা না দিলে কাজটি সহজে হবে না—এমন একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিজের ন্যায্য অধিকার ও প্রয়োজনীয় একটি সরকারি সেবা পেতে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হওয়াটা অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও হতাশাজনক। একটি জন্ম নিবন্ধনের মতো মৌলিক সেবাও যখন অতিরিক্ত টাকা ছাড়া পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব আরও বেড়ে যায়। ২,০০০ টাকা হয়তো কারও কাছে সামান্য, কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের জন্য এই টাকা অনেক কষ্টের।
সেবাটি ছিল ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বিষয়ে ঘটনাটি ঘটে ঢাকা দক্ষিন সিটি করর্পোরেশন আমরা আমাদের কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স এর টাকা ব্যাংকে জমা দিলেও লাইসেন্স এর একটা পিডিএফ কপি নিতে গেলে বলে লাইসেন্স সুপার ভাইজার সাহেব ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে সুধু সাক্ষর এর জন্য পরে আমাদের প্রয়োজন দ্রুত টাই টাকা দিতে বাধ্য হই । কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশন এ মাত্র ২০০ টাকা তেই হয় কারন তাদের অনলাইন জেনারেটেড কপি অফিসার স্বাক্ষর প্রয়োজন নাই।
গাড়ির ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন ১০ দিন ফেল করেছিল
গাড়ির ট্যাক্স টোকেন ১০ দিন ফেল করেছিল। ট্রাফিক পুলিশ আট হাজার টাকার মামলা দেয়ার দাবি করে সেখানে ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মিউচুয়াল করা হয়।
৪.২৯ শতাংশ জায়গা।মিরসরাই। ওয়াহেদপর ভুমি অফিসে গেলে বলে নামজারীর ফাইলটা নিয়ে উপজেলা অফিসে যেতে হবে এবং সরকারি খরচ আছে।আমি বলি সরকারী খরচ ১১৭০ টাকা।আমাকে বলে তাহলে আপনি করেন।আমি করতে গেলে তারা অনুমোদন দেয়না।বিভিন্ন সমস্যা দেখায়।তারপর টাকা দিলে করে দেয়।
UTTARA NORTH BOND CUSTOMSPER UP ARO TO AC GUSH 6000-7000 TAKA. KENO BIDESIRA EI GUSHER DESHE BUSINESS KORTE ASHBE?? UP ONLINE TARPORE O GUSH BONDHO HOYNAI.
প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগের ঘটনা যখন আমি আমার পাসপোর্ট বানানোর জন্য নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। তখন পাসপোর্ট এর সবকিছু ছবি কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে আমার কাছে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ফোন করে বলে তুমি নরসিংদী পৌরসভার সামনে একটি পুলিশ ফারি আছে ওই জায়গায় তুমি এসে পড়ো আমি তখন ওই জায়গায় গেলাম যাওয়ার পর — নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে বলে যে তোমার যদি কিছু পেতে হয় তখন আমাকে কিছু দিতে হবে আমি বুঝতে পারছি যে উনি ঘুষ চাচ্ছি কিন্তু আমি উনাকে ঘুষ দিইনি তারপর উনি বলে যে তুমি চলে যাও তোমার কাজ হবে না তারপর উনি যাওয়ার আগে বলে যে তোমার অভিবাবকে নিয়ে আসবা তখন আমার বয়স ছিল ২০ নাকি ২১ ২০/২১ বছরের মাথায় কেন আমাকে আমার অভিভাবক আনতে হবে তারপর আমি আমার আব্বুকে নিয়ে আসলাম তখন আব্বু ঘুষ দিলো।
পাচ হাজার টাকার খাজনা দিতে ২৫০০০ টাকা নিয়ে ৫০০০ টাকার খাজনা রিসিট দিয়েছে।
নামজারি করতে ঘুষ না দিলে নামজারি হবে না
জমি ক্রয় বিক্রয করার আগে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির খাজনা দিতে হয়, তেমনি আমিও জমির খাজনা দেয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই তসিলদারের কাছে। এরপর বিস্তারিত বলে জমির সকল বৈধ কাগজপত্র এবং প্রয়জনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেই এরপর শুরু হয় দর কষাকষি অতঃপর ৭০০০ টাকায় সমঝোতা হয় । জমির পরিমাণ এখানে মূখ্য নয় কেননা ২৫ বিঘার নিচে যাদের আবাদি জমি আছে সরকার তাদের খাজনা মওকুফ করেছেন । এখন আসি প্রকৃত খরচ কতো তা নিয়ে কথা বলি:- জমির খাজনা দেয়ার জন্য আবেদন করতে লাগে ৭০ টাকা এবং ডিসিআর ফি ১১০০ টাকা (ফিক্সড) । মোট ১১৭০ টাকা লাগে বৈধ ভাবে, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে কিন্তু উনারা আমার থেকে নিলো ৭০০০ টাকা । আমার আবাদি জমি ৫ বিঘার কম কিন্তু উনি ২৫ বিঘা দেখিয়ে আমার থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করলেন জেনেও আমি নিরুপায় ।