কারা পুলিশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার সময় ভিতরে আমার কিছু কাপড়চোপড় ছিল সেটা জামিনের পরে আনতে গেলে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। সাথে আমার পিসি কার্ডের টাকা ফেরত পেতে ২০০ টাকা দিতে হইছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার সময় ভিতরে আমার কিছু কাপড়চোপড় ছিল সেটা জামিনের পরে আনতে গেলে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। সাথে আমার পিসি কার্ডের টাকা ফেরত পেতে ২০০ টাকা দিতে হইছে।
টিকেট কাটতে গেলে সিট থাকলেও বলে সিট নেই তারপর বলে এতো টাকা দিতে পারলে সিট হবে, সব ট্রেনের জন্যই এমন করে কাউন্টার এ
আমি তিন বার গিয়েছিলাম ফেনী পাসপোর্ট অফিসে। যাথাযথ কাগজপত্র থাকার পরও অতিরিক্ত নতুন ধরনের ডকুমেন্ট তাদের প্রয়োজন ছিল প্রতিবার আবেদনপত্র জমা দিতে গিয়ে। আমি লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিতে গিয়ে আগেই জানতে পারি আমার আবেদনটি বাতিল হতে পারে যদি না একটি অতিরিক্ত সীল আমার আবেদনপত্রে না থাকে। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমার সমস্ত ডকুমেন্ট এবং তথ্য আছে যে আমি নিজই আবেদনটি জমা দিতে পারবো। কিন্তু তিন বার গিয়ে আমি জানতে পারলাম আমি ভুল ছিলাম। সবশেষ আমার বাড়ির দলিল নিয়ে গেলও আমি ব্যর্থ ছিলাম। আবশেষে পাসপোর্ট অফিসের পাশের দোকানে গিয়ে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিয়ে একটি সীল যুক্ত একই তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র নেই এবং জমা দেই।
ভবনের কে কোন ফ্ল্যাট পারে সেই রেজিস্ট্রার্ড চুক্তিপত্রতে বন্টন শব্দ না থাকার ঠুনকো অজুহাতে রেজিস্ট্রী করতে অসম্মতি। পরে অনুনয় বিনয় করার পর — নামের পিয়নকে হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিলো। বলল ওর সাথে কথা বলেন।।।। সে দরদাম করে ভিতরে নিয়ে সাব রেজিস্ট্রারের সাক্ষর করিয়ে আনলো।।
সময়টি ছিল ২০২৩ সাল বিদেশ গমনের জন্য আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার দরকার ছিল। আমার পাসপোর্ট ছিল এমআরপি। ফিংগার দিতে গিয়েই বলে এমআরপি পাসপোর্ট কাজ হচ্ছে না সার্ভার সমস্যা। আজকে এমআরপি পাসপোর্ট এর ফিঙ্গার হবে না। তারপর এক কর্মকর্তা আমাকে বলল পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে এটা করা যাবে। আমার এটা করার খুবই প্রয়োজন ছিল।আমি প্রবাসী অ্যাপ থেকে তিন শত টাকা দিয়ে আমি রেজিস্ট্রেশন করিয়েছি। তারপরেও আমাকে আবার রেজিস্ট্রেশন করতে হয়েছে ৩০০ টাকা দিয়ে। এখনো আমার বি এম ই টি তে দুইটি রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। এই হল আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা এটাই আমাদের বাংলাদেশ।
প্রাইভেট কারের ফিটনেস নবায়ন বাবদ, কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়ার আগে ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করি
ভুমি সেবা নিতে টাকা ছাড়া কাজ খুব কম। প্রতিটা খারিজের বিপরিতে ১০০০ টাকা দাবি করে। টাকা না পরিশোধ করলে কাজ হয় না। খারিজ বাতিল হয়ে যায়।
হেবা ঘোষণা দলিল রেজিস্ট্রি করতে দলিল লেখক ও অন্যান্যকে নির্ধারিত ফিস এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে।
মিউটেশন করতে গেলে বলে সরকারী খরচ ১১০০ টাকা কিন্তু আমরা ৪০০০ টাকা নিয়ে থাকি।কারণ বিভিন্ন স্যারদের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে আবেদন না মুন্জুর করা দিবে।
আমি আমার পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধন করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় যায়।হাতে লেখা ফরমে আবেদন আমি করি স্কুল প্রধানের সাক্ষরসহ যাবতীয় কাজ আমি করি।ওই অফিসের কম্পিউটার অপারেটর শুধু আমাকে ফোন দিছে যে আমার সার্টিফিকেট আসছে অফিসে গিয়ে সংগ্রহ করতাম।সার্টিফিকেট আনতে গেলে আমাকে বলে খরচ দিতে আমি বলি কিসের খরচ ওনি বলে ওনি নাকি উপজেলা মিটিং, জেলা মিটিং নাকি তিনি নিজ তাগিদে করছে সে খরচ দিতাম।মজার কথা হচ্ছে সেই অফিসে লেখা আছে এখানে চায়ের খরচ নেওয়া হয় না।
Every passport holder who wnat to go india via Vomra land port, have to must pay 500+ taka to custom officer . otherwise they will not release or stamp on passport.
ঢাকার নন্দিপাড়া সরকারি অধিগ্রহণের জমির টাকা তোলার জন্য এই অফিসে দৌড়াদৌড়িতে প্রায় ১৫০০০০টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। ৮ লাখের জন্য দের লাখ। তাও রোজার মাসে। মানুষ রুপের কুত্তাগুলা ডিরেক্ট % বা টাকা চাইত এক এক টেবিলে। এগুলারে দেখলে বোমি আসে।
উকিলের ডেট পড়ায় সার্টিফিকেটটা খুব জরুরী ছিল কিন্তু তারা দিচ্ছিল না পরবর্তীতে টাকা না দিয়ে কোন উপায় ছিল না।
আমি জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করতে গেছিলাম কিন্তু আমার জন্ম নিবন্ধন না থাকায় সেখান থেকে ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন বানাতে এসে ২০০ টাকা ঘুস নেয় এবং অনেক হয়্রানি করে এরপর উপজেলা অফিসে জাতীয় অপরিচয় বানানোর সময় ৩০০ টাকা ঘুস নেয়
৩ বার এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করি কিন্তু বার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে,ডিডি অফিসের প্রোগ্রামার — 50 হাজার টাকা দাবি করে,আমি 30 হাজার টাকা দিয়ে আসি। তারপর ও কাজ হয়নি।
বাচ্চার প্রথম ৪৫ দিনের টিকাতে আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু সরকার এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্য পরিশোষ করে। আমি না করাতে বলে টিকা কার্ড দিবে না এবং এর পরে কোন টিকাও এই জায়গা থেকে নেওয়াতে দিবে না, বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।
There was a case against me, false dowry. Even the judge knows that. But because of the ruling govt. party, the bride's family members are getting prioritized, And the Judge without any reason, sent me to prison. To free me from prison, my family has to pay the judge and the Lawyer 125k taka cah. Judge took 1lac and the lawyer 25000.
আমি দুবার আবেদন করি কিন্তু দুবারই নামঞ্জুর করে যে রের্কড ঠিক করতে হবে।পরে টাকা দিলে করে দেই।
গফরগাঁও উপ কর অফিসে আরকর রিটার্ন জমা দিতে গেলে বলে আমার ফর্মে ভুল আছে এবং অনেক টাকা আয়কর দিতে হবে এবং তারা সংশোধন করে আয়করের টাকা কমিয়ে দিবে, ঘুষ দেওয়া লাগবে দশ হাজার টাকা।
গফরগাঁও শিক্ষা অফিসের কার্যালয়ে পেনশন এর টাকা উত্তলন করতে সব টেবিলে টাকা দিতে হয়। আমার দেওয়া পরিমান ছিল ৪ লক্ষ টাকা। এখনো টাকা দিয়ে পেনশন উত্তোলন করতে হয়।