জমির খাজনা পরিশোধ
খাজনা দিতে গেলে ঘুষ দাবি করে । পুরো এলাকা জিম্মি হয়ে আছে । আমরা প্রতিকার চাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খাজনা দিতে গেলে ঘুষ দাবি করে । পুরো এলাকা জিম্মি হয়ে আছে । আমরা প্রতিকার চাই।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
আমার কর্মচারীকে বেতন বিল করতে পাঠাই।তিনি এসে বলেন যে ১০০০ টাকা দিতে হবে।পরে ৩০০ টাকায় মিটমাট করতে বাধ্য হয়েছি
২ টা জন্মনিবন্ধন করাতে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ৮০০ টাকা নেয়
NTRCA এর মাধ্যমে সুপারিশকৃত শিক্ষকের নিউ এমপিও করার জন্য প্রতিষ্ঠান আমার থেকে ১০০০০৳ অনৈতিক অর্থ দাবি করে।অনিচ্ছা সত্ত্বেও টাকা দিতে হয়েছিল।
“আমি যতটুকু জানি একটা জমি খারিজ করতে সরকারি খাতে দেওয়া লাগে 1600 টাকা হওয়ার কথা কিন্তু আমার ভূমি অফিসে মোহরি এবং ভূমি অফিসের কর্মচারীরা মিলে আমার কাছে 1 খারিজের জন্য 20000 টাকা নিয়েছে এবং আমি একটু ইমারজেন্সির কারণে 20000 টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি”
নতুন মিউটেশন করতে গেছি তখন আড়াই লাখ টাকা দিতে হয়েছে উজির নাজির থেকে ডিসি অফিস পর্যন্ত
২০২৩ সালে আগরতলা (ইন্ডিয়া) হতে দেশের আসার সময় কাস্টমসে মালামাল স্ক্যান করে বের হওয়ায় সময় অফিসার টাকা দাবি করে ২০০ টাকা। টাকা দিতে অস্বীকার করলে লাগেজ খুলে আমার কিছু মালামাল রেখে দিতে চায়, তারপর কি আর সমঝোতার ভিত্তিতে ১০০ টাকা ঘুস/টিপস দিতে আসতে হয়।
রকেট হেল্প লাইনে কল দিলাম হেল্পলাইনে কথা বলব হেল্প লাইনে কেউ কল ধরে না। ৪ মিনিট ধরে কল ধরে না পরে কল কাটার পরে দেখি ৮ টাকা কাটল আমি কথাই বলতে পারি নাই তাইলে আমার টাকা কাটল কেন??
I applied for a recent BDS survey record for my land in Board Bazar but they didn't provide me the copy on time and claimed BDT 30,000. I met a number of officials bit it didn't work. Everyone indicated money. Finally I paid BDT 10,000 after two weeks to collect the record copy to avoid any further delays and harassment.
চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিন ইউনিয়ন, জায়গার দলিল সঠিক থাকা সত্তেও আমাকে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে হয়েছিল
বগুড়া টিটিসিতে বিদেশগামী যাত্রীদের তাকামুল পরীক্ষায় টাকা নিয়ে পাশ করে দিচ্ছে। টাকা না দিয়ে নরমালভাবে পরীক্ষা দিলে ডাইরেক্ট ফেল করে দিচ্ছে ফলে গরীব মানুষেরা অসহায় হয়ে পরছে সৌদি যেতে পারছে না।
To start a new business, when I contacted them for a BIN certificate, they said I have to pay 2,500 BDT, otherwise the verification will take a long time. They said if the tax office doesn't approve the verification, it will remain pending. Now the question is, if the government made the process online, why is the verification still in the hands of these thieves? They keep it pending just to demand money.
দেশের সকল প্রজেক্টের বিল এজি অফিস থেকে চূড়ান্ত পরিশোধ করা হয়। প্রতিটি বিলে জন্যই ঘুষ প্রদান না করলে চেক/ব্যাংক ট্রান্সফার প্রদান করা হয়না। আমি অন্তত্য ১৫টি টি বিল ছাড়িয়েছি। যার প্রত্যেকটির জন্য আলাদা আলাদা ৮০০০-১২০০০ টাকা করে ঘুষ প্রদান করেছি।
আমার বাবা মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার বাবার সঞ্চয়পত্র আমার মায়ের নামে হস্তান্তরের (নাম পরিবর্তনের) জন্য আবেদন করার সময় বিভিন্ন বিভাগ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়েছিল, এবং আমি মোট ৫০,০০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
আমি একজন ভুক্তভোগী ঘুষ ছাড়া সহ জুগিথা পাওয়া জাই না এই থানায় আমি একটা চাঁদাবাজির মামলা করছি কিন্তু দারোগা — আমার কাছ তেকে করচ নিয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজ দের থেকে আমার থেকেও বেশী টাকা খেয়ে হাত মিলিয়েছে চাঁদাবাজদের সাথে একন তদন্ত রিপোর্ট পাঠাই না সত্যি ঘটনা মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয় আমি নির ওপাই আমি কি বিচার পাবনা এই জেলায় বা এই থানায় গটানা জায়গা কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম থানা ৩ উপজেলা, আমি নিজেই বাদী পুলিশের ওপর বিশ্বাস ওটে গেছে আমরা সাধারণ জনগণের সরকার সদু সদু বেতন তাদের কে ঘুষ চারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না অষ্টগ্রাম থানায় অষ্টগ্রাম থানায় ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে এটার বিচার কে করবে বিবাগী বিচার নেওয়া দরকার আমরা সাধারন জনগণ অসহায় তাদের কাছে সহায়তার জন্য গেলে ঘুষ ছাড়া কোনকাজহইনা
জমির নাম খারিজ করার জন্য এসি ল্যান্ড অফিসে জমা দিয়া কাগজপত্র তশীল অফিসে পাঠানো হয়েছিল সেখানে উক্ত তথ্য ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে সেটা আবার এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠানোর কথা। সেই কাগজ তারা নিজ ইচ্ছায় এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠায় না আমাদের সেখানে যে তদবির করে উক্ত কাগজ এসি ল্যান্ড অফিসে পাঠাতে হয়। আর এই কাজের জন্য তারা বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকমের ঘুষ দাবি করে। কারো কাছে ৫০০ কারো কাছে ১০০০ কারো কাছে ১৫০০। আমার কাছে এক হাজার টাকা চেয়েছিল আমি বলেছিলাম আমার কাছে টাকা নেই শুধুমাত্র ৫০০ টাকা আছে ওই অফিসের একজন কর্মচারী বলল যে ৫০০ টাকা আপাতত দেন আর ৫০০ টাকা পরে আবার দিয়ে যাবেন মনে করে। এভাবে আমাদের দের-কাঠা জমির নাম খারিজ করেছিলাম। তবে একটি ভালো বিষয় কুষ্টিয়ার এসি ল্যান্ড অফিসে ঘুষ কার্যক্রম নেই।
আমাদের ১০ শতাংশ জমির নাম জারি করাতে গিয়ে ভুমি অফিসের কর্মকর্তা আমাদের কাছ থেকে ১০০০০ টাকা দাবি করে।এবং দাবিকৃত অর্থ তার বাড়িতে গিয়ে আমার ছোট ভাই দিয়ে আসে। টাকা দেওয়ার পরে আমাদের কে একমাসের সময় দেয়।হইত এইপ্তাহে আমাদের নাম জারির কাজ শেষ হবে।জকসিন বাজার ভুমিকা অফিসের ঘটনা।
টাকা না দিলে দীর্ঘদিন শুধু ঘুড়াতে থাকে আর বিভিন্ন অজুহাত দেখায়।
লিগ্যাল এইড অফিসে নোটিশ জারির জন্য টাকা না দ্য়োয় ৩ ডেট ঘুরায়। পরে ৫০০/ টাকা ঘুষ নিয়ে একটা ডেট দেয় এরং বলে সে ডেটে জারি দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়ে দিবে।