নামজারী
বলেছিল চার টাকা লাগবে চার হাজার না দিলে হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বলেছিল চার টাকা লাগবে চার হাজার না দিলে হবে না
আমার পিএসসি সার্টিফিকেটে মায়ের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, সেটা সংশোধনের জন্য কোনো টাকা লাগে নাহ। কিন্তু ওরা আমার কাছে ৪০০৳ দাবি করে, এবং সেই টাকা নিয়ে ৩ মাস পর সংশোধন করে দেয় । আমরা চাই আমাদের দেশ এই ঘুষ মুক্ত হোক। গড়ে উঠুক সকলের মাঝে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক।
আমি একটি ভূমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। রেজিস্ট্রেশনের একপর্যায়ে টিপসই নেওয়ার পর প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। সেখানে অনেক ভিড় থাকায় এবং পরিস্থিতি বুঝতে না পারায় আমি তখন বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারিনি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোনো রসিদ, কাগজপত্র বা নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। পরে জানতে পারি, এই টাকাটি কোনো সরকারি নির্ধারিত ফি নয়; বরং এটি চাঁদা বা ঘুষ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। সাধারণ মানুষ ভূমি রেজিস্ট্রেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে এসে যদি এভাবে অতিরিক্ত ও অননুমোদিত টাকা দিতে বাধ্য হন।
ভূমি অফিসে এমন কোন কাজ নাই যেটা তারা ফ্রী করে, যদি একটা ফাইল বের করতে চান আর যদি টাকা না দেন ওই ফাইল ৬ মাসেও পাবেন না । এটা সারা বাংলাদেশের চিত্র। এমন কেউ নাই যিনি বলতে পারবেন একটা খতিয়ান করেছেন যেটার জন্যও তারা কোন এক্সট্রা টাকা নেন নি । আমার বেলায় ও তেমন ই হইছে , টাকা না দিলে কাজ হবে না এটাই সিস্টেম তাই ঘুষ দেয়া ও অপরাধ আত্মা জেনে দিতে হবে কারণ আপনি এখানে অপারগ ।
Birth Certificate Experience It is very unfortunate that I had to pay this much for my newborn’s birth certificate! I went to Ward No. 60 of DSCC to obtain my son’s birth certificate within 45 days of his birth so that I could register his name with the government for free. However, I was given a lot of unnecessary difficulties and asked to provide a lot of unwanted documents. I am a private service holder. I knew that, if I tried, I could fulfill all of the requirements, but I simply did not have the time. He took advantage of that and forced me to pay. I feel like the government system is intentionally made complicated and difficult so that these people can create opportunities to earn
ওয়ারিশে ভুল নামে ভুল অনেক ধরনের সমস্যা আছে তাই বলে বেশি টাকা নেয়া হইছে। এসিল্যান্ড কে বেশি টাকা না দিলে সেটা সাইন করেন না আর সরকারি কাজ নাকি টাকা ছাড়া হয় না ভূমি অফিসের লোকজন তারা অনেক বড় সিন্ডিকেট তারা কাউকে জবাবদিহিতা করে না। সরকারের কাছে অনুরোধ করব এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন নাইলে একটি দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।
দিনাজপুর থেকে রাজশাহী যাওয়ার BRTC বাসে আসন পূর্ণ হওয়ার পরও অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়। অতিরিক্ত যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে আমি দেখেছি, কিন্তু তাদের টিকিট দেওয়া হয় না । ঘটনাটি প্রতিদিন ঘটে। অতিরিক্ত নেওয়া অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৩০০০০ টাকা। অর্থটি ব্যক্তিগতভাবে কেউ/কারা আত্মসাৎ করেছে—সে বিষয়টিও আমার কাছে পরিষ্কার নয়।
সরকারি চাকরিতে আমার প্রথম মাসের বেতন ছাড় করতে এজি অফিসে ঘুস দিতে হয়েছিল। আর নাহয় বেতন আটকে থাকবে মাসের পর মাস চাকরি জীবনের শুরুতেই এজি অফিস আমাকে ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অসহায়ের মতো একজন সরকারি চাকুরীজীবী হয়েও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই
এটি খুবই লজ্জার বিষয় যে নিজে একজন সরকারি চাকুরিজীবী হয়ে অন্য একটি সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে যেয়েও ঘুষ ছাড়া কাজ করানো যায়না। সরকারি চাকুরি পেয়ে পে ফিক্সেশন করে বেতন নিতে হয় আর এই পে ফিক্সেশনেই দেশের সকল হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুষ দেয়া লাগে। অর্থাৎ আপনাকে চাকুরির শুরুতেই ঘুষের মধ্যে দিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। আমি প্রাথমিকভাবে টাকা দিতে অশীকৃতি জানাই যার কারনে আমার ফিক্সেশন দেরিতে হয় ও অন্য সবার পরে আমার বেতন পাই যেটা অন্যদের থেকে ২ মাস পরে। পরে বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে বেতন ফিক্সেশন করাই। এছাড়া আমার অন্যান্য কলিকদের কাছ থেকেও ২৫০০-৩০০০ করে টাকা নিয়েছে এই বেতন ফিক্সেশন করাতে।
দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার প্রসাদপাড়া মৌজায় চলমান আর.এস/বি.আর.এস ভূমি জরিপ কার্যক্রমে নিয়োজিত ৫ জন কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ার সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে মাঠ পর্চা দেওয়ার নামে মোট ১,৭৩,০০০ (এক লক্ষ তিয়াত্তর হাজার) টাকা ঘুষ বা অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেন। টাকা নেওয়ার পর কোনো নোটিশ বা কারণ ছাড়াই তারা জরিপের কাজ বন্ধ করে আকস্মিক এলাকা থেকে পালিয়ে যান।
অভিযোগের বিষয়: মাতুয়াইল বিদ্যুৎ অফিস (ডেসকো/আরইবি/ডিপিডিসি) কর্তৃক অন্যায্য "নির্মাণ বিল" দাবি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ। অভিযোগকারীর তথ্য: নাম: ঠিকানা: মোবাইল নম্বর: বিদ্যুৎ অফিসের নাম/অঞ্চল: মাতুয়াইল বিদ্যুৎ অফিস ঘটনার বিবরণ: আমি ২০১২ সালে আমার নিজ জমিতে প্রথম তলা ভবন নির্মাণ করি এবং তখন থেকেই ১টি বৈধ বিদ্যুৎ মিটার ব্যবহার করে আসছি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ভবনটি ৩ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে প্রয়োজনীয় আবেদনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫টি মিটার সংযোগ গ্রহণ করি। সেই সময়ে তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ কার্যালয় কর্তৃক ধার্যকৃত ১২,০০০ টাকা "নির্মাণ বিল" বাবদ সম্পূর্ণ পরিশোধ করি। সম্প্রতি আমার উক্ত ৩ তলা ভবনের অতিরিক্ত
Academic supervisor came to surprise visit. His assistant claimed Tk. 5000 for keeping good connection. After bargaining has been paid 3000 Tk.
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় দালালের মাধ্যমে প্রদান করেছি।
আমি একটি অফিসে বেশ কিছু গাড়ি ভাড়া দেই পরবর্তীতে তিনটি গাড়ির উদ্ধার করতে হয়েছে পুলিশের মধ্য দিয়ে। যা পুলিশের সাথে কন্টাকে যেতে হয়েছে। বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে
oboshor bhata tulte giye taka ceyece
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসে চাকরির জন্য হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গেলে বলে সিভিল সার্জন অফিসার টাকা লাগে।
নামজারী করার জন্য টাকা চেয়েছিল ২৫০০০।পরে ২১০০০ এ কাজ করতে হয়েছে। বার বার বলেছি সরকারী চার্জ তো ১১৫০ টাকা বা তার কিহু বেশী। বলেছে সরকারী ভাবে করুন কাজ
আমার স্বামী মারা যাওয়ার ফলে তার নামে ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন করতে যোগাযোগ করি। কিন্তু অত্র ভূমি অফিসের নায়েব আমার কাছ থেকে এ পর্যন্ত ৫৭,০০০/- টাকা নেয় কিন্তু কোন কাজই করেনাই।
সাব রেজিষ্ট্রার অফিস কালীগঞ্জ । আম-মোক্তার দলিল থেকে সাফ কবলা করেছি । এটাই কিন্তু ইস্যু । সুতরাং টাকা নিয়ে দিলে জমি রেজিঃ করতে পারব না । তাই বাধ্য হয়েই দিতে হলো
যখন আমি আমার ফ্যামিলি মেম্বার নিয়ে ইমার্জেন্সি সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন আমার রোগীকে মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে নেওয়ার জন্য একটা মোভেবল বেড লাগত। তখন ওইখানকার যারা কর্মচারী ছিলেন তারা আমাদের পোষাকা দেখে এবং তারা মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে পৌছে দেয় ।তারপর তারা ২০০ টাকা চার্জ করে। মাঝে মাঝে অনেক গরিবরা যদি আসে তাহলে তারা বেড দিতে চায় না কারণ তারা যদি পোশাক আশাক দেখে বুঝতে পারে এরা গরিব তখন তারা খারাপ দিতে চায় না কিন্তু কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৮০ এর বেশি ব্যাট প্রবাসী বাঙালিরা ফ্রিতে দিয়েছিল!!