নামজারী করার জন্য ঘুষ নিয়েছে
ওই মৌজায় খাস জমি আছে, ১৫০০০ টাকা না দিলে নামজারী হবে না. ১৫০০০ টাকা নিয়ে নামজারি করে দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ওই মৌজায় খাস জমি আছে, ১৫০০০ টাকা না দিলে নামজারী হবে না. ১৫০০০ টাকা নিয়ে নামজারি করে দেয়
নাগরিকত্ব সনদের ফি ৫০ টাকা ইংরেজি ও বাংলা সহ। কিন্তু আমাদের মোকনা ইউনিয়ন পরিষদ, নাগরপুর, টাঙ্গাইলে শুধু বাংলা সনদের জন্য ১০০ টাকা করে রাখে।
আমার জমির মিডিসন করার জন্য এ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে মিডিসন করে দিতো না তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
Dhaka South City Corporation Zone-2 (Khilgaon) এখানে যাই নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে, দায়িত্বরত —; ইস্যু করার দিনে - অফিস খরচ বাবদ আমার থেকে মূল টাকার সাথে অতিরিক্ত চার হাজার টাকা নিয়েছে। যেদিন কাগজটা আনতে যাই, আপামনি নামাজে থাকায় পনেরো মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছিলো, এছাড়া কোন ঝামেলা হয়নি। 😊
আব্বা মারা যাওয়ার পর মায়ের নামে পেনশন করাতে গিয়ে চা-নাস্তার খরচ হিসেবে ১০হাজার টাকা দেয়া লাগে।
Government Mutation fee is 1100 Taka but when its going to process land oficer asking money 8000 taka. not only me they taking from all people extra money, if any people protest and not paying money they are delaying report
"প্রতিবেশীর জমি দখল নিয়ে করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি)-র বিষয়ে পুলিশ এসেছে এবং কথা বলেছে। তবে পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এ পর্যন্ত পুলিশ তিনবার এসেছে, এবং প্রতিবারই খরচের টাকা চেয়েছে, যা দিতে হয়েছে।"
ঢাকা জেলার ধামরাই থানার ভূমি অফিসে আমি আমার এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই। যেখানে একটি খারিজ করতে ১১৭০টাকা সরকারি ফি। সেখানে সেখানে এই টাকা বাদ দিয়ে ও আরো অতিরিক্ত ৮০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এতে আমার ৭টা খারিজ এর জন্য অতিরিক্ত মোট ৫৬০০০টাকা খরচ হয়
টাকা দেন নতুবা গাড়ির প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি চেক করে সমস্যা বের করে মামলা দিয়ে গাড়ি রেকারিং করবো। স্থান # কামারপাড়া, উত্তরা, ঢাকা।
আমি এল জি ইডি লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় এই ঘুষ দেওয়া হয়েছে । আবার কর অফিসে ভ্যাট সারটিফিকৈট এর জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে ।
উপজেলা মাধ্যমিক এ্কাডেমিক সুপারভাইজার ভিজিটে আসেন। তার সহকারী ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। না দিলে সরকারি বই পেতে অসু্বিধা হবে হবে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ৪০০০ টাকা ঘুষ দেয়া হয়।
উলিপুর অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্রের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু আমাকে দীর্ঘদিন দেবে ঘোরানো হয়েছে। সবগুলো কাগজ থাকার পরও হয়রানি করে ১০০০টাকা দাবি করে। দরদাম করে ৯০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি। ঘুষ গ্রহীতা উলিপুর নির্বাচন অফিসে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কর্মচারী, যিনি পূর্বে হলুদ সাংবাদিক ছিলেন এখনও হলুদ সাংবাদিকতা করেন
Ami NID te jonmosthan songsodon er jonno abedon korechilam, ami niyon moto sokol paper joma diyechi, ebong sokol kichu jachai bachai kore amar NID ready for pick up ai type er text peye ami NID uttolon korte jai, okhane delivery women prothome sundor kore kotha boltechilo, ek porjaye amake jiggasa kore ami kono bahini te job kori kina? Amar family te sobai choto choto kore chul kate, abbar voye amra sobai choto kore chul kattam, ami vabchi sai jonno jiggasa korche, mar family te kew kore kina seatao ask korche, jokhon amar answer chilo "na", thik tar por e unar face impression change hoye gelo, bollo 500 taka dite hobe, ami oparogota prokash koray bolche ekhon hobena, pore asen, pore ami 300
আমরা ১২ জন ব্যংকার, এমপ্লয়ার হাউজ বিল্ডিং লোনের জন্য, নিজেদের জয়েন্টভেঞ্চারে কেনা জমি মর্টগেজ করতে যাই। ওখান কার সাবরেজিস্টার ভদ্র মহিলাটা আমাদের আইনজীবি কে ডেকে জানিয়ে দেয়, ওরা এতটাকা লোন পাবে, আমার আলাদা বখশিষ লাগবে। জনপ্রতি ৩ হাজার করে মোট ৩৬ হাজার টাকা দিবেন। আমরা আমাদের বাধ্যতামুলক কাজের জন্য, পরে ৩৬ হাজারটাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
আমার ব্যাংকের ভাইভার জন্য নাগতিকত্ব সনদ জরুরী দরকার ছিল৷ আমি সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করি শুধু হোল্ডিং ট্যাক্সের একটা কপি ছাড়া, ওটা আমার কাছে ছিলনা। এটা ছিল উওরা আজমপুর জোনের অফিস, ওখানকার এক কর্মকর্তা আমার কাছে হোল্ডিং ট্যাক্সের কাগজ ছাড়া অন্যভাবে করে দেয়ার প্রস্তাব করে, এবং প্রথমে ২০০০ টাকা দাবি করে, পরে কমিয়ে ১৫০০ টাকায় আনা হয়। কোন উপায় না পেয়ে আমি উক্ত টাকা দিতে বাধ্য হই, এবং টাকা দেয়ার সাথে সাথেই ওই লোক ১ মিনিটের মধ্যেই নিজ হাতে একটা ফর্মে আমার নাগিরিকত্ব সনদ তৈরি করে দেয়৷ ঘটনাটা ঘটে ২০২৬ সালে রমজান মাসে মার্চের ১৫ তারিখে, ওই কর্মকর্তার নাম জানা হয়নি, দাড়িওয়ালা ইয়ং স্মার্ট একজন লোক, সে যে আমার কাছে টাকা দাবি করবে তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি।
এমন একটা সিচুয়েশন ছিল যে তাড়াতাড়ি পাসপোর্ট করার প্রয়োজন ছিল, তো পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠায় দেয়ায় সেখানে পেপারস জমা নিচ্ছিল না, সরাসরি ১৫০০ টাকা না দিলে কাগজগুলো জমা নিবে না, অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু লাভ হয়নি, বাধ্য হয়ে দিতেই হয়েছে, এরপর সে কাগজগুলো নিয়ে উপরে গেলো এবং সব কাজ হয়ে গেলো, মানে সবাই জড়িত এখানে, ৭ দিন পর ছবি আর ফিংগার প্রিন্ট দিয়ে আসাভলো এবং ৩ সপ্তাহের মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে গেলাম মানে চিন্তা করে দেখেন যে সবাই মানুষের নাকের ডগা দিয়ে ঘুষ নিচ্ছে আর মানুষ দিতেও বাধ্য হচ্ছে কিছু করার নাই, শুধুমাত্র এই একটি সংস্থাই দিনে কোটির উপর ঘুষ নিচ্ছে, এদের থামাবে কে
নিধারিত মূল অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিসে যোগাযোগ করার পর ২৫,০০০/= লাগবে তাহলে কাজ হবে।
ট্রলি/হুইল চেয়ার ট্যাক্স =৩০০, রোগীর বেড় প্রাপ্তি ট্যাক্স ৫০০, পোস্ট অপারেটিভ বেড় ট্যাক্স ১০০০, বিভিন্ন টেস্ট এর জন্য অতিরিক্ত ট্যাক্স ২০০০,, ড্রেসিং ট্যাক্স প্রতিবার ৫০০, অতপর রোগীর মৃত্যু। লাশ ছাড়করণ ট্যাক্স ২০০০ (তিন তলা থেকে নিচে আনা), লাশ বাড়ি আনার খরচ বাদ দিলাম। এগুলো রংপুর সরকারি হাসপাতালের ফিক্সড খরচ , এই খরচের কোন ভাউচার পাবেন না।
মসজিদে 150000টাকার প্রজেক্ট। প্রথম কিস্তি 75000টাকা আমার একাউন্টে দিয়েছে। পরের কিস্তি 75000টাকা দিতে গিয়ে 5% টাকা অফিস খরচ বাবদ কেটে নিয়ে হাতে টাকা দিয়েছে।
জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদনের জন্য নাগরিকত্ব দরকার ছিল । যা সিটি কর্পোরেশন থেকে নিতে বলেছিল। সেখানে একজন দালাল ও একজন অফিস সহকারী নানা সমস্যার কথা বলে আমার থেকে ৮০০ টাকা নেয় কাজের বিনিময়ে।