খারিজ
নিধারিত মূল অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিসে যোগাযোগ করার পর ২৫,০০০/= লাগবে তাহলে কাজ হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিধারিত মূল অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিসে যোগাযোগ করার পর ২৫,০০০/= লাগবে তাহলে কাজ হবে।
ট্রলি/হুইল চেয়ার ট্যাক্স =৩০০, রোগীর বেড় প্রাপ্তি ট্যাক্স ৫০০, পোস্ট অপারেটিভ বেড় ট্যাক্স ১০০০, বিভিন্ন টেস্ট এর জন্য অতিরিক্ত ট্যাক্স ২০০০,, ড্রেসিং ট্যাক্স প্রতিবার ৫০০, অতপর রোগীর মৃত্যু। লাশ ছাড়করণ ট্যাক্স ২০০০ (তিন তলা থেকে নিচে আনা), লাশ বাড়ি আনার খরচ বাদ দিলাম। এগুলো রংপুর সরকারি হাসপাতালের ফিক্সড খরচ , এই খরচের কোন ভাউচার পাবেন না।
মসজিদে 150000টাকার প্রজেক্ট। প্রথম কিস্তি 75000টাকা আমার একাউন্টে দিয়েছে। পরের কিস্তি 75000টাকা দিতে গিয়ে 5% টাকা অফিস খরচ বাবদ কেটে নিয়ে হাতে টাকা দিয়েছে।
জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদনের জন্য নাগরিকত্ব দরকার ছিল । যা সিটি কর্পোরেশন থেকে নিতে বলেছিল। সেখানে একজন দালাল ও একজন অফিস সহকারী নানা সমস্যার কথা বলে আমার থেকে ৮০০ টাকা নেয় কাজের বিনিময়ে।
আমাদের তিতাস এর গ্যাস লাইন মিটার সবগুলো নাকি সফটওয়্যার এ এন্ট্রি হয়নি। অথচ আমরা নিয়মিত বিল পরিশোধ করছি। এখন সফটওয়্যার এ নাম তুলতে আরো ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। যদিও পরবর্তীতে আমি ২ লক্ষ টাকা দেইনি। বিষয়টির কোন আপডেট যাওয়ার সুযোগ নেই কারণ তিতাসে অফিসে কোন তথ্য দেখা যায় না। সফটওয়্যার এ কোন নাম মুছে দিলেও বুঝার উপায় নাই। তারাই মুছে ফেলে আবার নাম তুলার জন্য ঘুষ খায়।
সরকারি অফিসের প্রয়োজনীয় খরচের বিল একাউন্টস অফিসে সাবমিট করলে অডিটর ৫% হারে ঘুষ না দিলে বিল এর কাজ করেনা। বাধ্য হয়ে দিয়ে কাজ করতে হয়।
এমপিওভুক্তি আবেদনে উপজেলা থেকে ফাইল ফরওয়ার্ড করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সরাসরি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন। এবং টাকা দেওয়ার আগ পর্যন্ত ফাইল আটকিয়ে রাখেন। এছাড়াও বকেয়া বেতন , বিএড স্কেল সংক্রান্ত কাজেও ২০০০ এর নিচে একটাকায়ও ফাইল ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন। আমি ছাড়াও শত শত শিক্ষক থেকে ফাইল আটকিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ একজন কম্পিউটার অপারেটর থেকে বর্তমানে সহকারী শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার) দূর্নীতি করছে তা অকল্পনীয় । ইউনও মহোদয় অনেক স্ট্রিক কিন্তু আজ উনাত চোখের সামনে এমন করছে যা উনার স্ট্রিকনেসকে উনি নিজেই হাসির পাত্র বানিয়ে ফেলছেন।
ঘাগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী । ২০২০ সালের ঘটনা । জেএসসি ও এসএসসি সার্টিফিকেট আনতে গেলে স্কুল প্রধান আমার কাছে 1000 টাকা দাবি করে পরে আমি 500 টাকা দিয়েছিলাম।
এটি শুধু এখানে নয় সারা বাংলাদেশে প্রায় ৪ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক ঘুষ দিতে হয়। প্রত্যেকটি মোটরসাইকেলের শোরুম এর সাথে জড়িত। আমাদের এখানে নিয়ম হলো, কেউ নতুন বাইক ক্রয় করলেও সবকিছু ঠিকঠাক করলেও জমা দেওয়ার সময় এক হাজার টাকা দিতে হবে। এটি ওপেন সিক্রেট। টোটাল পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা খরচ যায়। ঘোষ হিসেবে এ টাকাটা অবশ্যই দিতে হবে। ড্রাইভিং ও মোটরসাইকেল লাইসেন্সের জন্য।
শেই লোক আমার কাছে তার ছেলেরা কোথায় কী পড়ে, সেই গল্প শোনায়। কারণ তখন — ক্ষমতা থেকে নেমে যায়, যার কারণে সরাসরি ঘুষ চাইতে পারে না। গল্প শোনানোর পর বলে, “আমাদের কিছু না দিলে আমরা এই বেতনে সংসার কীভাবে চালাব?” পরে ভাবলাম, ৩০০ টাকা দিয়ে দিই, পাসপোর্ট নাহলে অ্যাপ্রুভ হবে না।
মিউটেশন মামলা নম্বর- — এর প্রস্তাব প্ররণের জন্য আমি ভূমি অফিসে যাই, তারপর ওখানে তহসিলদারের কিছু সহকারী থাকে যারা সরকারি চাকরি করেনা তবে ঐ অফিসে সকল ঘুষ লেনদেন ওদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে এর মধ্যে আমি — নামের একজন ওমেদার (পিওন) কে উল্লেখিত মামলাটির প্রস্তাবপত্র প্রেরণের জন্য ৫০০০/- টাকা প্রদান করি তবে আমার কাছে ১০,০০০/- টাকা দাবি করেছেন।
আমি নাগরিক সনদ আনতে গিয়েছিলাম, যিনি নাগরিক সনদ লিখে দেন, তিনি ১০০ টাকা ঘুষ ছাড়া দেবেন না এবং সাত দিন ঘুরিয়েছেন, পরে ১০০ টাকা দেওয়ার পর আমি নাগরিক সনদ টি পাই, এটা ছিল গৌরনদী পৌরসভা।
সময় পুর্তির কয়েক দিন আগে নিয়েছিলাম তাই দাবি করেছিলো
বকেয়া বেতন উত্তোলন করতে টাকা চাওয়া।
ফাইল হারানো গিয়েছে নতুন ফাইল করার জন্য ১০০০০ টাকা লাগবে । বিআরটি এ মিরপুর ২০৬ নম্বর রুমের — ফোন নাম্বার —
ডিক্রিমূলে নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করছে। পরে ৭০০০০ টাকায় মিটমাট হয়। ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি, ৮ মাস হয়ে গেছে এখনো খতিয়ান পাইনি। আমাকে হয়রানি করতেছে।
ব্রিডার ধান বীজের জন্য দরখাস্তের জন্য
প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিস যেকোনো সরকারি কাজের বিল প্রদানের সময় উক্ত বিলের ১২-১৫% ঘুষ হিসেবে আদায় করে অন্যথায় কোনো বিল উত্তোলন সম্ভব হয় না। এই টাকার ভাগ উক্ত অফিসের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার থেকে অ্যাকাউন্টস পর্যন্ত ভাগাভাগি হয়।
লাইসেন্স করতে গিয়ে টাকা দিতে হয়েছে
তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলের 2018 সালের ম্যনেজিং কমিটির সদস্য —, আমাকে চাকরি ফেরত দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে 200000 টাকা ঘুষ নিয়েছে। অবশ্য আমাকে চাকুরি ফেরৎ দিয়েছিল। পরবর্তীতে আমার টাইমস্কেল অনুমোদনের জন্য আমার কাছ থেকে 100000 টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং 40000 টাকা মূল্যের একটি কম্পিউটার ঘুষ নিয়েছে। আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমি তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক ছিলাম। পরবর্তীতে তাদের অত্যাচারে চাকরি ফেলে রেখে চলে আসতে বাধ্য হই।