ভুমিকর পরিশোধ
আমাকে বলল আবাদিজমি কিন্তু শ্রেণি ভিটা আছে ১ একর খাজনা পরবে ৪২ হাজার,১০০০০ টাকায় সেই খাজনা হলো ৪৫০০
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাকে বলল আবাদিজমি কিন্তু শ্রেণি ভিটা আছে ১ একর খাজনা পরবে ৪২ হাজার,১০০০০ টাকায় সেই খাজনা হলো ৪৫০০
১৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করেছি, আরো কত টাকা লাগে জানি না। ইউনিয়ন ভুমি অফিস, উপজেলা ভুমি অফিস, ডিসি, এডিসি রেভিনিও, বিভাগীয় কমিশনারের অফিস পর্যন্ত এত টাকা খরচ হয়েছে। যা আরো চলমান রয়েছে। কত টাকা যাবে এখন ও জানিনা। এখন ও কোন সমাধান পাইনি।আল্লা ভালো জানে।
জন্ম নিবন্ধন করতে সরকারী ফি ব্যাতিত ঘুষ দাবি করে। সবাই দিয়ে আসতেছে। কারও জন্য ছাড় নেই।
ইনস্টিটিউট অফ মেরিন টেকনোলজি মুন্সিগঞ্জ এর দপ্তরি — Sicip সরকারি ফ্রি কোর্সের জন্য ফর্ম তুলতে ১০০ করে টাকা নিয়েছে। যেটা সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়ার কথা ছিল। ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আরো ২০ টাকা করে দাবি করে।
এমবিবিএস শেষ করে ১ বছর ইন্টার্নিশিপ করার পর বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন করা লাগে। এক্ষেত্রে ঘুস না দিলে অনেকদিন সময় নেয় রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট দিতে আর ঘুরায়। আর ঘুস দিলে ১ দিনের মধ্যে দিয়ে দেয়। ওখানকার কর্মচারী আমার থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল। এরকম আরও অনেকেই আছে ওখানে। সামান্য ক্লার্ক ঢাকায় দামী বাড়ি, গাড়ি। কয়েক দিন পর পর বিদেশ সফর দেয়।।
জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল ( নিটোর)৷ আমার মামার আটো-সিএনজি সংঘর্ষে হাত তিনখানা ভেঙে যায়৷ আমরা চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) হাসপাতালে ভর্তি হই৷ সেখানে রোগীদের এক্স-রে করার পর রিপোর্ট সংগ্রহ করতে গেলে ভিতরে ডেকে নিয়ে বখশিশ দাবি করে এবং প্রতি রোগ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে৷ হাসপাতালে নিয়োজিত আনসারগণ সিরিয়াল আগে এনে দিবে বলে বখশিশ চায় এবং ১০০ টাকার কমে নিতে চায় না৷ অপারেশন করার পর আবজারবেশনে রাখার সময় দায়িত্বরত নার্স ১০০ টাকা চায়৷ রোগীর ছাড়পত্রের ফাইল সংগ্রহ করতে টিন শেডে গেলে সেখানে ৫০ টাকা বখশিশ দিতে হয়৷ এগুলো প্রতি মুহূর্তে ঘটে চলেছে৷
আমার প্রাপ্ত ওয়ারিশান সম্পত্তি আমার ভাইয়েরা খারিজ করে নিলে, ভূমি অফিস সদরে এক মিসকেস দায়ের করি৷ আমার মিসকেস অকারনেই মাসের পর মাস ঘুরিয়ে আমাকে ঘুষের অফার করে । আমি উপায়ন্তর না পেয়ে ২৫০০০০ ( আড়াই লক্ষটাকা) ঘুষ দিই। ঘুস নেওয়ার পরও আমাকে ঘুরাচ্ছে।আরও চাই ঘুষ। কিন্তু আমি অপারগ।
আমি কোন দালাল ছাড়াই সরাসরি পাসপোর্ট আবেদন করি আমার পরিবারের জন্য। অনলাইনে পেমেন্ট করায় তারা আমার চালান কপি নিয়ে ভুল ধরে। বলে চালান কপি অন্য রকম হওয়ার কথা। যদিও ওয়েবসাইটে ভেরিফাই করা যাচ্ছিল তবু তারা আমার এপ্লিকেশন গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দেয়। পরে দালাল ধরে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার পরে সেই একই ব্যক্তিগণ বিনা বাক্যে এপ্লিকেশন জমা নেয়, যেন কোনো সমস্যাই নেই।
চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পেনশনের ফাইলে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন শিক্ষক নেতার মাধ্যরম। আমার কাছে প্রথমে ২০ হাজার দাবি করলে পরে ৮ হাজার টাকায় দফা হয়। আমি টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু আমার কাজটি এখনও শেষ হয়নি।
গাজীপুর পাসপোর্ট অফিস দালালের আখড়া। আমার স্থায়ী ঠিকানা সিলেট, বর্তমান ঠিকানা গাজীপুর। অফিস থেকে বলছে গাজীপুর পাসপোর্ট করা যাবেনা। শত চেষ্টা করেও জমা দিতে পারিনি। বাইরে দালাল ১৫০০০ টাকা দাবি করে। পরে ১০০০০ দেই। আগের কাগজেই জমা হয়
মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য মেম্বার চেয়ারম্যান রে ৬৫০০ টাকা দেয়া লাগছে।
বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের অনুমতি নিতে ।
আমি আমার বাড়ির জমির কাগজপত্র দিয়ে লোন করায় গরু বাছুর আবাদি জমির কাগজপত্র কমপ্লিট করে লোন পাওয়ার আবেদন করি তবুও ঘুষ ছাড়া লোন পাওয়া যায় না
ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স করার জন্য
প্রত্যেক সনদের জন্য তাকে ৩০০ এমনকি আরও বেশি টাকা দিতে হয়।
প্রতিষ্ঠানের বাহিরে কিছু কম্পিউটারের দোকান আছে যেখান থেকে ফরম পূরণ করা লাগছে,সরকারি ফিস সাথে অতিরিক্ত ঘুষ ওখানেই জমা দেওয়া লাগে, ঘুষের বিনিময় তারা ফরমের ভিতরে একটি দাগ এঁকে দেয়, যে দাগ দেখে ওখানকার কর্তৃপক্ষরা কাজ করে, দাগ দেখলে বুঝা যায় যে এই ব্যক্তি আগে ঘুষ দিয়ে দিয়েছে তারা সরাসরি হাতে নেয় না, এভাবে ঘুরিয়ে নেয় অভিনব কৌশলে
আমি ৬ লক্ষ টাকা জিপিএফ লোন পাশ করতে গিয়েছিলাম, অডিটর সাহেব পার্সেন্টেজের হিসেবে প্রথমে ২% হারে টাকা দাবি করেছিল তারপর ওয়ান পারসেন্ট হারে ।অবশেষে ২০০০ টাকার কম উনি ছাড়বে না আমি দিয়েছি ৭০০ টাকা তারপর আমি আমার অফিসের প্রধান সহকারী কে জানিয়েছি সে ধামকি দিয়ে 700 টাকায় কাজটি করে নিয়ে এসেছে।
They ask for bribes, Chairmen — and his secretary. You can not get any work done without giving the bribes. Also don’t attend the office during official hours. Come and go as please
কালীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া কিছু বুঝেছি,অফিস সপ্তাহে ২ দিন, রাত পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে।
old pasport r new passport e ma er name ek ek ta word mismach chilo. tai 1500 taka deyate kaj hoa jay. Guard er maddhome ghush ta neya hoy.