মামলার এমসি
এমসি টাকা ছাড়া দেয় না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এমসি টাকা ছাড়া দেয় না।
সরকারি খরচ বলে টাকা নিয়ে থাকে
আমি আমার মেয়ের জন্মনিবন্ধন করাতে গিয়ে ৫০০ টাকস লাগে নাকি সব মিলে কিন্তু বল্লো আমাকে ২০০০ টাকা দিবেন আমি সব কিছুই করে দিবো..
They demand 2000 Taka minimum for each new trade license & minimum 1000 Taka for renew. New people appointed under ruling party local leaders who are specially engaged with this. Have no changes in last 20 years!
আমার আইডি কার্ড কোনো ভাবেই করে দিচ্ছিলো না পরে ৬ হাজার টাকার বদলে আইডি কার্ড হাতে পাই।
সাব রেজিস্ট্রার অফিসের আগে থেকে একজনের সাথে পরিচয় ছিল, আমার একটা জমির নকল তুলতে হবে তাকে ফোন করি, অফিসিয়াল এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা চেয়ে বসে তখন আমার নকলটা প্রয়োজন তাই বেশি টাকা দিয়ে জমির নকল বের করতে হইছে
লিগেল ভাবে করলে জামেলায় পড়বেন আর টাকা দিয়ে করলে আরামে হয়ে যাবে
ভাই খাজনা এভাবে আদায় করা যাবে এইজন্য এভাবে কিছু টাকা দিতে হবে বাড়তি বাড়তি
৭/৮ মাস আগে সব ডকুমেন্টস দেওয়ার পরও বসিলা পাসপোর্ট অফিসের একজন কমকর্তা পাসপোর্ট আবেদন ফেরত দেন ঢাকায় যে এলাকায় থাকি, সেই এলাকার কমিশনারের প্রত্যয়নের কথা বলে। অফিসের কাজের চাপ ও ছুটি ম্যানেজ করে ওয়ার্ড কমিশনারের অফিসে দৌড়ঝাঁপ করা, আবার আবেদন নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া আমার জন্য কঠিন ছিলো। তাছাড়া, প্রত্যয়ন নিয়ে গেলে অন্য আরেক কারণ দেখিয়ে আবার ফেরত যে দেবেনা, তারও নিশ্চয়তা ছিলো না। আমি আবেদন ফেরত নেওয়ার সাথে সাথে ২ তলা থেকে নামতে নামতে পেছন থেকে এক দালাল আমার সাথে কথা বলেন এবং ৪০০০ টাকায় কাজ করে দেবেন বলে অফিসের বাইরে এসে মোটিভেট করেন। আমাকে বলেন, ৪০০০ এর মধ্যে উপরে সেই অফিসারকে সাড়ে ৩ হাজার তাকে দিয়ে দিতে হবে। আমি রাজি হওয়ার পর উপরে ফোন করে আমার টাকা ও আবেদন নিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে জমা করে দেন।
আমার সব সঠিক। ফরমে পেশা Others দেয়া ছিল। বলল হবে না, পেরত দিয়ে দিয়েছে। পরের দিন এক দালাল এর মাধ্যমে একই ফরম কোন রকমের পরিবর্তন ছাড়াই জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে বেশি টাকা দেয়া লাগছে , তা নাহলে পাসপোর্ট অনটাইমে জীবনেও দিবেনা অথবা যেকোনো ছোট প্রবলেম ধরে আপ্লিকেশন ফিরাই দিবে।
আমি আমার জমির নামজারি (মিউটেশন) করাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত ৮,০০০ টাকা না দেওয়ায় ব্যর্থ হয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত টাকাটা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলাম।
৬বার আবেদন করেছি ৭শতাংশ জমির খাজনা দেয়ার জন্য কিন্তু প্রতিবান বলেছে সার্ভারে আসেনা, এভাবে একে একে ৬ বার আবেদন এ ৬০০ টাকা দিয়েছি পরে অন্য একজন পাঠিয়েছি তিনি চা পানির খরচা দিতে চেয়েছেন আর কাজ করে দেয়ার দেবার জন্য, ১০০০০ টাকা তাকে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের খাজনা দেয়ার জন্য এই টাকা দেয়ার পরে উনি সার্ভারে তত্থ্য খুজে পায় আর আমাদের খাজনা পরি শোধ হয়
সরকারী চাকুরীর প্রয়োজনে হেলথ রিপোর্ট নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জন অফিস থেকে সেবা নিতে গিয়ে রিপোর্ট স্বাক্ষর করতে গিয়ে ২০০টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রথমে ভাবলাম দিবো না। পরে সাথের আরেক কলিগ বললো না দিলে সমস্যা করবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
আমি ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য যাই আমি তাকে বলি যে আমি অনলাইনে আবেদন করে এসেছি সে বলে এখন এখানে 100 টাকা দিতে হবে তারপর আমাকে একটা কাগজ ধরিয়ে দেয় দিলে আমি সে কাগজটি জমি দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ফ্রিতে ১৪০০ টাকা
আমার পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য যা যা ডকুমেন্টস দরকার সব নিয়ে জমা দেওয়ার পরেও একবার একটা নতুন নতুন ডকুমেন্টস আনতে বলে এভাবে ২/৩বার আনার পরে আমার কাছে আরেক টা ডকুমেন্টস আনতে বলে যা অনর্থক কিন্তু এভাবে কিছুদিন গুরার পর পাসপোর্ট অফিসের সামনের কম্পিউটার এর টাইপিং এর যে দোকান গুলো ছিলো তারা ও এই দূর্নিতীর সাথে জড়িত।এমন এক দোকানের সাহায্য নিয়ে ঘুস দেয়ার পর আমার আর কোন কাগজ লাগেনি,ডিরেক্ট পিঙ্গার, আই দিয়ে ই-পাসপোর্ট করি।
নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ কোড সম্বলিতে মেইল কোডে আবেদন জমা না দিলে।প্রচুর হয়রানি করা এবং জমা নেওয়া হয়না। পাসপোর্ট ফরমের ৭৯ নং কলামে একটি বিশেষ মেইল থাকে যা বাইরের দালালদের কোড। এই কোড মূলত অফিসের অসাধু সিন্ডিকেটের দেওয়া যা বাইরের দালালদের দেওয়া হয় এই কোড ব্যবহার করে আবেদন করলে কোন হয়রানি করা হয়না। এই কোড ব্যবহারকারী দালাল প্রতিটি আবেদনের জন্য ১০০০হাজার টাকা করে অফিসকে দিতে হয়।প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিস ২০০-৩০০ আবেদন জমা হয় যার ৯৮% বিশেষ কোডসম্বলিত। প্রতিদিন ৩০০ ফাইলের মধ্যে কোন কোডের মাধ্যমে কতটি আবেদন জমা হয়েছে এটা হিসাব রাখা হয়। এই হিসাব অনুযায়ী বাইরের দালালরা সপ্তাহে একবার অফিসে টাকা দিয়ে যায়।প্রতিটি দালালের জন্য আলাদা কোড বরাদ্দ। যার কোডে যতটি ফাইল জমা হয় সে ততটাকা প্রতি সপ্তাহে দেয়।
টাকা না দিলে written এই fail করায়ে দেয় । আমার exam hall এর 99% মানুষ ই 10k to 15k ঘুষ দিয়েই এসেছিল।
Theres no way to complete it without additional amount.
Return joma dite giye ghusher kotha othe Office theke Office sohayok dabi.koren khorchopati dite hobe sir der ke 2000 taka.,na hole tader list er othbena return joma er list Ekporjay na pere 1000 taka diye aste hoyese.😈