ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন করণ।
জমির মিউটেশনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির মিউটেশনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন।
২০২৫ সালে, আমি গাজীপুর যাছিলাম মহাখালী ফ্লাইওভার এর নিচ দিয়ে। একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে আটকালো। কেন আমি ডান পাশ দিয়ে মুভ করলাম? আমি কোন ওভারটেক বা ভুল পথে যাই নি। পুলিশ আমাকে মামলা র ভয় দেখাল। আমি সিনিয়র অফিসার এর সাথে কথা বলতে চাইলাম কিন্তু উনি ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করল। আমার তারা ছিলো তাই ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসছিলাম। কিন্তু আমার মাথা থেকে বাপার টা যাচ্ছিল না । পুলিশ তখন উনার নেম প্লেট টা উলটিয়া রাখছিল । পুলিশ যতটা না মানুষকে সচেতন করার জন্য চেক করে, এর থেকে বেশী করে নিজেদের ঘুষ এর জন্য।
ফটিকছড়ি নির্বাচন অফিসে ফাইল দতন্ত কর্মকর্তা দুইজনের NID এর ফাইল জমা নিয়ে ৫০০০ টাকা নিয়েছে। যদিও কাজটি দ্রুত হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণে আমাকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছে। অন্যথায় এনআইডি করাতে হরেক রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এবং সময় সাপেক্ষ। অথচ অর্থ খরচা করলেই একদিনে পাওয়া যায়।
আমি ১৯.০৮.২৬ ইং তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য মহুরি দারা পেপারস রেডি করি। জানতে সাব-রেজি. সেই দিন ১৫০ -১৮০ দলিলের কাজ সম্পূর্ণ করবেন। কিন্তু সাব-রেজি. ১১৬ টি দলিল দেখার পর ওনি চলে যেতে চান। সাব-রেজি. মহুরি সমিতির সভাপতিকে বলেন আমি যদি থাকি তাহলে দলিল প্রতি আমাকে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। অথচ আমার দলিল সিরিয়াল ছিল ১৩১ নম্বর। ওনি ১১৬ টি করার পর যখন ১০০০ টাকার চুক্তি হয়, তারপর আরও তিনি ৩০-৩৫ টা দলিল পার করে দেন। সেক্ষেত্রে আমাকেও ১০০০ টাকা দিয়ে দলিল কাজ সম্পূর্ণ করে নিতে হয়। আমাত ছুটি শেষ হওয়ার কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের অপেক্ষায় থাকতে পারবো না, সে কারনে আমাকেও এই ১০০০ টাকা দিয়ে পার করে নিতে হয় দলিল। এখানে সাব-রেজি. কৌশল করে এই ঘুষ গুলো করেন।
মা২০০ টাকা ঘুষ নিলো প্রস্রাবের নল লাগানো জন্য ।৩ তলায় ১৫ নং ওয়ার্ড ১৩৮ রুম
আমি জমির খাজনা দিতে যাই কিন্ত আগের রশিদ না থাকার কারণে আমার কাছে 16000 টাকা দাবি করে তারপরে আমার কাছে থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে ৪২৭ টাকা খাজনা দিয়ে আমাকে রশিদ দেয়,,,,,,
তারা টাকা না দেয়া পজন্ত ঘুরায় আমি দুই মাস ঘুরে সেস পজন্ত টাকা দিতে বাধো হলাম কারন আমার পাসপোর্ট নবাওন করার জন্নো
নামজারি করতে গেলে আমাকে জানানো হয় কাগজে ভুল আছে/কখনও আবেদনে ভুল আছে/কখনো প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কমতি আছে।এই বলে প্রতিদিন তারা ঘুরাতে থাকে, শেষে দাবি করে ২০০০০টাকা হলে তারা কাজ করতে পারবে। সর্বশেষ টাকা দিয়েই কাজ করানো লাগল। ৩টি নামজারি করা হয়েছে পর্যায়ক্রমে।
বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করে দিবে তার জন্য নিয়েছে। ওনাদের টাকা না দিলে ৩-৪মাসেও জন্ম নিবন্ধন এর কাগজ পাওয়া যায়না
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ২৫০ টাকা দিতে হয় আমাকে। একজন চৌকিদার অথবা মেম্বারকে।
বহু বছর জমির খাজনা দেওয়া হয় নি।দেওয়ার জন্য গেলে জরিমানা সহ প্রায় ২৬০০০ হাজার টাকা দাবি করে।পরে বলা হয় চা-নাস্তা বাবদ ২০০০ দিলে ১০০০০ টাকায় সব করে দিবে।তখন মোট ১২০০০ টাকা দেওয়া হয় কিন্তু পেমেন্ট স্লিপে দেওয়া ছিল প্রায় ১৬০০ টাকা।
আমি অন্ধকারে ছিলাম তাই মিটারের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
Office kormokorta, tk ney, sathe kisu dalal, ansar
টিসিবি ডিলার আমার নামে হবে। তাই
Diving license er jonno ghush niyeche
নামজারি আবেদন করা আমি নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছে কিন্তু তারা আমার আবেদন মঞ্জুর করে নাই
নতুন জমি কিনে নিজের নামে খারিজ করার জন্য অপেনলি ঘুশ লেন দেন হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স জন্য গেছিলাম তো নয় হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছে তো বিনা পরীক্ষায় সবকিছু করে দিছে তো ভালো কাজ করছে কিন্তু ওরা খুব বাটপার
টাকা পরিশোধ করে ৫ মাস ধরে দারস্থ হতে হতে নাভিশ্বাস উঠে গেছে। এখন আমি প্রকৃতির কাছে বিরস বদনে তাকিয়ে আছি।
কুমিল্লা BRTA তে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি। লিখিত এবং ভাইবা খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েছি। প্রেকটিক্যাল মটর বাইক ভালোভাবে পরীক্ষা দিয়েছি। মূলত বিপত্তি বাধে কার ড্রাইভিং প্রেকটিক্যালের সময়। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য গাড়িতে উঠে স্টেয়ারিং ধরে বসার সময় ট্রেইনার দাবী তাকে চা নাস্তার টাকা দিতে। আমি পকেট থেকে ২০ টাকা বের করে দিয়েছি তিনি তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। ৫০০ টাকা চা নাস্তার জন্য দাবী করে বসেন। পরে আমি মোট ১০০ টাকা দিয়ে বলি আমার কাছে আর টাকা নাই। আমি ঠিকভাবে চালিয়ে পরীক্ষা দিতেছিলাম এক পর্যায়ে তিনি হাত স্টেয়ারিং ঘুরিয়ে গাড়িটা দাগের বাইরে নিয়ে যায় এবং আমাকে ফেইল করিয়ে দেয়।