নতুন লাইসেন্স তৈরি
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি, ফলাফল অকৃতকার্য লেখা আসছে। পরে দালালকে ৭০০০ টাকা দিয়েছি এবং সে সফলভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। অপেশাদার লাইসেন্স করেছি ১০ বছর মেয়াদ, সর্বমোট খরচ হয়েছে 15000 টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি, ফলাফল অকৃতকার্য লেখা আসছে। পরে দালালকে ৭০০০ টাকা দিয়েছি এবং সে সফলভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। অপেশাদার লাইসেন্স করেছি ১০ বছর মেয়াদ, সর্বমোট খরচ হয়েছে 15000 টাকা।
আমার জরুরি প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধনে থাকা বয়স সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বয়স সংশোধনের জন্য আমার স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল বৈধ কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় আমাকে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। আমার আবেদনটি কয়েকবার কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কর্তৃক রিজেক্ট করা হয়। পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধনের বয়স সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করানোর জন্য আমাকে ৮,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনটি অনুমোদন করা হয় এবং সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা হয়। আমার কাছে স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও যদি অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে একটি বৈধ আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়,
তারা প্রথমে বলে এই টেস্ট টি করতে 1450 টাকা লাগবে। তারপর টেস্ট শেষে রিপোট দেওয়ার সময় 1100 টাকার ভাউচার দেয় এবং বলে দেখতেছেন তো আমরা কতো পরিশ্রম করতেছি। এবং তাদের ব্যবহার অনেক খারাপ। যেখানে ডাক্তার বলে টেস্ট এখন ই হবে যান। কিন্তু ল্যাব এ গেলে বিভিন্ন অজুহাত দেয় এবং বলে আজ আর হবে না কালকে আসেন।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য পুলিশ ২০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিলো আমি প্রথমে দেই নাই। যার কারণে সে পাসপোর্ট ভেরিফাই করে নাই পরে ১মাস পরে তাকে ফোন দিলে বলে হবে না। টাকা দিলে হবে। কিন্তু টাকা বেশি দিতে হবে। তার পরে আমি ১৭০০ টাকা দেই🥲 তখন আমার পাসপোর্ট দরকার ছিলো তাই টাকা দিয়ে করেছি তা না হলে এই পুলিশ সালাদের টাকাই দিতাম না।🤬 এই দেশের সব থেকে বর শত্রু বাংলাদেশ পুলিশ ।🤬
আমার মোটার সাইকেলের কাগজ হারিয়ে যাই, সেটা BRTA থেকে উঠানোর জন্য, BRTA কতৃপক্ষ জিটি কপি চাই। সে জন্য হারানোর জিটি করতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমার থেকে ৪০০ টাকা দাবি করে বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে আসতে হই। এটা আমার নিজের সাথে ঘটেছে এছারা আমার সামনে বিভিন্ন ঘটনার সরাসরি আমি বড় এমাউন্টের ঘৃষ নিতে দেখেছি।
জনশক্তি অফিস ফেনীর এডি —, পিয়ন — ও ফিঙ্গার প্রিন্ট আউটসোর্সিং ওয়ার্কার — বাহিনী এর নেতৃত্বে চলতে ওপেন সিক্রেট চাঁদাবাজি। ফিঙ্গার প্রিন্ট সরকারি ফিঃ ২০০ টাকা। কিন্তু, তারা ১০০০ থেকে ৮০০০ অব্দি দাবি করে। হয়রানি তাদের রেগুলার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেল।
আমার মোবাইল বাসা থেকে চুরি হয়ে যায়। পরে আমি থানায় গিয়ে জিডি করি । আমি বলছিলাম চুরি হয়ে গেছে পুলিশ জিডিতে লিখছে আমি মনের অজান্তে কোথায় জেন হারাইছি আমি তখন দেখি নাই পরে বাসায় দেখি । জিডি করার পরে জিজ্ঞেস করছি খরচ আছে বলে দেন একটা পরে আমি বলি কত দিব পরে বলে দেন পরে আমি ইচ্ছা করে ৩০০ টাকা দেই। টাকাটা বিষয় না কিন্তু কথা হল আমার মোবাইল এখনো পাওয়া জায় নাই। আর যদি পাওয়া জায় তখন সেই মোবাইলের নতুন দাম অনুযায়ী আবার এক্সট্রা টাকা দিয়ে ফোন আনতে হবে। মোবাইলের দাম যদি ২০/২৫ হাজার টাকায় হয় তাহলে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। জদিও আমার ফোন পাওয়া জায় নাই আমার কাছে টাকা দাবি করে নাই। কিন্তু ৪/৫ জনের থেকে সুনছি যে তাদের টাকা দেওয়া লাগছে। কথা হল আমার টাকায় বেতন আমার টাকায় কাজ। তাইলে পরে আবার টাকা দিতে হবে
আমি এনআই এক্টের একটি অভিযোগ দাখিল করি। জাজ সাহেব সমন ইস্যুর নির্দেশ প্রদান করেন। প্রথমে কোর্টে ১০০ টাকা নিয়ে আমার ফোন নাম্বার রেখে দেন। পরে সমন নিয়ে আসামী পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি আমাকে ফোন দিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে টাকা চান। প্রথমে ৫০০ টাকা দেই। পরে ফোন দিয়ে বলে খুব কম হয়ে গেছে। পরে আরও ৫০০ টাকা দেই। এরপর যখন সমন নিয়ে আসামীর বাড়িতে যান, সেখানে তাকে না পেয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করে এবং বলে এই সমন ইস্যু করতে হলে আরও ১০০০ টাকার উপরে দিতে হবে। যেহেতু আমি ইতিমধ্যেই প্রতারণার শিকার হয়ে মামলা করেছি। তাই আমি যেন আইনি জটিলতার মধ্যে না পড়ি সেজন্য বাধ্য হয়ে মোট ২৩০০ টাকা প্রদান করছি। আল্লাহ আমাদের সরকারি দপ্তর গুলোর এরকম হয়রানি মূলক রক্ষা করুন। আমীন।
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এ হুইল চেয়ারে ৩/৪ তলায় রোগি নিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর ৫০০ টাকা চায়, পরে ৪০০ টাকা নিয়ে গেছে।
MPO আবেদনের সময় তা অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রদানের মাধ্যমে মাউশি আঞ্চলিক অফিসের ডিরেক্টর বা ডেপুটি ডিরেক্টর এর জন্য ঘুষ প্রদান করতে হয়৷
জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য ৬বছর ঘুরে কোর্টে কেস ফাইল করতে পেসকার এই দাবি করছে। না দিলে আরও ৬বছর ঘুরতে হবে জানিয়েছে।
পুলিশ ক্লিয়ারেনস করতে গিয়ে কোনো সমস্যা নেই তার পরেও আবেদন করার পরেও ৩ ৪ দিন সময় পার হওয়ার পরে থানায় যোগাযোগ করি কিন্তু তারা বলে আমার কাগজে নাকি সমস্যা আছে পরে আমার কাছ থেকে 4000 টাকা দাবি করে পরে আমি 1000 টাকা দিতে চেয়েছি কিন্তু তাতে হবে না পরে 2000 টাকা দিয়ে কাজ করেছি লোকেশন:- গাজীপুর কালিয়াকৈর থানা
270 টাকা খাজনা বলে পূর্বের এস এ খতিয়ান নাই তাই পূর্বের কোন হিসাব আমাদের কাছে নাই ।
একটি আমদানিকৃত মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের জন্য পিয়ন থেকে শুরু করে পরিচালক পর্যন্ত সকলকেই নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে ফাইল ছাড়ে না। বৈধভাবে ব্যবসা করতে হলে সরকারি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
আমার বৌয়ের NID Card করার জন্য আবেদন করেছি। মেসেজ এসেছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস দেওয়ার তারিখ এ উপস্থিত হতে পারিনি। কারণ ঢাকায় থাকি। পরে গেছি কিন্তু হবে না, এটা বলছে । আবার মেসেজ এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে। মেসেজ লাগবে না, তারাতাড়ি করে দিবে, কিন্তু টাকা লাগবে ২০০০হাজার। এটা ইউনিয়ন এ যে কম্পিউটার চালায় সে বলছে। ২হাজার টাকা দিছি , তাৎক্ষনিক করে দিছে। যেহেতু ঢাকায় চাকরি করি, তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি। কারণ অফিস খুলা। ডিউটিতে যোগ দিতে হবে।
জমি খারিজ করতে গেলে বা সেখানে অনলাইন কোনো সেবা নিতে গেলে বখশিস দেওয়া লাগে। আর খারিজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা আর অনেক টাকা লাগে
আমি ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেছিলাম । সাব রেজিস্টার বলল ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে দলিল হবে না। তারপর ৫ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করতে হয় আমকে।
বাড়ি করতে হলে টাকা দিতে হবে না হলে বাড়ির কাজ বন্ধ থাকবে
প্রতি পরিক্ষায় জন প্রতি ৪০০০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়, প্রতি সপ্তাহে বুধবার ও সোমবার পরিক্ষা থাকে, টাকা না দিলে ফেল করানোর ১০০ ভাগ চেষ্টা করা হয়, ঘুসের টাকা পরিক্ষার দিন সকালে গ্রহণ করে তারা।
Agent maddhome ghush chawa hoyche