Operation
আমার স্ত্রী কে অপারেশন করাতে গিয়ে ২ মাস ঘুরে ঘুরে কোন ডেট নিতে পারছিলাম না, তরে ওখানের একটা ওয়াডবয়কে ৩০০০ টাকা দিয়ে ২ দিনের ভিতর অপারেশন টা করাতে সক্ষম হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার স্ত্রী কে অপারেশন করাতে গিয়ে ২ মাস ঘুরে ঘুরে কোন ডেট নিতে পারছিলাম না, তরে ওখানের একটা ওয়াডবয়কে ৩০০০ টাকা দিয়ে ২ দিনের ভিতর অপারেশন টা করাতে সক্ষম হই।
সদর হাসপাতালে যে accounts অ্যাকাউন্টের দায়িত্ব থাকে আমাদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং শ্রান্তি বিনোদনের আবেদন করার জন্য প্রথমে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছে পরে আবার শ্রান্তিবিনোদনের টাকা আসার পর উনি আমাদের কাছ থেকে আমরা যে টাকা পাবো সেখান থেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নিয়েছে । আর আমরা তো হচ্ছে নিম্ন পোষ্টের অন্যদের টা জানা নাই
একটা নতুন ট্রেড লাইসেন্স বাড়ানোর জন্য আমার ব্যাংক জমা ছিল ৪৩০০ টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৭৫০০
আমি শেরপুর সদর উপজেলার একজন চাল কল মালিক। যথারীতি চলতি বোরো-২০২৬ মৌসুমে আমার মিলের অনুকূলে সরকারকে চাল সরবরাহের বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই বরাদ্দাদেশ ছাড় করতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় আমার নিকট হতে ১ম ৭,০০,০০০/-। তারপর আবার অনৈতিক ব্যাখা তলব করলে সেটার জবাব দেওয়ার পরও আমার বরাদ্দ পূণরায় স্থগিত করেন। যা পরবর্তী তে ১৮,০০,০০০/- দেওয়ার পর চাল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়। অন্যথায় আমার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হতো।
প্রতি অডিট ৩০০০০০ টাকা, সব টিকটাক থাকলেও, আর সমস্যা থাকলে এর উপর যা নিতে পারে।
আপনার বক্তব্যটি আরও গুছিয়ে, স্পষ্ট ও অভিযোগের ভাষায় এভাবে লেখা যেতে পারে: আমার ভাগনির লাশের ময়নাতদন্ত করাতে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে অত্যন্ত তিক্ত ও হয়রানিমূলক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। ময়নাতদন্তের দায়িত্বে থাকা মর্গের সংশ্লিষ্ট লোকজন আমাদের কাছে ১৫,০০০ টাকা দাবি করেন। অনেক অনুরোধ, অনুনয়-বিনয় এবং হাতে-পায়ে ধরার পর শেষ পর্যন্ত ১২,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে টাকা না দিলে সেদিন ময়নাতদন্ত করা হবে না। পরদিন ময়নাতদন্ত করা হলেও কখন করা হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা তারা দিতে পারেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, টাকা না দিলে লাশ বুঝে নিয়ে সেখান থেকে বের হওয়ার বিষয়টিও আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করা হয়েছিল । থানায় যিনি এই দায়িত্বে ছিলেন তিনি ফোন দিয়েছিলেন এবং কিছু খরচ চেয়েছিলেন ভেরিফাই এর জন্য । আমি প্রাথমিক অবস্থায় প্রত্যাখ্যান করি। ভেবেছিলাম ঘুষ দিবো না। এরপরে যখন আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স টা জরুরী তখন বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। এবং আমার জানামতে প্রত্যেকটা মানুষের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর সময় এক হাজার দুই হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে কেন তাদেরকে এই টাকা দিতে হবে। সরকার তো তাদেরকে মাসিক বেতন দিচ্ছে । আমার এই ৫০০ টাকা দিতে কত কষ্ট হয়েছে সেটা আমি জানি। আমার বাসায় তখন চাল ছিল না। চালের টাকা তাদেরকে দিতে হয়েছিল।
প্রতিটি কোম্পানি থেকে এ আরোদের সহকারী রাজস্ব কর্মকতা দের টাকা দেওয়া লাগে দশ হাজার কাজ থাক বা না থাক মাসিক চাদা যে কয়টা কোম্পানি কোম্পানি প্রতি দশ হাজার ঢাকা উওরা বন্ডে ঢাকা দক্ষিণ বন্ডে এটা হয়
২০১৭ সালে মেডিকেল করতে যাওয়ার সময় বনানি পুলিশ বক্সে আমাদের সি,এন,জি থামিয়ে আমাদের থেকে ৫০০ টাকা করে নেন। আমরা দুই জন ছিলাম। বড় স্যার নাকি রেগে আছেন। তাই ৫০০ করে জন প্রতি টাকা দিতে হয়েছে৷ এটার একেবারে ভিত্তিহিন। আমি তখন বুজতাম না। ভয় পাইছি। তাই দিয়ে দিছি।
জোর করা হয়েছিল বলা হয়েছিল টাকা না দিলে কাজ করা হবে না বাইরে থেকে করতে হবে
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হতে ঋন আনতে গেলাম খরচ এর কথা বলে মাঠসহকারী আমার কাছ হতে ৭০০/- বেশি রেখেছে|
জমি।অধিগ্রহনের টাকা নেয়ার জন্য এই টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।ডিসি অফিসের অধিগ্রহন শাখা পুরো টাকার ভাগ খেয়েছে।
নোয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে আমার কাবিন অনলাইন সত্যায়নের জন্য 15000 টাবা ঘুষ দিয়েছি । জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজী মিলে একটা সিন্ডকেট করছে । ফ্যামিলি বিদেশে নিতে হলে এবং কাবিন অনলাইন সত্যায়ন করতে হলে তাদেরকে টাকা দিতে ই হবে । টাকা না দিলে যে কোন অজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয় । যা থেকে বাচার কোন উপায় নাই ।
আমরা যদি, জন্মসনদ বানাতে চাই। তারা আমাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণসহ নিয়ে, আমাদের কাছ থেকে তাদের অনুযায়ী পরিমাণ মতো ধরে টাকা দাবী করে ।এখানে যদি আমরা তাড়াতাড়ি করতে বলি, তাহলে তাদের টাকার পরিমাণটা বেশি হয়ে যায়। আবার যদি বলি একটু দেরি হবে তখন বলে," ঠিক আছে " ২০০ কিংবা ২৫০ টাকা দেন।
আসলে পৌরসভার রাস্তার পাশে যেই জমি গুলো আছে তার কিছু শতাংশ জমি সরকারি ভাবে সরকারি জায়গায় পড়ে, সরকার কিনে নেয় সেইখানে আমাদের ৫ শতাংশ জমি পরে, এবং ১৮ লাখ টাকা দাম হয়। সেই টাকা তুলতে গিয়ে আমাদের কাসে ৩ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। পড়ে ২লাখ৫০ হাজার টাকায় রাজি হয়। আগে ২লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর আামাদের টাকা দেয়
গতকাল বিআরটি তে গিয়েছিলাম আমার গাড়ির ফিটনেস করাতে গাড়ি সবকিছু ঠিকঠাক করলাম হঠাৎ করে আমাকে বাম্পার দেখিয়ে বলল আপনার বাম্পার খুলে নিয়ে আসেন না হলে আপনার ফিটনেস হবে না পরক্ষণেই একজন এসে আমাকে বলল যে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলল এর ভেতর ৫০০ টাকা ভরে দিই আমি সব ঠিক করে দিচ্ছি শেষ সেবা দানকারীদের একজন তো আমি এত লম্বা লাইন অতিক্রম করে এখানে এসেছি ৩৮ হাজার টাকা সরকারি হাতে জমা দিয়েছি এখনই ৫০০ টাকার জন্য যদি আমার এখান থেকে বের হয়ে যেতে হয় তাহলে আরো এক সপ্তাহ ঘুরতে হবে এবং রাস্তায় ট্রাফিক আমাকে ধরবে এবং পাঁচ ছয় হাজার টাকা জরিমানা করবে বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিয়ে আমি আমার ফিটনেসটা করিয়ে নিয়ে এসেছি। এই ৫০০ টাকা যদি সরকারি খাতায় আমার জরিমানা হিসেবে দিতে হতো তাহলে আজকে আমি এখানে আর লিখতাম না
প্রিন্সিপাল স্যার, নতুন প্রভাষক হিসেবে জয়েন করার পর বেতন ভাতার জন্য মাউশিতে কাগজপত্র অনলাইনে দাখিল করতে হয়। এজন্য ৫০০০ টাকা নিয়েছে। আমি নিজেই সব কাজ করেছি কিন্তু মাউশির সাইটে লগইন করতে প্রতিষ্ঠানের আইডি পাসওয়ার্ড লাগে। তারপর বকেয়া বেতনের জন্যেও একই ভাবে ৩০০০ টাকা দাবি করে।
নাম জারি করার জন্য আমার কাছে ৭০০০ টাকা দাবি করা হয় আমি ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজটি উদ্ধার করি এবং আমি বিদেশে যাচ্ছি বিদেশে যাওয়ার জন্য যত অফিসে আমি গিয়েছি সমস্ত অফিস আমার কাছে বাড়তি টাকা দাবি করেছে আমি সরকারি অফিসারদের অত্যাচারে অত্যাচারিত আমিতো সাধারন নাগরিক আমার খুব বেশি প্রয়োজন হয় না সরকারি অফিসে কিন্তু যাদের প্রতিনিয়ত প্রয়োজন ন্যূনতম কাজ করতে হলেও ঘুষের আশ্রয় নিতে হয় যদি কোনদিন সম্ভব হয় এই দেশ ছেড়ে চলে যাব
Driving licence exam. All written and viva passed. In practical exam, I was requested to park the vehicle. I practiced parking our cars thousands of times (both manual and auto gear). There was a marked area for parking on the BRTA training ground which is almost impossible to see from the rear view mirror. So, I parked and failed. An stranger told me if I paid 6,000 tk, I'd get pass sms on the next day. So, I paid and passed the driving licence exam
আমাদের জায়গা নামজারি করার সময়।।ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে থাকে।পরে করে দেই অনলাইন ঘুষ দেওয়ার কারণে