পাসপোর্ট
তারা সরাসরি টাকা চাই না, পাসপোর্ট অপিসের পাসে যে কম্পিউটার এর দোকান গুলো থাকে তাদের সঙ্গে যোগ থাকে, তারা ফাইল দিয়ে ফোন করে বলে দেই এই নাম গালো,অপিসারেরা খুজে নেই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তারা সরাসরি টাকা চাই না, পাসপোর্ট অপিসের পাসে যে কম্পিউটার এর দোকান গুলো থাকে তাদের সঙ্গে যোগ থাকে, তারা ফাইল দিয়ে ফোন করে বলে দেই এই নাম গালো,অপিসারেরা খুজে নেই।
আমাদের কয়েকজনকে আসামি করে একটি সাইবার মিথ্যা মামলা হয় ঢাকায়, এটির জন্য ঢাকা থেকে আমাদের কিশোরগঞ্জ ঠিকানায় ফাড়ি পুলিশের কাছে ঠিকানা ভেরিফিকেশন পাঠায়। আমি সহ ৩ জনের নামে ঠিকানা ভেরিফিকেশন আসে। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার আমাকে কল দেয় এবং প্রথম দিন আমরা ৩ জন যাই ও কাগজ দিয়ে আসি। পরের দিন আবার আরো কিছু কাগজ নিয়ে যেতে বলে এবং আমি কল দেই তিনি আমার সাথে ফোনে কথা বলে, কথা বলার পরেই সে বলে আমি Whatsapp এ আপনাকে কল দিচ্ছি। তারপর সে Whatsapp এ কল দেয় এবং আমার কাছে সরাসরি বলে টাকা নিয়ে আসবেন আমাদের এই কাজ করতে খরচ করতে হয়। তারপর সেই দিন আমি তাকে ১৫০০/- টাকা দেই এবং সেই দিন সে কাগজ রাখে আর বলে আরো কিছু টাকা দিতে হবে + আরো কিছু কাগজ লাগবে পরের বার যাওয়ার পরে জোড়াজুড়িতে আরো ৫০০/- টাকা দিতে হয়।
সাধারণত জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার পরে এটা ইউএনও অফিসে ফরওয়ার্ড হয় ফরওয়ার্ড হওয়ার পরে এটা ইউ এন ওর সরকারি আইডি থেকে এটা রিসিভ করাতে হয় যা করাতে গেলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না কিন্তু আমাদের ধনবাড়ি উপজেলা ইউ এন ও অফিস এটা রিসিভ করাতে গেলে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি এটা দিয়েছি তাছাড়া রিসিভ করে না উনারা
আমি সরকারি হাসপাতালে সার্জারি করিয়েছি আমি জানি সেটা বিনামূল্যে করা হয় তারপরেও ডক্টরের সহকারী এসে বলে আমাকে এবং ডাক্তারকে চা নাস্তা করার টাকা দেন
Amr choto bon er mobile basa theke churi hoye jay, er por Dhaka Rupnagar thana te complaint kori, then ASI amr theke 4000 taka dabi kore , ata naki fee phone rescue korar, tai baddo hoye dite hoyece, jodio se pore phone Rescue kore diyece.
নামজারির জন্য এসিল্যান্ড অফিসে যাই তারপরে নামজারির জন্য সার্ভেয়ার এর সাথে আলোচনা করি এবং কাগজপত্র দাখিল করি।কাগজপত্র দেখার পর সে বলে করা যাবে। নামজারির জন্য যে কাগজপত্র প্রয়োজন ছিল সেগুলো দেওয়ার জন্য বলল,পরে দিলাম তখন টাকার কথা বলল,জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা লাগবে সে বলল ৪০হাজার টাকা করে করি,আপনি ৩৫হাজার টাকা দিবেন।আমি বললাম এত টাকা দিতে পারব না, ২০হাজার টাকা দিব।তাতে সে অস্বীকৃতি জানান এবং ২৫ হাজার টাকার কথা বলেন
আমার মোটর সাইকেলের সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু তারপরও ট্রাফিক পুলিশ বলল পুলিশ সুপারের মাসিক চাঁদা পূরণ করা টার্গেট আছে সেই টার্গেট পূরণ করার জন্য সকল কিছু ঠিক থাকলেও এই টাকা বা জায়গা দিতেই হবে।
সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও আমার সাটিফিকেট সংশোধন করতে 15 হাজার টাকা লাগলো। আমার বাবার বিয়ের কাবিননাম না থাকলে সংশোধন করা যাবে না এই কারণ দেখিয়ে ফাইল আটকে রেখেছিল ২ বছর। টাকা দেওয়ার পর ৩ মাসে কাজ শেষ। নিজে আবেদন করলে শুনানীর তারিখ আসে অনেক দেরিতে, ওদের মাধ্যমে করলে 7 দিনে হয়ে যায়।
রোগি নিয়ে হাসপাতালের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্টেচার এর জন্য ঘুষ চাওয়া হয় হাসপাতালের কর্মচারীর কাছ থেকে।
ট্রাক কভার ভ্যান লোরি পতি গাড়িতে ২ হাজার টাকা করে প্রত্যেক মাসে পরিশোধ করা লাগে টাকা না দিলে গাড়ির নামে বিভিন্ন মামলা দেওয়া হয় যেমন ধরুন সিটবেল পড়ি নাই গাড়ি জোরে টানছি সিগনাল অমান্য করছি গাড়ির চাকার সাইজ বড় গাড়ি চেসিস বড় লোড বেশি হেডলাইটে কালি নাই আলাদা লাইট কেন লাগাইছি
হাসপাতালে রোগি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিতে স্টেচার এর জন্য ঘুষ চাওয়া হয় কর্মচারীর কাছ থেকে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসে গেলে অফিস সহকারী জানান ১০০০ টাকা লাগবে। তা না হলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হবে না।
সরকারি অফিসে প্রতি অর্থবছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের মূল্যের স্টেশনারী মালামাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। সেটি আঞ্চলিক সরাকরি প্রকশনা ও মূদ্রন অফিস থেকে আনতে হয়। সেখানে ফাইল রিসিভ করা থেকে শুরু করে প্রতিটা টেবিলে ৩০০/৪০০ টাকা দাবি করে। শেষপর্যায়ে ম্যানেজার ৮০০০/১০০০০ টাকা দাবি করেন না দিতে পারলে বলে মালামাল আসেনি। তাই তার সাথে নেগোসিয়েশন করে মালামাল আনতে হয়। যার ৬০০০/৭০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হতে হয়।
serial newer jonno tk niyece noy serial dey na
৪ বছর আগে হয়েছিল। কোন ভাবেই পাসপোর্ট খুজে পায় নি। পরে টাকা দেবার পরে সাথে সাথেই খুজে পায়।
আমার মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য আবেদন করার পর বিভিন্ন আজু হাতে তা বাতিল করে দেয়া হয়। তারপর পৌরসভার এক স্টাফ কে বাধ্য হয়ে ধরি আমার কাছে ২০০০ টাকা দিয়ে চায় তারপর তাকে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধক করে দেয়। আমার বাবার জন্ম নিবন্ধক ও মৃত্যুর সনদ করার জন্য ৭০০০ টাকা দিয়ে সেই একই পৌরসভার স্টাফ কে দিয়ে আমার কাজ করে নেয়।
সেবা পেতে টাকা দিতে হবে, নইলে হয়রানির শেষ নাই
আমার জমির পরিমাণ পরিমাণ ১৯৭ শতাংশ মোট কর ২৩০৮ ঢাকা আমার কাছে চেয়েছে ৬০০০ টাকা। একরকম বিপদে পড়েই দিতে হয়েছে তাদেরকে।।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে বলা হলো ৭০০০ লাগবে, অফিসে টাকা জমা দেওয়ার সময় রশিদ কাটলে রশিদ দেওয়া হবে। বাস্তবে রশিদ দেওয়া হলো ২৭০০ ও ৩০০ টাকার। বলা হলো বাকি টাকার রশিদ কোথায়? ওটা আছে, পরে নিয়ে যাবেন। সেই থেকে দিচ্ছে ও নেওয়া হচ্ছে!!!
আমার জমির দলিল ঠিক থাকা সত্বেও একটু সমস্যার কারণে খারিজ নামঞ্জুর হচ্ছিলো। উক্ত ভূমি অফিসে কর্মস্থ ব্যাক্তির সাথে কথা বলে যা জানলাম তাতে উনি বলেছে কাজটা হয়ে যাবে কিন্তু টাকা লাগবে ৩০০০০ হাজার।আমও এর আগেও অনেকবার দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতেও আমার জমির খারিজটি করাতে পারিনও এতে যেমন অর্থ নষ্ট হয়েছে সেই সাথে সময় ও নষ্ট। তাই ইচ্ছা না থাকা সত্বেও আমি সেই ব্যাক্তিকে টাকা দিতে রাজি হই। কারণ আমি অসুস্থতাজনিত কারণে চলাচলে প্রায় অসমর্থ একজন ব্যাক্তি।কাজেই আর কোন কষ্ট করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না তাই বাধ্য হয়ে রাজি হই যেন আমাকে আর দৌড়াদৌড়ি না করতে হয়। ২০০০০ টাকা ৩ ধাপে দিই তাকে কিন্তু আমার কাজ আর হয়নি।এভাবেই হয়রানির শিকার হয়েছি।