গাড়ি ফিটনেস
গাড়ি ফিটনেস করাতে গেলে এত নিয়ম আর বিশৃঙ্খল অবস্তা যে আপনাকে দালাল চক্র হাতে যেতে হবে আর এই দালাল রা গাড়ি প্রতি ৩০০০-৪০০০ টাকা চাজ করে। এটা brta মারপ্যাচের কারনে হয়ে থাকে। একটা ফালতু দূর্নীতি বাজ প্রতিষ্ঠান।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাড়ি ফিটনেস করাতে গেলে এত নিয়ম আর বিশৃঙ্খল অবস্তা যে আপনাকে দালাল চক্র হাতে যেতে হবে আর এই দালাল রা গাড়ি প্রতি ৩০০০-৪০০০ টাকা চাজ করে। এটা brta মারপ্যাচের কারনে হয়ে থাকে। একটা ফালতু দূর্নীতি বাজ প্রতিষ্ঠান।
দলিল করতে ঘুষ নিয়েছিল
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেলে যে অফিসার তদন্ত করে বা ভেরিফিকেশন করেন তখন টাকা দাবি করেন। নগদ টাকা দিতে হয়। আমার জানামতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স মানে হচ্ছে ব্যক্তির নামে কোন প্রকার মামলা আছে কিনা বা কোন প্রকার মামলা ছিলো কি না ? তা তদন্ত করা কিন্তু বর্তমানে এগুলো না দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করলে দেখা হয়। ব্যক্তির পদত্ত কাগজ সত্যায়িত করা আছে কি না এবং তার এবং তার পরিবারের কোন জায়গাজমি আছে কি না। আর এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রচন্ড হয়রানির শিকার হন সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশ গিয়ে টাকা উপর্জান করে দেশের ভাল অর্থনিতির কথা ভাবেন । তাদের বিদেশ যাত্রার শুরুতে ঘুষ দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়।
আমার মার পেনশনের টাকা তুলছে যেয়ে দুই বছর ঘুরিয়েছি লাস্ট এক লক্ষ টাকাও নিয়েছে। শেরপুর জেলা শিক্ষা আর শিক্ষা অফিসার কে টাকা না দিলে আজকের টাকাই পাইতাম না ।
— — constable amr kache phone dai document nia atrai thanai jaite bole.ami gele civil dress pora akjon ase amk e bole j 700 tk dite hobe police clearance er certificate ti dhakai pathaite hobe.but eita ami jani j kono tk thanai dite hoina.ami 1500 tk online e A-chalan er maddome police clearance er tk joma dai.— constable k ami 500 tk dai.
DIFE License Renewal
ভূমি অফিসে একজন লোক আছে, যে ছোট-বড় প্রায় সব কাজের জন্য মানুষের কাছ থেকে টাকা নেয়। আমিও একটি নথি খুঁজে বের করার জন্য তাকে 1200 টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রায় ৩ সপ্তাহ আমাকে ঘুরানোর পর, আমি টাকা ফেরত চেয়ে অন্য কাউকে দিয়ে কাজটি করানোর কথা বলতেই সে সঙ্গে সঙ্গে নথিটি বের করে দেয়। এতে মনে হয়, নথিটি তার কাছে আগেই ছিল; ইচ্ছা করেই মানুষকে ঘুরিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ভবানীপুর, গাজীপুর সদর, ৭ নং ভাওয়ালগড়ে, ইউনিয়ন পরিষদে একটা গোডাউনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি হল ১১-১২ হাজার টাকা কিন্তু ওখানে ওপেনলি ৮-১০ গুন টাকা চায়। ঐ এলাকায় সব ফ্যাক্টরী গুলো থেকে এরকম নেয়। এটা সবার সামনেই হয়, এটাকেই একটা সিস্টেম বানিয়ে ফেলেছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স বানাতে গিয়ে কয়েক টেবিল মিলিয়ে প্রায় ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়। তন্মধ্যে আমরা ২০০০ মতো পরিশোধ করেছি। বাকিগুলো পরে দিবো বলেছি। ৭ লাখ টাকার একটা OTM কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য ৩ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন দালাল মিলে প্রায় ৯০ হাজার টাকা নিয়েছে। প্রতি ১ লাখ টাকার রানিং বিল তোলার জন্য প্রায় ৪-৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় আবার। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটা টেবিলই ঘুষখোর অফিসারদের স্বর্গরাজ্য। ঐখানে টাকা ছাড়া কোনো ফাইল পাশ হয় না। এবং এগুলো খুবই ওপেনলি নেওয়া হয়।
আমার নামে দায়ের করা মিথ্যে এক মামলার (যা ইতিমধ্যে সিআইডি চট্টগ্রাম দ্বারা রিপোর্টে মিথ্যে প্রমানিত হয়েছে) পুন: তদন্তের খাতিরে পিবিআই, চট্টগ্রামের তদন্তকারী অফিসার বিভিন্নভাবে আমার স্ত্রীকে হয়রানী করেন এবং এর থেকে পরিত্রানের উপায় হিসেবে তিনি এসপি ও অন্যান্য সকলের জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবী করেন, যার মধ্যে তিনি ৩০০০০০ টাকা ইতিমধ্যে আদায় করেছেন। পিবিআই তে ঘুষ আদায়কারীর শক্তিশালী চক্র আছে, কাউকেই ওরা ছাড় দেয়না। রাতবিরাতে হয়রানী থেকে বাঁচতে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
ময়মনসিংহ সিভিল সার্জনের অফিসে বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থী, বিদেশগামী মানুষ সহ অনেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট এর জন্য যান । তাদের প্রত্যেকের কাছে 100 টাকা নেয়া হয় । না দিলে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিতে হয়রানি করা হয় ।
আমি একজন বেসরকারী স্কুলের ২০ হাজার টাকা বেতনের শিক্ষক,শেরপুর নালিতাবাড়ী থানার আওতাধীন ভুমি আদালতে আমাদের একটা মামলা চলমান। আগে এই জমিটা অন্যরা দখল করে খেত,বর্তমানে আমাদের দখলে আছে। দুইটা মামলা চলমান ওই জমির উপর। মামলা দুটোতে মাসে আমার পরিবারের অর্থাৎ আমার দুই হাজার টাকা করে খরচ করতে হয়। পিয়ন,পেশকার সবগুলোকেই কমবেশি টাকা দিতে হয়,এ টাকা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দিয়ে আসছি,শুধু আমরা না মামলার প্রতিপক্ষরাও একইভাবে টাকা দিয়ে আসছে। বিচারকও ঘুষ খেয়ে কদিন আগে একটা মামলার রায় ওদের পক্ষে রায় দিছে। আমার বাবা খুবই নরম স্বভাবের মানুষ, ওই মহিলা বিচারক মামলার নথিতে লিখেছেন আমার বাবা নাকি উনার সাথে রাগ করে চড়া মেজাজ দেখিয়ে কথা বলেছেন। এমন আচরণ আমার পরিবারের কারোরই কথা না। উকিলকেও প্রতি মাসে বেশকিছু টাকা দিতে হয়।
নাম খারিজ করে দেয়া জন্য দাবী করা হয়ে ছিলো। সরকারি ফির এর অতিরিক্ত।
সেবা প্রদান করতে অনিচ্ছুক ছিল। ব্ল্যাকমেইল করে যে, শেষ হবে-ঠিক নাই। অসম্মানজনক আচরণ তথ্য দিতে চায় না। এটা নিয়ে রাস্তায় পুলিশ জরিমানা ও ঘুষ চাইতে পারে। অফিসের মেইনটিনের বিল পাওয়া যাবে না। ইতিপূর্বে গাড়ির ফিটনেস গিয়ে — নামক একজন গাড়ির ইন্সপেক্টর এর কাছে বিভিন্নভাবে ভোগান্তির শিকার হওয়া। এগুলোই মূলত ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে। আমি একজন সরকারি উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। লজ্জা নেই, মাফ নেই, প্রটোকল নেই।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ১০০০ টাকা দাবী করা হয়েছিল। পরে দেওয়া লাগছে।
আমার ১৩ শতাংশ ক্রয়কৃত একটি জায়গা সরকারের নামে রেকর্ড হয়ে যায়। জমিটি নামজারি করা ছিলো না।পরবর্তীতে জমিটি বিক্রি করতে গেলে বিষয়টি অবগত হই। দীর্ঘ তিন বছর মামলা চলার পর কোর্ট আমার পক্ষে রায় দিয়ে নামজারি করার অনুমতি দেয়। যার মাধ্যমে (এলাকায় পরিচিত দালাল) আমি জমিটির মামলা পরিচালনা করি উনি জমিটি নামজারি করার জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সম্পূর্ণ জমিটির তখন বাজার মূল্য ৮ লাখ টাকা। আমার ইউনিয়ন সাব রেজিস্ট্রার এর সাথে আলোচনা করে উনার থেকে আর বের হতে পারি নি। তখন জমি সংক্রান্ত ধারণা কম থাকার কারণে ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন এর সাব রেজিস্ট্রার কে দিয়ে ১৩ শতাংশ ৭৯ হাজার টাকায় নামজারি সম্পন্ন করি। এবং ঐ সাব রেজিস্ট্রার ৮০ টাকার একটি খাজনা রশিদ ধরিয়ে দিয়ে আরো ৫ হাজার টাকা নেয়।
আমার এসএসসি সাটিফিকেট সংশোধন এর জন্য এসএসসির মূল মারকসিট প্রয়োজন ছিল কিন্তু তাদের কাছে মারকসিটের জন্য আবেদন করায় তারা আমাকে ১০০০ টাকা জামানতের কথা বলে নেয় । কিন্তু এখন এই জামানতের টাকা দিচ্ছে না
আমার মেয়ের পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য টাকা দাবি করে, বলে আমার জন্মস্থান আট মেয়ের জন্মস্থান এনআইডি তে এক না, এক আনসার এর মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিস এর এক জন কে টাকা দিলে সব করে দেয় সাথে সাথে।
আমার খাজনা দাদার আমল থেকে অপরিশোধিত। বিভিন্ন সময় যখন জমি কেনাবেচা হয়েছে তখনও শুধু ঘুষ দিয়ে তা সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু খাজনার মূল বহিতে তা উঠেনি। গত মে তে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে এবং আমাদের বলে যে প্রায় ৩০০০০ টাকা বাকি আছে। আমরা হতাশ হই এবং ফিরে আসার মূহুর্তে তারা অফার দেয় যে আমরা চাইলে তা অর্ধেকে নামবে কিন্তু কিভাবে জানতে চাইলে তারা বলে তা জেনে লাভ নাই বাকি শূন্য দেখালেই তো হলো এবং পরবর্তীতে শুধু হাল পরিশোধ করতে হবে। এই বলে তাঁরা ২০০০০ টাকা নেয় কিন্তু আমাদেরকে দেওয়া রশিদে মাত্র ২০০০ টাকাতেই সব বাকি পরিশোধ দেখায়। এই হলো দেশ ও পরিচালন ব্যবস্থা। প্রশ্ন হলো, দিলাম কেন? লাভ নেই, প্রতিবাদ করলে তো লোকে আমাকেই চোর বলবে।
নামজারী খতিয়ানের জন্য 1150 টাকা ফি ধার্য থাকলেও AC land office 5500 টাকার নিচে কোন নামজারী করে না