Password application
Doing passport without extra money they don't want to processes
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Doing passport without extra money they don't want to processes
আমার আম্মার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হতো। আম্মার হজ্জ্বের ভিসার টাইমে দেখি যে পাসপোর্টের মেয়াদ পর্যাপ্ত নাই। জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করতে যাওয়ার পর বলে, আম্মার এনআইডি আর পাসপোর্টের জন্মস্থান এক নয়। তাই আগে এনআইডি সংশোধন করতে হবে, তারপর পাসপোর্ট। পরে এক দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার পর কোন এনআইডি সংশোধন ছাড়াই পাসপোর্ট রিনিউ করে দেয় এক সপ্তাহের মধ্যে।
আমার ১.৫ মাস বয়সি মেয়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনের দরকার ছিলো। আমার ১.৫ মাস বয়সি মেয়ে যে কোন ক্রিমিনাল না, এবং তার জন্ম নিবন্ধন থাকা সত্বেও সে যে আসলেই দুনিয়ায় বিদ্যমান তা প্রমান করতে আমাকে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। নতুবা আমি পুলিশ ভেরিফিকেশন কখনোই পেতাম না।
2017 সালে বাবা মারা যাবার পর পেনশন এর টাকা উঠাতে গেলে। বলে আরো জমক। এতো কম টাকা হলে আমাদের কে কি দিবেন।
লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
আমি একজন প্রবাসী আমি যখন সরাসরি আবেদন করি তখন আমার ফাইল বাছাই করতে গিয়ে ওই কর্মকর্তা বলে আপনি কার ইমেইল ব্যবহার করেছেন ? বললাম আমার নিজের, তখন ওনি বলে আপনার ছুটির সময় কম আপনার পাসপোর্ট হবে না, তার পরের দিন আমি দালাল ধরে যখন ১৫০০০ হাজার টাকা দেই same ফাইল শুধু ইমেইল পরিবর্তন করে যাই তখন আমার পাসপোর্ট এক সপ্তাহের মধ্যেই হয়ে যায়, আর সেই ইমেইল ছিল তাদের নিজস্ব একটা সিম্বল যে আমি দালাল ধরে গিয়েছি এটা তাদের একটা কোড
আমার কীটনাশক লাইসেন্স নবায়নের নামে ১৮০০ টাকা নিয়েছে। উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার নবায়ন ফি আমার জানা মতে ৪৫০ বা ৬০০ টাকা। তবুও আমার কাজ করে দেয় নি।
নাটোর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য অফিসের পিয়ন আমার কাছে চা নাস্তার খরচ বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেছে । পরে আমি বাধ্য হয়ে তাকে সেই অর্থ প্রদান করি ।
সাধারণত আমাদের গ্রাম পাহাড়ি এলাকায়, ওখানে কোন ঘর করতে গেলে পরেস্ট ডিপার্টমেন্ট ঘুষ দিতে হয়, ওরা টাকা ছাড়া ওখানে ঘর করতে দেয় না, টাকা দিলে করতে দেয়, আমাদের মহেশখালীতে কয়েকটি ইউনিয়নে তাদের যেমন কালার মারছড়া, শাপলাপুর, হোয়ানক, এবং আরো অনেক এলাকা আছে যেখানে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের থেকে হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট। মহেশখালীতে যারা পানের ক্ষেত করে সবাইকে টাকা দিয়ে করতে হয় অন্য থায় করতে দেবেনা। মহেশখালী তে প্রায় ৫ লাখের বেশি মানুষের বসবাস যাদের মধ্যে ৫০% মানুষ পানের খেত করে, আর ৩০ % পরিবার পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে। তারা সর্বোচ্চ ৫০০০০ হাজার থেকে সর্বনিম্ন ৫০০০ হাজার পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে, এত এত টাকার ঘুষ হয় মহেশখালীতে যেটা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না।
হাতে ফিঙ্গার এর যন্য টাকা নিয়ে থাকে অফিসার নিজে টাকা নেই না তারা মূলত আসে পাসে কম্পিউটার এর ফরম পূরণ করে এদের দোকানের সাথে যোগা যোগ আছে এবং গেটের সামনে কিছু দালাল ও আছে
২০২২ এর একটি সার্কুলার দেখিয়ে আমাকে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য সচিব ওনার চাচা আর উনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছিল তিন মাসের মধ্যে আমার জইনিং কনফার্ম করে দেবে। এক বছর পর সরকারীকরণ করে দেবে। আমার কাছ থেকে অগ্রিম 2 লক্ষ বারো হাজার টাকা নিয়েছিল। যার ব্যাংক রিসিট আমার কাছে আছে।
২০২৩ সালে আমার দারিদ্রতার আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বায় মাতৃত্বকালীন সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল। ফরিদগঞ্জ থানা 15 নং রূপসা ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জহির এখনো পর্যন্ত আমার সেই ভাতার কার্ড চালু হয় নাই। সব সময় আশা দিয়ে যায় করে দেবে।
জমি নামজারি খতিয়ান করতে সরকারিভাবে ২ সপ্তাহ ঘুরে না পেলেও, ৮০০০ টাকা দেয়ার ফলে ১ সপ্তাহে কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যায়!!
আমি 9টা খতিয়ানের খাজনা দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই। অফিসার আমার 9 খতিয়ানে মোট দাবি করে 529000 টাকা আমি দিতে অস্বীকার করি পরে সে আমার কাছে 120000 নেই বিনিময়ে সে আমাকে 11025 টাকার ভূমি উন্নয়ন কর প্রদার করে। সরকার চাইলে আমি যাবতীয় তথ্য দিতে বাধ্য
i paid for me and my wife police varificatio from 2004 t0 2006 , las week i paid only 1500 for my wife police varification but he demanded 10,000 taka.i paied gov fees by online payment. al abroad peoples are suffering by police verification processes by local police station .
ঢাকা পোস্ট অফিস এ বিদেশে বা দেশে পণ্য পাঠাতে নিলে প্যাকেজিং বাবদ সরকারি ফি ৪০০ হলে নেয় ১০০০। আর কাউন্টারে ব্যক্তি ১২,২০০ বিল হলে রাউন্ড করে ১৩০০০ নেয়!
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকশনের দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার ১৫০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা লাগে।সব কিছু ঠিক থাকার পর ও টাকা দেওয়া লাগছে।চা পানির খরচ নাকি এটা।
আমি আমার নতুন বিল্ডিং এর জন্য বিদ্যুৎ মিটার নিতে চট্টগ্রাম হালিশহর ওয়াবদা অফিসে যোগাযোগ করি। ওনি ১০ টা মিটারের জন্য আমার কাছে ২,৫০,০০০ টাকা দাবি করে। অনেক দরকষাকষির মাধ্যমে ১,৫৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। ওনার কাছ থেকে ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। ওনার নাম শুনার সাথে সাথে কেউ আর কথা বলতে চাই না। ওনি নাকি ঐ এড়িয়াতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি।
পিপি বলছে টাকা দিলে পক্খে কথা বলবো না হয় বিরধিদের জামহব করিয়ে দিবো মহরি সই করতে গিয়ে বলছে টাকা দিতে হবে
প্রতিটি সেবা ও সরবরাহ খাতের বিল হতে ৫% হারে পরিশোধ করতে হয়।