হোল্ডিং ট্যাক্স ১০০ টাকা দিতে গিয়েছিলাম
আমি গত এপ্রিল মাসে আমার মায়ের দান সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করতে এই ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি গত এপ্রিল মাসে আমার মায়ের দান সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করতে এই ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি নতুন ভোটার হতে গেয়েছিলাম। আমার কাজ টা দ্রুত করার নাম করে ৫০০ টাকা নিয়েছে।আমি পাসপোর্ট করবো এর জন্য দিতে বাধো হয়েছি
জমি কবলা সম্পর্কে তথ্য নিতে গেছি । প্রথমে টাকা দাবি করছে । আমি হতভম্ব টাকা চাইতে কোন লজ্জা বোধ করলো না কর্মচারী। কর্মচারী ছিলেন বয়স্ক কিভাবে সামান্য কাগজ দেখার জন্য টাকা চাওয়া
আমার আপুর ট্রান্সফার হয়েছে বাট একটা কাগজের প্রয়োজন এর জন্য তারা বারবার হয়রানি করতো আজ না কাল পরশু আছে তারপর গোপন কক্ষে নিয়ে যেয়ে বলে টাকা লাগবে তাহলে তার কাজ তাড়াতাড়ি হবে টাকা দেওয়ার পর এক ঘন্টা পরে কাজ হয়ে যায়
Passport office e gele ghuriye dey . jokhon 3k khoroch kore akta email chap diye and kolomer duita chihno niye gesi tokhon kore dise. aitai service.
আমাদের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর নোটিস পাঠানো হয় তো সেই অনুযায় আমরা সিটি কর্পোরেশন অফিসে যাই ওইখানে থাকা কর্মরত ব্যাক্তি ক্যল্কুলাটর এ কি সব চেপে বললো আমাদের নাকি সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা ট্যাক্স বাকি আছে ২০১৮ থেকে হিসেবে কিন্তু আমাদের এলাকা শবে মাত্র সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধিন হয়েছে আগের আমাদের ইউনিয়ন এর সব খাজনার টাকা পরিশোধ করা আছে...তারপর উনি আবার ক্যল্কুলাটর চেপে বলল একটা প্যাকেজ আছে ২ লক্ষ টাকার এইটা আমাকে দিলে আগের সব মাফ হয়ে যাবে...এখন আমার প্রশ্ন হল ২০১৮ থেকে যদি এই ট্যাক্স হয়ে থাকে তাহলে আগে কেন নোটিস আশে নি আর এই ২ লক্ষ টাকা টার ফুল হিশাব কিভাবে আসলো...তারা আমাকে এইটাও জানাতে অস্বীকার করে
তাকামুল সাটিফিকেট ঘুষ ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করায় না,সরকার এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বলুন।ঘুষ দিলে পরীক্ষা ছাড়া পাশ দিয়া দে।
আমি অনলাইন ঢুকে ২০২৬-২৭ হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার জন্য আমার একান্ত লগইন করি। কিন্তু পেমেন্ট অপশন টোটালি নিষ্ক্রিয় করে রেখে সেবা গ্রহনকারীদের নিকট থেকে ১৮০ টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে পেমেন্ট অপশন সক্রিয় করা হচ্ছে। এই অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সরাসরি জড়িত ভুমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সরকার দলীয় পিয়ন থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সকলেই।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল সার্টিফিকেট আবেদনের সময় সরকারি নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করার পরও একজন অফিস সহকারী প্রত্যেক জন থেকে ৫০০-১০০০টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে। তিনি সিভিল সার্জন স্যারের নামে মূলত আবেদনকারী থেকে টাকা গ্রহণ করে।
আমার ফ্লাট এর হোল্ডিং ট্যাক্স আমার বাবার নামে ছিল। বাৎসরিক ৫০৪৯/- টাকা দিতাম। বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার নাম পরিবর্তন করতে উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গেলে ১০,০০০/- টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। কিন্তু ০৮ মাস পার হবার পরও কাজটি না হওায় আমার এলাকার জোনাল ট্যাক্স অফিসার এর কাছে গেলে তিনি ৩০০০/- টাকা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে দেই এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে দেয়। মানে আমি সরকারকে ট্যাক্স দিব আবার সেই ট্যাক্স দেয়া ব্যক্তি মারা গেলে নাম পরিবর্তনে ১০০০০/- টাকা সরকারী ফি দেয়ার পরেও ৩০০০/- টাকা ঘুষও দিতে হবে। জুলুম এর কত ধাপ পার করতে হয় এই দেশে।
আমি সরকারি BTCL এর ইন্টারনেট নরসিংদী সদর থেকে দিতে চাচ্ছিলাম । তারপর অনলাইনে ঘাটাঘাঁটি করে দেখলাম অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় বা সরাসরি অফিসে ছবি নিয়ে গেলেও হয়। প্রথম দিন গেলাম, লোক পাইনি, পরের দিন গেলাম তারা বলল কম্পিউটার দোকানে যেতে । অথচ তাদের এখানে করা যায় । তারপর একটু খোঁজাখুঁজি করলাম । BTCL এর একজন লাইন লাইনম্যান ৩০০ টাকা নিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য (যেটা একদম ফ্রি) । পরে সে একই লোক, আমার বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে যায় এবং ১০০০ টাকা চা পান খেতে দাবি করে (লজ্জা শরমে দিয়ে দিয়েছি, কারণ পরবর্তীতে লাইন খারাপ হলে তাদেরকে বললে সাথে সাথে আসবে)। এখনো কোনো কারণে যদি তাদেরকে ডাকি তারা দুই তিন দিন পরে আসে এবং চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়ে যায়(অথচ তাদের অফিস থেকে যাতায়াত খরচ দেয়)
"বগুরা টু পঞ্চগড় গ্যাস পাইপলাইন এর জন্য ভুমি অধিগ্রহণ " ২০২১ সালে আমার আব্বার জমিতে গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর জন্য অধিগ্রহণের নোটিশ আসে। যথাযথ প্রকৃয়ার ডিসি অফিসের "LO "শাখায় আমি আবেদন করি। কিন্তু পড়ে জানতে পারি অধিগ্রহণের অর্থ নিতে হলে ১০% হারে ঘুস দিতে হবে। আর এই অর্থ ওঠানো হতো ভুমি অফিস কর্তৃক নির্ধারিত দালাল দিয়ে। অবার অনেক সময় কানুন গো, সার্ভেয়াররা নিজেই হাতে টাকা নিতো। আমার বাবার জমির টাকা উঠানোর জন্য বাধ্য হয়ে ৫ লক্ষ টাকা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্তৃক নির্ধারিত দালালের হাতে দিতে হয়। অর্থ প্রদানের ১ মাস পড় আমি অধিগ্রহণকৃত জমির চেক পাই। এই ঘুসের টাকা ডিসি থেকে শুরু করে LO শাখার ম্যাজিস্ট্রেট ও সকল কর্মচারীর পকেটে যায়।
ঘুষ না পেয়ে নামজারি বাতিল, সেবা গ্রহীতাকে হুমকি, তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) —ের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, জমির নামজারি আবেদন ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল এবং অর্থের বিনিময়ে সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করায় এক ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী — (৩৮) সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া কলোনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও —র ছেলে
সরকারি চাকরিতে জয়েন করার পর রাজনগর একাউন্টস অফিসে পে ফিক্সেশন করতে গেলে কেলকুলেটরে টাইপ করে টাকার পরিমাণ লিখে দেয়। ৩০০০ করে চাইলে আমরা দুজন ৫ হাজার দেই। কয়েকমাস পর ইনক্রিমেন্টসহ পে ফিক্সেশন করতে গেলে আবার ২৫০০ চায়। আমার কাছে মোট ৫০০০ নেয়। ইদানিং জিপিএফ কর্তন করতে চাইলে আবার টাকা চেয়ে বসে।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে আবেদনের হার্ড কপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ভূমি অফিসে জমা দিতে যায় তখন কাগজপত্র দেখেশুনে যাচাই করার পর ভূমি অফিসের নায়েব ৬০০০ টাকা দাবি করে এবং অফার দেয় ১০ দিনের মধ্যে আমার আবেদন অনুমোদন করে দিবে।আমি বললাম আমার তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই, ধীরে সুস্থে দিলে ও চলবে। তখন তিনি উপায় না পেয়ে কাগজের ছোটখাটো কোনো ভুল খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ভুলই খুঁজে পায় নাহ। পরবর্তীতে তিনি সরাসরি আমাকে বলে টাকা ছাড়া আমরা কোনো আবেদন গ্রহণ করি না এবং আশেপাশের কয়েকজন গ্রাহক কে দেখায় দেখো এইখানে যারা আসছে সবাই উদ্দিষ্ট বাড়তি টাকা দিয়েই আবেদন জমা দিয়ে গেসে। পরবর্তীতে অনেকটা তর্ক বিতর্কের জন্য তিনি ১ হাজার টাকা কমাতে রাজি হয় এবং সেই মুহূর্তে আমার টাকা দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা।
ভুমি অধিগ্রহন ছিল প্রতি লাখে ১০ % হারে ঘুষ চাওয়া হয় পরবর্তীতে দিতে বাধয় হই।।।
বি আর টি এ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার শুরুতে ফিংগার প্রিন্ট নেয়, সেখানে প্রতিবন্ধী / অটিজম লটারী ৩-৪৷ টা টিকিট ধরায় দেয় রুমের ভিতর ঢুকায় এবং নিতে বাধ্য করে, না নিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার পরোক্ষ হুমকী দেয়
NID Application batil kore dey, Chauddagram e shob neta eta mile kore . shob neta and netar chamcha diye vora office. seal dey special , eita dekhle pass hoye jay , nahole shob documents thakar por o ghuray. J application grant kore she jorito.
দূর বিত্ত আমার জায়গা দখল করেছে । আমি থানায় অভিযোগ করছি টাকা ঘুষ চাইছেন। এবং পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে আপনি কোন দল করেন আওয়ামী লীগ না কি বিএনপি। আওয়ামী লীগ করলে অবশ্যই হেল্প করার ইচ্ছা পোষণ করে। আওয়ামী লীগ শাসনামলে ঘটনা
একটি সি আর মামলার তদন্তের জন্য বাবাকে ভয় দেখিয়ে হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা থানার তদন্ত — আমাদের থেকে ২০০০০(বিশ হাজার টাকা) ঘুষ আদায় করে।পরবর্তীতে প্রতিবেদনে মামলা টি মিথ্যা এবং কেউ অভিযুক্ত নই বলে,দেখতে পাই কোর্টে।