washa dorniti
আমাদের বাড়ির একটি দেয়াল দিয়েছিলা 1 দিনের কাজ ছিল ওয়াশ সার লোক ২০ % কমাসি্যাল করে দিসে কমাসিয়াল কাতানর জন্ন 1বছর অফিস এ ঘোর সি হই নাই টাকা দিসি 1হয়ে গেসে 1০ দিনে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের বাড়ির একটি দেয়াল দিয়েছিলা 1 দিনের কাজ ছিল ওয়াশ সার লোক ২০ % কমাসি্যাল করে দিসে কমাসিয়াল কাতানর জন্ন 1বছর অফিস এ ঘোর সি হই নাই টাকা দিসি 1হয়ে গেসে 1০ দিনে
ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি ৫০০০ টাকা আমাকে দিতে হয়েছে ৮০০০ টাকা, ৩০০০ টাকা বিয়ারটি সিলেট আর একজনকে ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার জমি খারিজ করতে গেলে আমার কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও একটা অনুমোদন দেওয়া লাগে উনি অনুমোদন দেয় না, গিয়ে বসে থাকি উনি কথা বলে না বলে পরে আসেন পরে আসেন। দুইদিন যাবার পর বিরক্ত হয়ে পড়ে উনার অফিস সহকারীর মাধ্যমে টাকা দিয়েছি
আমাদের ৫ নং ছয়ানী ইউনিয়ন পরিষদ এর সম্মানিত সচিব গতকয়েক বছর যাবত যে কোন সেবার জন্য গেলেই উনাকে হাদিয়া না দিলে কোন কাজ/সাইন দেন না।
২৩-০৮-২০২৬...রাতে জরুরি রুগি নিয়ে যাওয়ার সময় ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েচে আগে টাকা পরে রুগি নিয়ে যাবে কম রাখতে বললাম বলে তাও পারবে না। ইত্যাদি ইত্যাদি!
গন্ডা ডিগ্রি কলেজ, কেন্দুয়া, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ বিভাগ, বাংলাদেশ(Gonda Degree College, EIIN 113077) HSC-2026 পরীক্ষায় প্রত্যেকটি ব্যবহারিক খাতায় শিক্ষকের স্বাক্ষরের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জানানো হয়, টাকা না দিলে খাতায় স্বাক্ষর করা হবে না এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে। প্রত্যেক খাতার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আদায় হয়েছে। অনুগ্রহ করে বিষয়টি যাচাই করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ ধরনের অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ এবং দায়ীদে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক।
ঘুষ না দিলে ভূমি খাজনা এবং কর ১৫/২০ লক্ষ টাকা দেখাবে বাৎসরিক। এখন নতুন সরকার, আমাদের এখন খেতেই হবে - এমন বলে।
বিদ্যুৎ সংযোগ করতে পোল ও মিটারের জন্য ২৫০০০/ টাকা দাবি করলে আমি প্রথমে প্রত্যাখ্যান করি, কিন্তু ধাপে ধাপে আমার কাছে ৩৫০০০/ টাকা আদায় করে। কানসাট অফিস ও চাপাই নবাবগঞ্জ অফিস।
টাকা না দিলে শিক্ষকদের পদোন্নতির ফাইল ঢাকা মাদ্রাসা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে না। তাই ১৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। বাউফল শিক্ষা অফিস
ইমার্জেন্সি কারণে জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম সেখানে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল এবং মাঠে রেকর্ড উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম সেখানে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল।
BDS Record. সাভার এর ভাকুরতা এলাকায় ভূমি জরিপ এর নামে ব্যাপক দূরনীতি ও অনিয়ম শুরু হয়েছে । জরিপ কারীদের চাহিদা মোতাবেক টাকা না দিলে সঠিক ভাবে কাজ করছেনা । সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে । এবং সঠিক ভাবে জরিপ সম্পন্ন করে দিচ্ছে না । বতর্মানে আলমনগর হাউজিং এ সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা ছাড়া একটি রেকর্ড ও সাইন করে দিচ্ছে না । এবং কোনো ডিসপুট ও নিচ্ছে না টাকা ছাড়া । সেখানে আর বেশি দূরনীতি হচ্ছে ।
জুলাই ২০২১ তখন করোনা মহামারী প্রকোপ চলছে, আমার আম্মু করোনা হয়, বাসায় চিকিৎসা চলছিল কিন্তু উনার অক্সিজেন দরকার হয়ে পরছিল তাই আমারা উনাকে হাসপাতালে দেখায় কিন্তু ডাক্তার উনাকে ভর্তি না করে বাসায় চিকিৎসা দিতে বলে, ও পেস্ক্রিপশের পিছে উনার মোবাইল ফোন নম্বর লিখে দেয় যে কোন দরকারে যেন উনাকে কল করি। কিন্তু পরের দিন আমার আম্মাকে আমারা ভর্তি করতে চাই। ডাক্তার সাহেব কোন রাগ ডাক না রেখেই বলে দিলেন ২০ হাজার টাকা উনার নাম্বারে বিকাশ করে দিলে উনি হাস্পাতালের একটা বেড ম্যানেজ করে দিতে পারেন। আমি অন্য কিছু চিন্তা না করে উনাকে ২০ হাজার টাকা বিকাশ করি। পরে উনি কল করে আম্মাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে নিয়ে আসতে বলে ও পরে এডমিট করি। অবস্থা খারাপের দিকে গেলে আইসিও দরকার হলে আরও ৮০ হাজার চায়।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সিলেট প্রবেশন অফিসে ঘুষ দেয়া হয়েছিল। উকিল মনে হয় বলে দিয়েছিল কি না জানা নেই। তবে ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল তাও আবার রমজান মাসে।
আমি আমার ভূমি সংক্রান্ত কাজের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের অস্থায়ী ঠিকানা হতে স্থায়ী ঠিকানায় পরিবর্তন এর জন্য আবেদন করেছিলাম, এক বছর পর যখন সংগ্রহ করতে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করি তখন জনৈক ব্যক্তি বলছিল আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র আসতে আরো দুই বছর লাগবে, আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম কি করি তখন ঐ জনৈক ব্যক্তি আমাকে প্রস্তাব দিলেন আপনি যদি দুই হাজার টাকা খরচ করেন তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবেন। কি আর করি বাধ্য হয়ে এ টাকার বিনিময়ে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি।
আমি সৌদি যাওয়ার জন্য তাকামুলের সার্টিপিকেট তৈরি করতে যাই যেখানে ৬৫০০ টাকা সরকারি করছ আছে ।কিন্তু আমার কাছ থেকে এজেন্সি ২২০০০টাকা দাবি করে । আমি এই টাকা পরিসোধ করি । আমি ওইখানে গিয়ে যা বুঝলাম পরিক্ষক থেকে শুরু করে এজেন্সি সবাই এই টাকা ভাগাভাগি করে নেয় । যিনি পরিক্ষা নেয় উনি সব কিছু বলেদেয় কি করতে হবে । এখন আমার কথা হলো এখানে সঠিক ভাবে দক্ষতা যাচাই হচ্ছে না তাহলে কে এই পরিক্ষা চালু করা হলো?
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সিলেট প্রবেশন অফিসে মামলার তদন্তে ঘুষ দেয়া হয়েছিল। উকিল মনে হয় বলে দিয়েছিল কি না জানা নেই। তবে ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল তাও আবার রমজান মাসে।
আমাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে ।আমার পরিক্ষা দেওয়া লাগবে না শুধু ফিংগার দিয়ে চলে আসলেই হবে ।আমি ঠিক তাই করেছি ।ফিংগার দিয়ে চলে আসছি । আমার দেখা মতে মাদারিপুর কোর্টের ভিতরে যত গুলা ছাপা খানার দোকান আছে এবং কি মাদারিপুর কোর্ট এ কর্মচারী থেকে শুরু করে যারা যারা আছে সব গুলাই দালাল।আমি আমার কাজ করে নিয়েছে কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে আমি অসহায় ।আমি চাই আমার দেশ পরিবর্তন হোক । আমার এই বিষয় পাবলিক করবেন।যদি আমার কথায় কোনো ১% মিথ্যা প্রমাণ করতে পারে তারে আমি ওপেন চেলেঞ্জ করলাম ।১ লক্ষ টা পুরুষ্কার দিব ।আমি
আমি কাড নিতে গেলে টাকা দাবী করে।
৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে ১৫০০০০ টাকা করে ক্ষুদ্র মেরামতের টাকা বরাদ্দ হয় এবং ৭৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে কিছু বিদ্যালয়ে ৭৫০০ ও বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে ১৫০০০ টাকা করে SLIP(School Level Improvement Fund) বরাদ্দ হলে উক্ত ফান্ড থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার — মেরামত থেকে ১৫০০০ ও SLIF থেকে ৫০০ টাকা করে ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।
tk na dile passport hobe na ata bolsilo