নামজারি
নামজারি করতে ৮০০০ টাকা নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে ৮০০০ টাকা নিয়েছে
না দিলে সম্পর্কে খারাপ হবে পরে আর বিল ছাড়তে ঝামেলা করবে
ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে।
For driving license registration.
শিল্প ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম তারপর ট্যাক্স এর বিভিন্ন কাগজ নিয়ে জামেলা করে এবং ৮-১০ টা টেবিলে টাকা দিতে হবে বলল। না হলে আবেদন পড়ে থাকবে ...
Fire license renewal fee online e porishod korar pore Tongi Fire Station Officer , long time file atke rakhen, tini 40k taka chan, bolen je, ekhon fire license ei year theke online e hobe, tai system e entry dite 40k chara hobena. onek din bishoyta pending rakhe, goto 24 August 2026 amar office staffs tar office e giye dordam kore 30k et raji koran ebong taka diye chole ashen, magic er moto 25 tarikh online e duikka dekhi e-fire license renewal approved hoye gese. etai —r keramoti. khuj niye dekhen prottekta garments factory theke tara taka na nile ulta palta report koren.
আমার নামে একটা মিথ্যা মামলা চলমান সেটার জন্যে থানা থেকে ওসি ফোন করে বলে তোমার নামে একটা রিপোর্ট জমা দিতে হবে । সে জন্য কিছু খরচ দিতে বলে আপ্দার ছিল বেশি, আমি তাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে আসি । আদালতে গিয়ে রাষ্ট পক্ষের আইনজীবী মামলা শেষ করার জন্যে আপদার করে এক লক্ষ টাকা তাকে আমি পর্যায় ক্রমে দিবো বলে এখন পর্যন্ত দিয়েছি দশ হাজার টাকা।
মাসিক ভ্যাট রিটার্ন জমা।
দলিল করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ চাইছে।
আমি একটি জমির নামজারির আবেদন করেছি। আমাকে চারদিন ঘুরিয়েছে । উপায় না পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসের এসি ল্যান্ড ছিল না বলে। অবশেষে ৩৫০০ টাকা চাইলে ৩০০০ টাকা দিয়ে দেই।
আমার কাছে হেলমেট ছিল কিন্তু আমার পিছনের লোকএর কাছে হেলমেট ছিল না। তারা আমাকে ৩০০০ টাকার মামলা দেবে বলে। আমি বললাম আমার কাছে টাকা নেই মামলা দিয়েন না এবং আরো বললাম কিছু করা যায় কিনা। তারপর তারা বলল ঠিক আছে ১৫০০ টাকা দেন। আমি বললাম ১৫০০ টাকা দিতে পারব না, না হলে মামলা দেন আমি ১০০০ টাকা দেব। তারপর জড়াজড়ি করলেও 1500 টাকা দিতে আমি বললাম পারবোনা, নাইলে মামলা দেন পরে বলল ঠিক আছে ১০০০ টাকা দেন, তারপর আমি ১০০০ টাকা দিয়ে চলে যাই। মূলত আমি টাকাটা দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল কিভাবে ঘুষ দেয় বা পুলিশ কিভাবে ঘুষ খায় সেটা জানার জন্য বা বুযার জন্য। তা দেখলাম যে সত্যি সত্যি তারা খুবই ঘুষখোর। এভাবে গাড়িতে টাকা দিলে ছেড়ে দেয়।
১০ শতাংশ জমি খারিজ করে দিয়েছে ৩০০০ টাকা নিয়েছে ডিসিআর বাদেই
I was very close to getting into a government medical college but unfortunately missed the opportunity. I then applied for a government-quota seat at a private medical college and ranked 1st on the merit list. Despite this, they asked me to pay BDT 12 lakh, even though the official fee was only around BDT 10,000. When I questioned them, they said the person responsible for selecting students was demanding the money and that other students were paying even more for the same seat
টাকা না দিলে আমার বাসায় নতুন হাউজ কানেকশন দিবে না ও মিটার দিবে না। এই জন্য টাকা নিছে চার ধাপে ৩৫ হাজার। টাকা ছাড়া ওয়াসার ঐ অফিসে একটা মিটারও ইশু হয় না।
প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল সহ তাদের দাবি মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে প্রজেক্টর কিনতে টাকা দিতে হবে,,,আমি আর আমার সাথের আরেকজন দিতে না চাইলে তারা বলে তাহলে আপনারা কিভাবে MPO file পাঠাবেন,? পাঠান দেখি,,৷ তারা বলেন আপনারা মনে করেন এ টাকা দান করছেন,,, ধিক্কার জানাই এই জানোয়ারদের
তিনটনের গাড়ি প্রতি ৩০০ পাঁচ টনের গাড়ি প্রতি ৫০০ এই টাকা আশুলিয়া থানার এসপি ওসি ও ডিসি সহ ভাগ পায় এটা চাঁদাবাজের বক্তব্য। আমি ট্রিপল লাইনে কল দিয়েছিলাম পুলিশ আসছে চাঁদাবাজ কে এরেস্ট করে নাই।
আমি আমার মোট ১৭৭ শতক জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে সেখানকার দায়িত্বরত একজন অফিসার আমাকে বলে নিয়ম অনুযায়ী আপনার খাজনা আসে ৬০০০০ টাকা।এবং আমাকে বলে আপনি যদি আমাদের সাথে নেগোসিয়েশন করেন ৩০০০০ টাকা দিলে হবে।আমি যখন ওনাকে বললাম আমাকে কোন রিসিভ দিবে কিনা।তখন ওনি বললেন টাকা দিতে হবে ৩০০০০। আমি পরে দরকষাকষির এক পর্যায়ে আমি ২৫০০০ টাকা দিতে সম্মত হয়।পরে পরিশোধের পর আমি রিসিভ চাওলে আমাকে রিসিভ দেয় প্রায় ২০০০ টাকার।আমি ওনাকে প্রশ্ন করলে আর বাকি টাকাগুলো কোথায়।তখন ওনি আমাকে বলে বাকি টাকাগুলোর রিসিভ দেওয়া হবে না। আসলে আমরা সাধারণ মানুষ এইসব সরকারি অফিসের কাছে জিম্মি।
ডেভেলপারারের কাছ থেকে ফ্লাট কেনা হয়েছিল। রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। নামজারী করার সময় নির্ধারিত ১১৭০ টাকা পরিশোধ করে অনলাইনে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু দুইবার প্রত্যাখ্যান করা হয় এটি নাকি খাস খতিয়ানভুক্ত। তারপর সেই ভূমি অফিসের কর্মচারীর মাধ্যমে ৪০০০০ টাকা নগদে কাজটি সমাধা হয়। ৪০০০০ টাকা হাতে পেলে সেটি আর খাস খতিয়ানভুক্ত থাকে না। ফ্লাট কেনার আগে আমি ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, এটি খাস খতিয়ানভুক্ত নয়। ঘটনাটি ২০২৪ সালের প্রথম দিকের। হয়রানি এড়াতে বাধ্য হয়ে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দিই।
জমির খতিয়ানে যে দাগ নম্বরগুলো উল্লেখ রয়েছে, ভূমি উন্নয়ন কর (ট্যাক্স) রসিদেও একই দাগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করি। এ কাজটি করে দেওয়ার বিনিময়ে আমার কাছে প্রতি দাগের জন্য ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা করে দাবি করা হয়। আমার মোট ৪টি দাগ থাকায় সর্বমোট ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আমি ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা প্রদান করে কাজটি সম্পন্ন করি।
জমি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় সাব রেজিস্টার সাহেব স্বাক্ষর করছিলেন। এক পর্যায়ে উনি আবাসিক জমিটিকে বাণিজ্যিক জমি হিসেবে বলেন এটাতে আরো ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। তখন দলিল লেখক এর মাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়ে কিছু একটা বললেন। দলিল লেখক আমাকে জানালেন কিছু টাকা দিতে হবে। উপায় না পেয়ে আমিও টাকাটি দিতে বাধ্য হই।