বাইপেল সাভার
তিনটনের গাড়ি প্রতি ৩০০ পাঁচ টনের গাড়ি প্রতি ৫০০ এই টাকা আশুলিয়া থানার এসপি ওসি ও ডিসি সহ ভাগ পায় এটা চাঁদাবাজের বক্তব্য। আমি ট্রিপল লাইনে কল দিয়েছিলাম পুলিশ আসছে চাঁদাবাজ কে এরেস্ট করে নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তিনটনের গাড়ি প্রতি ৩০০ পাঁচ টনের গাড়ি প্রতি ৫০০ এই টাকা আশুলিয়া থানার এসপি ওসি ও ডিসি সহ ভাগ পায় এটা চাঁদাবাজের বক্তব্য। আমি ট্রিপল লাইনে কল দিয়েছিলাম পুলিশ আসছে চাঁদাবাজ কে এরেস্ট করে নাই।
আমি আমার মোট ১৭৭ শতক জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে সেখানকার দায়িত্বরত একজন অফিসার আমাকে বলে নিয়ম অনুযায়ী আপনার খাজনা আসে ৬০০০০ টাকা।এবং আমাকে বলে আপনি যদি আমাদের সাথে নেগোসিয়েশন করেন ৩০০০০ টাকা দিলে হবে।আমি যখন ওনাকে বললাম আমাকে কোন রিসিভ দিবে কিনা।তখন ওনি বললেন টাকা দিতে হবে ৩০০০০। আমি পরে দরকষাকষির এক পর্যায়ে আমি ২৫০০০ টাকা দিতে সম্মত হয়।পরে পরিশোধের পর আমি রিসিভ চাওলে আমাকে রিসিভ দেয় প্রায় ২০০০ টাকার।আমি ওনাকে প্রশ্ন করলে আর বাকি টাকাগুলো কোথায়।তখন ওনি আমাকে বলে বাকি টাকাগুলোর রিসিভ দেওয়া হবে না। আসলে আমরা সাধারণ মানুষ এইসব সরকারি অফিসের কাছে জিম্মি।
ডেভেলপারারের কাছ থেকে ফ্লাট কেনা হয়েছিল। রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। নামজারী করার সময় নির্ধারিত ১১৭০ টাকা পরিশোধ করে অনলাইনে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু দুইবার প্রত্যাখ্যান করা হয় এটি নাকি খাস খতিয়ানভুক্ত। তারপর সেই ভূমি অফিসের কর্মচারীর মাধ্যমে ৪০০০০ টাকা নগদে কাজটি সমাধা হয়। ৪০০০০ টাকা হাতে পেলে সেটি আর খাস খতিয়ানভুক্ত থাকে না। ফ্লাট কেনার আগে আমি ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, এটি খাস খতিয়ানভুক্ত নয়। ঘটনাটি ২০২৪ সালের প্রথম দিকের। হয়রানি এড়াতে বাধ্য হয়ে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দিই।
জমির খতিয়ানে যে দাগ নম্বরগুলো উল্লেখ রয়েছে, ভূমি উন্নয়ন কর (ট্যাক্স) রসিদেও একই দাগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করি। এ কাজটি করে দেওয়ার বিনিময়ে আমার কাছে প্রতি দাগের জন্য ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা করে দাবি করা হয়। আমার মোট ৪টি দাগ থাকায় সর্বমোট ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আমি ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা প্রদান করে কাজটি সম্পন্ন করি।
জমি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় সাব রেজিস্টার সাহেব স্বাক্ষর করছিলেন। এক পর্যায়ে উনি আবাসিক জমিটিকে বাণিজ্যিক জমি হিসেবে বলেন এটাতে আরো ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। তখন দলিল লেখক এর মাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়ে কিছু একটা বললেন। দলিল লেখক আমাকে জানালেন কিছু টাকা দিতে হবে। উপায় না পেয়ে আমিও টাকাটি দিতে বাধ্য হই।
এলজিইডি অফিস মানেই ঘুষের কারখানা, আপনি ঘুষ না দিলে আপনার ফাইল কোন ভাবেই পার হবে না। সেটা হোক কোন নেতা বা আপনি নিজেই। ল্যাব টেস্ট ১০০% কাজ করা হয়েছে, আপনাকে জানানো হবে আপনার কাজের মান খারাপ। আপনি ১০০% কাজ করেছেন আপনার কাজে ঘাটতি আছে। মাঠ পরিদর্শন থেকে শুরু করে, সমস্তই ঘুষ। কাজ পাওয়ার পর সিএস বাবদ টাকা টাকা পিডি অফিস + জেলা অফিস + উপজেলা অফিস মোট ২-৩% চলে যাবে। আর বিল করার সময় ১% করে তিন অফিসে ৩% ঘুষ বাধ্যতামূলক। ঘুষ না দিলে ফান্ড নেই,এখন বিল সম্ভব না। আপনি বাধ্য ঘুষ দিতে। লাস্ট ২ কোটি টাকার কাজে ৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।
আমার গাড়ি এসে হঠাৎ করে চেক করে গাড়িতে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল বলে যে আমি ভুল রোডে আসছি।৫০০০ টাকা গোস দাবি করে এবং আমি গিয়ে
Madrasha Teacher der New MPO korte extra 7000 taka dete hoise principal ke, tar dabi 7000tk Education Officer chaisen. Na dele MPO hobe na.
আমি একটা সাধারন ডায়েরী করতে গেছি। সাইট কাজ করছে না তাই এটা সম্ভব না। কিন্তু একজনের পরামার্শে ২০০০ টাকা দিয়ে সে ১ ঘন্টা বসায় রেখে। ১ ঘন্টা আরো বারতি সময় ধরে জিডিটি সম্পন্ন করেছি।
ডিজিটাল নম্বর প্লেট ওএস স্মার্ট কার্ড গ্রহণ করিবার জন্য বিআরটি অফিসে যাই যেই রুমে বিআরটি অফিসে নম্বর প্লেট বিচরণ করে বিনামূল্যে সকল কাগজ পাতি থাকা সত্ত্বেও বলে সার্ভার ডাউন নেট নাই সারাদিন বসেই রাখার পরে বিকেল বেলা নম্বর প্লেটটি ও স্মার্ট কার্ডটি পাই 200 টাকার বিনিময় হায়রে বাংলাদেশ।
আমি রেকর্ড সংশোধন করতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রধান কর্মকর্তা ২০০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাকে বলি সরকারি ফি তো ১২৪০টাকা, আপনি এতো টাকা কেন চাচ্ছেন। তিনি উওর দিলেন থানা ভূমি কর্মকর্তাসহ সবাইকে ঘুষ দিতে হয়। ২০০০০টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না।
আমি যখন ইনকাম ট ্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে যাই আমার সমস্ত ডকুমেন্টস ১০০ ভাগ ঠিক থাকার পরও তাদের কম্পিউটার কাম অফিস সহকারী আমার কাছে ৫ হাজার টাকা ঘুষ চায় । আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অফিসার বলে যে উনারা স্থানীয় মানুষ এখানে চাকরি করেন আমরা বেশিদিন এখানে থাকি না তো উনাদের কথা মেনে নিয়ে উনাদের সাথে সম্পর্ক রেখে কাজ করিয়ে নিন। নিরুপায় হয়ে আমি তিন হাজার টাকায় কাজটি করিয়ে নেই। এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ আয়কর অফিসের চিত্র। উল্লেখ্য যে আমি একজন আইটি ফ্রিল্যান্সার এবং আমার উপার্জিত অর্থ রেমিটেন্স হিসেবে আসে।
সম্প্রতি আমার একটি নামকরা বেসরকারী এনজিও থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আবেদন করি যা টাঙ্গাইল এসপি অফিস এর অধিনে হয়, যেহেতু আমার স্থায়ী ঠিকানা টাঙ্গাইল সদর। আবেদনের প্রায় দেড় মাস পর গত ২০-০৮-২০২৬ তারিখে এসপি অফিস থেকে ফোন করে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে আমাকে এসপি অফিসে যেতে বলে । আমি পরের দিন যাওয়ার পর সে কাগজপত্র দেখে এবং বলে সব ঠিক আছে। আমি এপ্রুভ করে দেব কিন্তু ভাই সরকার তো আমাদের ভেরিফিকেশন এর টাস্ক বাবদ কোন টাকা দেয় না আমাদের ও তো কিছু খরচ আছে, এই বিষয় টা তো আপনার দেখতে হবে, আমি একটু নারাজি হওয়ায় তিনি ডাইরেক্ট বলেন ভেরিফিকেশন কবে হবে উনি সেটা বলতে পারবেন না! বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিলে তিনি বলেন ১ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে।
uttarkhan kachkura vhumi office took 12000 taka for my land namjari.
মামলার নথির ফটোকপি নিতে দিতে হবে, নইলে দিবে না
ট্রান্সক্রিপ্ট ইস্যু করতে অতিরিক্ত টালা আদায়।
যাএাবাড়ী সবজি ও মাছের আড়দ থেকে মার্কেটে গাড়ি প্রতি ৫০০ টাকা চাঁদা নেয়া হয়
আমি আমার হাতের এক্স- রে করার জন্য ঢাকা পংগু হাসপাতাল লে জাই, এক্স রে করার পরে, এক্স রে অপারেটর আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে ফ্লিম দিবে না। রুম নাম্বার ১০৭, পরে টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসি, যারা জাই সবাই কেই ১০০ করে টাকা দিতে হয়।
Govt job er police verification e basay ese taka demand kore 10000, ami 3000 payment kori jeno police kono jhamela na kore sejonne.
সরকারি হিসেবে জমি নাম জারি বা মিউটেশন করতে মাত্র ১১৭০ টাকা লাগে। কিন্তু এই টাকা দিয়ে আবাদন করলে তা রিজেক্ট হয় কিংবা মাসের পর মাস ফাইল জমা পড়ে থাকে, নামজারি বা মিউটেশন হয় না কিছুতেই । তাই নিরুপাই হয়ে ভূমি অফিস এর কম্পিউটার অপারেটর এর মাধ্যমে সেই নাম জারি বা মিউটেশন কাজের জন্য ১২০০০ টাকায় চুক্তি/কনটাক্ট হয়েছে । এখন ফাইনালি সেই ঘুষের বিনিময়ে জমির মিউটেশন সফল হয়েছে।