মোবাইল হারানো জিডি
আর হারানো মোবাইল উদ্ধার করার জন্য জিডি করেছিলাম থানায় । পরবর্তীতে মোবাইল উদ্ধারের পর কিন্তু মোবাইল না দিয়ে আমার কাছে ৪০০০ টাকা চা খাওয়ার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তীতে আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে মোবাইলটি নিয়ে আসি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আর হারানো মোবাইল উদ্ধার করার জন্য জিডি করেছিলাম থানায় । পরবর্তীতে মোবাইল উদ্ধারের পর কিন্তু মোবাইল না দিয়ে আমার কাছে ৪০০০ টাকা চা খাওয়ার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তীতে আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে মোবাইলটি নিয়ে আসি।
পাসপোর্ট এর সকল কাগজ রেডি করে সকাল ৮:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত দাড় করিয়ে রাখা হয়েছিল সার্ভার ডাউন বলে। এরপরে আলাদা ভাবে অফিসের একজন জানায় এইভাবে নাকি হবে না। কিছু টাকা দিলে তারা করে দিতে পারবে। পরে রাজি হই এবং সকল কাগজপত্র তারা রেখে দেয় অফিসের ২য় তালার একটা রুমে। এরপর পরের দিন সকালে অফিস খোলার আগে সকাল ৭ টার সময় ছবি তোলার জন্যে ডাকে। পরের দিন সকাল ৭ টার আগে চলে গেলে, পিছনের গেট দিয়ে ঢুকিয়ে ছবি তুলা হয়, সাইন নেওয়া হয়, এরপর ১৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
কুমিল্লা পিডিবির উপ প্রকৌশলী আইয়ুব আলী প্রিপেইড মিটারের ভুলের কারনে রিসার্চ নিচ্চিলো না কয়েক মাস অন্য মিটারের লাইন চালানো হয় পরবর্তীতে ওরা এইটা চেক করে ১ লক্ষ টাকা দাবী করে ৪০০০০ এ দেনা দরবার এর পর লাইন ক্লিয়ার করে মামলার ভয় দেখিয়ে ওরে নিয়ে স্থানীর নিউজ এ রিপোর্ট ও হয় কিন্তু কোন সাজা হয় নি
বাবার মৃত্যুর পরে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য মৃত্যু সাল নিবন্ধনের সার্টিফিকেটটি প্রয়োজন ছিল যার অর্থে আমরা ইউনিয়ন পরিষদে যাই এবং তিনি সবকিছু নেওয়ার পরে সরাসরি কিছু সম্মানী বা কিছু চা পানি টাকা চেয়ে বসেন, কিছু করার নাই যদি টাকা পরিশোধ না করি দুই মাসেও এই সার্টিফিকেট পাবো না আমি প্রবাসে থাকি এতদিন ছুটি আমার হাতে ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হল ।
বাচ্চার জন্ম সনদ তৈরি করানোর জন্য কম্পিউটার দোকান থেকে নির্ভুল ভাবে করিয়েছি। সব ডকুমেন্টস দিয়েছি। কিন্তু এখন নাকি কাউন্সিলর নেই , জেলা প্রশাসক করেন তাই ১০০০ দিতে হবে বলে অনেক আবদার করে। দিয়েছি। কাজ ১ সপ্তাহের মধ্যে করে দিয়েছে।
দাখিলা কাটার জন্য নায়েবের সংগে সাক্ষাত করতে চাইলে নায়েব বাজে ব্যবহার করে বাইরে দুজন দালালকে দেখিয়ে দেয় এবং তাদের সাথে আলাপ করতে বলে। ওই দুজনের সাথে আলাপ কালে তার দাখিরা কাটিয়ে দেয়ার নামে ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে,তখন তাদের দরকষাকষি করে ৮৫০০ টাকায় ঠিক হয়। এবং ৮৫০০ টাকা দিলে তারা আমার দাখিলা কেটে দেয়। কিন্তু রসিদে ৭৪২ টাকা লেখা দেখলে তাদের কাছে জানতে চাই তাহলে আমার কাছ থেকে এত টাকা নিলেন কেন। তারা উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। বিঃদ্রঃ টাকা নেয়ার সময় আমার সামনেই একজন সিসি ক্যমেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিছু বলতে পারি নাই কারন দালাল আর অফিসের নায়েব মিলেই একটা সিন্ডিকেট।
আমি ফায়ার সার্ভিসের জব করি চাকুরী হতে,,বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্স করলে নিজের টাকা খরচ করতে হয় সেটার বিল সাবমিট করতে হয় অনলাইনে,,,তো আমার এরকম ৭ টা বিল ছিলো,,,২০২৩, ২৪,২৫ মিলে,,সেগুলো নিজের দপ্তর ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি দপ্তর মানে নওগাঁ দিতে হইছে ১৬% সেটা আবার উপজেলা হিসাব রক্ষক অফিসে দিতে হয়েছে ১০% এই রকম ঘুস দিতে হয়
জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি ছিলোনা, পাসপোর্ট করতে বাংলা ইংরেজি দুইটাই লাগবে তাই পউরসবায় আবেদন করেছিলাম। সর্বসাকুল্যে ১৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। It is supposed to be free of cost.
টাকা না ফেলদেয় ড্রাইভিং টেস্ট এ
২০২৫ সাল আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম। ওয়েবসাইট থেকে দেখে সব প্রয়োজনের কাগজ নিয়ে গিয়েছিলাম। ওয়েবসাইট থেকে ফরম ফিলআপ করতে হয়। এপ্লাই করলেই এরর দেখায়। সিটি করপোরেশন মিরপুর-২ র কার্যালয় বললো তাদের কাছ থেকে এপ্লাই করতে। আমি নিজে এপ্লাই করতে চাইলে তারা জানালো ২-৩ মাস সময় লাগতে পারে। কাউন্সিলর থেকে স্বাক্ষর নিতে হবে। আমাদের কাউন্সিলর পালায় গেছে। তাদের কাছ থেকে বর্তমান কাউন্সিলর এর ঠিকানা এবং নম্বর চাইলে তারা বলে তারা জানে না। পরবর্তীতে তারা ১৫০০ টাকা দিতে বলে। তাহলে ১-২ দিন মধ্যে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট দিবে। মিরপুর সিটি করপোরেশন র অধিকাংশ কর্মকর্তারা র কর্মচারীরা ঘুষ ছাড়া কাজ করে না।
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এ প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করার পর। প্রতিবন্ধী কাড করার জন্য। গিয়েছিলাম সেখানে দাইত্ত রত বেক্তি সরাসরি বলে তাকে ১০০০ টাকা না দিলে সে কাড করে দিবে না। এবং ২০২৬ এর বাজেটে যে ভাতা আসছে সটা পেতে হলে তাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে না হলে সে কাজ করবে না
আমাদের বড়ভাই ঘোগাদহ ইউনিয়ন কাউন্সিল এর মেম্বার আমাদের বাবার নামে রেকর্ডীয় সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদপত্র জাল করে আমাদের নাম বাদ দিয়ে তার একক নামে খারিজ করতে গিয়ে এসিলেন অফিসে ধরা পরচে কয়েকমাস পর তহসিলদারের সাথে যোগসাজশ করে 25000 টাকা ঘুষ দিয়ে পুনরায় খারিজ করে নিছে। আগের আবেদন নাম্বার —, এখনকার আবেদন নাম্বার-— (তহসিলদার করে দিছে)
নতুন ট্রেড লাইসেন্স কিরতে গেছে, ট্রেড লাইসেন্স ফ্রি 2000 টাকা সরকারি ভাবে,কিন্তু অতিরিক্ত 3000 টাকা তাদের দিতে হয় না দিলে কাজ হবে না।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ত্রিশাল শাখা, ম্যানেজার এর দাবি ৫০০০০০ ঋণ হলে ৫০০০০ হাজার টাকা দিতে হবে, এবং আমি ৫০০০০ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫০০০০০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি।
আব্বুর মরনোত্তর পেনশন অনুমোদনের জন্য এজি অফিসকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। আমরা মজলুম ছিলাম।
ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করতে গেলাম আগে নিত ১৫০০ টাকা কিন্তু লেখা তাকত লাইসেন্সে ৫০০ এইভার নিয়েছে ৯০০০/- টাকার বেশি উনারা দাবি করেন যে যত বর শোরুম হবে ডিডে উল্লেখ থাকবে তত টাকা দিতে হবে।আমরা ব্যাবসা করি তাই দিতে বাধ্য হলাম ঘটনাটা সিলেটেই হচ্ছে অবিরত
নির্বাচন অফিসে আমার বাবার এনআইডি কার্ড পরিবর্তনের জন্য শুধু নাম নামের শেষে — যুক্ত হবে। শুধু এটা করার জন্য অফিসের প্রধান কর্মকতা তার রুমে ডেকে নিয়ে তার এসিস্ট্যান্ট কে দিয়ে ঘুষের কথা বলায় তারপর আমার এইটা আরজেন্ট পাওয়ার জন্য টাকাটা দিতে বাধ্য হই
মি —, সহকারী কমিশনার অব কাস্টমস, যে। সমস্ত শুল্কায়ন ফাইলে RED থাকে সেগুলির RED রিমোভের জন্য ফাইল প্রতি ২৫০০/-টাকা করে নেন, তার পক্ষে টাকা গ্রহণ করেন —, —, —।
Trade license nobayon korte gele nobayon fee er sathe office koroch dite bole. Ami boli office koroch dte parbo nah ami jabitio kaj korbo amk draft den. Ami taka bank e joma diye asi. Bank e taka joma diye draft unak joma dey. Pore trade license ante gele bole office koroch dte hobe. Ami boli kiser office korch? Uni blc trade license sign korle taka dite hoi. Ami blc sign kora tho unar kaj. Uni bole 200 taka holeo dite hobe. Ses porjonto na pere 200 taka dite hoilo. Ato porisrom koreo gush mukto kaj korke parlam na.
গত ২৫ আগস্ট আমাদের বাসায় গত ৫ মাসের গ্যাস বিল পরিশোধ না করার কারণে গ্যাস অফিসের প্রতিনিধিরা আসেন। তারা জানান, আমাদের গ্যাসের চাবি ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে তারা গ্যাসের রাইজার খুলে নেন এবং জানান যে, গ্যাসের বিল, বকেয়া সুদ ও ব্যাংকে কিছু টাকা জমা দিতে হবে। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী আমি গ্যাস বিল বাবদ ৫,৫৩০ টাকা এবং জামানত/অতিরিক্ত জামানত বাবত ব্যাংকে ৫,৯৭৬ টাকা জমা দিই। পরবর্তীতে আমাকে জানানো হয় যে, তাদেরকে আরও ৪,০০০ টাকা দিতে হবে, যা তাদের মজুরি হিসেবে দাবি করা হয়। আমি ওই ৪,০০০ টাকার বিষয়ে বৈধ কোনো ডকুমেন্ট, রসিদ বা সরকারি কাগজপত্র চাইলে তিনি তা দিতে পারেননি। অতিরিক্ত ৪,০০০ টাকা কোনো বৈধ কারণ, রসিদ বা সরকারি প্রমাণ ছাড়া আমার কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে। “এর প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে”