কাজি অফিস - বিবাহ সনদ / কাবিন নামা
আমার বিবাহ সনদ এর জন্ন্যে কাজি অফিস এ গেলে ইংরেজিতে করার কথা বল্লে উনারা বিকাশ এ ৩৫০০ দাবি করেন আমি প্রতিবাদ করলে বলেন এই কাজের জন্ন উন্সদের দিতেই হবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বিবাহ সনদ এর জন্ন্যে কাজি অফিস এ গেলে ইংরেজিতে করার কথা বল্লে উনারা বিকাশ এ ৩৫০০ দাবি করেন আমি প্রতিবাদ করলে বলেন এই কাজের জন্ন উন্সদের দিতেই হবে
Its a system they have created if you ask them for fair they will go in physical visit and will survey everthing if they are ok or not and lot's of clause that will delay to get license but if you pay the bribe you will get license within 7/Days and no physical visit is require. actually every govt inspire Bribe they don't impose any real punishment.
জমির খতিয়ানে নাম সংশোধন করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত হয়রানি করার পর ঘুষ নিয়ে তারপর তারা নাম সংশোধন করে যেখানে সরকারি ফি ১১-১২০০ টাকার মত। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে
ফ্যাক্টরি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য হোল্ডিং ট্যাক্স এর জন্য প্রতি স্কয়ার ফিট ১ টাকা হারে মোট ৫১০০০ টাকা কোন প্রকার রশিদ ছাড়া দিতে হয়েছে। ঠিকানাঃ ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ, নরসিংহপুর, আশুলিয়া। এই ৫১,০০০ টাকার সম্পুর্ন ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে।
Its City Corporation office. Demanded 70,000 Taka for a 6 floor building holding tax, otherwise he will increase & impose penalty for the entire building for delay payment of holding tax & we paid.
যে কোনো প্রকল্পের অনুমোদন পত্র, সংশোধন, প্রকল্পের অডিট অনুমোদন ছাড় করাতে কমপক্ষে ৬৫০০ টাকা হাতে দিয়ে চিঠিটা নিতে হয়। এটা সব সময়ের চর্চা।
ভুমি অফিস, নামজারি সেবা , জমির পরিমাণ একটু বেশি (১০৬ শতাংশ)ছিল তাই খরচ হবে। কুমারগাতা ভূমি অফিস। পৌরসভা ভূমি অফিস।
আমার পাসপোর্টে nid কার্ডের বয়স ছিলনা, সেটা সংশোধন করতে গেলে ১৭০০০ দাবি করে। আমার সংশোধন করার দরকার ও ছিল তাই নিরুপায় হয়ে সংশোধন করে নিলাম
গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে, এক মাসের মধ্যে মালিকানা পরিবর্তনের কথা বলে মিরপুর বিআরটিএর কর্মচারী ১০ হাজার টাকা দাবি করে, আমি ১০০০০ টাকা পরিশোধ করার পরেও আজ চার মাস হয়ে গেলো মালিকানা পরিবর্তন হয় নাই, যোগাযোগ করলে আরো অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করছে।
ই পাসপোর্ট ফর্ম জমা নিচ্ছিলনা,,বাহিরে একজন বললো ঘুষ দিলে কাজ হবে। যখন ১২০০ টাকা ঘুষ দিলাম,,ছবি তুলতে আর কোন দেরি হলো না,,সাথে কাজ করে দিল
নামজারি বাতিল সংক্রান্ত কাগজপত্র ফটোকপি জন্য । চারটি কাগজে ফটোকপি জন্য 12000 টাকা দাবি করে পরে আমি ২০০০ টাকা দিই। সে বলে আরোও 4000 টাকা দিতে হবে
খারিজ করার ফি টোটালি জাবে ১২০০, থেকে ১৪০০।সেই জায়গায় ভুমি অফিসে দিতে হচ্ছে ৫০০০,থেকে ৪০,০০০ পর্যনত।
আমাদের গ্রামের বড়শিলা উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটি একত্রিত হয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ আদায় করে থাকে। যেমন কারেন্ট বিল, অযাচিত অনুষ্ঠানের নাম করে, জোরপূর্বক টাকা নিয়ে থাকে। আর এই বিদ্যালয় যেহেতু প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত, তাই এখানকার মানুষ বেশিরভাগ কৃষি কাজ এবং দিনমজুর হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই তাদের কাছে যেকোনো অতিরিক্ত অর্থ বহন করা দুঃসাধ্য ব্যাপার। আর এখানেই সেজনচার্জের নাম প্রতিবছর অতিরিক্ত ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। পরিক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি টিচাররা জোর করে প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে টাকা নিয়ে থাকে। আবার এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ এর সময় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে বেশি নিয়ে। আবার সার্টিফিকেট কিংবা মার্কশীট উত্তোলনে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে
জমি দলিল করার ক্ষেত্রে কাজিপুরের গান্ধাইল অফিসে প্রথম যে ব্যক্তি রেজিষ্ট্রেশন করেন তিনি আমার বক্তব্য নিলেন, তারপর দরজার কাছে ওনার টেবিল সে লোক আমার হাতে ছাপ এবং স্বাক্ষর নেবে একটু ফরমে, এই ছাপ ও স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য তিনি ১০০ টাকা নেন। এটা তিনি সবার থেকেই নেন। ঘুষের পরিমান অতি অল্প, ১০০ টাকা মাত্র। কিন্তু তিনি প্রতিদিন যারা যারা দলিল করার তাদের থেকে ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন।
আমি যে বাসায় থাকি সে বাসার একটা মিটার নষ্ট হয়ে যায। মানিক মিটার চেঞ্জ করে দেওয়ার পর।পুরাতন মিটার য়ে দিয়ে টাকাটা ছিল সেগুলো যখন রিফিল করতে চাই। তখন আমর টাকায় ঘুষ নিয়েছি। টাকা না দিয়ে মিটারের টাকা দিবে না।
সরকারী খাদ্য গুদামে ধান ও চাল সরবরাহের মূল্য বাবদ সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রদত্ত বিলের বিপরীতে ব্যাংক পুণঃভরণ পদ্ধতিতে কৃষক/মিলারগণকে তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে। এখানে ব্যাংক ১% কমিশন পায়। পরবর্তীতে ফান্ড প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক কর্তৃক পুনঃভরণ বিবরনী দাখিল করলে নিরীক্ষান্তে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস চেক ইস্যু করে। উক্ত জেলা হিসবরক্ষণ অফিস প্রতি চেক এর জন্য ১০০০ (এক হাজার মাত্র) টাকা ঘুষ নেয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৫টি চেকের জন্য ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
নামজারি আবেদন এই টাকা না দিলে প্রত্যাখ্যান করা হবে এই জন্য টাকা দেয়া হয়েছে। পরের স্টেপে আরও টাকা লাগবে, নাহলে নামজারি হবে না
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য টাকা চেয়েছিলেন
বলা হয়েছিল এখানে দুইশ টাকা দিন
চাকরি এমপিও করতে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক তাই ঘুষ না দিয়ে বেতন পাওয়া যাচ্ছিল না তাই ঘুষ দিতে হইল।