খতিয়ান সংশোধন
জমির খতিয়ানে নাম সংশোধন করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত হয়রানি করার পর ঘুষ নিয়ে তারপর তারা নাম সংশোধন করে যেখানে সরকারি ফি ১১-১২০০ টাকার মত। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খতিয়ানে নাম সংশোধন করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত হয়রানি করার পর ঘুষ নিয়ে তারপর তারা নাম সংশোধন করে যেখানে সরকারি ফি ১১-১২০০ টাকার মত। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে
ফ্যাক্টরি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য হোল্ডিং ট্যাক্স এর জন্য প্রতি স্কয়ার ফিট ১ টাকা হারে মোট ৫১০০০ টাকা কোন প্রকার রশিদ ছাড়া দিতে হয়েছে। ঠিকানাঃ ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ, নরসিংহপুর, আশুলিয়া। এই ৫১,০০০ টাকার সম্পুর্ন ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে।
Its City Corporation office. Demanded 70,000 Taka for a 6 floor building holding tax, otherwise he will increase & impose penalty for the entire building for delay payment of holding tax & we paid.
যে কোনো প্রকল্পের অনুমোদন পত্র, সংশোধন, প্রকল্পের অডিট অনুমোদন ছাড় করাতে কমপক্ষে ৬৫০০ টাকা হাতে দিয়ে চিঠিটা নিতে হয়। এটা সব সময়ের চর্চা।
ভুমি অফিস, নামজারি সেবা , জমির পরিমাণ একটু বেশি (১০৬ শতাংশ)ছিল তাই খরচ হবে। কুমারগাতা ভূমি অফিস। পৌরসভা ভূমি অফিস।
আমার পাসপোর্টে nid কার্ডের বয়স ছিলনা, সেটা সংশোধন করতে গেলে ১৭০০০ দাবি করে। আমার সংশোধন করার দরকার ও ছিল তাই নিরুপায় হয়ে সংশোধন করে নিলাম
গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে, এক মাসের মধ্যে মালিকানা পরিবর্তনের কথা বলে মিরপুর বিআরটিএর কর্মচারী ১০ হাজার টাকা দাবি করে, আমি ১০০০০ টাকা পরিশোধ করার পরেও আজ চার মাস হয়ে গেলো মালিকানা পরিবর্তন হয় নাই, যোগাযোগ করলে আরো অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করছে।
ই পাসপোর্ট ফর্ম জমা নিচ্ছিলনা,,বাহিরে একজন বললো ঘুষ দিলে কাজ হবে। যখন ১২০০ টাকা ঘুষ দিলাম,,ছবি তুলতে আর কোন দেরি হলো না,,সাথে কাজ করে দিল
নামজারি বাতিল সংক্রান্ত কাগজপত্র ফটোকপি জন্য । চারটি কাগজে ফটোকপি জন্য 12000 টাকা দাবি করে পরে আমি ২০০০ টাকা দিই। সে বলে আরোও 4000 টাকা দিতে হবে
আমি যে বাসায় থাকি সে বাসার একটা মিটার নষ্ট হয়ে যায। মানিক মিটার চেঞ্জ করে দেওয়ার পর।পুরাতন মিটার য়ে দিয়ে টাকাটা ছিল সেগুলো যখন রিফিল করতে চাই। তখন আমর টাকায় ঘুষ নিয়েছি। টাকা না দিয়ে মিটারের টাকা দিবে না।
সরকারী খাদ্য গুদামে ধান ও চাল সরবরাহের মূল্য বাবদ সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রদত্ত বিলের বিপরীতে ব্যাংক পুণঃভরণ পদ্ধতিতে কৃষক/মিলারগণকে তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে। এখানে ব্যাংক ১% কমিশন পায়। পরবর্তীতে ফান্ড প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক কর্তৃক পুনঃভরণ বিবরনী দাখিল করলে নিরীক্ষান্তে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস চেক ইস্যু করে। উক্ত জেলা হিসবরক্ষণ অফিস প্রতি চেক এর জন্য ১০০০ (এক হাজার মাত্র) টাকা ঘুষ নেয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৫টি চেকের জন্য ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
নামজারি আবেদন এই টাকা না দিলে প্রত্যাখ্যান করা হবে এই জন্য টাকা দেয়া হয়েছে। পরের স্টেপে আরও টাকা লাগবে, নাহলে নামজারি হবে না
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য টাকা চেয়েছিলেন
বলা হয়েছিল এখানে দুইশ টাকা দিন
চাকরি এমপিও করতে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক তাই ঘুষ না দিয়ে বেতন পাওয়া যাচ্ছিল না তাই ঘুষ দিতে হইল।
১। বাড়ীর ভুমি উন্নয়ন কর দিতে গেছিলাম কিন্তু পূর্বে পরিশোধ করা থাকা সত্ত্বেও দায়ত্বরত কর্মকর্তা ৩০০০০ এর উপরে কর নির্ধারন করেন এক পর্যায়ে তিনি বলেন ২০০০০ টাকা দিলে উনি নিজেই পরিশোধ করে দিবেন। পরবর্তীতে ১৫ হাজারে উনি রাজি হয় এবং ১ দিন পর খাজনা কপি হাতে দেয়। তবে দুঃখের ব্যপার হলো ওখানে তিনি খাজনা পরিশোধ করেছিলেন মাত্র ১৭ টাকা ২। নাম জারী করার ক্ষেত্রে দলিল RS দাগের হওয়ায় প্রতি খতিয়ানে ১৫০০০ করে নিয়েছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করার জন্য দ্রুত পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
প্রতিটা অফিসের মধ্যে অফিসের লোকজন কিছু দরবেশ বাবা রাখছেন তাদের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দরবেশ বাবা ছাড়া কাজ করতে গেলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়
ঝালকাঠি পৌরসভার বিদ্যুৎ ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে এবং আমাদের এর কাছ থেকেও বাড়ির প্লানের বিভিন্ন ত্রুটি ধরে ঘুষ নিয়ে থাকে। এবং যে বিল্ডিং এর অনুমোদন আছে তিন তালা সেটা যদি পাশের বাসায় কেউ অবজেকশন দেয় তাহলে — ওই বিল্ডিং এর মালিকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিল্ডিংয়ের কাজ করতে যায় এরকমের বহুৎ ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ভেরিফাই এর নামে ঘুস