সাব রেজিস্ট্রি অফিস ও নামজারি করতে
সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতি দলিলে বাধ্যতামূলক খরচ দিতে হয়। যার কো রশিদ নাই। এবং নামজারি করতে গেলে সরকার বলে ১১৭০ টাকা, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, সর্বনিম্ন ৬০০০ থেকে শুরু, ১০/১২ হাজার পর্যন্ত নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতি দলিলে বাধ্যতামূলক খরচ দিতে হয়। যার কো রশিদ নাই। এবং নামজারি করতে গেলে সরকার বলে ১১৭০ টাকা, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, সর্বনিম্ন ৬০০০ থেকে শুরু, ১০/১২ হাজার পর্যন্ত নেয়।
প্রথমেই বলি আপনারা শিক্ষা অফিস রাখছেন বাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাখেন নাই। কিন্তু বাংলাদেশ এ ঘুষ প্রথমে শেখা ও শেখানোই হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ আমি নোয়াখালীর সবচেয়ে সুনামধন্য কলেজ এর শিক্ষার্থী। আমার অনার্স জীবনের ৪ বছরে আপনি কাগজপত্র জমা দিবেন! চা নাস্তার খরচ। কাগজপত্র তুলবেন! চা নাস্তার খরচ। ফর্মফিলাপ, প্রাক্টিকাল, সার্টিফিকেট তোলা এসবের সময় ওপেন কেরানি চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে(৫০০৳) করে চা নাস্তার খরচ তোলে। এবার ডিপার্টমেন্ট থেকে বের হয়ে একাডেমিক ভবন এর কাজে যাবেন! ওখানের গাছের পাতাও চা নাস্তার খরচ ছাড়া নড়েনা। নয়তো লাঞ্চের পরে আসেন। এসব নিয়ে ডিপার্টমেন্ট হেড বা স্যার, ম্যামদের বিচার দিবেন! তারাই এর ভাগ বাটোয়ারা কারী। প্রিন্সিপালকে বিচার দিবেন! আপনারকি মিয়া ওই ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে বের হওয়া.
নামজারীর জন্য সর্বোচ্চ লেভেল থেকে ঘুষ খাওয়া হয় তাই কথাগুলো অকপটে তারা বলে কত টাকা লাগবে এবং কাজগুলো তারা ১৫ দিনেই করে ফেলবে।
গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন ফাইল আটকে রেখে টাকা চাওয়া।
ভূমিহীন এর জন্য আমার নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার দরকার ছিল
আমার খাজনা পরিষোধ করতে গেলে, সরকারি ১৪৩ টাকার খাজনা আমার কাছে ৪০০০ হাজার টাকা দাবি করে, অন্যথায় খাজনার চেক কাটবেনা, অবশেষে ৪০০০ হাজার টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি
৩৭০০০ টাকা না দিলে নামজারি হবে না, বাধ্য হয়ে উক্ত টাকা পরিশোধ করেছি
সরকারি প্রতিষ্ঠানে অডিট পরিচালনার সময় অনেক ক্ষেত্রে অডিটরদের দাবিকৃত ঘুষের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বিভিন্ন অডিট আপত্তি দিয়ে হয়রানি করা হয়, যা পরবর্তীতে নিষ্পত্তি করা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সৎভাবে কাজ করলেও অনেক সময় অফিসের বিভিন্ন খরচের রশিদের মাধ্যমে অর্থের ব্যবস্থা করে অডিটরদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য হন।
নামদারী আবেদন করে কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় বলতেছে দাগ নাম্বারে সমস্যা জমির পরিমাণে সমস্যা এই সমস্যা ওই সমস্যা এটা হবে না। এখন পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে । কাজ হওয়ার পর আরো দুই হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে নামজারি করা যাবে।
একরকম প্রকাশ্যে টাকা চাওয়া হয়েছিলো।
আমরা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন এর প্রশিক্ষণ প্রার্থী ছিলাম। আমাদের ট্রেইনিং ব্যাচ এ ২০ জন ছিল। আমাদের দুপুরের খাবার এর বরাদ্দ ছিলো। এটার জন্য জনপ্রতি বরাদ্দ ছিলো ৩৪০ টাকা। অথচ হালকা নাস্তা দিয়ে আমাদের বিদায় করে দেওয়া হয়। আবার নিম্ন মানের ব্যাগ সরবরাহ করা হয়।
পার্সপোর্ট বানানোর জন্য বেশ কয়েকদিন ঘোরাঘুরি করি, মায়ের নামে বানানে একটু সমস্যা। সেটা সংশোধন এর জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে তারা ২০০০০ টাকা দিলে আসংশোধন করে দেবে বলে। এরপর পার্সপোর্ট অফিসের সাম্নের এক ফটোকপির দোকানে এক দালালের সাথে পরিচয় হয়, তাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে ২৫ দিনের মধ্যে পার্সপোর্ট হাতে পেয়েছি।
মিরপুর বিআরটিএ অফিসে মোটরসাইকেলের ডিজিটাল নম্বর প্লেট সংগ্রহের জন্য আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে, নম্বর প্লেট গ্রহণের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) প্রদর্শন করা প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আমার মূল NID বাসায় রেখে আসি, যদিও আমার সঙ্গে NID-এর ফটোকপি ছিল। মূল NID ছাড়া কর্তৃপক্ষ আমাকে নম্বর প্লেট দিতে রাজি হয়নি। আমার বাসা কালিয়াকৈরে হওয়ায় পুনরায় বাসায় গিয়ে মূল NID নিয়ে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করি, অনলাইনে আমার NID যাচাই (Verification) করে নম্বর প্লেটটি দেওয়ার জন্য। তখন তারা জানান, অনলাইনে NID Verification করে নম্বর প্লেট দিতে হলে ২,০০০ টাকা খরচ হবে। আমি বিষয়টি বিবেচনা করে অনেক অনুরোধ করি এবং খরচ কিছুটা কমানোর জন্য বলি, কিন্তু ত
নামজারি করতে, তাড়শ সদর ইউনিয়ন এর — আমার কাছে টাকা নেয় 6000 হাজার। টাকা না দিলে কাজ হয় না। আমি দিয়েছি
আমার ছেলের দুটি জন্ম নিবন্ধন আছে একটি বাদ দিতে হবে এটার জন্য 2000 টাকা নিলো কয়েক দিন ঘোরাঘুরির পর একটি সার্টিফিকেট দিলো কিন্তু এই সার্টিফিকেট নিয়ে সেগুনবাগিচা পরিবহন ভবনের আট তলা অফিসে গেলে বলে হবে না। এবং ব্যবহার খুব খারাপ, এটা যে হবে না আমার আদাবর 2 র্নং রোডের ৩০ নং সিটি কর্পোরেশন অফিস জানে কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে টাকা টা নেওয়ার জন্য এই কাজ করলো।
নামজারির করার জন্য টাকা দাবী করে না হলে নামজারি হবে না, বাধ্য হয়ে টাকা দেই
Bank loan niye group loan ar shesh kistir jonno punoray mortgage power korar somoy
নামজারী + দাগ নাম্বার কারেকশন।
তফসিল অফিসে নামজারির আবেদন করি।তফসিলদার কারণ দেখিয়ে বাতিল করে দেয়।পরবর্তীতে এক কর্মচারী টাকা দিয়ে করে দিবে বলে। কিন্তু কাজ করে দেয় নাই।মোবাইল রের্কড আমার কাছে আছে।
বাবা হার্ট অ্যাটাক করলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার সরকারী হাসপাতালে। তারপর থেকে শুরু এদের প্রতিটা সেবা নিতে যেয়ে প্রতিটা মানুষের অবস্থা দেখেছি। বেড পাওয়া , স্ট্রলার ইউজ করা, রোগী কে ডক্টর এর কাছে নেয়া , টেস্ট করানো , রোগী কে রিলিজ এর দিন পর্যন্ত চলে বিভিন্ন পদে পদে এদের ফাইজলামি