নিউ পাসপোর্ট আবেদন রাজশাহী
উল্টোপাল্টা ভুল ধরে তার বলে পাসপোর্ট অফিসে তারা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের পেপার সাবমিট করবেনা, এই বলে ভেরিফিকেশন পুলিশ আমার পেজ থেকে ঘুষ খায়, আর মানসিকভাবে প্রচুর ডিপ্রেস করে দেয়, মানসিকভাবে তখন আমি খুব আঘাত পাই এবং কষ্ট পাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উল্টোপাল্টা ভুল ধরে তার বলে পাসপোর্ট অফিসে তারা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের পেপার সাবমিট করবেনা, এই বলে ভেরিফিকেশন পুলিশ আমার পেজ থেকে ঘুষ খায়, আর মানসিকভাবে প্রচুর ডিপ্রেস করে দেয়, মানসিকভাবে তখন আমি খুব আঘাত পাই এবং কষ্ট পাই
আমি প্রত্যক্ষ করেছি,ঢাকা নতুন বাজার ট্রাফিক সারজেন্ট বাসটিকে দাড় করিয়ে সুপারভাইজার থেকে টাকা দাবি করেছে, পরে সুপারভাইজার এর তথ্য মতে সে ২০০ টাকা দিয়েছে।
রাস্তা ঢালাই হলে তাকে ২০০ টাকা দিতেই হবে।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন উপরোক্ত টাকা না দিলে হবেনা। পূর্বেও টাকা না দিয়ে দেখেছি যে, ফাইলের সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্তেও লাইসেন্স পেতে অনেক বেশী সময় লাগে বা বারবার বিভিন্ন রকমের হয়রানী করা হয়। যার ফলে আমাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম বিঘ্নিতি হয় বিধায় টাকা পরিশোদ করে লাইসেন্স নিতে বাধ্য হয়েছি।
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক সুনামধন্য মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা ৮ একত্রে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমাদের মাদ্রাসা প্রধান বেশ নমনীয় ছিল।এমপিওভুক্তির পর তিনি আমাদের সকলের নিকট ১৫০০০ টাকা করে মোট ১২০০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন। তা না দিলে আমাদের চাকরি করতে দিবেন না। তার শ্বশুরমশাই এর প্রতিষ্ঠান। পরবর্তিতে তাকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংশা করা হয়েছে। প্রতি বছর তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী এবং শালা বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য আমাদের বেতন থেকে চাঁদা নেয়। এবং তা দেয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিষ্ঠানে তার বংশের অনেকেই চাকরি করছে নকল এমপিও দিয়ে।
একটি পুরনো জমির দলিল তোলার জন্য। দুইটা শাল খুঁজতে লাগবে সর্বোচ্চ সরকারি ফিস ৪০০ টাকা তারা নিয়েছে এক হাজার টাকা। শুধু সরকারি ফিস দিলে পারে তারা বলে পাওয়া যায় নাই। কিন্তু বাড়তি টাকা দিলে ঠিকই পরে সেটা খুঁজে পাওয়া যায়।
আমরা ভূমিহীন হওয়ায় বন বিভাগের জায়গাতে বসতি তৈরি করি,বন বিভাগের তারা ১০০০০ টাকায় মৌখিক সম্মতি দেয়, পরবতীতে আমি জানতে পারি এটা বৈধ নয়। ১বছর পরে বন বিভাগের লোক এসে আবার ৫০০০টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি,এবং তাদের কে বলি আপনারা যা করছেন তা আইনের বিরুদ্ধে, আমি টাকা না দেওয়ায় রেঞ্জ অফিসার বাদি হয়ে আমার জন্য বন থেকে গাছ কাটার মামলা করে মামলাটি এখনো চলমান
আমি প্রথমে ভূমি অফিসে গিয়েছি আমার পরিচিত লোকের সাথে খারিজ এর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, সে আমাকে খারিজ প্রক্রিয়া বলে দিলো এবং অফিসিয়াল প্রসেসে কাজ করলে অনেক দেরি হবে বলে তারা জানায়, কত দিন লাগবে তা সে বলতে পারবে না। যদি অতিরিক্ত কিছু টাকা প্রদান করা হয় তাহলে দ্রুত কাজ হয়ে যাবে এবং আমাকে বার বার অফিসে আসতে হবে না, তারাই আমাকে কাজ শেষ করে কল দিবে বলে জানায়। সরকারি ফি বাদ দিয়ে 8000 টাকা পরিশোধ করিলাম।
আমার জমিনে মামলা চলছে এই জন্য দাখিলা কেটে জমিন ক্রয় করতে হবে তাড়াতাড়ি এইজন্যে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে
আমার কাছে সময় কম ছিল তারাতারি পাসপোর্ট করা লাগবে পরে একজন পাসপোর্ট এর দালাল ধরি তারাতারি করার জন্য সে প্রথমে ৭০০০ টাকা চাইল সময় ১ মাস লাগবে। তারপর আমি বললাম আমার ১৫ দিনের মধ্যে লাগবে পাসপোর্ট। পরে বলল করে দেওয়া যাবে তবে কিছু টাকা লাগবে আরো বাড়তি। আমি বললাম টাকা ত নিচ্ছেন ই সে বলে উওঠল তারাতাড়ি বলে কথা। তারপর আমার ভিসা চিন্তা করে তাকে তারাতাড়ি করার জন্য আরো ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
আমার স্ত্রী দিরাই উপজেলা থেকে জামালগঞ্জ উপজেলায় অনলাইনে বদলির আবেদন করেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন যাওয়ার পর ত্রুটি দেখিয়ে বদলি আটকে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে অফিস সহকারীর মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। বদলির পর দিরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়পত্রের জন্য আরও ১২,০০০ টাকা নেন। পরে জামালগঞ্জে যোগদানের সময় আবার বাধা সৃষ্টি করে অফিস সহকারী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জন্য আরও ১৬,০০০ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে একটি অনলাইন বদলি সম্পন্ন করতে মোট ৮৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
মোবাইল কোর্টের মামলার নথির নকলের জন্য তলব করিলে উক্ত নকলের নথি আটক রাখিয়া টাকা দাবী করে।টাকা না দেওয়ার কারনে নকল আটক রাখে পরবর্তিতে আমি ১৫০০ টাকা দিলে সে নকল না দিয়ে আটক রাখে।
আমি সৌদি আরবে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য সরকারি ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর থানা থেকে একজন ফোন দিয়ে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে আমারে টাকা দিতে আপত্তি জানাই তার পর তারা বলে যে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন খারাপ রিপোর্ট দিবে, যদিও আমাদের নামে থানায় অথবা অন্য কোথাও কোন প্রকারের অভিযোগ ছিল না, তারপর নেগোসিয়েশনে করে পনেরশো টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশনটি নিয়ে আসতে হয়
উপজেলা ভুমি আফিস দুই তালায়
Regular gush, proti masey gie die asa lage na hole company te audit a fele harrasment kore,
ফ্যামিলি সার্টিফিকেট আজেন্ট দরকার ছিল তাই দিতে বাধ্য হয়েছি সালারা সব ঘুষখোর
সমস্ত্র কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল টি পাসপোর্ট অফিস থেকে বাহির করে দিছে। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে গেলে একই ডকুমেন্টস দিয়ে কাজ করে আসছি।
পোস্ট অফিস থেকে টাকা তুলতে হয়রানি । তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিভিন্ন অজুহাতে সময় খেপন করে এবং পরবর্তীতে তাদের আবদার পুরুন করে টাকা তুলতে সক্ষম হই।
২০২৩ সালে আমি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জয়েন করে এমপিও ভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করি। তখন এই আবেদন আড়াইহাজার উপজেলা থেকে নারায়নগন্জ জেলায় ফরওয়ার্ড করার জন্য আমার কাছে ৫ হজার টাকা খরচ চাওয়া হয়। আমি পরিশোধ করি।