পাসপোর্ট আবেদন
এক্সপ্রেস ফি দিয়ে পাসপোর্ট করার পরেও ৭ দিনের স্থানে ২১ দিন পার হয়ে যায়। এরপর অফিসে দেখা করলে তারা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করেনি দেখায়। শেষে পুলিশকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক্সপ্রেস ফি দিয়ে পাসপোর্ট করার পরেও ৭ দিনের স্থানে ২১ দিন পার হয়ে যায়। এরপর অফিসে দেখা করলে তারা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করেনি দেখায়। শেষে পুলিশকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়।
এটা শুধু আমি বলে কথা না, যেকোন সরকারি চাকুরিতে যোগদানকালে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০০-২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। আমি ও আমার সাথে যোগদানকৃত প্রায় ১০০ জন সকলেই গড়ে ১০০০ টাকা করে দিয়েছি। এই ঘুষের টাকাটা আবার ২ ভাগে ভাগ হয়৷ প্রথম ভাগ যায় নিজ নিজ দপ্তরের যারা এই কাজটি করে আর দ্বিতীয় ভাগ যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।
Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) is updating record of various returns of the Company without violating Companies Laws and bypassing jurisdiction of the Company Court of the High Court of the Supreme Court of Bangladesh. There is a writ petition pending in the High Court to solve this problem but in vain.
২০২৬ ভূমি জরিপের নামে প্রত্যেক বাড়ি / যায়গার মালিকের থেকে এক লক্ষ থেকে দশ হাজার নেয়া হইছে , স বাই দিতে বাধ্য তা না হলে জমীর দাগ নম্বর , পর্চায় ঝামেলা করে দেওয়ার হুমকি , জমির ব্যাপার শহরের মধ্যে , এই জন্য কেউ উচ্চবাচ্য না রে কিছুটা নেগোসিয়েশন করে টাকা দিয়ে দিয়েছে।
দ্রুত ফিঙ্গারপ্রিন্ট করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা নেওয়া
পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার শুরুতেই বিভিন্ন কাগজপত্র দেওয়ার পর তিনি টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়াতে তিনি নেন নি এবং বলে যে আবার যোগাযোগ করবে এবং বলে যে বিভিন্ন কাগজপত্র আরো লাগবে যখন টাকা দেওয়া হয় আর কোন কাগজপত্র লাগবে না বা ঠিক আছে বলে।
যে টাকা ফী তাঁর চেয়ে ৫ গুন বেশি দাবি। না দিলে লাইসেন্স লেট হবে। প্রবলেম হবে।
ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে, প্রত্যেকটা জায়গায় ঘুষ দিতে, এগুলো দেখার মতো কেউ নেই
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট এ দাদির নাম ভূল থাকায় দলিললেখক অফিসারকে ম্যানেজ করতে ৫০০০ টাকা বাড়তি আদায় করে। কিন্তু পরিশোধ করেনাই। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে অফিস সয়ায়কের কাছে টাকা জমা দেয়। আমরা এরপর চলে আসি।
ন্যাশনাল আইডি এড্রেস চেঞ্জ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের ফরম নাম্বার ১৩ এর সনাক্ত করে স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ সাবমিট করলে অফিস থেকে বলা হয় আসা যাওয়ার কিছু খরচ আছে সেগুলো পরিশোধ করতে হবে।
টাকা পরিশোধ না করলে কাজটা হচ্ছে না।
অবশ্যই। আপনার বক্তব্যটি আরও পরিষ্কার, ভদ্র ও প্রাঞ্জলভাবে এভাবে লেখা যেতে পারে: কর অফিসে TIN সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে টাকা দাবির বিষয়ে অভিযোগ আমার মামা সম্প্রতি কর অফিসে গিয়ে তাঁর TIN (Taxpayer Identification Number) সার্টিফিকেট-সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ রেলওয়ে তাঁদের জমি অধিগ্রহণ করায় অধিগ্রহণের টাকা তাঁদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এ কারণে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাঁদের TIN সার্টিফিকেট জমা দিতে বলেছে। এই প্রয়োজনের কারণে তিনি কর অফিসে গিয়ে TIN সার্টিফিকেট-সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী সরাসরি ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা দাবি করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জানান যে, ৫০০/- টাকা প্রদান করলেই তথ্য দেওয়া হবে; অন্যথায় তথ্য দেওয়া হবে অন্যথায় চলে যান।
জাতীয়তা সনদপত্র অনলাইনে পেমেন্ট করে আবেদনপত্র নিয়ে অফিসে গেলে ৩ জনের জাতীয়তা সনদপত্র এর জন্য ৩০০ টাকা দাবী করে।প্রত্যেকের কাছ থেকে যে কন ধরনের সনদপত্রের জন্য ১০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকাও নেয়া হয়।
যেহেতু বিষয়টি অফিশিয়াল তাই এটি কখনো জনসম্মুখে আসে না।প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী এটি পরিশোধ করে। প্রত্যেকটি এজি অফিসে বেতন, জিপিএফ, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, বদলি পরবর্তী বেতন চালু, সহ সকল কাজের জন্য ঘুষ নেওয়া হয় নয়তো এ কাজগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয় মাসের পর মাস। যেগুলো রিপোর্টেরও কোন সুযোগ নেই, রিপোর্ট করলে প্রতিষ্ঠানসহ কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন বন্ধ।
স্ক্রেপ ভেসেল আমদানিতে কাস্টমস্ এর আর.ও. যায় ফুয়েল, ডিসেল সব পরিমাপ করার জন্য। আমাদের নিয়ে যায় মেরিন সার্ভেয়ার হিসাবে। দেখেছি, এজেন্ট আর কাস্টমস্ এর আর.ও মিলে তেলের (ফুয়েল) পরিমান কমিয়ে দেয়। অনেক সার্ভেয়ার ও এর সাথে জড়িত থাকেন। দেখেছি,এই কাজ করতে গিয়ে কাস্টমস্ এর আর.ও. ১০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয় আর সরকার হারায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। আমি ৪/৫ বার গিয়ে এখন আর যাই না। কারন সাক্ষরটা আমাকেই দিতে হয় এবং বাধ্য করা হয় এজেন্ট সহ। আমাদের (সার্ভেয়ার) সরকার একটু নিরাপত্তা দিলেই এসব সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি রইলো।
এলজিইডি অফিসে এনারা ঘুষ কে বৈধ করে নিয়েছেন একপ্রকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যেমেই। ঘুষ না দিলে আপনি ১০০% কাজ করলেও কাজে ভুল হয়ে যাবে, এই বাহানা ওই বাহানা তারপর বিল আর হবে না। তখন বিলের কাগজ নিতে হলে প্রথম উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে মোট কাজের হবে ০.৫% এরপর জেলা অফিস Xen 0.5% পিডি ০.৫% একাউন্টস ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার মিলে ০.৫%। একটা কাজ টেন্ডারে পাওয়ার পর ০.৫ করে ৩ জায়গায় দিতে হয়। এনারা একাটে বলে সিএস। এরকম করে দিলে কিভাবে কাজ ১০০% হবে? কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজীবপুর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার দ্রুত না সরালে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৩.৫ বছর যাবত একই উপজেলায় তিনি আছেন।
পাসপোর্ট তৈরির সময় যেহেতু ঢাকাতে থাকতাম তাই স্থায়ী ঠিকানা এবং অস্থায়ী ঠিকানা দুই জায়গা থেকে পুলিশ করতে হয়। মিরপুর পল্লবী থানা থেকে ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০ টাকা এবং টংগীবাড়ী থানা থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । আমি যখন বলি আমার কাছে টাকা নেই। তারা জানায় বিকাশ করে দিলে তারা ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিবে নয়তো ক্লিয়ারেন্স দিবে না । অবশেষে আমি তা বিকাশ করে দিতে বাধ্য হই।
আমার সার্টিফিকেটে নামের বানান ভুল থাকার কারণে আমি প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে ঠিক করতে গেলে আমাকে নানান ভাবে হয়রানি করা হয় এবং পিয়ন আমার কাজ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে । পরবতীতে তা ২০০০ টাকা এবং একটি বেনসন সিগারটের দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করাতে সক্ষম হই
আমি আমার জমির কাজ না দিতে গিয়েছিলাম তো প্রথমে বলল পঞ্চাশ হাজার টাকা কাজ না পুরা খতিয়ানের কাজ না আমাকে দিতে হবে কিন্তু আমি বললাম আমরা তিন ভাই সেখানে তো অংশীদার আছে আমার তো সব জমি না আমি কেন পুরো জমির দিব তো বলল সরকারি সিস্টেম তাছাড়া অনেক জমি এই দাগের আমার বাবা বিক্রি করে দিয়েছে। তারা বললো সেটা আপনার ব্যাপার আপনাকে পুরো খতিয়ানের টাকায় দিতে হবে। পরে বলল যে ২৫ হাজার টাকা দিয়েন আমি করে দিব তো অনেক জোরাজুরি করে 20000 টাকায় মানাইলাম পরের দিন বিশ হাজার টাকা দেওয়ার পরে বলতেছে না ২৫ এর কম হইলে হবে না পরে তাকে ২৫ হাজারই দেওয়া লাগলো। পরে আমাকে রশিদ দিয়েছে মাত্র ১ হাজার টাকার আমি জিজ্ঞেস করলাম আমি ২৫ হাজার দিলাম আপনি ১০০০ দিলেন কেন পরে বলে তা না হলে আপনাকে এক লাখ দিতে হবে।
অগ্রনী ব্যাংকে ফাইল প্রসেসিং এর জন্য হেড অফিস বা ব্রাঞ্চে প্রতি টেবিলে টাকা দেয়া লাগে। নাইল ফাইলের কাজ করে না। প্রচুর টাকা নেয় ফাইল পাশ করানোর জন্য। বাথরুমের বদনা পর্যন্ত টাকা চায়। পুরা অফিস ভর্তি বাজে এবং টাকাখোর লোক দিয়ে ভরা। একজ৷ শুধু দেখছি টাকা খায় না। এই অফিসে যে ক্লায়েন্ট আসবে তার জীবনের আয়ু অর্ধেক কমে যাবে। প্রতিটা লোক আবার নামাজ পড়ে।