সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪৪৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Record of returns in the RJSC of various Companies

Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC) is updating record of various returns of the Company without violating Companies Laws and bypassing jurisdiction of the Company Court of the High Court of the Supreme Court of Bangladesh. There is a writ petition pending in the High Court to solve this problem but in vain.

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬ DKS5K5YN
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভুমি জরিপ

২০২৬ ভূমি জরিপের নামে প্রত্যেক বাড়ি / যায়গার মালিকের থেকে এক লক্ষ থেকে দশ হাজার নেয়া হইছে , স বাই দিতে বাধ্য তা না হলে জমীর দাগ নম্বর , পর্চায় ঝামেলা করে দেওয়ার হুমকি , জমির ব্যাপার শহরের মধ্যে , এই জন্য কেউ উচ্চবাচ্য না রে কিছুটা নেগোসিয়েশন করে টাকা দিয়ে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
গোপালগঞ্জ ৳৫০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ DKANCHAX
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Job police verification

পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার শুরুতেই বিভিন্ন কাগজপত্র দেওয়ার পর তিনি টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়াতে তিনি নেন নি এবং বলে যে আবার যোগাযোগ করবে এবং বলে যে বিভিন্ন কাগজপত্র আরো লাগবে যখন টাকা দেওয়া হয় আর কোন কাগজপত্র লাগবে না বা ঠিক আছে বলে।

ঘুষ দিয়েছি
Rangpur ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ RNUZU5LV
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

সাফ কবলা দলিল রেজিষ্ট্রেশন

ওয়ারিশ সার্টিফিকেট এ দাদির নাম ভূল থাকায় দলিললেখক অফিসারকে ম্যানেজ করতে ৫০০০ টাকা বাড়তি আদায় করে। কিন্তু পরিশোধ করেনাই। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে অফিস সয়ায়কের কাছে টাকা জমা দেয়। আমরা এরপর চলে আসি।

ঘুষ দিয়েছি
মির্জাগঞ্জ উপজেলা ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ BR33VM44
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

সনাক্তকারির স্বাক্ষর নেয়ার জন্য। Form 13 of NID

ন্যাশনাল আইডি এড্রেস চেঞ্জ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের ফরম নাম্বার ১৩ এর সনাক্ত করে স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ সাবমিট করলে অফিস থেকে বলা হয় আসা যাওয়ার কিছু খরচ আছে সেগুলো পরিশোধ করতে হবে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৪০০
২৬ আগস্ট ২০২৬ DKK2MHBV
মন্তব্য
কর অফিস

টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ

অবশ্যই। আপনার বক্তব্যটি আরও পরিষ্কার, ভদ্র ও প্রাঞ্জলভাবে এভাবে লেখা যেতে পারে: কর অফিসে TIN সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে টাকা দাবির বিষয়ে অভিযোগ আমার মামা সম্প্রতি কর অফিসে গিয়ে তাঁর TIN (Taxpayer Identification Number) সার্টিফিকেট-সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ রেলওয়ে তাঁদের জমি অধিগ্রহণ করায় অধিগ্রহণের টাকা তাঁদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এ কারণে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাঁদের TIN সার্টিফিকেট জমা দিতে বলেছে। এই প্রয়োজনের কারণে তিনি কর অফিসে গিয়ে TIN সার্টিফিকেট-সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী সরাসরি ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা দাবি করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জানান যে, ৫০০/- টাকা প্রদান করলেই তথ্য দেওয়া হবে; অন্যথায় তথ্য দেওয়া হবে অন্যথায় চলে যান।

ঘুষ দিয়েছি
কর অফিস, বগুড়া সদর ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ RJVN6X7C
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জাতীয়তা সনদপত্র

জাতীয়তা সনদপত্র অনলাইনে পেমেন্ট করে আবেদনপত্র নিয়ে অফিসে গেলে ৩ জনের জাতীয়তা সনদপত্র এর জন্য ৩০০ টাকা দাবী করে।প্রত্যেকের কাছ থেকে যে কন ধরনের সনদপত্রের জন্য ১০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকাও নেয়া হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৩০০
২৬ আগস্ট ২০২৬ CTFLPWL8
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

বেতন, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, জিপিএফ

যেহেতু বিষয়টি অফিশিয়াল তাই এটি কখনো জনসম্মুখে আসে না।প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী এটি পরিশোধ করে। প্রত্যেকটি এজি অফিসে বেতন, জিপিএফ, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, বদলি পরবর্তী বেতন চালু, সহ সকল কাজের জন্য ঘুষ নেওয়া হয় নয়তো এ কাজগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয় মাসের পর মাস। যেগুলো রিপোর্টেরও কোন সুযোগ নেই, রিপোর্ট করলে প্রতিষ্ঠানসহ কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন বন্ধ।

ঘুষ দিয়েছি
বাংলাদেশের সকল অ্যাকাউন্টস জেনারেল অফিস। ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ RNZS2MDW
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

স্ক্রেপ ভেসেল আমদানি

স্ক্রেপ ভেসেল আমদানিতে কাস্টমস্ এর আর.ও. যায় ফুয়েল, ডিসেল সব পরিমাপ করার জন্য। আমাদের নিয়ে যায় মেরিন সার্ভেয়ার হিসাবে। দেখেছি, এজেন্ট আর কাস্টমস্ এর আর.ও মিলে তেলের (ফুয়েল) পরিমান কমিয়ে দেয়‌। অনেক সার্ভেয়ার ও এর সাথে জড়িত থাকেন। দেখেছি,এই কাজ করতে গিয়ে কাস্টমস্ এর আর.ও. ১০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয় আর সরকার হারায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। আমি ৪/৫ বার গিয়ে এখন‌ আর যাই না। কারন সাক্ষরটা আমাকেই দিতে হয় এবং বাধ্য করা হয় এজেন্ট সহ। আমাদের (সার্ভেয়ার) সরকার একটু নিরাপত্তা দিলেই এসব সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি রইলো।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১৫.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬ CT2UVXZ9
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

এলজিইডি অফিস

এলজিইডি অফিসে এনারা ঘুষ কে বৈধ করে নিয়েছেন একপ্রকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যেমেই। ঘুষ না দিলে আপনি ১০০% কাজ করলেও কাজে ভুল হয়ে যাবে, এই বাহানা ওই বাহানা তারপর বিল আর হবে না। তখন বিলের কাগজ নিতে হলে প্রথম উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে মোট কাজের হবে ০.৫% এরপর জেলা অফিস Xen 0.5% পিডি ০.৫% একাউন্টস ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার মিলে ০.৫%। একটা কাজ টেন্ডারে পাওয়ার পর ০.৫ করে ৩ জায়গায় দিতে হয়। এনারা একাটে বলে সিএস। এরকম করে দিলে কিভাবে কাজ ১০০% হবে? কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজীবপুর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার দ্রুত না সরালে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৩.৫ বছর যাবত একই উপজেলায় তিনি আছেন।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা অফিস আগারগাঁও, সকল জেলা অফিস ও সকল উপজেলা অফিস। ৳৬.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬ RNWY29QZ
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পুলিশ ভেরিফিকেশন

পাসপোর্ট তৈরির সময় যেহেতু ঢাকাতে থাকতাম তাই স্থায়ী ঠিকানা এবং অস্থায়ী ঠিকানা দুই জায়গা থেকে পুলিশ করতে হয়। মিরপুর পল্লবী থানা থেকে ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০ টাকা এবং টংগীবাড়ী থানা থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । আমি যখন বলি আমার কাছে টাকা নেই। তারা জানায় বিকাশ করে দিলে তারা ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিবে নয়তো ক্লিয়ারেন্স দিবে না । অবশেষে আমি তা বিকাশ করে দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা এবং মুন্সিগন্জ ৳২.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ DKNK8EYU
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সার্টিফিকেটে নাম পরিবর্তন

আমার সার্টিফিকেটে নামের বানান ভুল থাকার কারণে আমি প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে ঠিক করতে গেলে আমাকে নানান ভাবে হয়রানি করা হয় এবং পিয়ন আমার কাজ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে । পরবতীতে তা ২০০০ টাকা এবং একটি বেনসন সিগারটের দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করাতে সক্ষম হই

ঘুষ দিয়েছি
Chittagong ৳৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ CTR3C2DJ
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভূমির কাজনা

আমি আমার জমির কাজ না দিতে গিয়েছিলাম তো প্রথমে বলল পঞ্চাশ হাজার টাকা কাজ না পুরা খতিয়ানের কাজ না আমাকে দিতে হবে কিন্তু আমি বললাম আমরা তিন ভাই সেখানে তো অংশীদার আছে আমার তো সব জমি না আমি কেন পুরো জমির দিব তো বলল সরকারি সিস্টেম তাছাড়া অনেক জমি এই দাগের আমার বাবা বিক্রি করে দিয়েছে। তারা বললো সেটা আপনার ব্যাপার আপনাকে পুরো খতিয়ানের টাকায় দিতে হবে। পরে বলল যে ২৫ হাজার টাকা দিয়েন আমি করে দিব তো অনেক জোরাজুরি করে 20000 টাকায় মানাইলাম পরের দিন বিশ হাজার টাকা দেওয়ার পরে বলতেছে না ২৫ এর কম হইলে হবে না পরে তাকে ২৫ হাজারই দেওয়া লাগলো। পরে আমাকে রশিদ দিয়েছে মাত্র ১ হাজার টাকার আমি জিজ্ঞেস করলাম আমি ২৫ হাজার দিলাম আপনি ১০০০ দিলেন কেন পরে বলে তা না হলে আপনাকে এক লাখ দিতে হবে।

ঘুষ দিয়েছি
নান্দাইল ৳২৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ MYEGD443
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

লোন ফাইল প্রসেসিং

অগ্রনী ব্যাংকে ফাইল প্রসেসিং এর জন্য হেড অফিস বা ব্রাঞ্চে প্রতি টেবিলে টাকা দেয়া লাগে। নাইল ফাইলের কাজ করে না। প্রচুর টাকা নেয় ফাইল পাশ করানোর জন্য। বাথরুমের বদনা পর্যন্ত টাকা চায়। পুরা অফিস ভর্তি বাজে এবং টাকাখোর লোক দিয়ে ভরা। একজ৷ শুধু দেখছি টাকা খায় না। এই অফিসে যে ক্লায়েন্ট আসবে তার জীবনের আয়ু অর্ধেক কমে যাবে। প্রতিটা লোক আবার নামাজ পড়ে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১০ DKNM437U
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পুলিশ ভেরিফিকেশন

পাসপোর্ট করতে দিলাম, সব কাজ নিজে করলাম, সারাদিন লাইন দাঁড়িয়ে বিকাল ৩ টায় ফাইল জমা দিলাম। পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য একদিন ফোন দিল। বলল যে তার কাছে আসতে হবে। ভেরিফিকেশন পুলিশের অফিস আমার ঠিকানা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে । গেলাম, যাওয়ার পর একটা হোটেলে নিয়ে বসালো। সে নাস্তা করল । এরমধ্যে সে কাগজ দেখল। জানালো তার ছেলের টিউশন মাস্টারের পেছনে কেমন খরচ হয়, আরেক ছেলেরে কানাডা পাঠাইছে সেইজন্য কত খরচ হইল। যা বুঝলাম প্রতি মাসে লাখ টাকা ছেলের পেছনেই ঢালেন উনি। আমার কাজ শেষে উঠতে চাইলে বলেন যে, উনাদের রেট আছে ভেরিফিকেশন করার জন্য ,না হলে নেগেটিভ রিপোর্ট যাবে। সাথে বলেও দিলেন ,এক হাজার প্রতি ভেরিফিকেশন। আমি বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ SYUQWL97
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Rajuk flat / plot application and registration

RAJUK - রাজধানী উন্নয়ন অফিসে কোনো কাজের জন্য গেলে প্রতিটি ধাপে ঘুষ বা বাড়তি টাকা দিতে হয়। ফ্ল্যাট বা প্লটের আবেদনের ফরম কেনা থেকে শুরু করে কাজের শেষ পর্যায় পর্যন্ত সব জায়গায় টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বা না দিলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় এবং কাজ আটকে রাখা হয়। হয়রানি থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। একদিন ক্ষুব্ধ হয়ে টাকা দেওয়া বন্ধ করে প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও কোনো লাভ হয়নি; বরং সেই কাজটি আজ পর্যন্ত আটকে আছে এবং সম্পন্ন হয়নি। সংক্ষেপে, এটি সরকারি অফিসে দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং প্রতিবাদ করেও প্রতিকার না পাওয়ার এক বাস্তব চিত্র।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ DKYVJDE5
মন্তব্য