বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স
বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স এর জন্য ৫০০০/- দাবি করেছিল। আমি পরিশোধ করে লাইসেন্স নেই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স এর জন্য ৫০০০/- দাবি করেছিল। আমি পরিশোধ করে লাইসেন্স নেই।
ফাইল অডিটে পড়ার পর আমি একজন উকিল ধরি। উক্ত টাকা শুধু অফিস খায় নাই আমার মনে হয় উকিল জড়িত ছিল। কারণ এত টাকা লাগার কথা না। হাউজ রেন্ট ছিল ইনকাম সোর্স। এরপর রিসেন্টলি ওই অফিস আরো দুইটি ফাইল থেকে ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছে। ভয় দেখিয়েছে অডিটে পড়লে আরো বেশি খরচ হবে। এই সবগুলোই উকিলের মাধ্যমে। আয়কর উকিল গুলোকে বিশ্বাস করা যায় না। মনে হয় সবগুলো অফিসের সাথে উকিলদের সম্পর্ক থাকে।
They have made a total ecosystem for taking ghush. There are package system stating From 12000tk. Which is asked by dalal and distributed ove the network.
জমি রেজিস্ট্রার করার জন্য সারাদিন চলে গেলো। দিন শেষে তখন বাজে বিকেল ৩:০০/৪:০০ এর মতন। সাভার সাব রেজিস্ট্রার স্যার চলে যাবেন বলে তাড়াহুড়ো শুরু হলো। সাব রেজিস্ট্রার এর সামনে দাড়ানোর পর জানা গেলো যে ভুমি কর পরিশোধিত না। (যাক এইটা বেখেয়ালে হয়ে গিয়েছিলো হয়তো) তো যিনি মহরি ছিলেন তিনি সঙ্গে সঙ্গে সুযোগ বুঝে মাত্র ৫২ টাকা এর করের জন্য ৩০০০০৳ দাবি করে বসলো। সেই মুহরি বার বার বলতে লাগলো আগামীকাল পর্যন্ত গেলে পারবেন না। আর আমরাও অনেক দূর (মিরপুর) থেকে গিয়েছিলাম। তো তার ভাষ্যনুযায়ী কোন ভাবেই কাজ এগুনো যাচ্ছিলো না। পরে বাধ্য হয়ে তার সাথে বার্গেনিং করে ৩০ কে ২০ এ নামানো হলো এবং কোন এক দোকান থেকে একটা নাম্বারে ঐ ২০০০০৳ পাঠিয়ে দেয়া হলো। এই হলো জোর-যার মুল্লুক তার - এর ব্যবহার।
রাজউক হতে প্ল্যান পাশ করানোর জন্য তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মোট ২ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। আর বাড়ি নির্মাণে কিছু ডেভিয়েশন হওয়ায় ২.৫ লক্ষ টা দেয়া হয়। পূর্বাচলে প্লটের ফাইল প্রসেস করতে ১.৫ লক্ষ টাকা রাজউক অফিসে ঘুষ।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এক জনের হাতে টাকাটা দিতে হয়েছিল, সে ভয় পেয়েছিল আমি কি অন্য কোন রিপোর্টার বা Auditor কিনা। তারপর আড়ালে নিয়ে গিয়ে নিয়েছিল। এখানে উনার ভাগ কতটুকু বলা মুস্কিল।
গ্রামের ক্ষুদ্রজমি উত্তরাধিকারের খতিয়ান তৈরী করার সময় অর্থ দাবী করেন
২০২৩ সালে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য অনলাইনে আবেদন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করি। আমার সব তথ্য আগের পাসপোর্টের সঙ্গে একই ছিল। তবে কর্মকর্তা জানান, অনলাইন সিস্টেমে আমার এলাকার পোস্টাল কোডের সঙ্গে ভোটার আইডির পোস্টাল কোড মিলছে না ( ওদের ( পাসপোর্ট অফিসের) সার্ভার আপডেট ছিল না) এবং এর জন্য আমার এলাকার চেয়ারম্যানের অনুমতি লাগবে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার পর আমি চলে আসছিলাম। তখন একজন আনসার সদস্য সমস্যাটি শুনে প্রথমে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি ছাত্র হওয়ায় ১,০০০ টাকায় রাজি হন এবং ক্যামেরার বাইরে টাকা নেন। এরপর তার পরিচিত কম্পিউটার দোকান থেকে একটি দরখাস্ত করিয়ে আনতে বলেন। দরখাস্ত ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর কর্মকর্তা আর কোনো আপত্তি না করে আবেদন অনুমোদন করেন এবং শেষ পর্যন্ত আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
রাজউক থেকে কেনা ফ্লাট (বৈদেশিক মুদ্রায়) রেজিষ্ট্রেশান করার সময় অর্থ দাবি করেন
৬ তলা ভবনের ১০ টি ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ডেসকো কে ১৫০০০০ টাকা দুই ধাপে ঘুষ দিতে হয়েছে।
তিতাসের গ্যাস সংযোগে ঠিকাদারের মাধ্যমে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
আমার ৬ শতাংশ জায়গা আমি খাজনা দেওয়ার জন্য গিয়েছি দুই বছরের আমার হিসাবে হয়তো ২৪ থেকে ৩০ টাকা হতে পারে আমার থেকে ২০০ টাকা দাবি করে আমি ভূমি অফিসে অফিসার আমি বলেছি আমার দুই বছরে আর কত টাকায় আসে না হয় ৩০ টাকা আসে বা ৪০ টাকা আমি কেন ২০০ টাকা দিব উনি আমাকে বলতেছে ২০০ টাকা দিলে আপনার দাখিলা বা খাজনা কেটে দেব না হলে চলে যান পরে আমি ২০০ টাকা দিয়ে কেটে নিই তবে এটা প্রথমবার না এভাবে যতবার গিয়েছি তত বারে আমার কাছ থেকে টাকা বেশি দাবি করেছে এবং নিয়েছে আজকে প্রায় ১০-১২ বছর পর যাবৎ এভাবে চলতেছে
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরিক্ষায় জন্য ২০১৯ সালে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিলো এবং উক্ত নিয়োগ পরিক্ষায় তাকে প্রথম বানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এখন সে চাকরি করতেছে।
নতুন লাইসেন্স করা প্রসঙ্গে
Just renewal , without money, need to go everyday but no one to complete the document
নরমাল ভাবে পাসপোর্ট করা খুবই কঠিন, তবে ২০০০ টাকা দিলেই সাথে সাথে কাজ হয়।
প্রশিক্ষনের বিল বাবদ অফিস থেকে ৪৫০০০০ টাকার বিল অধিদপ্তরের অফিস থেকে এজি অফিস স্ট্যাফের মাধ্যমে যায়।বিল দেবার জন্য নূন্যতম ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরিচিত দেখে কম রাখার দাবি করে। পরিশোধ করা মাত্র বিল পাশ হয়।
পৈত্রিক সম্পত্তি নাম জারি করতে গেলে তখন তারা এই টাকাটি দাবি করে
টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়া হয়।
জমির নকল তুলতে খরচ হবে 16০০ টাকা পরে টাকা চায় ২২০০ টাকা ২০১৫ সালে নকল