মিউটেশন ইত্যাদি
পূর্বাচলে জমির নাম হস্তান্তরে রুপগঞ্জ ভূমি অফিসে ধাপে ধাপে ৫০ হাজার টাকার ও বেশি ঘুষ প্রদান।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পূর্বাচলে জমির নাম হস্তান্তরে রুপগঞ্জ ভূমি অফিসে ধাপে ধাপে ৫০ হাজার টাকার ও বেশি ঘুষ প্রদান।
ভূমি অফিস এ নামজারি করতে 15000 টাকা নিয়েছে না হলে অনোমোদন দেয় না তারা বলে তাদের নাকি উপরমহল পর্যন্ত দিতে হয়
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ঢাকাতে পাঠাতে হয়। এই উপজেলা থেকেই ফাইলটা ঢাকা পাঠাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রত্যেক শিক্ষককে প্রায় 5000+ টাকা করে দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ফাইলটা উপজেলা থেকে ঢাকাতে সাবমিট করবে। এই টাকা তারা সরাসরি নেন না, প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে নিয়ে থাকেন। আমি নিজেই এটার ভুক্তভোগী। মনে করেছিলাম ঘুষ ছাড়া চাকরি করব, কিন্তু এখানে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। শুধু এমপিও ফাইল নয়, আরো যত ফাইল আছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়।
তিতাস গ্যাসের গুলশান অফিসে টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। আমার গ্যাস সংযোগের মালিকানা পরিবর্তন করতে গিয়ে সেখানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হতে উপমহাব্যবস্থাপক পর্যন্ত সবাইকে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়েছে।
কক্সবাজার থেকে ঢাকা, পযন্ত গাড়ি চলাচল করলে যে কেন পরিবহন কোম্পানি থেকে পুলিশ কে ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ দিয়ে অবৈধ গাড়ে বৈধ করে। বৈধ গাড়িতে করে দিতে হয়। প্রতিমাসে পুলিশ যোগাযোগ করে টাকা নে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রতিবছর রিনিউ করতে হয়। এই লাইসেন্স এর সব কাগজ ঠিক থাকলেও ঢাকা মহানগর অফিসে লাইসেন্স প্রতি ৩০,০০০টাকা দিলে লাইসেন্স সম্পন্ন হয়। আর টাকা না দিলে তারা বলে আপনার প্রতিষ্ঠানে ত্রুটি আছে। আমি বলেছি স্যার ২৪ এর পর আমরা লস করে আসতেছি, তিনি বললেন আমার স্যাররা এসব শুনবেনা, আপনি টাকা না দিলে হবে না। শেষ পর্যন্ত বহু কষ্ট করে এই টাকা যোগাড় করে দেয়ার পরের দিনই ডেকে লাইসেন্স দেয়। তারা টাকা না দিলে অফিসে মোবাইল কোটের ভয় দেখায়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে পরীক্ষা নেন সাজেশন করেন কোন লোকই টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না।
আমি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের একজন টাকা ছাড়া কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায় পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। সে প্রায় সব শিক্ষকের কাছ থেকেই ঘুষ নিয়েছে। ঘটনা ২০২৩ ও ২০২৪ সালের
আমি আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন বাংলা বানান সংশোধন অনলাইনে কারেকশন করে, সরাসরি জমা দেওয়ার সময় ডেস্কে বসে থাকা ব্যাক্তি আমার কাছে ডিমান্ড করেন। আমি না দিতে চাইলে উনি বলেন এসব ডিসি অফিস থেকে আপনাকে পারমিশন নিয়ে আসতে হবে তারপর আমরা জমা নিবো এর পর চেক করে আমরা দেখবো দেওয়া যায় কিনা। আপনাকে কিছু করতে হবে না যদি ১৫০০/- টাকা দিন। আমি লিফটে নামতে নামতে দেখি আমার এপ্লিকেশন এপ্রুভ হয়ে গিয়েছে ।
আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আম্মা পেনশনে যাবে তখন আব্বার এনআইডি কার্ডে — কিন্তু আমার আম্মার এনআইডি কার্জে স্বামীর নাম আসছে — এই — থেকে —ে আসতে 25000টাকা লাগছে 2 মাস ঘুরাইছে সবচেয়ে বাটপার হচ্ছে চাঁদপুর এনআইডি কার্ডের বড় অফিসারা তাদের সাথে দেখা করার জন্য 3/4 ঘন্টা ওয়েট করা লাগে হঠাৎ বলবে এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন ঠিক করে নিয়ে গেলে ওটা দেখে না আবার নতুন করে ভুল ধরে হালারা ফালতু max pro একটা কথার বেশি কথা বলা যায় না। শুধু আজ আসেন কাল আসেন সার নাস্তা করে সার টয়লেটে সার সার লাঞ্চে পরে ভাবলাম এভাবে হবে না ধরলাম দাদাল 2 ঘন্টার মধ্যে কাজ শেষ। এই বাটপারির শেষ কোথায়। অফিসারের মানুষকে মানুষ মনে করে না। তাদের সময়ের দাম আছে সাধারণ মানুষের কোন দাম নাই। আল্লাহ তাদের বিচার করবে
ট্রেড লাইসেন্স করতে সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ফরম নিতে হয়। ফরমটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। এটা বিনামূল্যে দেয়া উচিত। তারা সিল দিয়ে ফরমের ওপর একশত টাকা লিখে দিয়েছে, অথচ চাচ্ছে ১৫০ টাকা। ১৫০ টাকা না দিলে ফরম দিচ্ছে না। শুধু তাই নয়, প্রতিটি নতুন গ্রাহককে নীচতলা থেকে তিনতলা এ বিল্ডিং থেকে ও-বিল্ডি এ টেবিল থেকে ও টেবিল ঘুরাচ্ছে কয়েকবার করে। যে কাজ এক দিনেই সম্ভব সে কাজ করতে ১০/ ১৫ দুন লাগিয়ে দিচ্ছে। কর্মকর্তাদের সাথে কথাই বলা যায় না। ভাব দেখে মনে হয় তারা মনিব আর সেবা গ্রহীতারা তার চাকরবাকর। টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘন্রাী পর ঘন্টা। ৩ ঘন্টা দাঁড়িয়ে রেখে বলছে- আগামীকাল আসেন। এর ফাঁকে আবার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনুরোধের কাজ করে দিচ্ছে আনন্দের সাথে।
জন্ম নিবন্ধন সনদ এর জন্য আবেদন করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে গেলে তারা বিভিন্ন নামে এই টাকা গুলো নেওয়া হয় প্রত্যেক মানুষের কাছে থেকে নিয়ে থাকে।
২০২২ সালে ডেমরা এলাকার অনেক বাড়ি ট্যাক্সের জন্য জরিপ হয়,যে হিন্দু কর্ম কর্তা এই দায়িত্ব নিয়োজিত ছিলেন তিনি প্রতি বাড়িতে এসে বাড়ির ধরন অনুজায়ী ট্যাক্স আরোপিত করার কথা থাকলেও প্রত্যেক বাড়ির মালিক দের থেকে মাসোআরার বিনিময়ে ট্যাক্স কম বেশি করে দেন,ডিমান্ড ছিলো-বাড়ি প্রতি ২০০০-১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ।এতে করে উঁচু বাড়ির মালিক রাও নাম মাত্র ট্যাক্স এর আওতায় চলে আসে ।আর যেই মালিক র ওনার সাথে সেটেল করে নাই তাদের প্রত্যেকের নামে অতিরিক্ত ট্যাক্স ধার্য করা হয় ।আমার ২.৫ কাঠার উপর টিন শেড বাড়ির ট্যাক্স ধরা হয় ৬ তলা ভবনের চেয়ে ৩০০/ বেশি ।পরবর্তীতে ওই কর্মকর্তা পালানোর পরও অনেক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮০০০ টাকায় ট্যাক্স কমানো হয় যাহা এখনও আমার আসে পাশের ৫/৬ তলা বাড়ির সমান ।নাগরিক সুবিধা ০০০
আঞ্চলিক হিসাব দপ্তর, ওয়েস্ট জন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রতিষ্ঠান এর বরিশালের প্রধান ম্যানেজার — টাকা ছাড়া কোন কোন ঠিকাদারের ফাইল ছারেনা।বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিএ টিএ বিল ছুটি বিক্রি ও অফিসের বিভিন্ন নোটের জন্য তিনি টাকা আদায় করুন। সহায়তা করে হিসাবরক্ষক —, ও —। এই — অত্যাচার পুরা বরিশালের বিদ্যুৎ অফিস অতিষ্ঠ। তাদেরকে টাকা না দিলে ১৮ টি অফিসের সফল কাজ বন্ধ করে দেয়। মানুষের বেতন বেতাও বন্ধ করবে জানায়।
আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেয়ার সময় ইচ্ছাকৃত কাজ পত্রে ভুল আছে বলে ৪০০০ টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিবে না বলে। আমার জরুরি এম্বাসি ফেস করার জন্য লাগবে। এটা বুঝতে পেরেই এমনটা করেছিল। তারপর টাকা দিয়ে আমাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়।
প্রায় ৭ বছর আগে সরকারি চাকরির ভাইভা দেয়ার কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের কল আসে। চাহিত কাগজপত্র নিয়ে তার সাথে দেখা করলাম। তিনি উল্টাপাল্টা কিছু প্রশ্নও করেছিলেন। যাহোক এক পর্যায়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট তৈরির কথা বলে খরচ দাবি করে। প্রথমে আমি ৫০০টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু সে মানেনি। পরে আরও ৫০০টাকা দেই। মূলত চাকরির ভেরিফিকেশনগুলোতে প্রার্থীরা ভয়ে থাকে যদি নেগেটিভ রিপোর্ট দেয়! তাই নিরুপায় হয়ে বেশীরভাগ টাকা/ঘুষ দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ২য় বার ভেরিফিকেশনের ডাক আসে। সেখানে আমার বাবা গিয়েছিলেন দেখা করার জন্য তার কাছেও আনুমানিক ১৫০০ টাকা দাবি করেছিলেন। বাবা ৭০০টাকা দিয়ে আসছিলেন। শেষমেশ চাকরিটা হয়নি কিন্তু মোট ১৭০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
আমার পাসপোর্ট এর জন্য একজন ডিএসবি পুলিশ তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার নাম করে ২০০০ টাকা দাবি করে। যা পরে ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
আমি জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গিয়াছিলাম, আমার কাছে দুই হাজার টাকা দাবি করছে।আমি তাকে বললাম ১০০ টাকার কাজ দুই হাজার কেনো?ইউনিয়ন সচিব আমাকে বললো করলে করেন না করলে যান এখান থেকে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জন্য আপ্লায়ের কপি জমা দিতে গিয়ে ১০০০টাকা দাবী পরে ৯০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়
পৈতৃক সম্পত্তি নামজারী করার জন্য দালাল, ইউনিয়ন ভূমি কর্মচারী ও ভূমি সহকারী কমিশনারের কথা বলে ঐ টাকা ঘুষ দিতে হয়