মামলার তদন্ত রিপোর্টের বিষয়ে পিবিআই অফিসার
আমার উপর বিদেশ সংক্রান্ত একটি মিথ্যা মামলা হয়েছিলো, তদন্তকারী সংস্থা সিলেট পিবিআই অফিস , আমার কাছে যথেষ্ট পরিমান সাক্ষী প্রমান থাকা সত্যে ও আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা চাওয়া হলে আমি তা পরিশোধ করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার উপর বিদেশ সংক্রান্ত একটি মিথ্যা মামলা হয়েছিলো, তদন্তকারী সংস্থা সিলেট পিবিআই অফিস , আমার কাছে যথেষ্ট পরিমান সাক্ষী প্রমান থাকা সত্যে ও আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা চাওয়া হলে আমি তা পরিশোধ করি
আদালত এর রায়ের ভিত্তি তে জমির মালিকানা পাই, মিসকেস করে নিজের নামে নামজারি করার সময় এদিক সেদিক পেচিয়ে টাকা টা নেওয়া হয়। টাকা দিলে কাজ হয় না হইলে হয় না। এসি ল্যান্ড থেকে নিম্নতর সব্বাই ঘুস খোর।
শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর এমপিও ফাইলে স্বাক্ষর করাতে।
আমি একজন মেরীন ইন্জিনীয়ার।একটা বিদেশী জাহাজ কোম্পানীতে চকুরীত আছি।আমার পুরো সেলারী বাহামা থেকে আমার কোম্পনী ডলারে আমার এফ সি একাউন্টএ রেমিট করে।আমার ওয়েজআড়নার বন্ডে একটা ভাল এমাউনট বিনিয়োগ আছে।বরতমানে আমি একটা বাড়ী বানচ্ছি।আমি যখন জাহাজে ছিলাম আমার ওয়াইফ কে ইনকাম ট্যাক্স অপিস যোগাযোগ করতে বলে।আমার ওয়াইফ ও বাবা অফসে গেলে ঘুষ দাবী করে অডওটেের নামে।আামার ওয়াইফ দিতে অস্বীকার করলে, নানা রকম ভয়ভিতী দেখাতে শুরু করে।এক পরযায়ে আমার আয়কর উকিল আমাকে অনবোরড যোগাযোগ করে। কর ইনসপেক্টর ও আায়কর উকিল আমাকেও ভয়ভিতী দেখায়।আমাকে ঘুষ দিতে বাধ্য করে।আমি আামার উকিল ও আয়কর ইনসপেকটরের কথোপোকথন রেকরড করে রেখেছি।আমার ১০০ % হালাল ও কষ্টাজিত টাকা গুষ দেয়ায় এখনো আমি হরনমন্যতায় ভুগছি
Dhaka Bond customs North and South below service Gush List 01. new bond licenses gush TK 50,00000 to 10000000 02. General bond gusht tk 100000 to 1500000 03. licenses renewal and audit gush TK 2000000 to 3000000 04. Yearly Prappota gush TK 1500000 to 2000000 05. HS code ammendment gush TK 50000 to 200000 06. Interbond Trasfer for subcontcat gush TK 50000 to 100000 07. into bond bond registerd entry ARO gush monthly 10000 to 20000 08. section clark per file put up TK 10000 to 20000 09. Any letter despass section gush TK 2000 to 5000 10. Computer section any online entry gush TK 3000 to 10000 11. Pion eash section gush TK 1000 to 5000 if we do not pay this amount they hold and give us pain.
সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া দলিল সম্পূর্ণ করতেছিলো না । ৪০০০০ টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ করেছি ।
জমি রেজিস্ট্রির খরচ হিসেবে মিথ্যা বলে তারা কৌশলে এ টাকা নিয়েছে। রেজিস্ট্রি খরচ এতো বেশি নয় বলার পরে বলে আমরা আপনার টাকার হিসেব দিব। কিন্তু পরবর্তীতে অনলাইনে উল্লেখিত টাকার হিসেব দিয়ে অতিরিক্ত টাকা তারা অনেকটা জোর করেই রেখে দেয়।
জিপির হিসাবে গড়মিল ছিল। এটি সমন্বয় করা ও সঠিক হিসাব মেলানো এর জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল। টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই কাজ হবে না। না হয় আমাকে ঢাকা যাওয়ার জন্য বলা হয়েছিল।
কক্সবাজার থেকে ঢাকা বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকেট এর কোন সিট নেউ।। ষ্টেশন মাস্টার এর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে টিকেট নিতে হয়।। তার পিয়ন এসে বকশিস চায়।। এবং দিতে হয়।। অনলাইন করে কি সুবিধা হল?? বিড়ম্বনা আর বিড়ম্বনা।। এক্সট্রা বগি দিলে সিট প্রতি ভাড়া ১০০০ টাকা বেশী দিতে হয়।। কেন সরকারকে টাকা বেশি দিতে হবে তার সুনির্দিষ্ট কোন কারন নেই।। কে জবাব দিহি করবে??
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েচিলাম। সব কাগজ পএ আমি ঠিকঠাক করে অফিসে নিয়া যাই জমা দিতে। আমার সব কাগজপএ এই চিলো। কিন্তু অফিসসার আমার কাগজপত্র বারবার লাল দাগ দিয়ে বাহির করে দেয়। আমি আবার নতুন করে কাগজ করে আনি। এই ভাবে দুইদিন গুরি কাজ হয় না। লাষ্টে উপায় না পেয়ে দালাল এই কথায় রাজি হই এবং তাকে ২০০ শ দেই। দেখলাম সে গিয়া সেই ব্যাক্তি গিয়া হাত বাড়িয়ে আমার ডকুমেন্টস দিতেই নিয়েনিচে৷
আমি বিদেশ আসার জন্য মেডিকেল করতে যাই। মেডিকেল করার সব খরচ দিয়ে চলে আসি৷ এবং সব সিম্পল তারা রাখে। এবং ৮/১০ দিন পর আমাকে এজেন্সি থেকে আমাকে ফোন দিয়ে বলে ভাই ১০ হাজার টাকা দিতে হবে আরও না হলে আপনার মেডিক্যাল রিপোর্ট আনফিট আসবে৷ আমি অনেক জোরাজোরি করে বলি ভাই আমার সমস্যা তাকলে আনফিট আসলে তো আর কিচুই করার নাই৷ তখন তারা বলে ভাই এটা দিতে হয় না হলে যাইকিচু করেন আনফিট হবেন। পরে আর বিদেশ যেতে পারবেন না৷ আরও বেশি খরচ হবে আনফিট হলে৷ আমি ভয়ে এবং উপায় না পেয়ে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দিই৷ এবং ওই মেডিক্যালে ফোন দিয়ে বলি আমার কাছ থেকে এজেন্সি ১০ হাজার টাকা নিয়েচে কারন আপনারা তার কাচে চাইচেন তাই৷ তারা এটা শুনে বলে না আমরা চাইনি৷ কিচুকন পর এই আমার দালাল আমাকে ফোন দিয়ে বলে ভাই আপনি কেন মেডিকেলে অভিযোগ দিলেন।
২০২৩ সালে এক সাথে ৩টি পাসপোর্ট করতে দেই। তখনকার সময় কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস এমন একটি সিস্টেম ছিল নিজে আবেদন করলে এই আবেদন পাসপোর্ট অফিস গ্রহণ করতো না। এমন হইছে ২ বার নিজে আবেদন করে ও নানান প্রশ্ন নানান ভুল ধরার মতো সিস্টেম করা ছিল। ওদের নিদিষ্ট কিছু দলালের মাধ্যমে যদি আবেদন করা না হতো তা কখনো তারা গ্রহণ করতো না। যদি গ্রহণ করতো ধাপে ধাপে হয়রানি শিকার হওয়া লাগতো। তাদের নিদিষ্ট কিছু সটকোড কিংবা কোন একটা সংকেতিক সংখ্যা মাধ্যমে হয়রানি ছাড়া পাসপোর্ট করা যেত। আবেদন ফি ছাড়া এডিশনাল টাকা ছাড়া পাসপোর্ট করাটা খুবই কম ছিল। যে কোন অয়ে তে তাদের টাকা দেওয়াই লাগতো।
আমি পাসপোর্ট বানাবার জন্য আবেদন করি তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় তদন্ত করতে যে পুলিশটি আসে চা পানি খাবার জন্য এক হাজার টাকা চায়।
বিনা কারনে আমাকে মামলা দিছিলো ফগ লাইটের জন্য তখন বিকাল ছিলো আর ফগ তো হাইয়োতে জালানো নিয়ম আছে আর আমার গাড়িটা R15v3 এটা তে ফগ ছাড়া দেখা যায় না ৩০০০ টাকার মামলা দিছিলো
প্রবাসে থাকা কালীন বাংলাদেশী পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য। বাড়ি থানা থেকে ২০০ গজ দুরে তারা খুঁজে পাইনি বলে।
আমি জমিটি বিক্রি করে ফেলেছিলাম এমত অবস্থায় জমি মিউটেশন ছাড়া রেজিস্ট্রি দেওয়া যায় না। আমি ভূমি অফিসে যাওয়ার পর সে আমাকে ৮ হাজার টাকার প্রস্তাব দেয় কিন্তু সাইনবোর্ডে লেখা ১১৭০ টাকা আমি বললাম আপনি এত টাকা চাচ্ছেন কেন সে বললো এর নিচে হবে না তারপর আমি তাকে এই মর্মে কাজটি দেই কিন্তু এক সপ্তাহ পরে ফোন দিয়ে বলে যে এই কাগজগুলো ফটোকপি ফটোকপি দিয়ে হবে না আমাকে আরো টাকা দাবি করে পরে সে আরো ৪ হাজার টাকা নিয়েছে আমার কাছে মোট ১২০০০ টাকা নিয়েছে ভূমি অফিসের দুর্নীতি কেউ বন্ধ করতে পারবে বলে মনে হয় না আমার বাংলাদেশের জন্মে কি পাপ করলাম ভাবলে কষ্ট লাগে আরো কিছু কথা লিখতে পারলাম না কারণ এখানে বেশি কিছু লেখা যাচ্ছে না প্রথমে সব বিস্তারিত লিখেছিলাম পরে দেখি আর লেখা যাচ্ছে না হয়তো লেখার সংখ্যা কম।
ভোগান্তির আরেক নাম বৈদ্যুতিক প্রিপেইড মিটার। যা নিয়ে DPDC অফিসে চলছে রমরমা বানিজ্য। আমার আগের প্রিপেইড মিটার এর ব্যাটারি শেষ হয়ে গিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এই মিটারের কোন সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট DPDC অফিসে জানানোর নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী তাদের জানানোর পর তারা তাদের বিভৎস রুপ দেখাতে শুরু করে। ব্যাটারি না লাগিয়ে মিটার পরিবর্তন করে নতুন মিটার নিতে বাধ্য করে। কারণ এই নতুন মিটার কোম্পানি তাদের কমিশন দিচ্ছে। এরপর প্রতিটা টেবিলে ঘুষ বানিজ্য.... আবেদন, অনুমোদন, মিটার ক্রয়, মিটার লাগাতে আসা সার্ভিসম্যান.... সবার দাবি ১০০০/ ১৫০০।এর সাথে তো মিটারের দাম আছেই। ডিপিডিসির কুত্তাগুলা এই মিটারের ডিলারশিপ নিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তাদের কাছ থেকে ই চড়া দামে মিটার কিনতে হয়। আগের মিটার গুলোতে থাকা টাকা মেরে দে
আমি বিদেশ আসব তাই পুলিশ ভেরিফাই সাটিফিকেট এর জন্য কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানায় আমার সব ডকুমেন্টস নিয়া যাই কিন্ত পুলিশ আমার ডকুমেন্টস জমা নিতে চায় না৷ পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিচি আর ৭ দিন পর সাটিফিকেট পাইচি৷ পুলিশ আমাকে বলে বেড়া ২৫০০ শ নিচে আমরা এই কাজ করি না৷
নামজারি করতে গেলে সাত হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি 7000 টাকা জমা দিয়ে নাম্বারি করার জন্য জমা দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি ভ্যাট (VAT) সংক্রান্ত অনলাইন পেমেন্ট করার জন্য নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গেলে প্রথমে আমাকে অনলাইন পেমেন্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ, আমার ভ্যাটের কার্যক্রম/ফাইল অনলাইনে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে আমাকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করা হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন সিস্টেমে যাওয়ার সুযোগ থেকে বিরত রাখা হয়। পরবর্তীতে আমি বিষয়টি নিয়ে বারবার চাপ প্রয়োগ ও যোগাযোগ করার পর তারা আমার ভ্যাটের কার্যক্রম অনলাইনে করার ব্যবস্থা করে দেয়। তবে এই অনলাইন সুবিধা করে দেওয়ার বিনিময়ে আমার কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা নেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে আমি তাদের দাবিকৃত টাকা প্রদান করি, যাতে আমার ভ্যাটের কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হয় এবং আমার ব্যবসার স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো সমস্যা না হয়।