নীলফামারী জেলা জজ আদালত
মামলার কাগজ পত্র জমা দিতে গেলে চা খাওয়ার টাকা, ডেট জানতে গেলেও টাকা। বলতে ওদের সাথে কথা বলতে গেলেও টাকা চায়। যেদিন মামলা জন্য যাইতে হয়। সেদিনে দিতে হয়। সবার কাছে থেকে নেয় ওপেন। ওরা অলিখিত নিয়ম করে রাখছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মামলার কাগজ পত্র জমা দিতে গেলে চা খাওয়ার টাকা, ডেট জানতে গেলেও টাকা। বলতে ওদের সাথে কথা বলতে গেলেও টাকা চায়। যেদিন মামলা জন্য যাইতে হয়। সেদিনে দিতে হয়। সবার কাছে থেকে নেয় ওপেন। ওরা অলিখিত নিয়ম করে রাখছে।
আমি কয়েক মাস আগে একটি পুরাতন বাইক কিনেছি তার নাম পরিবর্তন করা হয়নি তাই ট্রাফিক সার্জেন্ট(আন্দরকিল্লা মোড়ে কর্মরত) আমাকে ধরে এবং মামলার ভয় দেখিয়ে ১৭০০ টাকা দাবি করে পরে আমার থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে আমাকে ছাড়ে। উক্ত জায়গায় প্রতিনিয়ত বহু লোক থেকে এইভাবে ঘুষ খাচ্ছে তারা।
আমার এসএসসি সার্টিফিকেট এর নাম সংশোধন এর জন্য স্কুল এ গিয়েছিলাম এন্ড সেখণ্ঠেকে বলসিল যে টোটাল 1500৳ লাগবে টি তে এ দি ছিলাম বা যখন । বায় আসে অনলাইন ব্যাংক মনে রেসিপিটি পেলাম তখন সেখানে উল্লেখ ছিল 1000৳ । তার মানে বাকি 500৳ ঘুষ নিষে
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করা, কিন্তু সঠিক বি আর টি এর নিবন্ধন হয় লাইসেন্স করার জন্য লানার করছিলাম, কোন দালালের মাধ্যমে করবো না বলে সঠিক নিয়মে পরীক্ষা দিলাম কিন্তু আমার নিজস্ব মোটরসাইকেল ধারা যে দালাল চক্রের প্রার্থী ছিল তারা উত্তীর্ণ হয়েছে অথচ তাদের চেয়েও ভালো পরীক্ষা দেয়ার পরেও আমি তিন তিনবার অকৃতকার্য হয়েছি।পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে বিআরটিএর মাস্টার রোলের কর্মচারী ধারা ৯৫০০ টাকায় বিনা পরীক্ষায় তিন্ন হলাম।
পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম। শরীয়তপুরের পাসপোর্ট অফিসের সহকারি অফিসার সবকিছু দেখে বলল এগুলো সমগশোধন হবে না। এর পরে আমি আমার প্রয়োজনের কথা বললাম এবং তাকে অনেক রিকুয়েস্ট করার পরে সে বলল আপনাকে ১ লক্ষ টাকা ফি দিতে হবে তাহলে আমি ৩ দিনের মধ্যে সব তথ্য ঠিক করে দিব।
দাখিলা,রশিদ টাকা পাঠান
জিডি বাহির থেকে করানোর পরে এপ্রোভ করার সময় সিসি ক্যামেরার বাহিরে এসে আমাকে বুজিয়ে দিয়ে বলে চা নাস্থা খাব
রংপুরের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারমিডিয়েট পড়া শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তলনের সময় পূনরায় ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার বাতিল করে দিয়েছিল। আমার এই অভিযোগ বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজকে নিয়ে - ধন্যবাদ”
টাকা না দিলে কাগজপত্র করে দিবে না অথচ বিবাদীর কোন অভিযোগ ছিলো না।
থানায় বিচারের নামে হয়রানি, হয়ে গেছি দেখিয়ে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থানায় সব সময় মানুষকে হয়রানি করে এটা এখানে ওপেন সিক্রেট সবাই জানে
বিয়ের কাবিন নামা অন লাইন করতে কাজী সাহেবের কাছে গেলে, তিনি সরা সরি সাত হাজার টাকা দাবী করেন, কুনো ছাড় দেন নি, পুরো সাত হাজার নিয়ে, কাবিন অনলাইন করে দিয়েছেন। কাজী সাহেবের নাম —।
ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার হয়। অনলাইন আবেদন করার পর রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানা থেকে কল দেয়। পরবর্তীতে আমি দরকারি কাগজপত্র নিয়ে গেলে। একজন দায়িত্ব রত পুলিশ আমার কাছে চা নাস্তার খরচ হিসেবে উক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে কাজে দেরি হবে বলে জানিয়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমার উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়।
আমি একজন প্রবাসী আমি আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া জমির মিউটেশন করতে আবেদন করেছিলাম কিন্তু আমার জমির কাগজপত্র সব কিছু সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার কাছে ঘুষ দাবি করে, আমার থেকে টাকা ও নিয়েছে ,টাকা না পেয়ে আমার অন্য ২ টা আবেদন নামঞ্জুর করেছে, আবার আবেদন করলে ও , টাকার জন্য এখন ও ঝুলে আছে । আর ঘুষটা যে নিয়েছে তার কাছেই নাকি অভিযোগ দেয়া লাগে শুনেছি….
আমি একজন ঠিকাদার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাজ করি। চলিত বিলের জন্য তাদের নির্ধারণ করা টাকা আমাকে দিতে হয়, প্রথম দিতে চাই নাই দেখলাম তারা বিল দিনতেছে উল্টো কাজের শুধু ভূল ধরে, কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, কাজ বাদ দিয়ে দিবে বলেও হুমকি দেয়। চলমান কাজ চালাতে খুব কষ্ট হয়, যে এলাকার কাজ ওই এলাকার বাসিন্দারা ঝামেলা করে, তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে বিল পাশ করাই, কিন্তু পরে দেখি বিলের চেক দেওয়ার ব্যাংকে রিজেক্ট হইছে, কারন জানতে দপ্তরে গেলাম তারা চেক ক্যাশ করার নোট দিয়ে ভুলে গেছে তাই আপনার চেক ক্যাশ হয় নাই, এখন কিছু খরচ দেন তাহলে নোট রেডি করে আমাদের শাখায় দিয়ে দিবে, আমি রাজি হলাম না, ১ সপ্তাহ ঘুরেও কাজ হল না, তাই বাধ্য হয়ে কিছু খরচ দিলাম, এখন ২ দিনে ২ বার চেক ডিসপ্লে করলাম কিন্ত টাকা আর ক্যাশ হয় না
আমার ভাগিনার শিক্ষানবিশ (Learner/Apprentice) ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্যে আমি বিভিন্ন স্বীকৃত ড্রাইভিং স্কুলে যোগাযোগ করি । সব জায়গা থেকে আমার কাছে সরকারি ফী ছাড়াও বাড়তি টাকা দাবি করা হয় । ৬০-৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয় আর বলা হয় যে সরকারিভাবে এখন এই প্রক্রিয়া বন্ধ আছে । আমি যদি ৬০-৭০ হাজার টাকা দেই তাহলেই আমি এইটা দ্রুত সময়ের মধ্যে পাবো । অন্যতায় ৭-৮ মাস সময় লাগবে । অবশেষে আমি ৬০ হাজার টাকা ঘোষ দিয়ে ওদের মাধ্যমে এইটা করতে বাধ্য হই ।
এই খানে একজন ঠিকাদার কাজের ওয়ার্ক ওয়াডার পেতে হলে অফিস খরচের নামে ইন্জিনিয়ার এর কমিশন সহ কাজের উপর থেকে ৩%থেকে ৫% পর্যন্ত কমিশন দিতে হয় এবং কাজের চেক নেয়ার সময় প্রতি চেক এর সময় পার্সেন্টিস দিতে হয়।2%।
নাম ও জন্মতারিখ সংশোধন
২০১৯সালে লারনার করিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায়, পরীক্ষায় পাস করার পরে দেখা করতে বলে ।আফিসে গেলে বলে আপনি পাস করছেন তবে ব্যাংকে আপনি টাকা জমা দিলে হবেনা, ব্যাংকে আমাদের লোক আছে , ও আমাদের একটি নির্দিষ্ট সংকেত ছাড়া কোন কাজই হবেনা। আপনার সারাজীবন ঘুরলেও হবেনা , টাকা আমার কাছে দেন আমাদের অফিসের লোক গিয়ে জমা দিয়ে আসবে।আপনি এক সপ্তাহ পরে এসে ফিংগার দিয়ে লাইসেন্স নিয়ে যাবেন। এক সপ্তাহ পর অফিসে গেলে বলেন, আমাদের মেইন অফিসারের ট্রান্সফার হয়েছেন, নতুন অফিসারের জয়েন্ট না হলে লাইসেন্স দেওয়ার যাবেনা। আপনার ফোন নাম্বারে আমি ফোন দিয়ে জানাবো। দীর্ঘ দিন হয়ে যায় আর আমাকে ফোন না দেওয়ায় আমি ওনাকে ফোন দেই কিন্ত তিনি বিভিন্ন ব্যস্ততা ও নিজের সমস্যা দেখায়। আবার ও আমি অফিসে যাই এরকম আরো ৫০ থেকে৭০ জন।
When I submitted all required documents then started harassing. Every day asked new document, Requested marriage certificate, father's death certificate and father's NID, these were never listed as required documents for passport renewal. Then took 1500 and didn't took any documents.
বন্ড অডিট চলাকালীন সময়ে আমাদের থেকে টাকা দাবী করা হয়। অন্যথায় আমাদের ফাইল ঘেটে ভুল-ভ্রান্তি বের করে বড় অংকের দাবীনামা দেওয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়। এরপর তাদের সাথে আমরা না পেরে টাকা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু তারপরে ঘটে গেল আরেক বিপত্তি, পুরো টাকা এ.আর.ও কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়, আর.ও তার পাওনা বুঝে পান৷ কিন্তু ডিসি, জে.সি-কে টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করে বসেন৷ এই নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার আগেই ডিসি বলে বসেন কোম্পানি থেকে কোন টাকা দেওয়া হয়নি৷ আর এই টাকা না দেওয়ার কারণে জেসি আবার আমাদের অডিটের কোয়ারি দেন, এরপর একটি কমিটি গঠন করেন পুনরায় অডিট এবং ফ্যাক্টরি ভিজিটের জন্যে। উক্ত কমিটিও আবার প্রায় ২ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং আমরা প্রত্যাক্ষান করাই আমাদের নামে জোরপূর্বক মোটা অংকের মামলা দেওয়া হয়।